তিন ম্যাচে পাঁচ সেঞ্চুরিক্রীড়া প্রতিবেদক দীর্ঘ অপেক্ষা ঘুচিয়ে সেঞ্চুরি পেয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে কলাবাগানের হয়ে খেলেছেন ১০৪ রানের ইনিংস। সেঞ্চুরি পেয়েছেন আশরাফুলের সতীর্থ তাইবুর রহমানও (১১৪)। পাশেই তিন নম্বর মাঠে গাজী গ্রম্নপ ক্রিকেটার্সের জহুরম্নল ইসলামও (১০২) নিজেকে রাঙিয়েছেন সেঞ্চুরির রঙে। ফতুলস্নায় আবাহনীর সাইফ হাসান করেছেন ১০৮ রান। অপর সেঞ্চুরিটি লিটন দাসের। এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের আগের ১২ ম্যাচে সেঞ্চুরি ছিল মাত্র একটি, সেখানে একদিনেই দেখা মিলল পাঁচ সেঞ্চুরির।
পাঁচ সেঞ্চুরির দিনে সবথেকে উজ্জ্বল ছিলেন লিটন। তার অপরাজিত ১৪৩ রানের ইনিংস আশরাফুল-তাইবুরের সেঞ্চুরিকে ম্স্নান করে দিয়েছে, কলবাগানের বিপক্ষে প্রাইম দোলেশ্বরকে এনে দিয়েছে ৮ উইকেটের বড় জয়। বৃথা গেছে জহুরম্নলের সেঞ্চুরিও, খেলাঘরের কাছে হেরে গেছে তার দল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রম্নপ ক্রিকেটার্স। তবে সাইফের সেঞ্চুরিতে ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১৩৬ রানে জিতেছে আবাহনী। টানা তিন জয়ে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষেও উঠে গেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে এদিন ষষ্ঠ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আশরাফুল। ছুঁয়েছেন পাঁচ হাজার রানের মাইলফলকও। ১৩১ বল খেলে ১১টি চারে করেছেন ১০৪ রান। ৯টি চার আর তিনটি ছক্কায় ১০৯ বলে ১১৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তাইবুর। এই যুগলের ব্যাটে ভর করে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র ৪ উইকেটে ২৯০ রান সংগ্রহ করে। ৩০ বল হাতে রেখেই ওই রান টপকে যায় দোলেশ্বর। সেটা লিটনের ব্যাটে। ১২৩ বল খেলে ১৪টি চার এবং তিনটি ছক্কায় ১৪৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তিনি। ৯১ রানে অপরাজিত ছিলেন মার্শাল আইয়ুব।
সাইফ হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ আর সানজামুল ইসলামের নৈপুণ্যে তিনে তিন করে ফেলেছে আবাহনী। ছয়টি চার আর পাঁচটি ছক্কায় সাজানো সাইফের ১০৮ রানে ভর করে প্রথমে ব্যাট করতে নামা আবাহনী ২৬৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে মিরাজ আর সানজামুলের বোলিংয়ে ব্রাদার্সের ইনিংস গুটিয়ে গেছে ৩৫.৪ ওভারে, ১৩০ রানেই। তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মিরাজ আর সানজামুল। ব্রাদার্সের পক্ষে ইয়াসির আলী সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন।
এদিকে, বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে চমক দেখিয়েছে খেলাঘর। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রম্নপকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে তারা। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রম্নপ। ১৪২ বল মোকাবেলা করে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১০২ রানের ইনিংস খেলেন দলপতি জহুরম্নল। এছাড়া মুমিনুল হক ৪৬ আর রজত ভাটিয়ার ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। জবাব দিতে নেমে প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তায় জয় তুলে নেয় খেলাঘর। ম্যাচসেরা মাহিদুল ইসলাম অংকন ৮৫, ম্যানেরিয়া ৫১ রান করেন।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close