পাঁচ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি তালহার খুনিযাযাদি রিপোর্ট নিহত আবু তালহাড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী খন্দকার আবু তালহা হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করেছে দাবি করলেও পাঁচ দিনেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশের দাবি, ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।
গত ৮ অক্টোবর ভোর পৌনে ৬টায় রাজধানীর ওয়ারীর ১২/৪ কেএম দাস লেনের বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন তালহা (২১)। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে তালহা তার বাবা আবু রিয়াজ মো. নুরম্ন উদ্দিন খন্দকারকে জড়িয়ে ধরে আদর নেন। আর বাবাকে সাবধানে থাকতে বলে যান।
ওয়ারীর কেএম দাস লেন গলির মাথায় যেতেই দেখেন, তারই প্রতিবেশী দুই ভাইবোন ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছে। তাদের বাঁচাতে এগিয়ে গিয়ে প্রতিহত করায় ছিনতাইকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। আর তাতেই প্রাণ হারান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল তালহা। নিহত তালহার বাবা আবু রিয়াজ মো. নুরম্ন উদ্দিন খন্দকার বলেন, পুলিশ আসামিদের শনাক্ত করেছে বলে আমরা শুনেছি। তবে এখনও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার খবর পাইনি। তিনি বলেন, এখনও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা (পুলিশ) বলছে, 'আসামিদের গ্রেপ্ততারের চেষ্টা চলছে'।
তিনি বলেন, 'আমি কিছু চাই না, শুধু আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।'
এদিকে, তালহার খুনিদের বিচারের দাবিতে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ধানম-িতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত তালহার সহপাঠীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালহার সহপাঠীরা বলেন, ছিনতাইকারীদের প্রতিহত করতে গিয়ে আমাদের বন্ধু তালহার প্রাণ গেল। পুলিশ আসামিদের শনাক্ত করেছে বলে দাবি করছে। কিন্তু ঘটনার চার দিন পার হয়ে গেলেও তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
'আমরা তালহার খুনিদের বিচার চাই।'
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারি থানার পরিদর্শক (তদন্ত্ম) সেলিম মিঞা বলেন, তালহা হত্যায় জড়িতদের আমরা গ্রেপ্তাদের চেষ্টা চালাচ্ছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আসামিদের ধরা হবে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বাইরে থেকে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা এই এলাকায় এসে ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এরা মূলত ইয়াবা আসক্ত। ভোরবেলা ও গভীর রাতে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালে যাওয়া আসার সময় যাত্রীদের টার্গেট করে এরা।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close