শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলেন শিপার্সক্রীড়া ডেস্ক লন্ডনে অ্যাথলেটিক্সের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ২০০ মিটার স্প্রিন্টে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার পর হল্যান্ডের তারকা অ্যাথলেট ড্যাফনে শিপার্স ওয়েবসাইটডাচ পাওয়ার-হাউসখ্যাত ড্যাফনে শিপার্স ছুটলেন বন্দুকের গুলির বেগে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে মেয়েদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে সোনা জিতেছেন তিনি। শুক্রবার লন্ডনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে শিপার্সের দিনে আরও একবার অপ্রাপ্তির হতাশা জুটেছে আইভরিয়ান মারি-হোসে টা লোউয়ের ললাটে। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েও শেষ পর্যন্ত আরও একটি রোপ্যপদক নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে।
অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এলাইন থম্পসন ছিলেন না। লন্ডনে ১০০ মিটারে সোনা জেতার পর এই ইভেন্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন টোরি বোয়ি। ফলে কাজটা সহজ হয়ে যায় শিপার্সের জন্য। ১০০ মিটারে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন, তবে শুক্রবার ট্র্যাকের প্রতি ইঞ্চিতে নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে টা লোউকে পেছনে ফেলেছেন ডাচ সুন্দরী। দৌড় শেষ করেছেন ২২.০৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে। সোনা জয়ের পর শিপার্স বলেছেন, 'আমি এটার জন্য লড়াই করেছি। এ বছর আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, সুতরাং আমি খুব খুশি। টানা দুবার (সোনা জেতা) সত্যিই খুব বিশেষ কিছু।'
আমেরিকার গোয়েন টোরিয়েন্স (১৯৯১ ও ১৯৯৩) এবং জ্যামাইকার মারলিন ওটির (১৯৮৭ ও ১৯৯৫) পর একমাত্র নারী অ্যাথলেট হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার এবং ২০০ মিটারে সাফল্য ধরে রেখে পদক জিতলেন শিপার্স। সেটাও তিনি করলেন অনেক নতুনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে। গায়ের চামড়ায় দাগ দেখা যাওয়ায় অনেকে তো তাকে ডোপপাপী হিসেবেও সন্দেহের চোখে দেখেছেন। শিপার্স বলেছেন, 'গত বছরটা আমার জন্য সহজ ছিল না। আমি সব বদলে ফেলেছি এবং নতুন কোচ পেয়েছি। সুতরাং আমি খুব খুশি।'
শুরুতে কিছুটা স্নায়ুর চাপে ভুগছিলেন শিপার্স। পরে সবকিছু মানিয়ে গুছিয়ে নিয়েছেন। উপভোগ করেছেন, খেলাটাকে যেভাবে উপভোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে এই ডাচ অ্যাথলেট বলেছেন, 'আমার গোপন রহস্য হচ্ছে, খেলাটাকে উপভোগ করা এবং আমার দৌড়টাকে উপভোগ করা। শুরুর সময় আমি কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। তবে আমি একজন চূড়ান্ত দৌড়বিদ এবং পেছনে পড়ে থাকা এই অভিজ্ঞতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।'
সেকেন্ডের এক'শ ভাগের এক অংশের ব্যবধানে ১০০ মিটারে সোনা জিততে পারেননি টা লোউ। ফিনিশ লাইনে গিয়ে ভুল করে ফেলেছিলেন। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েও লাভ হয়নি, শিপার্সের পেছনে থেকেই ২০০ মিটারে দৌড় শেষ করেছেন তিনি। এই আইভরিয়ান সময় নিয়েছেন ২২.০৮ সেকেন্ড। তাতেই জাতীয় রেকর্ড হয়ে গেছে তার। রিও অলিম্পিকে ৪০০ মিটারের চ্যাম্পিয়ন শোয়ানি মিলার-উইবো ব্রোঞ্জ পেয়েছেন ২২.১৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে।
১০০ মিটারের পর ২০০ মিটারেও সোনা জিততে ব্যর্থ হওয়া টা লোউ অবশ্য খুব বেশি হতাশ নন নিজের পারফরম্যান্সে। সবমিলে খুশিই তিনি, 'আরেকটি রূপা, তবে আমি সত্যিই খুশি। এই চ্যাম্পিয়নশিপের আগে আয়োজিত ক্যাম্পে আমি আমার পায়ে সমস্যা বোধ করি, তবে এটা আমি আমার কোচকে বলতে চাইনি। ঠিক হয়ে যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছি আমি এবং আমি ঠিক আছি।' সঙ্গে যোগ করেছেন, 'দৌড়ে আমার যা করার ছিল, সবই করেছি। রূপার পদক পাওয়াটাও আমার চাওয়ার থেকে বেশি। এমন একটা চ্যাম্পিয়নশিপ কাটাতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। এটা আমার জন্য বিশেষ একটা সপ্তাহ।'
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
monobhubon
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin