ঈদে বৈচিত্র্যময় কম্প্র্রেশারের রেফ্রিজারেটর ও এসিআল আমিন হোসেন ঈদুল ফিতর ও বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অসহনীয় গরম। ফলে উলেস্নখযোগ্যহারে বেড়েছে ফ্রিজ ও এসির চাহিদা। আর এই বাড়তি চাহিদা পূরণে এগিয়ে রয়েছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। বিশেষ করে দেশব্যাপী মার্সেল পণ্যের চাহিদা ও বিক্রি ব্যাপক বেড়েছে। মার্সেল, ওয়ালটন, ভিশন, সিঙ্গার, মিনিস্টার, এলজি, ইকো,র্ যাংগস, সনি, ইলেক্ট্রা, হাইকো, কণিকা প্রভৃতি ব্র্যান্ড নানা রকম বৈচিত্র্যময় কম্প্রেশারের এসি ও ফ্রিজ দিয়ে গ্রাহকদের মনোযোজ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। সাথে তারা দিচ্ছে নানা রকম অফার।
সংশিস্নষ্টদের মতে, ফ্রিজ, টিভি কিংবা এসির মতো পণ্য কিনতে গেলে তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। পণ্যের উচ্চমান, সাশ্রয়ী মূল্য এবং বিক্রয়োত্তর সেবা। এসব বিবেচনায় বিদেশি ব্র্যান্ডের তুলনায় দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি। বিশেষ করে মার্সেল পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা এখন শতভাগ।
মার্সেলের বিপণন বিভাগের প্রধান ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, গত ঈদের তুলনায় এবার ঈদে দ্বিগুণ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নিয়েছেন তারা। এই ঈদে মার্সেলের টার্গেট ৩০ হাজার ইউনিট ফ্রিজ বিক্রি করা। যা গত ঈদে ছিল ১৫ হাজার। ইতোমধ্যে ফ্রিজ বিক্রিতে ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিক্রয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ঈদের অনেক আগেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
মার্সেল পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের এই আস্থার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মার্সেল ফ্রিজের উচ্চ গুণগতমান, রকমারি ডিজাইন ও অসংখ্য কালার, সাশ্রয়ী মূল্য এবং এক বছরের রিপেস্নসমেন্ট গ্যারান্টিসহ কম্প্রেসারে সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা। সর্বোপরি বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রযুক্তির সেরা পণ্যের নিশ্চয়তা প্রদান।
এ ছাড়া বিক্রয়োত্তর সেবাকে অনলাইনের আওতায় আনতে দেশব্যাপী পরিচালিত ডিজিটাল ক্যাম্পেইন মার্সেল পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন বলে জানান তিনি। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মার্সেল শোরম্নম থেকে ক্রেতারা ফ্রিজ, টিভি, এসি কিনে রেজিস্ট্রেশন করলেই পাচ্ছেন আরেকটি ফ্রিজ, টিভি বা এসি সম্পূর্ণ ফ্রি কিংবা আমেরিকা ও রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগ। ওইসব সুবিধা না পেলেও মিলছে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত্ম নিশ্চিত নগদ ছাড়।
জানা গেছে, ঈদে দ্বিগুণ বিক্রির টার্গেট পূরণে এবং রমজান মাসের বাড়তি ক্রেতাচাহিদা মেটাতে মার্সেল বাজারে ছেড়েছে অর্ধ-শতাধিক বৈচিত্র্যময় মডেলের ফ্রিজ। এর মধ্যে রয়েছে ৫২ মডেলের ফ্রস্ট, ২ মডেলের নন-ফ্রস্ট ও ১২ মডেলের ডিপ ফ্রিজ। নতুন এসেছে টেম্পারড গস্নাস ডোরের ১১টি বৈচিত্র্যময় মডেলের ফ্রস্ট ফ্রিজসহ ব্যাপক বিদু্যৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার সংবলিত ২ মডেলের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। মার্সেলের এসব রেফ্রিজারেটরে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। সাধারণ প্রযুক্তির ফ্রিজের তুলনায় মার্সেলের এসব ফ্রিজ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত্ম বিদু্যৎ সাশ্রয়ী।
সূত্রমতে, মার্সেল ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে ন্যানো হেলথ কেয়ার প্রযুক্তি। যা ফ্রিজের ভেতরে সংরক্ষিত খাবারকে সতেজ রাখার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখে। ফলে ফ্রিজে সংরক্ষিত খাবারের পুষ্টিগুণ থাকে অক্ষুণ্ন। নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত হয়ে প্রতিটি ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হয় বলে ক্রেতাদের কাছে মার্সেল পণ্য হটকেটে পরিণত হচ্ছে।
এদিকে রমজান মাসে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে পালস্না দিয়ে বেড়েছে এসির বিক্রি। স্থানীয় বাজারে মার্সেলের রয়েছে ১১ মডেলের বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের এসি। যার মধ্যে আছে ১২,০০০ বিটিইউ বা ১ টনের এসি, ১৮,০০০ বিটিইউ বা ১.৫ টনের আয়োনাইজার ও ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি, ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ামুক্ত বাতাসপ্রবাহে আয়োনাইজার প্রযুক্তির ১.৫ এবং ২ টনের এসি।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close