আইসিটির বহুমাত্রিক ব্যবহারে যেতে হবেতথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ ব্যবহারের দিকগুলো উলেস্নখ করে এডুকেশন সম্পর্কে বলেছিলাম, দেশের স্কুল লেভেল থেকে ইউনিভার্সিটি লেভেল পর্যন্ত্ম শিক্ষা এমনভাবে হওয়া উচিত, যাতে আমরা দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে বিভিন্ন স্ত্মরে স্কিলড পারসন্স দিয়ে আইসিটির প্রয়োগ ব্যাপকভাবে ২০২০ সালের মধ্যে বাস্ত্মবায়ন করতে পারি। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ এবং বাস্ত্মবায়ন করতে হলে আমাদের বিদেশিদের সঙ্গে যৌথ সংযোগের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।ড. রফিকুল ইসলাম শরীফ বিশ্বের অনেক দেশ তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রম্নত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের জন্য ২০২০ সালের মধ্যে আইসিটির ব্যবহারের সুযোগ প্রদান সম্ভব। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, বাস্ত্মবায়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি কিছু কথা ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি ডেইলি স্টারে লিখেছিলাম।
তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ ব্যবহারের দিকগুলো উলেস্নখ করে এডুকেশন সম্পর্কে বলেছিলাম, দেশের স্কুল লেভেল থেকে ইউনিভার্সিটি লেভেল পর্যন্ত্ম শিক্ষা এমনভাবে হওয়া উচিত... বিস্তারিত
লুনা শামসুদ্দোহা : তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এক স্বাপ্নিক মানুষজাহিদ রহমান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের যেসব নারী নীরবে নিভৃতে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম একজন লুনা শামসুদ্দোহা। এই খাতের অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি। 'দোহাটেক নিউমিডিয়া' নামক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন তিনি। একজন সৃজনশীল সফটওয়ার এন্টারপ্রেনার হিসেবে দেশে এবং বিদেশে যিনি এখন সুবিখ্যাত। শুধু এই নয় দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে একীভূত করার কৃতিত্বও তার। তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও অনেক উচ্চতায় নিতে চান... বিস্তারিত
আইটি সেক্টরে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎশামা ওবায়েদ বিপুল সম্ভাবনার উন্মুক্ত দুয়ার এখন বাংলাদেশের সমানে। যদিও ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত্ম বাংলাদেশকে নানা প্রতিকূলতা পাড়ি দিতে হয়েছে। এখনো এখানে গণতন্ত্রচর্চার অভাব, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মতো নেতিবাচক প্রবণতার উপস্থিতি রয়েছে। তা সত্ত্ব্বেও বাংলাদেশ ক্রমেই এগিয়ে চলেছে। মূলত দৃঢ়প্রত্যয়ী, পরিশ্রমী ও কর্মক্ষম তরম্নণ জনগোষ্ঠীই এই এগিয়ে যাওয়ার পেছনে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। এ ছাড়া অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটিয়েছে বেসরকারি খাত। আমরা তৈরি পোশাকশিল্প (আরএমজি... বিস্তারিত
ভবিষ্যতের গণমাধ্যম এবং বাংলাদেশমুহাম্মদ ওয়াশিকুর রহমান ইন্টারনেটের শুরম্নর ইতিহাসটা ষাটের দশকের। তবে প্রকৃত ইন্টারনেট প্রযুক্তির উৎসকর্ষ হয়েছে আশির দশকে। বতমানে পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, অনেকের কাছেই ইন্টারনেট ছাড়া জীবন যেন অর্থহীন। তাই তো অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো ইন্টারনেটও এখন মানুষের মৌলিক চাহিদা হয়ে উঠেছে বলে মন্ত্মব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দুনিয়াজুড়ে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নতি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক যোগাযোগসহ ব্যবসায়িক ও বাজার অর্থনীতির বিচিত্র কার্যক্রম অনলাইন বা ইন্টারনেট... বিস্তারিত
