পূর্ববর্তী সংবাদ
গণভবনে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীবিএনপি নাকে খত দিয়ে আগামী নির্বাচনে আসবেএমন কোনো দৈন্যদশা সরকারের হয়নি যে আগাম নির্বাচন দিতে হবে পত্রিকা পড়ে দেশ চালাই না। দেশকে ভালোবেসে, মানুষকে ভালোবেসে দেশ চালাই সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার সম্পদ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের আগ্রহ নেই কেন? উনি কিসের ক্ষমা করলেন। ক্ষমা করেছেন না চাইছেন সেটা স্পষ্ট নয় শত ফুল ফুটতে দিন। যে ফুলটি সবচেয়ে সুন্দর সেটি বেছে নেবযাযাদি রিপোর্ট সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপ্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে। এবার আর তারা ভুল করবে না। আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রয়োজন নেই। আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো দৈন্যদশা সরকারের হয়নি যে আগাম নির্বাচন দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন। কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক একটি দেশে যে দলগুলো গণতন্ত্র চর্চা করে সেই সব দলের নির্বাচনে আসা কর্তব্য। তবে কে নির্বাচনে আসবে আর কে নির্বাচনে আসবে না সে ব্যাপারে সরকারের কিছু করণীয় নেই। বিএনপিকে নির্বাচনে আনা নিয়ে সরকারের করণীয় বিষয়ে বারবার প্রশ্ন না করার
আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, 'বিএনপিকে নির্বাচনে আনা নিয়ে যদি আপনাদের এতই আগ্রহ থাকে তাহলে তেলের টিন, ঘিয়ের টিন নিয়ে সেখানে যান। আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না।'
আগামী নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বরণ ডালা পাঠাতে হবে?' 'একবার তার (বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া) সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে আমন্ত্রণ জানিয়ে ঝাড়ি খেয়েছি, অপমানিত হয়েছি, আর ঝাড়ি খাওয়ার-অপমানিত হওয়ার ইচ্ছে নেই। যাদের মধ্যে ভদ্রতা জ্ঞান নেই, তাদের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছে নেই।' তিনি সাংবাদিকের উদ্দেশ করে বলেন, 'এই ধরনের ছোটলোকি পনা যারা করে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলেন কোন মুখে। আমার ওপর আপনারা এত জুলুম করেন কেন? কোন দল নির্বাচন করবে কোন দল নির্বাচন করবে না তা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত্ম। এখানে আমাদের কী করার আছে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জিয়াউর রহমানকে মেজর জেনারেল বানিয়েছেন আমার বাবা। বউ নিয়ে তিনি আসতেন। আমাদের বাসার নিচে মোড়া পেতে বসে থাকতেন। তাকে আপনারা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক বলেন। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন, এটাই বহুদলীয় রাজনীতি?' তিনি খালেদা জিয়ার সরকার প্রসঙ্গে বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, আহসানউলস্নাহ মাস্টারসহ অনেককে হত্যা করেছে। তারপরও দেশের স্বার্থে তাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, এবার নির্বাচনে না এসে আগুন সন্ত্রাস করলে জনগণই জবাব দেবে। জনগণই ব্যবস্থা নেবে।

ক্ষমা তো উনার
চাওয়া উচিত
আদালতে খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উচিত, জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।
জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিতে গিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া বলেন, সরকার জিয়া পরিবারের সঙ্গে বৈরী আচরণ করলেও তিনি শেখ হাসিনাকে 'ক্ষমা করে দিয়েছেন', প্রতিহিংসামূলক কিছুই তিনি করবেন না।
বিএনপি নেত্রীর ওই বক্তব্য নিয়ে এক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা বলেন, "উনি কিসের ক্ষমা করলেন সেটা হলো প্রশ্ন। ২১ আগস্ট আমি যে বেঁচে গিয়েছি সেই কথা বলছেন? ক্ষমা করেছেন না চাইছেন, সেটা স্পষ্ট না।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি যে আমাকে ক্ষমা করতে হবে? বরং তার উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
তিনি বলেন, সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরম্নদ্ধে কোনো মামলা করেনি। বরং খালেদা জিয়ার সরকারই তার বিরম্নদ্ধে এক ডজনের মতো মামলা দিয়েছিল।
খালেদার বিরম্নদ্ধে অধিকাংশ মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েই হয়েছিল- সে প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারা। সবাই উনার লোক। নয়জনকে টপকে সেনাপ্রধান করা হয়েছিল মইন ইউ আহমেদকে, বিশ্বব্যাংক থেকে ফখরম্নদ্দীনকে এনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। আর ইয়াজউদ্দিন তো ওনার ইয়েস উদ্দিন। সবগুলো ওই আমলের মামলা।"

