বড়াইগ্রামপাঁচ মাস বেতন পান না ১৯ নৈশপ্রহরীবড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় ১৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী গত পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। ফলে অর্থকষ্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। সামনে কোরবানির ঈদ করা নিয়েও তাদের সংশয় কাটছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই তাদের এই ভোগান্তি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলার ১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় দফায় দপ্তরি-কাম নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় নিয়োগপ্রাপ্তরা গত ৫ মার্চ নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন-ভাতার বরাদ্দ প্রদানের জন্য ৮ মে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে যাবতীয় কাগজপত্র জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়। কিন্তু জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে দীর্ঘ এক মাস পরে ৮ জুন জেলা শিক্ষা অফিসার কাগজপত্র স্বাক্ষর করে বেতন বরাদ্দের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠায়। এরপর গত দুই মাসেও তার কোনো শুরাহা হয়নি। ফলে গত পাঁচ মাস ধরে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলেও তারা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। দীর্ঘ বেতন বঞ্চনায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
বাহিমালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী রেজাউল করিম বলেন, অফিস থেকে প্রতি মাসেই বলা হয় আগামী মাসেই বেতন পাবে। কিন্তু বাস্তবে পাচ্ছি না। আবার আগে অন্য পেশায় কাজ করে সংসার চালাতাম। এখন চাকরি হওয়ায় সেই পথ বন্ধ। ফলে পরিবার নিয়ে বড় কষ্টে আছি। তিনি আরও বলেন, সামনে ঈদ। ঈদের আগে অন্তত বেতন পেলে ভাল হতো। তা না হলে ঈদ করাই দায় হয়ে পড়বে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আকলিমা খানম বলেন, নৈশপ্রহরীদের বেতন বরাদ্দের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্তি সাপেক্ষ বেতন প্রদান করা হবে। তবে ঈদের আগে বরাদ্দ দেয়ার জন্য তাগাদা দেয়া হচ্ছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close