বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীনির্উযাল ইন্টেলিজেন্সঈ দ আ য়ো জ ননাসিম সাহনিক ব্যাংককের একটি মার্কেটে প্রথম সংঘর্ষ বাঁধলো। রম্নদ্র নীরাকে নিরাপদ অবস্থানে যেতে বলল। নীরা ম্যাগি চ্যানকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ অবস্থানে চলে গেল। নিরাপত্তা পরিষদের থাই সদস্যদের নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেল রম্নদ্র। দশতলা বিল্ডিংয়ের নবম ও দশম তলায়, ছাদে আর ফ্লোরে গোলাগুলি হলো।
এমনকি এই লড়াই মার্কেটের পাশের স্ট্রিট, শপিং মলে পর্যন্ত্ম ছড়িয়ে গেল।
ওপাওয়েই এমন কিছু বায়োরোবোট পাঠালো, যাদের বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে ওরা মানুষ নয়। এরকম দশটা বায়োরোবোট এসেছিল। খুবই প্রশিক্ষিত। ওরা লেজার গান দিয়ে আক্রমণ করছিল। ওরা আবার ভার্চুয়াল ইমেজ তৈরিতে পারদর্শী। এভাবে ওরা রম্নদ্র আর ওর দলকে ফাঁকি দিচ্ছিল। এজন্য রম্নদ্রের কড়া নির্দেশ ছিল একজন মানুষও যেন না মারা যায়। দরকার হলে বায়োরোবোটগুলো পালিয়ে চলে যাক।
রাতে নীরা আর রম্নদ্র কফিশপে বসে কথা বলছিল।
নীরা : আর্থের কার্যক্রমের আড়ালে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল ওপাওয়েই তা ম্যাগি জানে না।
রম্নদ্র : হুমম, আমারও তাই মনে হয়েছিল। কিন্তু তাই বলে আমরা সতর্ক থাকব না, তা কিন্তু নয়। কারণ কখন কোথায় কোন ডিভাইস থেকে ডাটা ট্রান্সফার হয়ে যায় তা আগে থেকে বোঝা যাবে না।
নীরা : ওকে বস।
রম্নদ্র : তাহলে ম্যাগি তোমাকে বন্ধু বিবেচনা করছে?
নীরা : হুমম।
রম্নদ্র : ওয়েল ডান।
ব্যাংককের এই অভিযানে ধ্বংস হলো যে সব বায়োরোবোট সেগুলোর নিষ্ক্রিয় বিভিন্ন অংশ নিরাপত্তা পরিষদের অফিসে সংগ্রহ করা হলো। ডাটা ক্লোন করে সেই ডাটা পাঠিয়ে দেয়া হলো নিরাপত্তা পরিষদের পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অফিস মস্কো এবং মহাকাশের কেন্দ্রীয় অফিস মঙ্গলে।
ব্যাংককের গবেষকরা জানালো পাতায়া আর ফুকেটের পাঁচটি পতিতালয়ে দশটি বায়োরোবোট লুকিয়ে আছে। এর মধ্যে নারী বায়োরোবোট ছয়টি আর পুরম্নষ বায়োরোবোট চারটি। রম্নদ্র প্রথমে গেল পাতায়াতে।
পাতায়াতে ব্যস্ত্ম স্ট্রিটে রাতে বের হলো রম্নদ্র আর ওর টিম। ৯৮ নম্বর বাড়িতে যেতে হবে। আগে থেকেই ছক করা ছিল কীভাবে যাবে। বর্ণিল পোশাকে পতিতারা দাঁড়িয়ে রয়েছে। রম্নদ্র বিড়বিড় করল, ওল্ডেস্ট প্রফেশন।
বিচ রোডের কয়েকটা পয়েন্টে ফাইট হলো। স্ক্যানার দিয়ে বুঝতে হবে যে প্রকৃত অর্থে কারা বায়োরোবোট। বিভিন্ন অঞ্চলের পতিতাতে ভরে রয়েছে বিচ রোড। রম্নদ্র নিজের ডিভাইসে নির্দেশনা পেল যে বিচ রোড থেকে সামান্য ভেতরে রেডমি রিসোর্টে অবস্থান করছে বায়োরোবোটগুলো। নিরাপত্তা পরিষদের পুরো দল রিসোর্টটা ঘিরে ফেলল। সেখানে কিছু সাফল্য এলো। তবে ফুকেটে কয়েকটা বায়োরোবোট পালিয়ে গেল।
ফুকেটের 'বিগ বুদ্ধা ফুকেট' নামক স্থানে গোলাগুলি শুরম্ন হলো। উড়ো যান দিয়ে পালানোর উদ্যোগ নিলো বায়োরোবোটগুলো।