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিরাপদ থাকবে যেভাবেইঞ্জিনিয়ার কাজী মো. মোরশেদ শিমুল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, মাইস্পেস, লিঙ্কডইন ও বস্নগ ইত্যাদি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এবং টুলসের সংখ্যা দিন বেড়েই চলছে। সাধারণত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট মানে হলো একজনের সঙ্গে অন্যজনের তথ্য শেয়ার করা, কিন্তু কিছু কিছু তথ্য একেবারেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করা উচিত নয়। কারণ বেশি তথ্য শেয়ার না করাই আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে অনেক ধরনের অনলাইন প্রতারণার হাত থেকে।
তাই আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিরাপদ থাকার... বিস্তারিত
ডিজিটাল বাংলাদেশ : অর্জন, সমস্যা ও সম্ভাবনাতথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনের বৈশ্বিক হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' স্স্নোগান নিয়ে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে, সারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনকে 'চতুর্থ শিল্পবিপস্নব' হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আগমনকে কেন্দ্র করে, কৃষিনির্ভর সমাজব্যবস্থা থেকে কলকারখানানির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্ত্মরের মধ্যদিয়ে, ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটে যায় প্রথম শিল্পবিপস্নব। আরও খানিকটা অগ্রসর হয়ে, তেল, বিদু্যৎ, ইস্পাতের বদৌলতে বিশ্ববাসী প্রবেশ করেছিল দ্বিতীয় শিল্পবিপস্নবের যুগে।ড. বি এম মইনুল হোসেন তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনের বৈশ্বিক হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' স্স্নোগান নিয়ে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে, সারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনকে 'চতুর্থ শিল্পবিপস্নব' হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আগমনকে কেন্দ্র করে, কৃষিনির্ভর সমাজব্যবস্থা থেকে কলকারখানানির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্ত্মরের মধ্যদিয়ে, ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটে যায় প্রথম শিল্পবিপস্নব। আরও খানিকটা অগ্রসর হয়ে, তেল, বিদু্যৎ, ইস্পাতের বদৌলতে বিশ্ববাসী প্রবেশ করেছিল দ্বিতীয় শিল্পবিপস্নবের যুগে।
এরপর অ্যানালগ প্রযুক্তির ডিজিটাল... বিস্তারিত
কম্পিউটারাইজেশনের মাধ্যমে চতুর্থ শিল্পবিপস্নব শুরম্ন২০১৭ সালে দেশে মোট ১০ লাখ ২৫ হাজার কম্পিউটার আমদানি হয়। এর মধ্যে ৫ লাখ ৪০ হাজার ল্যাপটপ, ২ লাখ ২৫ হাজার ব্র্যান্ড পিসি এবং ২ লাখ ৬০ হাজার ক্লোন পিসি আমদানি করা হয়। এর মধ্যে সরকার ক্রয় করে মাত্র প্রায় ১ লাখ ইউনিট। পুরাতন ব্যবহারকারীদের মধ্য থেকে নতুন ইউনিট ক্রয় করা হয় প্রায় ৩ লাখ। কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার ফলে স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ইউনিট।মোহাম্মদ আব্দুল হক অনু মানবসভ্যতার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত্ম তিনটি শিল্পবিপস্নব পাল্টে দিয়েছে সারা বিশ্বের গতিপথ। প্রথম শিল্পবিপস্নবটি হয়েছিল ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে। এরপর ১৮৭০ সালে বিদু্যৎ ও ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেটের আবিষ্কার শিল্পবিপস্নবের গতিকে বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। তবে আগের তিনটি বিপস্নবকে ছাড়িয়ে যেতে পারে ডিজিটাল বিপস্নব। এ নিয়েই এখন সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। এই তোলপাড়ের অন্যতম অনুষঙ্গ কম্পিউটার। কম্পিউটার প্রযুক্তিতে রূপান্ত্মরের মাধ্যমে শিল্প খাতে উৎপাদন যেমন বাড়ছে,... বিস্তারিত
স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১মহাশূন্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার ওপরকার অনন্ত্ম আকাশকে বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুম-ল সমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুম-লের বাইরের অনন্ত্ম স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন পস্নাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান। প্রথম নারী হিসেবে সোভিয়েত নভোচারী ভ্যালেন্ত্মিনা তেরেসকোভা ১৯৬৩ সালে মহাকাশ জয় করেন। ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি মহাকাশে উড্ডয়ন করেন।ড. আশরাফ আহমেদ 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্স্নোগান বুকে নিয়ে বর্তমানে মহাকাশে অবস্থান করছে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ফলে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এ কথা সত্য, তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপস্নবিক পরিবর্তন এনেছে স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইট হলো মহাকাশে থাকা এমন একটি বস্তু যেটি উৎক্ষেপিত হয় পৃথিবী থেকেই। এটি পৃথিবী অথবা অন্য কোনো গ্রহের চারদিকে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাকাশ থেকেই নানান তথ্য সরবরাহ করে থাকে পৃথিবীতে। এটি... বিস্তারিত
ক্লাউড নিরাপত্তা নির্মাণের কৌশলক্লাউড যুগের আগে আইটি সুরক্ষা ঝুঁকি অবশ্যই ভালো অবস্থানে ছিল। কিন্তু আজ, ক্লাউড প্রযুক্তি ঝুঁকিতে একটি নতুন মাত্রা আনছে। অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তির অভূতপূর্ব সুবিধা এবং গতির কারণে, ব্যবসায়ী বা ক্লাউড ব্যবহারদের এখন তাদের নিজস্ব ক্লাউড পরিকাঠামো প্রদান করতে সক্ষম। যাই হোক, তারা করপোরেট আইটি সুরক্ষা নির্দেশিকা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নাও হতে পারে অথবা তারা কঠোরভাবে তাদের অনুসরণ করতে বাধ্য নাও হতে পারে। কিন্তু ক্লাউড ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব কিছু নিরাপত্তা অবশ্যই নেবেন।মো. ইউসুফ ফারম্নক কয়েক বছর আগে, ক্লাউড টিমের সদস্যদের জন্য নিরাপত্তা ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ। দলটির প্রত্যেকেই মনে করেছিল নিরাপত্তাই ছিল প্রধান সমস্যা। ইনফরমেশন টেকনোলজির প্রধান নিরাপত্তা লঙ্ঘনের মাধ্যমে কিছু প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক ক্ষতি, নামের ক্ষতি, এমনকি কাজের ক্ষতি হয়েছে। এটা না হওয়া পর্যন্ত্ম এই মানসিকতা পরিবর্তন হয়নি, সেই সময়ে সাইবার সিকউরিটি সবার সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়- কিন্তু এই উপলব্ধিটি হতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। সাইবার বোলিং এবং ক্লাউডের জটিল... বিস্তারিত
সফটওয়ার রপ্তানিতে ২৫০ কোটি টাকা বার্ষিক মুনাফাবাংলাদেশে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্প একটি অত্যন্ত্ম সম্ভাবনাময় খাত। বর্তমানে তৈরি পোশাকশিল্পের পর এই খাতকেই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তেমন কোনো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পেয়েও এগিয়ে যাচ্ছে এই খাত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এবং এই শিল্পের বিদ্যমান সংকটগুলো শক্ত হাতে মোকাবেলা করা গেলে অচিরেই এটি হয়ে উঠবে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস।হাবিবুলস্নাহ নেয়ামুল করিম বর্তমান যুগকে বলা হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তির যুগ এবং এ সময়টা জ্ঞানচর্চার। এ যুগের মূল চালিকাশক্তিও অনেকাংশে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক। কিন্তু আমাদের দেশ এতদিন এ ক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও সম্প্রতি এই অবস্থার দ্রম্নত পরিবর্তন ঘটছে। সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিল্পের সম্ভাবনা মূর্ত হয়ে উঠেছে বিগত কয়েক বছরে তাদের সাফল্যের সূত্র ধরে। বাংলাদেশ এখন সফটওয়্যার নির্মাণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করছে। সাম্প্রতিক বছরে এই খাত থেকে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ... বিস্তারিত