সংবাদমাধ্যমের আগ্রহ নেই কেন
সিনিয়র এক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীকে করা প্রশ্নে উলেস্নখ করেন- বিদেশের টেলিভিশনে খবর বের হয়েছে সৌদি আরবে যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ পাচার হয়েছে, তার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দু'জন প্রধানমন্ত্রীর নাম রয়েছে পাকিস্ত্মানের নওয়াজ শরীফ, আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং লেবাননের সাদ হারিরির নাম এসেছে, আপনার সরকার এ বিষয়ে তদন্ত্ম করবে কিনা?
এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সৌদি আরবে যে খালেদা জিয়ার বিশাল সম্পদ, শপিংমল ইত্যাদি পাওয়া গেছে এটা তো আমরা কিছু করিনি। এটা তো বিদেশ থেকেই সংবাদ এসেছে। তবে আমি আপনাদের একটা প্রশ্ন করি, এখানে তো অনেকে সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক রয়েছেন, বিভিন্ন চ্যানেলও আছেন, কই আপনাদের তো এটা নিয়ে নিউজ দেয়ার বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখলাম না। রহস্যটা কি? আপনার কী ওখানে বিনা পয়সায় শপিং করার কোনও কার্ড পেয়েছেন? না হলে এ সংবাদটাও আপনারা দিতে পারলেন না।'
তিনি আরও বলেন, 'আচ্ছা আমি জিজ্ঞেস করি মনে করেন যদি এই ধরনের সংবাদ যদি আমার বা আমার পরিবারের বিষয়ে হতো আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। আমাদের অপরাধ কী, আমরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, আর খালেদা জিয়া সবকিছুতে মাফ পায় কেন, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে, জিয়াউর রহমান জাতির জনকের খুনিদের মন্ত্রী বানিয়েছে, মদদ দিয়েছে সেজন্যই কী তাদের সাতখুন মাফ? এ প্রশ্ন যেহেতু আমার মনে এসেছে সেহেতু আপনাদের কাছে প্রশ্নটা করলাম। আমি তো কোনও পত্রিকাকে দেখলাম না এটা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করতে, বিষয়টা কী?'
হঁ্যা, দুইটা মাত্র চ্যানেল এটা নিয়ে নিউজ দিয়েছে, আর দুইটা মাত্র পত্রিকা নিউজ করেছে আর বাকি পত্রিকাগুলো তন্ন তন্ন করে দেখতে হয়, নিউজ পাওয়া যায় না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এটা বাস্ত্মবতা, কেনও এত দুর্বলতা কিসের জন্য। এই যে টাকা পাচার, মানি লন্ডারিং। এটা যে খালেদা জিয়ার ছেলেরা করেছে এটা তো আমরা বের করিনি এটা বেরিয়েছে আমেরিকা থেকে, আরেকটা সিঙ্গাপুর থেকে, টাকা আমার কিছু ফেরত এনেছিলাম, এগুলো তো মিথ্যা না। আর সৌদিতে যেসব সম্পদ পাওয়া গেছে, আপনাদের মনে রাখা উচিত। একবার সংবাদ হলো সৌদিতে খালেদা জিয়ার ১৫০টি সু্যটকেস নিয়ে যাওয়া, তখন প্রশ্ন উঠলো সু্যটকেসে কী আছে? তো, সেটা আপনারা সবাই ভুলে গেলেন। এটাই আমার প্রশ্ন, এর মধ্যে অনেকগুলো পত্রিকা আমি অনুমতি দিয়েছিলাম, কিন্তু সেই পত্রিকাগুলোর এতটুকু সৎসাহস হলো না কেন এই নিউজগুলো দেয়ার।'
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'বাংলাদেশে কোনও প্রাইভেট চ্যানেল ছিল না, একমাত্র বিটিভি ছিল। কোনও সরকার সাহস পায়নি, একমাত্র আমি অনুমতি দিয়ে দিয়েছি। ৪৪টা চ্যানেলের মধ্যে অনন্ত্ম ২৩টা চ্যানেল এখনও চলছে, মাত্র ২টা চ্যানেল নিউজ দিয়েছে, বাকিরা মুখবন্ধ। সবার মুখে হয়তো সেরকম কিছু রসগোলস্না ঢুকিয়ে দিয়েছে, এজন্য সবাই মুখবন্ধ করে রেখেছে। আপনাদের প্রশ্নের আর কী জবাব দিবো বলেন আমাকে, এতটুকু সৎসাহস যদি না থাকে তবে আর কী উত্তর দেব, উত্তর দেয়ার কিছু আছে বলেও মনে করি না।'

