পাইকগাছায় ভাঙা কাঠের হসেতুতে নদী পারাপারখুলনা অফিস খুলনায় ভাঙা কাঠের সেতু -যাযাদিখুলনার পাইকগাছা উপজেলার হাড়িয়া নদীর ওপর শঙ্কদানা কাঠের ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।
কিছুদিন আগে ব্রিজের সিংহভাগ ভেঙে পড়ায় তখন থেকে ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ কোনোরকমে নদী পার হলেও বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। ভেঙে পড়া ব্রিজটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পরিদর্শন করলেও ঠিক কবে নাগাদ সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ হতে পারে, তা নিশ্চিত করেনি কেউ।
এলাকাবাসী জানান, ভোগান্ত্মির কথা চিন্ত্মা করে উপজেলার কপিলমুনি ও লতা ইউনিয়নের সীমান্ত্মবর্তী হাড়িয়া নদীর উপর ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করে। ব্রিজের এক প্রান্ত্মে রয়েছে উপজেলার লতার শঙ্কদানা ও তেঁতুলতলা অন্য প্রান্ত্মে রয়েছে কপিলমুনি ইউনিয়নের বারইডাঙ্গা।
দুটি ইউনিয়নই সুন্দরবন উপকূলীয় চিংড়ি অধু্যষিত এলাকা হওয়ায় ওই এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার শত শত চিংড়ি চাষির যাতায়াতসহ ওই এলাকায় উৎপাদিত মাছ উপজেলা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনিতে সরবরাহের একমাত্র মাধ্যম কাঠের ব্রিজটি। এছাড়া দুর্গম পানিবেষ্টিত দ্বিপাঞ্চলের বহু ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে উপজেলা কিংবা কপিলমুনির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এর আগে ২০১৪ সালে ব্রিজটি অনুরূপ ক্ষতিগ্রস্ত্ম হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে তা সংস্কার করলেও ভারী মালামাল বহনে পরের দিনই তা নড়বড়ে হয়ে পড়ে। এরপর সর্বশেষ বেশ কিছুদিন পূর্বে ফের কাঠের ব্রিজটি ভেঙে পড়লে সদরের সঙ্গে একপ্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় গোটা এলাকা।
এলাকাবাসী আরও জানান, প্রায় ২০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পুরাতন ব্রিজটির লতা প্রান্ত্মের সিংহভাগ ভেঙে পড়ায় নছিমন-করিমন, ভ্যান-সাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এমনকি সাধারণ মানুষও পার হতে পারছে না। এরপরও জরম্নরি প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ব্রিজের উপর দিয়েই কোনো রকম পার হচ্ছেন। এমন অবস্থায় ব্রিজে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে কোনো বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।
খবর পেয়ে ইতোমধ্যে পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. স ম বাবর আলী, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শেখ কামাল হোসেন, কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার ও লতা ইউপি চেয়ারম্যান দিবাকর বিশ্বাসসহ সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ ভাঙনকবলিত ব্রিজটি পরিদর্শনে গেলেও ঠিক কবে নাগাদ তা পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার হবে তা নিশ্চিত করেনি কেউ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কৃষ্ণ রায় জানান, ব্রিজের অধিকাংশ স্থান ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত নিয়ে এলাকার মানুষ চরম ভোগান্ত্মিতে রয়েছেন। জনভোগান্ত্মি কমাতে খুব তাড়াতাড়ি এটি সংস্কার প্রয়োজন।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close