সৃজনশীল তারম্নণ্যের গল্পসুমনা হোসেন কাজী সাইফ : কাজী সাইফ একজন প্রযোজক ও তরম্নণ উদ্যোক্তা। ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে ইউটিউবের জন্য ফিকশন নির্মাণ করে ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট দর্শকদের মধ্যে আলোচিত হয়েছে। এবছর বেশ কয়েকজন তরম্নণ নির্মাতাকে দিয়ে ব্যতিক্রমধর্র্মী ফিকশন নির্মাণ করে কাজী সাইফের ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট।
কাজী সাইফ বলেন, ফিকশনের জন্য ইউটিউব এখন দারম্নণ একটি পস্নাটফর্ম। এই পস্নাটফর্মে এখন প্রচুর দর্শক বাংলা নাটক দেখছে। তাই ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট নাটক, মিউজিক ভিডিও, শর্টফিল্ম, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্মসহ বিভিন্ন ফিকশন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও বিষয়টি অর্থনৈতিকভাবে বেশ চ্যালেঞ্জিং। তারপরেও ভিন্নতর কিছু করার প্রয়াস থেকে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
কাজী সাইফ অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। কিন্তু দেশের প্রতি বেশ টান অনুভব করেন। দেশের জন্য কিছু করার তাড়না থেকেই তার এই ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট নিয়ে এগিয়ে চলা।
ইতোমধ্যে বেকার, তনিমা, মেয়েটির ছেলেটা প্রভৃতি নাটকের মধ্যদিয়ে আলোচনায় এসেছে ওজোন এন্টারটেইনমেন্ট। সামনে আসছে হোম টিউটর, ভাই কিছু বলতে চায়, মেঘবরণ, আমি জুনায়েদ, জোড়া রহস্য, প্রিয় শেক্সপিয়র, লেগুনা মহাকাব্য, মানি ব্যাগটি কার প্রভৃতি নাটক। ইউটিউবে নতুন নতুন চমক নিয়ে সারা বছর হাজির থাকবে বলে জানান ওজোন এন্টারটেইনমেন্টের কাজী সাইফ।
তারেক মিয়াজী : তারেক মিয়াজী একজন নির্মাতা এবং তরম্নণ উদ্যোক্তা। ২০১২ সালে নাটকে অভিনয়ের উদ্দেশ্যে শুরম্ন করলেও পরে নির্মাতা বনে যান। একে একে নির্মাণ করেন বেশ কয়েকটি নাটক। পাশাপাশি চলে নিজের উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখা। তারেক মিয়াজী বারবার হোঁচট খেয়েছেন। থমকে গিয়েও আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। বাঁধা পেরিয়ে নিজের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন। বারবার ঝড় এলেও তাকে কাবু করতে পারেনি। ঘুরে তিনি দাঁড়িয়েছেন ঠিকই। স্বপ্নের শুরম্নটা ছিল নাটক দিয়ে। প্রবল ইচ্ছা ছিল দেশের খ্যাতিমান নাট্যাভিনেতা হবেন। কিন্ত্মু হঠাৎ ট্রাক পরিবর্তন করে নেমে পড়েন পরিচালনায়। ২০১৩ সালে অসংহতি নাটক পরিচালনা দিয়ে শুরম্ন। রম্ননা খান, শতাব্দী ওয়াদুদ ছিলেন অভিনয়ে। চ্যানেল আইতে প্রচারিত হয়েছিল। তারপর ২০১৫-তে আমিন খানকে নিয়ে সারপ্রাইজ নাটকটি পরিচালনা করেন। প্রচারিত হয়েছিল আরটিভিতে। এরপর চান্দুমিয়ার ঢাকা সফর নির্মাণ করেন। অভিনেতা জাহিদ হাসান অপর্ণা ঘোষ অভিনয় করেন। এরপর জাহিদ হাসানকে নিয়েই টেনশন টিউশন বানান। এরপরই বানান ১৩ পর্ব নাটক ছক্কা পাঞ্জা। নাটক নিয়ে এগুনোর পাশাপাশি ব্যবসা শুরম্ন করার সিদ্ধান্ত্ম নেন। কারণ স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হবেন। ২০১৩ সালেই শুরম্ন হলো ব্যবসার পথে যাত্রা। বাবার কাছ থেকে আনা সামান্য অর্থই ছিল সম্বল। অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকায় ব্যবসা নিয়ে বেশিদূর এগোতে পারেননি। পুরো অর্থই জলে গেছে বলা চলে। অনেকটা আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা তারেক মিয়াজীর। কিন্তু থেমে যাননি। নতুন করে সাহস সঞ্চয় করেছেন। পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বাবা-মা আর পরিবারের সদস্যরা। বন্ধু শুভাকাঙ্ক্ষীরাও সাহস দিলেন। তাদের অনুপ্রেরণায় মিয়াজী আবার উদ্যমী হয়ে উঠলেন। নতুন কিছু খোঁজার প্রচেষ্টায় নিমগ্ন হলেন। খবর পেলেন চা-পাতার ব্যবসা করতে পারলে মন্দ নয়। চলে গেলেন চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে। সেখানেও বাঁধা। সঠিক তথ্য পেতে রীতিমতো বেগ পেতে হয়েছে। কিন্তু তিনি যে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তাই হাল ছাড়লে তো হবে না। বেশ কিছুদিন পাহাড়ঘেরা শহর শ্রীমঙ্গলের এখানে-সেখানে ঘুরে সঠিক পথটি খুঁজে নিয়েছেন। তারপরই নতুনভাবে শুরম্ন হয়েছে মিয়াজীর নতুন উদ্যোগ বে-লিফ।
প্রথম অবস্থায় একাই সব করতেন। চা-পাতা আনা, প্যাকেটজাত করা, বাজারে পৌঁছে দেয়া। মার্কেটিংয়ের দায়িত্বও পড়ে তার কাঁধে। ধীরে ধীরে এ উদ্যোগে যুক্ত করে নিয়েছেন নিজের মতোই উদ্যোমী কয়েকজনকে। এখন তিনি একজন তরম্নণ সফল উদ্যোক্তা। তার প্রতিষ্ঠানে এখন কাজ করছেন ১৮ জন। তিনি স্বপ্ন দেখেন বে-লিফ একদিন বাংলাদেশের শীর্ষ চা-পাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হবে। ১৮ জনের প্রতিষ্ঠান ১৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করবে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close