সা ক্ষা ৎ কা র২০১৯ সালে মুক্তি পাবে ঢাকা অ্যাটাক এক্সট্রিমঢাকাই ছবির চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। দীপংকর দীপন পরিচালিত এ ছবিতে বোম্ব ডিসপোজাল দলীয়প্রধান আবিদ রহমান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলতি সপ্তাহে মুক্তিপ্রাপ্ত এ ছবি ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে কথা হলো তার সঙ্গে-আরিফিন শুভছবিটির গল্পকার প্রসঙ্গে...
ছবিটির গল্পকার নিজেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তারপরও আমি প্রত্যেকটা জায়গায় গল্পের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। এককথায়, দর্শকরা বিব্রত কিংবা বিরক্ত হবেন এমন কিছুই এতে নেই। এজন্যই গল্পের সঙ্গে নির্মাণের চমৎকারিত্ব প্রশংসিত হয়েছে।

প্রেক্ষাগৃহে না যাওয়ার কারণ...
আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পের অবস্থা তো আমরা সবাই কম-বেশি জানি। দর্শকদের উদ্দেশে বলছি- আমাদের বাঙালিদের মধ্যে অনেক সমস্যা রয়েছে। আমরা সবসময় ভালো শিল্পের স্বার্থে ভালো কেউ আসুক সেই চিন্ত্মা করি। কিন্তু নিজেদের সমস্যা ভাবি না। সন্দেহাতীত সত্য যে, আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশে এ শিল্পটাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেয়ার কাজ গুটিকয়েক মানুষের নয়। দর্শক সবসময় এ কথা বলেন, ভালো ছবি নির্মাণ হয় না বলেই প্রেক্ষাগৃহে যায় না।

সহশিল্পী হিসেবে মাহির মূল্যায়ন...
মাহি যথেষ্ট পরিশ্রমী। এই ছবিতে সে তার কাজটি নিরলসভাবেই করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব, মাহি তার সেরা কাজটাই করেছে। একজন দর্শক হিসেবে মাহির কাজ আমার ভালো লেগেছে। 'ওয়ানিং' এবং 'অগ্নি-২' থেকে মাহি এখানে বেশ ভালো করেছে।

শুরম্নতে 'ঢাকা অ্যাটাক' নিয়ে যেসব পরিকল্পনা ছিল...
এটা আমি হলফ করে বলতে পারি অন্য ছবি থেকে এটি অবশ্যই আলাদা। তারপরও ছবিটি ভালো লাগবে কী লাগবে না, সেটা দর্শকরা দেখার পরই বলতে পারবেন। এটা নতুন ধরনের কাজ, দেশাত্ববোধের বিষয় রয়েছে। একজন ঘুষি মেরে দশজনকে ফেলে দিল সেটাই যে শুধু অ্যাকশন নয়, এ সময়ে এসে অ্যাটাকে পরিপূর্ণভাবে তা দেখানো হয়েছে। তারপরও দর্শকরা ছবিবিমুখ হলে আমরা ছবি নির্মাণে উৎসাহী হবো না।

ঢাকা অ্যাটাক এক্সট্রিম...
ঢাকা অ্যাটাক ছবির পরিচালক জানিয়েছেন 'ঢাকা অ্যাটাক এক্সট্রিম' বা 'ঢাকা অ্যাটাক-টু' নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। ছবির অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে খুব একটা পরিবর্তন হবে না। তবে এটি আরও এক্সট্রিম মাত্রায় হবে।
২০১৯ সালে 'ঢাকা অ্যাটাক এক্সট্রিম' মুক্তি পাবে।

দেশীয় ছবি বাইরে ডাক পেলে...
দেখেন একজন অভিনেতার কাজ হলো ভালো অভিনয় করা। ভালো কাজের প্রতি সবারই দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থা খুব একটা ভালো না। তাই দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রতি আমার প্রাধান্যটা বেশি থাকবে। দেশের বাইরে কাজ করা কিন্তু খারাপের কিছু না। এটাও কিন্তু আমাদের দেশের জন্য গর্বের।

প্রথম এবং বর্তমানে ক্যামেরার সামনের অভিজ্ঞতা...
প্রথমে তো আমার পা কাঁপত, এখন পুরো শরীরই কাঁপে। তবে এখনো শেখার চেষ্টা করছি। মানুষ তো আর একদিনেই সব কিছু শিখে না।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close