স্বপ্ন থেকে বাস্ত্মবতায় ডিজিটাল বাংলাদেশডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়। তথ্যপ্রযুক্তির বাহনে চড়ে দুরন্ত্ম গতিতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল সেবা। দুর্গম প্রান্ত্মিক এলাকার পিছিয়ে পড়া জনসাধারণ থেকে শুরম্ন করে শহুরে জীবনেও লেগেছে ডিজিটাল স্পর্শ। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যাপিত জীবনকে বদলে দেয়া এক সফল অভিযাত্রার নাম। নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মাত্র সাড়ে ছয় বছরের ডিজিটাল এই কর্মযজ্ঞে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্ত্মবায়নের সফল গল্পটি আন্ত্মর্জাতিক অঙ্গনেও উদাহরণ হিসেবে টানা হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির প্রশংসা করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।হাসান জাকির ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়। তথ্যপ্রযুক্তির বাহনে চড়ে দুরন্ত্ম গতিতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল সেবা। দুর্গম প্রান্ত্মিক এলাকার পিছিয়ে পড়া জনসাধারণ থেকে শুরম্ন করে শহুরে জীবনেও লেগেছে ডিজিটাল স্পর্শ। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যাপিত জীবনকে বদলে দেয়া এক সফল অভিযাত্রার নাম। নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মাত্র সাড়ে ছয় বছরের ডিজিটাল এই কর্মযজ্ঞে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্ত্মবায়নের সফল গল্পটি... বিস্তারিত
ডিজিটাল বাংলাদেশ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এর মধ্য দিয়ে ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। আর ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ। ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' প্রতিষ্ঠার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় আয়োজিত 'ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড'-এর উদ্বোধনে শেখ হাসিনা এ দেশের অগ্রগতিতে প্রযুক্তির অবদানের কথা তুলে ধরেছেন।মিল্টন বিশ্বাস ১১ মে (২০১৮) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের ঘোষিত 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' পৌঁছে গেছে নতুন এক উচ্চতায়। আমাদের কৃষিভিত্তিক সমাজের সাংস্কৃতিক মানকে ডিজিটাল যুগের স্ত্মরে উন্নীত করা একটি কঠিন কাজ ছিল। তার জন্য সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার দরকার পড়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই কাজটি সুনিপুণ পরিকল্পনায় বাস্ত্মবায়ন করে চলেছেন। তার মতে, 'দীর্ঘদিন এ দেশের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছি। মানুষের অনেক কাছে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে,... বিস্তারিত
আউটসোর্সিংয়ে সমৃদ্ধ হবে অর্থনীতিবিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তিনির্ভর যেসব ব্যবসা বিশ্বে বেশ আলোচিত তার মধ্যে অন্যতম হলো আউটসোর্সিং, বিজনেস প্রসেস আউসোর্সিং, ডিপিও বা ডকুমেন্ট প্রসেস আউটসোর্সিং ও কল সেন্টার ধারণা প্রভৃতি। সঠিকভাবে আউটসোর্সিংয়ের শিক্ষা অর্জন করতে পারলে দেশের যুবসমাজকে জনশক্তিতে রূপান্ত্মর করা সম্ভব। বিপুল সম্ভাবনাময় এই খাত থেকে দেশে আনা সম্ভব বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স। দেশের প্রতিটি মানুষ যখন প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করবে তখনই ডিজিটাল বাংলাদেশের পূর্ণতা পাবে আউটসোর্সিংয়ে আছে সৃজনশীলতা, আছে স্বাধীনতা।শিবশংকর দেবনাথ (প্রিন্স) বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তিনির্ভর যেসব ব্যবসা বিশ্বে বেশ আলোচিত তার মধ্যে অন্যতম হলো আউটসোর্সিং, বিজনেস প্রসেস আউসোর্সিং, ডিপিও বা ডকুমেন্ট প্রসেস আউটসোর্সিং ও কল সেন্টার ধারণা প্রভৃতি। সঠিকভাবে আউটসোর্সিংয়ের শিক্ষা অর্জন করতে পারলে দেশের যুবসমাজকে জনশক্তিতে রূপান্ত্মর করা সম্ভব। বিপুল সম্ভাবনাময় এই খাত থেকে দেশে আনা সম্ভব বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স। দেশের প্রতিটি মানুষ যখন প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করবে তখনই ডিজিটাল বাংলাদেশের পূর্ণতা পাবে আউটসোর্সিংয়ে আছে... বিস্তারিত
