'হ্যাশট্যাগ মি টু': নানা মুনির নানা মত!যাযাদি ডেস্ক কেউ বলছেন, গোটা ব্যাপারটা নিয়ে বড্ড 'বাড়াবাড়ি' হচ্ছে! কেউ আবার নিজের দোষ ঢাকতে খবর ছেপে বেরম্ননোর আগেই 'আমি কিছু করিনি' বলে গলা ফাটাচ্ছেন। কেউ আবার পুরস্কার নেয়ার পর জানা যাচ্ছে, হার্ভি ওয়াইনস্টেইনের মতো 'বড়' অপরাধী না হলেও তিনিও এক নৌকার যাত্রী।
'হ্যাশট্যাগ মি টু'- গত বছর শব্দ দুটি তোলপাড় ফেলেছিল গোটা দুনিয়ায়। যে আন্দোলন ছাপিয়ে এসেছে এ বছরেও। নারীর ওপর যৌন হেনস্থার প্রশ্নে একজোট হয়েছে হলিউড। বিতাড়িত হয়েছেন নামি প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টেইন। সম্প্রতি গোল্ডেন গেস্নাব পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও ছায়া ফেলেছে সেই প্রতিবাদ। যার সমর্থক হিসেবে দেখা গেছে হলিউডের বাঘা বাঘা শিল্পীকে। গত বুধবার আবার অন্য বিতর্ক তৈরি করেছেন বর্ষীয়ান ফরাসি অভিনেত্রী ক্যাথরিন দেনেউভে। মি টু আন্দোলনের কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। তার মতে, এই আন্দোলনের ঠেলায় পুরম্নষরা তো ফ্লার্ট করলেও অন্যায্যভাবে শাস্ত্মি দেয়া হবে!
দেনেউভে তার আপত্তি নিয়ে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। যাতে সই করেছেন ৯৯ জন নারী। অভিনেত্রী-সাংবাদিক-পর্নো তারকা, কে নেই তাতে। চিঠির মোদ্দা কথা, এই আন্দোলনের মাধ্যমে ব্যক্তিপরিসরের অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ্যে এনে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে। ইদানীং যৌন হেনস্থার হইচইয়ে যে 'নতুন নীতিবাদ' জেগে উঠেছে, তা নিয়ে সাবধানবাণী রয়েছে চিঠিতে। দেনেউভে লিখছেন, 'ধর্ষণ অপরাধ। কিন্তু কেউ যদি কারও মন জয় করার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তা হলে সেটা তো অপরাধ নয়।' এই চিঠি একটি ফরাসি দৈনিকে প্রকাশিত হওয়ার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় ফ্রান্সজুড়ে। ৩০ জন নারীবাদী এই চিঠির প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করতে বলেছেন।
যৌন হেনস্থার এই বিতর্কের মধ্যে মার্কিন অভিনেতা মাইকেল ডগলাস আবার তার বিরম্নদ্ধে অভিযোগ ওঠার আগেই তড়িঘড়ি হেনস্থার দায় এড়িয়েছেন। এই প্রবীণ অভিনেতার বক্তব্য, তার বিরম্নদ্ধে ওঠা অভিযোগের কাহিনী ছাপার জন্য দুই প্রকাশকের মধ্যে লড়াই চলছে। তাই বিষয়টা 'ভুল' দিকে এগোনোর আগে তিনিই এই বক্তব্যের রাশ টানতে চান। নিজেকে মি টু আন্দোলনের সমর্থক দাবি করে ডগলাস বলছেন, 'সবসময় নারীদের পাশে থেকেছি। তবে অভিযুক্ত হওয়ার পর সেই ব্যক্তিকে যদি কিছু বলার সুযোগ দেয়া না হয়, সেটা সত্যিই আমার কাছে উদ্বেগের।' ছেলেমেয়ে, স্ত্রী ক্যাথরিন জিটা জোন্স- পরিবারের অস্বস্ত্মিতেও তার চিন্ত্মা বাড়ছে বলে জানান এই অভিনেতা। অভিযোগকারী নারী তারই এক সাবেক কর্মী। ডগলাসের দাবি, 'হয়তো কখনো রঙিন কথাবার্তা বলেছি। কিন্তু যে মাত্রার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা অকল্পনীয়।'
আরেক অভিনেতা সদ্য গোল্ডেন গেস্নাব পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তারপরই তার বিরম্নদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ এনেছেন বেশ কয়েক জন নারী। জেমস ফ্রাঙ্কো নামে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনেতাও মি টু আন্দোলনের পক্ষে। গোল্ডেন গেস্নাবে 'টাইমস আপ' পিন-ও পরেছিলেন। তার মন্ত্মব্য, 'আমাকে নিয়ে টুইটারে অনেক কিছু লেখা হচ্ছে। সেসব একেবারেই ঠিক নয়। তবে অনেকেই অভিযোগ জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন এখন। আগে সেটাও হতো না। এটা ভালো। এতে আমার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।' সংবাদসূত্র : এবিপি নিউজ
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin