জম্মুর সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলাপাক-ভারতের পাল্টাপাল্টি হুশিয়ারিযাযাদি ডেস্ক জম্মু-কাশ্মিরের সুঞ্জওয়ান সেনাঘাঁটিতে কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্ত্মান ও ভারত একে অপরকে পাল্টাপাল্টি হুশিয়ারি দিয়েছে। গত শনিবার সকালে একদল বন্দুকধারী জম্মুর ওই সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায়। হামলায় পাঁচ সেনা এবং এক সেনা কর্মকর্তার বাবা নিহত এবং শিশু ও নারীসহ অন্ত্মত ১০ জন আহত হন। ঘাঁটিতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের টানা প্রায় ৩৬ ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ হয় এবং তিন সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সংবাদসূত্র : এনডিটিভি
ভারতের অভিযোগ, হামলাকারীরা পাকিস্ত্মানের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল জইশ-ই-মোহাম্মদ দলের সদস্য। সোমবার ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারাম হুমকি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্ত্মানকে এজন্য 'মূল্য দিতে হবে'। তিনি বলেন, 'আমি সুনির্দিষ্ট করে পাকিস্ত্মানের বিরম্নদ্ধে অভিযান চালানোর কথা বলছি না। তবে এটা বলবো, পাকিস্ত্মানকে এই দুঃসাহস দেখানোর জন্য মূল্য দিতে হবে। আমি আবারও বলছি, তাদের এর দাম দিতে হবে।' পাকিস্ত্মান কাশ্মিরের জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় বলে ভারতের দীর্ঘদিনের অভিযোগ।
এদিকে, ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলার হুশিয়ারির জবাবে পাকিস্ত্মান সীমান্ত্ম পেরিয়ে তাদের ভূখ-ে হামলার ব্যাপারে ভারতকে সতর্ক করেছে। পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ভারতীয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বিবৃতি এবং ভিত্তিহীন অভিযোগের কথা এখন সবাই জানে। সেখানে কিছু হলেই কোনো ধরনের তদন্ত্ম ছাড়াই তারা বিবৃতি দিয়ে বসে।'
অস্ত্রের মাধ্যমে ভারত বর্ববরোচিতভাবে কাশ্মির দখলের চেষ্টা করছে এবং তাদের ওই কর্মকা- থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরাতেই তারা এ ধরনের অভিযোগ করে বলেও বিবৃতিতে উলেস্নখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'আশা করি আন্ত্মর্জাতিক বিশ্ব ভারত সরকারকে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাশ্মিরে অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতা ও বাড়তে থাকা নৃশংসতা বন্ধের আহ্বান জানাবে। নিয়ন্ত্রণরেখায় তারা যদি কোনো ধরনের দুঃসাহস দেখানোর চেষ্টা করে তবে তাদের প্রতিহত করা হবে।'
'পাকিস্ত্মানের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে'
কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেছেন, রক্তপাত বন্ধ করতে হলে পাকিস্ত্মানের সঙ্গে ভারতের আলোচনায় বসতে হবে। এছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সোমবার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'পাকিস্ত্মানের সঙ্গে সবগুলো যুদ্ধে ভারত জয়ী হয়েছে। কিন্তু এখন দরকার সংলাপ, যদি আমরা রক্তপাত বন্ধ করতে চাই।'
তিনি বলেন, তার এই মন্ত্মব্যকে মিডিয়া হয়তো জাতীয়তাবিরোধী বা রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে উলেস্নখ করতে পারে। তিনি বলেন, 'আমরা যদি আলোচনা না করি, তাহলে কে করবে? বিহারের লোকজন এসে করবে?'
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close