পূর্ববর্তী সংবাদ
বৈশাখী বাণিজ্যের প্রস্তুতিটার্গেট ১৫ হাজার কোটি টাকানামিদামি ফ্যাশন হাউজ, বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল ও বিপণিবিতান থেকে শুরম্ন করে ফুটপাতের দোকানেও লেগেছে বৈশাখী পণ্যের রঙিন ছোঁয়া। কদিন বাদেই ঢাকাসহ সারাদেশে জমে উঠবে সার্বজনীন এ উৎসবকেন্দ্রিক নানা পণ্যের বেচাকেনাসাখাওয়াত হোসেন কদিন পরই বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। তাই বিভিন্ন শপিংমল ও বিপণিবিতানে লেগেছে বৈশাখী পণ্যের রঙিন ছোঁয়া। ছবিটি রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে তোলা -ফোকাস বাংলার ফাইল ছবিদরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। তাই বাঙালিয়ানা স্যালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি-ফতুয়া, শাড়ি-চুড়ি, গহনা, মাটির তৈজসপত্রসহ নানা কারূপণ্য তৈরিতে ব্যস্ত্ম সময় পার করছেন এসবের কারিগররা। নামিদামি ফ্যাসন হাউজ, বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল ও বিপণিবিতান থেকে শুরম্ন করে ফুটপাতের দোকানেও লেগেছে বৈশাখী পণ্যের রঙিন ছোঁয়া। কদিন বাদেই ঢাকাসহ সারাদেশে জমে উঠবে সার্বজনীন এ উৎসবকেন্দ্রিক নানা পণ্যের বেচাকেনা। যা অতীতের যে কোনো সময়ের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এমনটাই আশা করছেন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
সংশিস্নষ্টরা জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দা না থাকায় এ বছর বৈশাখী কেনাকাটা ১৬ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাদের টার্গেট নূ্যনতম ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা চলমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যে কোনো ইসু্যতে আকস্মিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিংবা প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ দেখা দিলে এ লক্ষ্যমাত্রায় বড় ধরনের পতন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
যদিও আড়ং, অঞ্জন্স, লুবনান, ইনফিনিটি, লা রিভ, ইয়েলো, ক্যাটস আই ও কে-ক্রাফটসহ দেশের খ্যাতনামা ফ্যাসন হাউসগুলোর দাবি, এবার যে তালে বেচাকেনা শুরম্ন হয়েছে তাতে যে কোনো পরিস্থিতিতেই গতবারের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বিক্রি বাড়বে। বিশেষ করে চলতি মাসের বেতনের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীরা বৈশাখী ভাতা হাতে পাওয়ার পর বৈশাখী বাজার এক লাফে চাঙ্গা হয়ে উঠবে। এছাড়াও বেশকিছু ফ্যাসন হাউজ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিশেষ ছাড় দেয়ায় সেখানকার বেচাকেনা এরই মধ্যে জমে উঠেছে বলে জানান তারা।
এদিকে বেচাকেনা নিয়ে বড় ফ্যাশন হাউজগুলো সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও সাধারণমানের বুটিক হাউস ও তৈরি পোশাক বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, উচ্চবিত্তের ক্রেতারা খ্যাতনামা ফ্যাশন হাউজ থেকে বাঙালিয়ানা বৈশাখী পোশাক কিনলেও মধ্যবিত্তদের অনেকেই ভারতীয় পণ্যের দিকে ঝুঁকেছে। সে কারণে মাঝারি মানের দোকানগুলোতে দেশীয় কাপড়ে তৈরি পোশাক কম বিক্রি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সুযোগ সন্ধানী দোকানিরা ভারতীয় থ্রিপিস, শাড়ি, পাঞ্জাবি ও গহনাসহ নানা কারূপণ্যে তাদের দোকান সাজিয়েছে। তাই বৈশাখে মোট যে অংকের বেচাকেনা হবে এর বড় একটি অংশে ভারতের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলে মনে করেন অনেকে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর গাউছিয়া, নিউমার্কেট, চাঁদনীচক, বসুন্ধরা শপিংমল, রাপা পস্নাজা ও ইস্টার্ন মলিস্নকাসহ অধিকাংশ মার্কেট ভারতীয় সিরিয়ালে ব্যবহৃত নানা নামের পোশাকে সয়লাব। সেগুলো সাজিয়েও রাখা হয়েছে দোকানের একেবারে সামনে। দোকানিরা জানান, স্টার জলসা ও জি-বাংলা সিরিয়ালের নারী অভিনেত্রীদের পোশাকের চাহিদা অনেক বেশি। তারা যে বস্নাউজ ব্যবহার করেন, যে শাড়ি পরেন ক্রেতারা সেগুলোই বেশি খুঁজছেন। দেশি পোশাক একটি বিক্রি হলে ভারতীয় পোশাক তিনটি বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছর পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে কাপড় ব্যবসায়ীদের নানা প্রস্তুতি থাকে। নানা রকম বৈশাখী পোশাকের কালেকশন তারা নিজেরা অর্ডার দিয়ে