পরবর্তী সংবাদ
সংবাদ সংক্ষেপযেসব খাবারে
বাড়বে দৃষ্টিশক্তি

দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে, চোখের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কিছু বিশেষ খাবার আছে। চলুন তা হলে জেনে নিই, চোখের সমস্যা দূরীকরণে বা দৃষ্টিশক্তির কার্যকারিতা বাড়ানোর উপযোগী কিছু খাবার সম্পর্কে।
১. দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে আমলকীর জুস খান। বাজার থেকে টাটকা আমলকী কিনে এনে, জুস করে রোজ ২০ এমএল করে খান। এতে দৃষ্টিশক্তি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। গোলমরিচের সঙ্গে মধুও খেতে পারেন। গোলমরিচের গুঁড়া মধু মিশিয়ে নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
২. দুধের সঙ্গে যষ্টিমধু মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন। চা চামচের এক চামচ বা অর্ধেক চামচ যষ্টিমধুর গুঁড়া গরম্নর দুধে মিশিয়ে দিনে দুবার করে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে হারানো দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই ফিরবে। দুধ না থাকলে মধু বা ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। একই ফল পাবেন। চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই।
৩. দৃষ্টিশক্তি বাড়তে বেশি করে আম খান। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হওয়ায় আম চোখের জন্য ভালো। প্রতি মৌসুমে বেশি বেশি আম খান। চোখ ভালো থাকবে।
৪. দৃষ্টিশক্তি সতেজ রাখতে দেশি সবুজ শাক নিয়মিত খান। সবুজ শাককে চোখ সুরক্ষার প্রধান খাদ্য ঘোষণা করলেও বাড়িয়ে বলা হবে না।
য় যাযাদি হেলথ ডেস্ক

আমলকীর রসের
উপকারিতা

আমলকীর রয়েছে অসংখ্য গুণ। ত্বক ডিটক্স করার জন্য আমলকীর জুড়ি নেই। রক্ত পরিশ্রম্নতও করে আমলকী। এ ছাড়াও বিভিন্ন ভিটামিনের সমাহার ত্বক এবং চুলে পুষ্টিও জোগায়।
নিয়মিত আমলকীর রস খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর ভেতরে রয়েছে অ্যামিনো এসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা হৃৎপি-ের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
ডায়াবিটিস রোগীদের কাছে খুবই উপকারী আমলকীর রস। হাঁপানি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।
প্রতিদিন এত চামচ আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে সর্দি-কাশির প্রকোপ থেকে রেহাই মিলবে। পাশাপাশি মুখের আলসার হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমলকী হজম ক্ষমতা বাড়ায়। বিপাকে সাহায্য করে। শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বার করে দেয় আমলকীর রস। লিভার ভালো রাখে।
আমলকীর রসে রয়েছে অ্যামিনো এসিড এবং প্রোটিন যা চুলের পুষ্টি জোগায়। চুল পড়া রোধ করে।
য় যাযাদি হেলথ ডেস্ক

অতিরিক্ত ভিটামিন
যেসব ক্ষতি করে

সুস্থ শরীরের জন্য দরকার সঠিক পরিমাণ ভিটামিন। আর সেটা আসে সুষম খাদ্য থেকেই। কিন্তু প্রতিদিনের ব্যস্ত্মতায় না আছে সময়, না আছে সঠিক ডায়েট। ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে মুঠো মুঠো সাপিস্নমেন্ট। অতিরিক্ত ভিটামিন সাপিস্নমেন্ট শরীরের কী কী ক্ষতি করতে পারে, দেখে নিন এক ঝলকে।
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং স্নায়ু রোগ নিরাময়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-এ-র জুড়ি নেই। সম্প্রতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অধিক মাত্রায় এই সাপিস্নমেন্ট নিলে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। সেই সঙ্গে লিভারের নানা সমস্যা হতে পারে।
দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ভিটামিন বি-৬। সেই সঙ্গে জোগায় এনার্জি। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, দিনে ১০০ মিলিগ্রামের বেশি এই সাপিস্নমেন্ট নিলে স্নায়ু রোগের সম্ভাবনা বাড়ে। নানাবিধ চামড়ার রোগ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ভিটামিন সি হলো শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি পূরণের জন্য বেশি করে টাটকা সবজি এবং ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
ভিটামিন ই সাপিস্নমেন্ট অধিক মাত্রায় নিলে বাড়তে পারে মারণ রোগের ঝুঁকি। এমনটাই জানাচ্ছেন জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই সাপিস্নমেন্টের মাত্রা অধিক হলেই হৃদরোগের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে ক্যান্সারের আশঙ্কা।
য় যাযাদি হেলথ ডেস্ক
 
পরবর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close