তথ্যপ্রযুক্তি অপব্যবহারে আমাদের করণীয়মাহমুদুল হাসান রতন তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারে তরম্নণ প্রজন্ম শারীরিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মানসিক অবক্ষয়ের শিকার হচ্ছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার বন্ধে মুঠোফোন, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারবিধি ও নীতিমালা তৈরি, তথ্যপ্রযুক্তি আইন সম্পর্কে প্রচারণা, ইন্টারনেটের ভালো দিক প্রচারে উদ্যোগী হওয়া, সংশিস্নষ্ট দপ্তরের সক্ষমতা বাড়ানো, ফেসবুকের নকল আইডি বন্ধ ও সরকারি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ভালোমন্দ দিক প্রচারে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা উচিত। শিশু ও যুবকরা যাতে মুঠোফোন ও... বিস্তারিত
'আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সার' কোনো ব্যক্তির পেশা হতে পারে নাবর্তমান সরকারের আইটি প্রজেক্টে তৈরি এই ফ্রিল্যান্সাররা এখনো হাইপের মধ্যে আছে। বিশাল বড় একটা ট্রেনিং বাজেটের নাম্বার পুরা করার জন্য এদের জাস্ট কয়েক মাস এসি বাতাসে জুস খাইয়ে লেঙ্গুট ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে যেটা হয় একজন ফ্রিল্যান্সার সে কখনো গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ওঠে না, ওয়েব ডিজাইনার বা রাইটার বা প্রোগ্রামার হয়ে ওঠে না- যার জন্য তাকে হাজার হাজার ঘণ্টা সাধনা করতে হবে। সে হয়ে যায় ফ্রিল্যান্সার।মাহফুজ আজিম মনে করম্নন, আপনি ইন্টারনেটের পোর্টালগুলোতে লেখালেখি করেন। তখন আপনি লেখক। আমাদের মধ্যে যদি কেউ গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের টুল (ঞড়ড়ষ) দিয়ে লগো, বিজনেস কার্ড বানাতে পারে, তো আমরা তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার বলি। বা মনে করম্নন, কেউ একজন ওয়েবসাইট ডিজাইন করে। তো, আমরা তাকে ওয়েব ডিজাইনার বলি। তো এই কাজগুলো আপনি চাকরি হিসেবে না করে, নিজে নিজে মার্কেট পেস্নস থেকে বা অফ লাইনে খুঁজে নিজে নিজে করে থাকেন... বিস্তারিত
২০২১ রূপকল্প বাস্ত্মবায়নে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তির ব্যবহারশুধু আইটির মাধ্যমেই বাংলাদেশের আয় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ২৩২ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে দেশের প্রথম সুসমৃদ্ধ হাইটেক পার্ক সেই সঙ্গে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৯৮ একর জমির ওপর সাইবার সিটি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ একর জমিসহ দেশের আরও দশটি সিটিতে হাইটেক পার্কের কাজ চলছে।কাজী হারম্নন-অর-রশীদ মিরন আধুনিক সভ্যতা হচ্ছে তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তির। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো উন্নয়নের মৌলিক সূচকগুলো যেমন- দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, তথ্যপ্রবাহসহ জনবান্ধব বিভিন্ন সেবাগুলোর উন্নয়নে এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যার হাওয়া এখন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোয়ও এসে লেগেছে।
তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মানেই শুধু কম্পিউটার ব্যবহার বোঝায় না। ৮০-র দশকে কম্পিউটার সিস্টেমে ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ ও চাহিদা মাফিক তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগকে... বিস্তারিত
