তিনি আমার অভিভাবক ছিলেনফেরদৌসী রহমান নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজা বেগম আর আমাদের মধ্যে নেই। খবরটি শোনার পর নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি। চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়েছে। সব মানুষকেই একদিন চলে যেতে হবে। এটা চিরন্তর সত্য। কিন্তু ফিরোজা আপার বেলায় তা ভাবতে কষ্ট হচ্ছে। ফিরোজা আপার সঙ্গে আমার পরিচয় পাঁচ দশক আগে। আমার বাবা (আব্বাসউদ্দীন) ও আমার সঙ্গে গান নিয়ে তার অনেক আলাপ হতো। সেই সুবাদে আমি তার সানি্নধ্য লাভের সুযোগ পেয়েছি। তার গাওয়া অনেক গানই আমি পরে গেয়েছি। সেগুলো নিয়ে তার সঙ্গে আমার অনেক কথা হতো। বেশ কয়েক বছর আগে ফিরোজা আপার সঙ্গে আমার পাকিস্তানের করাচিতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। টিকিট থেকে শুরু করে থাকা, খাওয়া-দাওয়াসহ সবকিছুতে তিনি আমাকে অভিভাবকের মতো সহযোগিতা করেছিলেন। দুই-তিন বছর ধরে ফিরোজা আপা অপরিচিত কিংবা অন্য কারো ফোন তেমন একটা ধরতেন না। কিন্তু আমার ফোন কখনো তিনি এড়িয়ে যাননি। বরং নিজেই ফোন করে আমার সঙ্গে কথা বলতেন। দীর্ঘ সময়ের আলাপচারিতায় আমরা গান ও ব্যক্তিজীবনের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতাম। তবে আমাদের মধ্যে অধিকাংশ কথাই হতো নজরুলের গান নিয়ে। আমি শিল্পীদের পক্ষ থেকে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close