সাইফের আরও একটি জয়ক্রীড়া প্রতিবেদক বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা দৌড়ে এগিয়ে যেতে নিজেদের ঝুলিতে আরও তিনটি পয়েন্ট যোগ করলো সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে তারা ২-০ গোলের ব্যবধানে হারায় মুক্তিযোদ্ধাকে। এই জয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানেই থাকলো সাইফ স্পোর্টিং।
৬ মিনিটে ডান প্রান্ত্ম দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধার তৌহিদ। তবে শেষ পর্যন্ত্ম সাইফের রক্ষণভাগের কঠিন প্রতিরোধের মুখে গোলের সুযোগ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হন।
৪৬ মিনিটে ডান প্রান্ত্ম থেকে বা পায়ে কিক নেন মোহাম্মদ শিহাব। কিন্তু বল গোলরক্ষক গ্রিপে নেন সাইফ গোলরক্ষক পাপ্পু। ১৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দূরপালস্নার শট নেন তপু বর্মণ। বল চলে যায় মাঠের বাইরে। ২৮ মিনিটে নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় সাইফ স্পোর্টিং। ডান প্রান্ত্ম থেকে দারম্নণ একটি পাস বাড়ান স্যারিংহ্যাম। প্রায় ফাঁকা পোস্টে বলটা ঠেলে দিতেই পারলেই গোল। কিন্তু পা বাড়িয়েও বলের নাগালই পেলেন না জুয়েলরানা। ৩৬ মিনিটে প্রায় মাঝ মাঠ থেকে লং পাসে বক্সের কাছে বল পাঠান এট্যাকিং মিডফিল্ডার হেমন্ত্ম ভিনসেন্ট। ওয়েডসন বল পেলেও তাকে তিন দিক থেকে চেপে ধরেন মুক্তির ডিফেন্ডাররা। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থেকেই বিশ্রামে যায় উভয় দল।
৪৭ মিনিটে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে চালর্স অ্যাডওয়ার্ড শ্যারিংহ্যাম ডান পায়ের টোকায় জাল কাঁপান মুক্তিযোদ্ধার (১-০)। ৫২ মিনিটে ওয়ডসন লম্বা করে বল পাঠান পেনাল্টি এরিয়ায়। বল ক্রসপিচে লেগে ফেরত আসে। এরপর বল ধরতে যান মুক্তির গোলরক্ষক। কিন্তু বার বার তার হাত থেকে বল ফস্কে যেতে থাকে। অন্ত্মত তিনটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন সাইফের খেলোয়াড়রা। সব থেকে বড় ভুলটা ছিল জুয়েল রানার। কেননা পোস্টের খুব কাছেই বল পেয়েছিলেন তিনি সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেই নিশ্চিত দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে পারতো সাইফ স্পোর্টিং। পরের মিনিটে তপু বর্মণের লম্বা ফ্রি কিক অল্পের জন্য জড়ায়নি মুক্তির জালে। ৫৬ মিনিটে বক্সের খুব কাছে ফ্রি কিক পায় সাইফ। ওয়েডসনের শট মুক্তির রক্ষণ দেয়ালে লেগে ফেরত আসে। ৫৯ মিনিটে বিপদজনক স্থানে তৃতীয় ফ্রি কিক পায় সাইফ স্পোর্টিং। বলা যায় নিশ্চিত গোলের সুযোগ। কিন্তু স্যারিংহ্যামের শট চলে যায় বারের অনেক উপর দিয়ে। ৬৭ মিনিটে বা প্রান্ত্ম থেকে লম্বা পাস দেন ওয়েডসন। বক্সে লাফিয়ে উঠে হেড ও নেন স্যারিংহ্যাম। কিন্তু ততটা জোড়ালো হেড না হওয়াতে খুব সহজেই দলকে বিপদমুক্ত করেছেন মুক্তি গোলরক্ষক। ৭৩ মিনিটে ডান প্রান্ত্ম দিয়ে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে একটা পাস বাড়িয়েছিলেন জুয়েলরানা। তবে বক্সে বল পেয়ে তলায় মেরে সুযোগটা হাতছাড়া করেন ওয়েডসন। ৮০ মিনিটে ডান প্রান্ত্ম থেকে ওয়েডসনের ফ্রি কিক। বক্সে নিচু হেড করেন স্যারিংহ্যাম। তবে তাল সামলে উঠতে না পেরে পড়ে যান মাটিতে। জোড়ালো হেড না হওয়াতে বল আয়ত্বে নিতে সমস্যা হয়নি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের।
ইনজুরি টাইমে (৯০+৩) মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে দুরন্ত্ম গতিতে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে মুক্তির বক্সে ঢুকে পড়েন মতিন মিয়া। গোলরক্ষক তখনো পেছনে পড়ে আছেন। ফাঁকা পোস্টে বল ঠেলে দিয়ে দলকে আনন্দে ভাসান সাইফ স্পোর্টিংয়ের এই তরম্নণ ফরোয়ার্ড (২-০)। শেষ পর্যন্ত্ম এই ব্যবধানেই তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেশাদার লিগের নবাগতরা।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close