ব্যাংকিং খাতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ঝুঁকি দূরীকরণে আরও মনোযোগী হতে হবেতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) কারণে দেশে প্রথাগত ব্যাংকিং মাধ্যমের লেনদেনকে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইনভিত্তিক লেনদেন। এর ফলে ব্যাংক খাতের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ছে, অন্যদিকে এই খাতের মুনাফা বৃদ্ধিতে তা গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নির্ভুল লেনদেনের মাধ্যমে গ্রাহকের সন্তুষ্টি বাড়াতেও আইসিটির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।রেজাউল করিম খোকন বাংলাদেশের ব্যাংকব্যবস্থায় উলেস্নখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে গত কয়েক দশকে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে চড়াই-উতরাই পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংকব্যবস্থা আজকের পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ব্যাংকব্যবস্থা। ব্যাংকব্যবস্থাকে দুর্বল এবং অনুন্নত রেখে শক্তিশালী অর্থনীতির আশা করা যায় না কোনোভাবেই। এটা সবাই উপলব্ধি করেছেন বেশ ভালোভাবেই। আমাদের ব্যাংকব্যবস্থায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সমস্যা, সংকট রয়েছে। কিন্তু তারপরেও থেমে নেই ব্যাংকব্যবস্থা। যথেষ্টসংখ্যক সরকারি-বেসরকারি বিদেশি ব্যাংক... বিস্তারিত
সম্ভাবনায় ভরা বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরবর্তমানে আমাদের ই-কমার্স সেক্টরে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। কিন্তু সেসব সমস্যা ছাপিয়েও চলে এসেছে অনেক সম্ভাবনা। এই সমস্যাগুলো দূর করতে পারলে এবং সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে ই-কমার্স সেক্টর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেক্টরে পরিণত হবে। শুধু তাই নয়, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০২১-এর রূপকল্পকেও বাস্ত্মবে রূপ দিতে পারবে।রাজিব আহমেদ বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টর এখন আর নতুন কিছু নয়। যদিও ১৯৯৯ সালে এটি শুরম্ন হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছর পর অর্থাৎ ২০১৪ সালে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে এই সেক্টরটিতে সত্যিকারের প্রাণের সঞ্চার ঘটে। ওই বছরের নভেম্বর মাসের ৮ তারিখে ই-ক্যাব তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরম্ন করে। বিগত তিন বছরে দেশব্যাপী ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে ই-ক্যাব ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।
বর্তমানে আমাদের... বিস্তারিত
আপনি কি সাইবার বুলিংয়ের শিকার?ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করাকে সাইবার বুলিং বলে। ভিকটিম অনেক সময় সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত্ম হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে বস্ন্যাকমেলিং ও কিডন্যাপের ঘটনাও ঘটে থাকে। মূলত সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। বুলিংকারীরা মূলত শিশু-কিশোরদের টার্গেট করে থাকে। যার ফলাফল শুরম্নতে বন্ধুসুলুভ আচরণ করে। এবং পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকে। সাধারণত বুলিংকারীরা মানসিক অত্যাচার করে থাকে। তবে তা মাঝেমধ্যে শারীরিক নির্যাতনের পথেও ধাবিত হতে পারে।মো. রাশেদুল আরেফিন (রাজন) সামিয়া মা-বাবার একমাত্র সন্ত্মান। ক্লাস এইট পড়ুয়া সামিয়া দিনের অনেকটা সময়ই অনলাইনে কাটায়। একদিন ফেসবুকে লগ ইন করার পর, রায়হান নামক একটি আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পায়। প্রোফাইলটা দেখে ভালো মনে হওয়ায় বন্ধু বানায়। আস্ত্মে আস্ত্মে অচেনা মানুষটার সঙ্গে ওর প্রায়দিনই চ্যাটিং চলতে থাকে।
একসময় সামিয়ার অজানা বন্ধু তাকে তার সঙ্গে একা দেখা করতে বলল। সামিয়া রাজি না হওয়ায়, তার ভালো বন্ধুর আসল রূপ... বিস্তারিত