উড়োযানগুলো পানিতে নেমে স্পিডবোটের মতো চলতে লাগল। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দ্বীপে গিয়ে অবস্থান নিল ওরা। এই চুনাপাথরের সবুজাভ দ্বীপের মালিকানা ওপাওয়েইর।
বিগ বুদ্দা ফুকেট থেকে একদল গেল সিরিনাট পার্কের দিকে। পার্কে ফাইটের পর ওখান দিয়েই ফুকেট বিমানবন্দরে গেল। তারপর সারাসিন ব্রিজে গিয়ে সব বায়োরোবোটকে নিষ্ক্রিয় করতে পারল রম্নদ্রের সহকারীরা।
ওদিকে ওপাওয়েই দ্বীপ থেকে কিছু রোবোট আন্দামান সি বরাবর এসে প্রমথেপ কেপে অবস্থান করল। তারপর আরও দক্ষিণে আন্দামান সি-তে নেমে এসে স্পিডবোডে করে আরেকটি দ্বীপে এলো। এই দ্বীপটা ম্যাগির অবকাশ কেন্দ্র। আর্থের মালিকানাধীন। মূল মালিকানা ওপাওয়েইর।
অভিযানের ধকল কাটলে পাতায়াতে ঘুরে বেড়িয়ে সময় কাটাতে থাকল রম্নদ্র। পাতায়া বিচে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ওপর একটা সেমিনার হবে। রম্নদ্র সেখানে অংশগ্রহণ করবে। কারণ মস্কো থেকে এরকম নির্দেশনা এলো।
থাইল্যান্ডের প্যাসিফিক বিচগুলোতে সেমিনারে ব্যস্ত্ম সময় কাটল রম্নদ্রর। এই নিয়ে ওর যত ব্যস্ত্মতা। এখানেও ও বাইকে করে মুভ করছে। সঙ্গে আছে পারসোনাল উড়োজাহাজ। আন্ত্মর্জাতিক সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেম্বার সে। সংযুক্ত আছে ঢাকা পুলিশের সঙ্গে। পাতায়া, ফুকেট আর ব্যাংককে সপ্তাহখানেক কাজ করল রম্নদ্র।
পাতায়া, ফুকেট আর ব্যাংককে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষা নিয়ে কাজ করছে যে কোম্পানি তারা মূলত ওপাওয়েইর সিস্টার কোম্পানি। আর্থ নামের কোম্পানিটির দায়িত্ব নিয়েছে ওপাওয়েইর মালিকের মেয়ে ম্যাগি চ্যান। ম্যাগি চ্যানের জন্ম সাংহাইতে। ওর মা মারা গেছে।
রম্নদ্র ব্যাংককে মুগ্ধ হয়ে ম্যাগি চ্যানের বক্তব্য শুনছিল।
সহকারী নীরার কাছে ম্যাগি চ্যান আর আর্থ সম্পর্কে জেনে নিচ্ছিল রম্নদ্র।
রম্নদ্র ঢাকায় ব্যাক করল। ঢাকায় কাজ শেষ করে আবার যাবে চায়নায়।
চায়নার ডংগুয়ানে যাওয়ার আগে ম্যাকাও আর হংকংয়ে কাজ করল রম্নদ্র। শিজি ওসেন ধরে ডংগুয়ান, হংকং, ম্যাকাও, শেনঝেনে করবে সে।
হএরপরে যাবে ইয়েলো সি এলাকায়। কোরিয়া, জাপান হয়ে মূলত অবস্থান করবে সাংহাই আর বেইজিংয়ে। কিন্তু কোরিয়া আর জাপানে যাওয়া হলো না। চীনের বেইজিং আর সাংহাইতেই মূল সময়টা কাটল।
রাশিয়ার ভস্নাডিভস্টকে যাবে কিনা সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত্ম নেয়নি। কারণ এর মধ্যে ম্যানিলা আর তাইপেইতে যাওয়া লাগতে পারে।
ভস্নাডিভস্ত্মকে যাওয়া হলো না। ডংগুয়ান, শেনজেন, ম্যাকাও আর হংকংয়ে ব্যস্ত্ম হয়ে পড়তে হলো রম্নদ্রকে।
ম্যাগি চ্যান ওপাওয়েইকে নতুন করে সাজালো। নিরাপত্তা পরিষদকে বিশেষ করে রম্নদ্রকে আন্ত্মরিকভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করল সে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close