পূর্ববর্তী সংবাদ
বিএনপির মানববন্ধনে জনসমুদ্রখালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই নির্বাচনে যাবে ২০ দলীয় জোট: মির্জা ফখরম্নল মানববন্ধন থেকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান দুদু আটকযাযাদি রিপোর্ট কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সোমবার রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত জনসমুদ্রের একাংশ। ষ নেতাদের ছবি পৃষ্ঠা-১৬ -যাযাদিকারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ঘিরে রাজধানীর প্রেসক্লাব এলাকা সোমবার জনসমুদ্রে পরিণত হয়। 'বন্দি আছে আমার মা, ঘরে ফিরে যাব না' ইত্যাদি স্স্নোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্ত্মা।
গতকাল সকাল ১০টার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে শুরম্ন করেন বিএনপি ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে মানববন্ধন তৈরি করেন।
কর্মসূচির নির্ধারিত সময়ের আগেই হাইকোর্টের মোড় থেকে তোপখানা রোডের সচিবালয়ের গেট পর্যন্ত্ম রাস্ত্মায় নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ব্যানার হাতে বিভিন্ন স্স্নোগান দেন তারা।
মানববন্ধনে খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত্ম শান্ত্মিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে যাবে ২০ দল। তাকে ছাড়া এ দেশের কোনো নির্বাচন হবে না।
পূর্বঘোষিত এই মানববন্ধনে বিএনপি ছাড়া বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, ২০ দলীয় জোট, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরম্নল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মোহাম্মদ শাহজাহান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ডা. এজেএম জাহিদ হোসেন, বরকত উলস্নাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক ডা. রফিকুল কবির লাবু, জয়নাল আবদীন ফারম্নক, হাবিবুর রহমান হাবিব, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ফজলুল হক মিলন, রম্নহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আমিনুল হক, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল খান, ড. মোর্শেদ হাসান খান, শহীদুল ইসলাম বাবুল, হারম্ননুর রশিদ, শামীমুর রহমান শামীম, কাদের গণি চৌধুরী, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুলস্নাহ, নিপুন রায়, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাহবুবুল হাসান পিংকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রম্নল কবির খান, ডা. সালাউদ্দিন মোলস্না, ছাত্রদলের মামুনুর রশিদ মামুনসহ ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মৎস্যজীবী দল, তাঁতী দল ও ঢাকা মহানগরীর নেতাকর্মীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও মানববন্ধনে অংশ নেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারম্নল ইসলাম, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্ত্মফা জামাল হায়দার, এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মহাসচিব মোস্ত্মাফিজুর রহমান মোস্ত্মফা, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্ত্মফা ভূঁইয়াসহ জোটের নেতারা এই কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। এদিকে খালেদা জিয়াকে জেলে রাখার প্রতিবাদ এবং তার মুক্তি দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিএনপির মানববন্ধনে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক। ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মো. আখতার হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশিদ ও অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের নেতৃত্বে সাদা দলের অধ্যাপক ড. সদরম্নল আমিন, ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মহব্বত খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, ড. মাহফুজুর রহমান, ড. মামুন আহমেদ, অধ্যাপক ড. নূরম্নল আমিন, ড. মহিউদ্দিন আহমেদ, ড. আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, ড. মিজানুর রহমান, ইসরাফিল প্রামাণিক রতন, অধ্যাপক অনুপম সেন, অধ্যাপক দেবশীষ পাল, অধ্যাপক ড. নূরম্নল আমিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক আলামিন, ড. এহসানুল মাহবুব যোবায়ের, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. নূরম্নল আমিন প্রমুখ।
সর্বস্ত্মরের মানুষের অংশগ্রহণে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যখন তিল পরিমাণ ঠাই ছিল না এরকম পরিস্থিতির মধ্যে মানববন্ধনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরম্নল ইসলাম খান, আমীর খসরম্ন মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতারা ফুটপাতে উঠে মাইক ছাড়া বক্তব্য দেয়া শুরম্ন করেন।
মির্জা ফখরম্নল বলেন, শত প্রতিকূলতার উপেক্ষা করে দেশনেত্রীর কারাবাসের বিরম্নদ্ধে নেতাকর্মী ও দেশবাসী ক্ষোভ, হতাশা, বেগম জিয়ার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। এই মানববন্ধনের মধ্য দিয়েও প্রমাণিত হয়েছে যে, বেগম জিয়া এদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তাকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়েছে। তাই দেশনেত্রীর মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত্ম শান্ত্মিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।
মির্জা ফখরম্নল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'দেশনেত্রী কারাগারে যাওয়ার আগে বলে গেছেন, আপনাদের ধৈর্য্য ধরতে, শান্ত্ম হতে এবং শান্ত্মিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে। বিএনপির চলমান কর্মসূচি দেশনেত্রীকে কারামুক্ত করা এবং গণতন্ত্র পুনরম্নদ্ধারের জন্য।'
আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরম্নল বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার। তা হচ্ছে দেশনেত্রীকে নিয়েই বিএনপি আগামী নির্বাচনে যাবে। দেশনেত্রী ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। এ সময় সহায়ক সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান মির্জা ফখরম্নল।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশনেত্রীকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। এটা দেশের মানুষ তা গ্রহণ করেনি। অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে, সব নেতার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
তিনি বলেন, চার দিন ধরে ডিভিশন না দিয়ে সরকার নেত্রীকে একজন সাধারণ বন্দি হিসেবে তাকে কষ্ট দিয়েছে। সরকার জেল কোড ভঙ্গ করেছে। এ কর্মকা-ের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, যত ষড়যন্ত্র হোক, বাংলাদেশে নির্বাচন হবে এবং সেই নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়েই হবে। তাকে ছাড়া কেউ নির্বাচন চিন্ত্মা করলে সেটা হবে দুঃস্বপ্ন।

