রংপুরে অর্ধশত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসএসব ভবন ইতোমধ্যে শতবর্ষ পেরিয়ে গেলেও ভাঙার উদ্যোগ নেইরংপুর প্রতিনিধি রংপুরে প্রায় অর্ধশত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সহস্রাধিক লোকজন এখনো বসবাস করছে। এর মধ্যে ১৭টি রয়েছে সরকারি। এতে করে বড় ধরনের ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন অনেকে। রংপুর সিটি করপোরেশন ও গণপূর্ত অফিস থেকে ৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি সরকারি ও বেসরকারি ৩০টি। ভবনগুলো আবাসিক ও অফিস ভবন। এসব ভবন ইতোমধ্যে শতবর্ষ পেরিয়েছে।
এগুলোর মধ্যে জেলা জজ আদালত, জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন, সার্কিট হাউস, জোনাল সেটেলমেন্ট রেকর্ড রম্নম, সদর ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, জেলা প্রশাসনের বাসভবন, পুলিশ গার্ড সেড, ট্রেজারি ভবন পুরনো, এডিএম কোর্ট ভবন ও তার রেকর্ড রম্নম, রেডক্রিসেন্ট ভবন, সিভিল সার্জনের বাসভবন, রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার মূল ফটক, অফিস কাম জেনারেল বাসভবন, কারা হাসপাতাল, জেল টয়লেট, সদর হাসপাতাল পুরনো অফিস, সদর হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের বাসভবন, নগরীর গুপ্তপাড়ায় শাহজাহান আলীর চারতলাবিশিষ্ট ভবন, একই পাড়ার অ্যাডভোকেট কমল মজুমদারের দুই তলাবিশিষ্ট বাসভবন, কামাল কাছনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আঞ্চলিক কেন্দ্রের ভাড়া ভবন, সাতগাড়া পশ্চিম পর্যটন এলাকার শিরিন আহমেদের জরাজীর্ণ ভবন, পাবর্তীপুর বজলুর রশিদের দুই তলাবিশিষ্ট বাসভবন, ধাপ মেডিকেলের পশ্চিম পাশে কেলস্নাবন্দ যুগীপাড়ার ডা. খন্দকার আখতারম্নজ্জামানের আটতলাবিশিষ্ট ভবন, সর্দারপাড়ার মো. সোহেলের ভবন, মুন্সিপাড়ার মো. আনামের একতলা ভবন, একই এলাকার মৃত হাজি ইছাহাক অপুর দুই তলাবিশিষ্ট ভবন, কেরামত আলী রোডের মো. মতিউর রহমানের সাত তলাবিশিষ্ট ভবন, মাহফুজার রহমান ইসমাইলের আট তলাবিশিষ্ট বাসভবন, রাধাবলস্নভ এলাকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মশিউর রহমান যাদু মিয়ার বাসভবন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুরনো ডায়াবেটিস সমিতি, ডা. সাইদুজ্জামান রম্নবেলের বাসভবন, পাকপাড়ায় রাজার বাসভবন, উত্তর মুলাটোল সরকারি প্রাথমিক স্কুল, মুলাটোল আজাদুল ইসলামের বাসভবন, মন্টু মিয়ার বাসভবন, লক্ষ্ণী সিনেমা হল, মাস্টারপাড়ার ছাত্রাবাস, গুপ্তপাড়ার ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ, বায়তুল সাজেদা জামে মসজিদ, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, কারমাইকেল কলেজ এক নম্বর একাডেমিক ভবন, দুই নম্বর প্রশাসনিক ভবন, বেগম রোকেয়া ছাত্রীনিবাস, সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের তারামন বিবি ছাত্রীনিবাস, রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের একাডেমিক ভবন, ছাত্রীনিবাস, চারটি শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাসভবন, রংপুর সরকারি কলেজের একাডেমিক ভবন, মোসলেম উদ্দিন ছাত্রাবাস, বেতপট্টি এলাকার মৃত গোলাম মিয়ার একতলাবিশিষ্ট ভবন ও পুলিশ সুপারের বাসভবন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ ভবনে ঝুঁকি নিয়েই লোকজনের বসবাস ও অফিসের কার্যক্রম চলছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ভবনগুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হলেও কেউই সেটা মানছে না।
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার আজাদ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লতিফুল ইসলাম ও সিভিল সার্জন ডা. আবু মো. জাকিরম্নল ইসলামের সঙ্গে যায়যায়দিনের কথা হয়।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close