পত্রিকা পড়ে দেশ
চালাই না
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি পত্রিকা পড়ে দেশ চালাই না। দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবেসে দেশ চালাই। বাবার কাছ থেকে যা শিখেছি, দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়; সে চিন্ত্মা করেই দেশ চালাই।'
তিনি বলেন, 'আপনারা দেশে-বিদেশে যান। এক সময় গেলে কী হতো, বাংলাদেশ শুনলে মনে করতো ভিক্ষা চাইতে আসছে, এখন সমীহ করে চলে। আগে যেখানে ছিল ভিক্ষুক জাতি, এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অন্ত্মত এই জায়গাটায় আপনাদেরকে এনে দিতে পেরেছি। বাংলাদেশটাকে এই জায়গাটায় আনতে পেরেছি। এটা হয়তো সবাই উপলব্ধি করবেন না, করেনও না। আর পত্রিকা মানে হচ্ছে সরকারের বিরম্নদ্ধে না লেখলে পত্রিকা চলেই না। তো পত্রিকা চালানোর ব্যবসাটাই মনে আছে। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, সেটা চোখে দেখেও দেখেন না। এতে তো আমাদের কিছু করার নেই। আর আমি তো পত্রিকা পড়ে দেশ চালাই না। দেশকে ভালোবেসে দেশ চালাই। বাবার কাছ থেকে যা শিখেছি, দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়, সে চিন্ত্মা করেই দেশ চালাই। সেজন্য সফলতাও আসে দেশের। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে একটা মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।'

সবচেয়ে সুন্দর ফুলটি বেছে নেবো
আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিটি আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে আওয়ামী লীগের দলীয় ভাবনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'শত ফুল ফুটতে দিন।'
এক সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, দেশে এখন নির্বাচনের মৃদুমন্দ হাওয়া বইতে শুরম্ন করেছে। প্রতিটি আসনে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রার্থিতার ঘোষণা দিচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের অবস্থান কী?
এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'একটাই কথা, শত ফুল ফুটতে দিন। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। এখানে অনেক নেতা আছেন দেশজুড়ে। তাদের সবাইকে সুযোগ দেয়া সম্ভব হয় না। তবে এদের মধ্য থেকে যে ফুলটি সবচেয়ে সুন্দর সেটি আমরা বেছে নেবো।'

জেরম্নজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী মানব না
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেরম্নজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির ঘোষণাকে মোটেও গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড ট্রাম্প) সুয়োমোটা নীতিতে যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা ইসলামি বিশ্বের কারও কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এর মাধ্যমে জাতিসংঘের রেজু্যলেশনকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এটা কেউই মেনে নেবে না।'
শেখ হাসিনার ভাষ্য, 'ফিলিস্ত্মিনের একটি অধিকার রয়েছে। এভাবে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়া মানে বিশ্বব্যাপী অশান্ত্মি সৃষ্টি করা। আমেরিকাই কিন্তু ইসরায়েলে শান্ত্মি প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছিল। কিন্তু এখন তাদের মাধ্যমেই আবার অশান্ত্মির পথে সবাইকে ঠেলে দেয়াটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এজন্য সব মুসলিম রাষ্ট্রকে একত্র হওয়ার আহ্বান জানাই। ফিলিস্ত্মিন যেন ন্যায্য অধিকার পায় সেজন্য মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ হবে, এটাই আমরা চাই।'
সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এ ছাড়া সেখানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, সরকারের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close