তৈরি করান। এ সময় দেশে তৈরি তাতের পোশাকও চলে অনেক। কিন্তু এবার বিক্রেতারা তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে ভারতীয় পোশাকের দিকে বেশি ঝুঁকেছে। কারণ দেশি যে কোনো পোশাক আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা বিক্রি করে সর্বোচ্চ চার-পাঁচশ টাকা লাভ করতে পারছে। অথচ সেই একই বিনিয়োগে ভারতীয় পোশাক বিক্রি করে সাত-আটশ টাকা লাভ হচ্ছে। চড়া রঙের দেশি কাপড় সহজেই বিবর্ণ হয়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তরা অনেকে বৈশাখী কেনাকাটায় কমদামি ভারতীয় সিল্ক, তষর ও মটকার প্রাধান্য দিচ্ছে। তবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অনেক তরম্নণীর পছন্দের তালিকায় এখনো দেশি পোশাকই রয়েছে।
এদিকে শুধু শপিংমল, মার্কেট কিংবা বিপণিবিতানেই নয়, অনলাইনেও ভারতীয় পোশাকের বেচাকেনা বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছে এ বাণিজ্যের সঙ্গে সংশিস্নষ্টরা। অনলাইনভিত্তিক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ফ্যাসন লাভারস্‌-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারহানা হাসান ঝুমা জানান, পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে তারা প্রথম দিকে বেশকিছু নামিদামি বুটিক শপ থেকে তৈরি করা থ্রিপিস, পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও শাড়ি তুলেছিলেন। কিন্তু তাতে ক্রেতার ততটা সাড়া পাননি। তবে চলতি সপ্তাহে তাদের কালেকশনে থাকা সিংহভাগ ইন্ডিয়ান শাড়িই বিক্রি হয়ে গেছে। এছাড়াও বিপুলসংখ্যক ক্রেতা সেখানকার থ্রিপিসের অর্ডার করেছে। দেশি পোশাকের চেয়ে ভারতীয় পোশাক বেচাকেনায় লাভও বেশি বলে জানান ফারহানা।
তবে অনলাইনে দেশীয় পোশাক বিক্রিও কম নয় বলে দাবি করেন বেশকিছু ফ্যাশন হাউজের কর্ণধাররা। তাদের ভাষ্য, পোশাক তৈরির বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এ দিকে গুরম্নত্ব না দেয়ায় অনলাইনে ভারতীয় পোশাকের কদর কিছু বেড়েছে। তবে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো এ দিকে দৃষ্টি দিলে পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যাবে। যে উদ্যোগ এরই মধ্যে কেউ কেউ নিয়েছে বলেও জানান তারা।
ক্যাটস আইয়ের পরিচালক রিয়াদ সিদ্দিকী জানান, ইন্টারনেটের প্রসারতার কারণে ফ্যাশন সচেতন প্রজন্ম ঝুঁকছে অনলাইন শপিংয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মতো খুঁজে নিচ্ছে প্রয়োজনীয় ফ্যাশন পণ্যের তথ্য। তাই ক্যাটস আই অনলাইনে পণ্যের বিপণনে নিয়েছে প্রযুক্তিগত নানা পদক্ষেপ। শুধু অনলাইনের জন্য থাকছে নানা পণ্যে ছাড় সুবিধাও। যাতে এরইমধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানান রিয়াদ সিদ্দিকী।
সরেজমিন ক্যাটস আইয়ের বেশ কয়েকটি ব্রাঞ্চ ঘুরে দেখা গেছে, লাল-সাদা পোশাকে সেজেছে এ ফ্যাশন হাউজের বৈশাখী আয়োজন। লিলেন, জর্জেট বা সুতি কাপড়ে তৈরি পোশাকে পাশ্চাত্য ঘরনার সঙ্গে দেশীয় পমাটিফ ও ডিজাইন বৈচিত্র্য রয়েছে। বৈশাখভিত্তিক অধিকাংশ পোশাক এমব্রয়ডারি বা স্ক্রিন প্রিন্টে সেজেছে।
অঞ্জন্সসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিকাশে মূল্য পরিশোধকারী ক্রেতাদের জন্য ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ক্যাশ-ব্যাক অফার চালু করেছে। এছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ডে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ পর্যন্ত্ম ছাড় দিচ্ছে। এতে বৈশাখী কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা জানান, একটা সময় পহেলা বৈশাখের উৎসব আয়োজন ছিল শুধু গ্রামকেন্দ্রিক। আর এর ওপর ভিত্তি করেই গ্রামীণ নানা অর্থনৈতিক কর্মকা-েরও বিকাশ হয়। অথচ এ উৎসব এখন শহুরে মানুষও যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি জোরদার হওয়ায় সেখানে এ উৎসবভিত্তিক কেনাকাটাও বেড়েছে। সবমিলিয়ে এ উৎসবভিত্তিক বেচাকেনা ধর্মীয় বড় উৎসবের কাছাকাছিতে পৌঁছেছে।
বাজার সংশিস্নষ্টদের ধারণা, বৈশাখ উপলক্ষে এবার শাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাকই বিক্রি হবে আড়াই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার। এর সঙ্গে গহনাসহ বিভিন্ন কারম্নপণ্য বিক্রির টার্গেট দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এসব কাজে যত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে তা হিসাব করা হলে এই অর্থনৈতিক কর্মকা-ের পরিমাণ আট থেকে দশ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।
