চার সপ্তাহে সাভার ট্যানারি পলস্নীর কাজ শেষ করার নির্দেশযাযাদি রিপোর্ট চার সপ্তাহের মধ্যে সাভারের ট্যানারি পলস্নীতে অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে। পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
এর পাশাপাশি সাভারে ট্যানারির বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) ৪ নভেম্বর পর্যন্ত্ম প্রতিদিন ঘণ্টায় ঘণ্টায় মনিটরিং করে ১২ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আদালতে 'বেলা'র আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আর শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রইস উদ্দিন।
পরে রিজওয়ানা হাসান বলেন, হাজারীবাগের মতো দূষণ যেন সাভারের ট্যানারি পলিস্নতে না হয়, সেজন্যই বারবার আদালতে আসা। আদালত এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদেশে বলেছে, সিইটিপি ৪ নভেম্বর পর্যন্ত্ম প্রতিদিন ঘণ্টায় ঘণ্টায় মনিটর করতে হবে এবং ১২ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে। এছাড়া তরল বর্জ্যের সঙ্গে যেন কঠিন বর্জ্য না মেশে তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কারখানার পাইপে বাধ্যতামূলকভাবে বায়োস্ক্রিন লাগাতে হবে।
আর রইস উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার আদালতে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বিসিকের পক্ষে কিছু প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। আদালত পরিবেশসম্মতভাবে কাজ চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন। বর্জ্য পরিশোধন করতে প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক ফ্যাক্টরিতে বার বসাতে হবে। অবকাঠামো স্থাপনের অসম্পন্ন কাজ চার সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া বর্জ্য শোধনাগারের মনিটরিং প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে হবে।
এর আগে গত জুলাই মাসে ধলেশ্বরী নদীর দূষণ ঠেকাতে সাভারের ট্যানারি পলিস্নর বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থার বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।
আবেদনে সাভারের ট্যানারি পলিস্নর পরিবেশ দূষণ (ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক দূষণ) নিয়ন্ত্রণকারী রিকোভারি ইউনিট, লবণাক্ততাজনিত দূষণ প্রতিরোধক এবং কঠিন বর্জ্য পরিশোধক অবকাঠামো স্থাপনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হয়।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০১ সালে ট্যানারি শিল্প হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
দীর্ঘদিন ধরে ওই আদেশ বাস্ত্মবায়িত না হওয়ায় অন্য এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ২৩ জুন হাইকোর্ট ২০১০ সালের ২৪ ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প অন্যত্র সরিয়ে নিতে ফের নির্দেশ দেয়।
সরকারপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরে ওই সময়সীমা কয়েক দফা বাড়িয়ে ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত্ম করা হয়।
কিন্তু বেধে দেয়া সর্বশেষ সময়সীমার মধ্যেও ট্যানারি স্থানান্ত্মর না হওয়ায় পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আদালত অবমাননার মামলা করেন মনজিল মোরসেদ।
এরপর কয়েক দফা আদেশ শেষে ঈদুল আজহার আগমুহূর্তে আদালতের এক আদেশে সব ট্যানারির ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close