বিএনপি নেতা দুদু আটক
এদিকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকায় মানববন্ধন শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে আটক করেছে পুলিশ।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রম্নহুল কবির রিজভী বলেন, সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে ফেরার পথে মৎস্য ভবন এলাকা থেকে দুদুকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বিএনপি নেতা দুদুকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কোন মামলায় তাকে ধরা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
কৃষক দলের বংশাল থানার সভাপতি আবদুল রাজিব বলেন, 'দুদু ভাই মানববন্ধনে ছিলেন। ভাইকে পুলিশ নিয়ে গেছে। তার মোবাইল ফোনটা আমাকে দিয়ে গেছে।'

আজ অবস্থান কর্মসূচি
উলেস্নখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারম্নজ্জামান জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদ-াদেশ এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে এর পর গত শুক্রবার বাদ জুমা দেশব্যাপী বিক্ষোভ করেন দলের নেতাকর্মীরা। এর পরদিন শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রম্নহুল কবির রিজভী। রোববার ২০ দলের জোটের সভাতেও কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এ কর্মসূচি শুরম্ন হয়েছে সোমবার থেকে। গতকাল ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জেলা, মহানগর, থানা ও উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জেলা, মহানগর, থানা ও উপজেলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
শেষের দিন আগামী বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত্ম ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জেলা, মহানগর, থানা ও উপজেলায় অনশন কর্মসূচি পালিত হবে।

কূটনীতিকদের ব্রিফ করবে বিএনপি
খালেদা জিয়ার মামলা এবং সাজা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার একটি লিখিত বক্তব্য এবং বিভিন্ন দলিলসহ ৪২টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ৫ বিদেশি সংস্থাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে এসব দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের আজ গুলশান কার্যালয়ে বিকাল ৪টায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের খালেদা জিয়ার মামলা, সাজা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করবে বিএনপি।


বার্নিকাটের সঙ্গে
ফখরুলের বৈঠক
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার দুপুরের পরে বারিধারায় রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয় বলে দলীয় একটি সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বৈঠকের বিষয়ে ফখরুল সাংবাদিকদের কোনো তথ্য জানাননি।
সূত্র বলছে, গত কয়েকদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় এ বৈঠক হলো। বৈঠকে মূলত দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া আজ কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠকে কি বিষয়ে আলোচনা হবে তারও একটি ধারণা মার্কিন দূতকে দেয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close