একাধিক ফ্যাশন হাউজের উদ্যোক্তারা জানান, সারা বছর তাদের যে ব্যবসা হয় তার অর্ধেকই হয় রোজার ঈদে। পহেলা বৈশাখে হয় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। আর বাকিটা সারা বছর। তবে এবার বৈশাখী পণ্যের বেচাকেনা যে গতিতে শুরম্ন হয়েছে তাতে তা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে এনে দাঁড়াবে।
এদিকে বৈশাখী পণ্য বিশেষ করে এ উৎসবভিত্তিক বাঙালিয়ানা পোশাক বেচাকেনায় যে ব্যাপক জোয়ার লেগেছে তা রাজধানীর খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঢুঁ মারলেই অনায়াসেই টের পাওয়া গেছে। বুধবার আড়ংয়ের মগবাজার ও গুলশানসহ বেশ কয়েকটি আউটলেট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা দল ধরে বৈশাখী পাঞ্জাবি, ফতুয়া, স্যালোয়ার-কামিজ, শাড়ি-ওড়না কিনছে। কেউ কেউ এর সঙ্গে মিলিয়ে রম্নপার গহনা, ভ্যানিটি ব্যাগ ও জুতার খোঁজ করছে। পছন্দমতো জিনিস না পেয়ে কেউ কেউ অন্যত্র ছুটছে।
এদিকে বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে দই-মিষ্টিসহ বেকারিজাত পণ্যের বেচাকেনারও ধুম পড়বে বলে আশা করছেন সংশিস্নষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, এক সময় বৈশাখের প্রথম দিনটিতে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা হালখাতা খুলে নতুন বছরটিকে স্বাগত জানাতেন। কালের আবর্তে সে রেওয়াজ অনেকটা হারিয়ে গেলেও মিষ্টি দিয়ে দিনটি বরণ করতে ভোলেননি তারা। এ ছাড়া বৈশাখের দিন বিভিন্ন করপোরেট হাউজগুলো তাদের ক্লায়েন্টদের অফিসে মিষ্টি পাঠানোর নতুন রেওয়াজ চালু করেছে। তাই মিষ্টি তৈরির সঙ্গে জড়িত কারিগররা আগাম প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত্ম সময় পার করছে।
এদিকে প্রতি বছরের মতো এবারও শুভেচ্ছাকার্ড ও বাংলা নববর্ষের ক্যালেন্ডার উপহার দিচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এতে মুদ্রণশিল্পগুলোও ব্যস্ত্ম হয়ে উঠেছে। সংশিস্নষ্টদের আশা, বৈশাখভিত্তিক আয়োজনে মুদ্রণশিল্পে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন হবে।
ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে এখন কারখানা ও পাইকারি মার্কেটে বেচাকেনা তুঙ্গে। সেখানে বেশ কদিন আগে থেকেই খুচরা বিক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। তারা সেখান থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে নিজ নিজ দোকান সাজাচ্ছে। এ সময় খুচরা দোকানে যে বেচাকেনা হচ্ছে সেটি 'বাড়তি পাওনা' বলে অনেকে মন্ত্মব্য করেছেন। তাদের ভাষ্য, মূল বেচাকেনা শুরম্ন হয় শুক্রবার থেকে। যা চলবে পরবর্তী শুক্রবার অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত্ম।
সরেজমিন রাজধানীর কেরানীগঞ্জ, পুরান ঢাকার চকবাজার, উর্দু রোডসহ বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে কারিগররা বৈশাখী পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত্ম সময় পার করছেন। এর মধ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে খুচরা বিক্রেতারা এসে এসব কারখানায় ভিড় জমাচ্ছেন। তারা স্থানীয় মানুষের চাহিদা ও আর্থিক সঙ্গতি বিবেচনা করে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক কিনছেন।
এদিকে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের তৈরি মাটির বিভিন্ন তৈজসপত্র এবং কারম্নপণ্যের ব্যাপক চাহিদা বাড়ায় এর কারিগররা নাওয়া-খাওয়া ভুলে বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে ব্যস্ত্ম হয়ে উঠেছেন। রাজধানীর দোয়েল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বিপুলসংখ্যক মৃৎশিল্পী মাটির হাঁড়ি-টবসহ বিভিন্ন তৈজসপত্রে রংতুলির আঁচড় দিচ্ছেন।
বৈশাখকে ঘিরে এবার ৬০-৭০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট রয়েছে সংশিস্নষ্ট ব্যবসায়ী সমিতির। ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর তারা ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা করেছিলেন। তবে দিন শেষে সে টার্গেট ছাড়িয়ে গেছে। তাই এবার তারা কিছুটা বাড়তি টার্গেট নিয়েছেন। আর বিক্রেতারা সেভাবে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close