জ্বালানি উন্নয়নে বাংলাদেশ ও জার্মানিবিশ্ব উন্নয়নের কক্ষপথে। সে উন্নয়নে জ্বালানি চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদার সঙ্গে সরবরাহ বজায় রাখতে নানা দেশে নানাভাবে জ্বালানি খাতে নানা রকম সংস্কার বা রূপান্ত্মর চলছে। অর্থাৎ জ্বালানি খাত উন্নয়ন হচ্ছে। সে উন্নয়নের প্রকার ও প্রকৃতি পর্যালোচনায় এ-প্রবন্ধে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এবং উন্নত দেশ হিসেবে জার্মানিকে বেছে নেয়া হয়েছে। আর্থিক প্রবৃদ্ধির দর্শনে বিশ্ব এখন দুই ধারায় বিভক্ত : (ক) জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধিতে জিডিপি বৃদ্ধি পায়।ড. এম. শামসুল আলম বিশ্ব উন্নয়নের কক্ষপথে। সে উন্নয়নে জ্বালানি চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদার সঙ্গে সরবরাহ বজায় রাখতে নানা দেশে নানাভাবে জ্বালানি খাতে নানা রকম সংস্কার বা রূপান্ত্মর চলছে। অর্থাৎ জ্বালানি খাত উন্নয়ন হচ্ছে। সে উন্নয়নের প্রকার ও প্রকৃতি পর্যালোচনায় এ-প্রবন্ধে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এবং উন্নত দেশ হিসেবে জার্মানিকে বেছে নেয়া হয়েছে। আর্থিক প্রবৃদ্ধির দর্শনে বিশ্ব এখন দুই ধারায় বিভক্ত : (ক) জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধিতে জিডিপি বৃদ্ধি... বিস্তারিত
দেশের জ্বালানিনীতি ভুলপথে হাঁটছেউন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে যে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনীতি থাকা উচিত তা বাস্ত্মবে নেই। যেন সবকিছু এডহক ভিত্তিতেই চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি ও সমমনা দলগুলোর জোট সরকারের শাসনামলে তারা যে বড় সুবিধাটি পেয়েছেন তা হলো বিশ্ববাজারে তেলের কম দাম। কম দামে জ্বালানি কিনে ভোক্তাদের কাছে তিনগুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করে মধ্যবর্তী মুনাফা সরকারের রাজস্বে জমা হচ্ছে।ড. আসাদুজ্জামান রিপন বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে দেশে একটি কার্যকর জ্বালানিনীতি থাকা প্রয়োজন। অত্যন্ত্ম দুঃখের বিষয় হলো, দেশের জ্বালানি খাত এবং এর ব্যবহার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কোনোটাই বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। এ বিতর্কের সঙ্গত প্রেক্ষিতও রয়েছে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে যে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনীতি থাকা উচিত তা বাস্ত্মবে নেই। যেন সবকিছু এডহক ভিত্তিতেই চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি ও সমমনা দলগুলোর জোট সরকারের শাসনামলে... বিস্তারিত
বিদু্যৎ ও জ্বালানিতে জরম্নরি কৌশলগত অবস্থান২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহাজোট সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন সর্বসাকুল্যে দেশের বিদু্যৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল পাঁচ হাজার মেগাওয়াটের কম। সেখানে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদু্যৎ উৎপাদনের খবর নিশ্চয়ই কম নয়। বিদু্যৎ সরবরাহ পরিস্থিতিও এখন অনেক ভালো। লোডশেডিং নেই বললেই চলে। নতুন সংযোগ দেয়া হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ। সব মিলিয়ে বর্তমানে দেশের ৭৮ শতাংশ মানুষ বিদু্যৎ সুবিধার আওতায়। বলাই যায়, বিদু্যৎ খাত এখন সরকারের জন্য একটি গৌরবের খাত।রনি রেজা বর্তমান আধুনিক বিশ্ব যে কয়টি বিষয়ের ওপর ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে বিদু্যৎ ও জ্বালানি অন্যতম। প্রযুক্তির পরই এ বিষয় দুটিকে গুরম্নত্বের সঙ্গে দেখা হয়। একটু এগিয়ে বলাই যায়- প্রযুক্তি, বিদু্যৎ ও জ্বালানি ছাড়া কোনো দেশেরই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর এ তিনটি বিষয়ও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। প্রযুক্তি ব্যবহারে শক্তির জোগান দেয় বিদু্যৎ। বিদু্যৎ ছাড়া প্রযুক্তি যে পুরোই অচল। তাই যুগের প্রয়োজনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশকে দ্রম্নত... বিস্তারিত
বিদু্যৎ খাতের অনিশ্চিত যাত্রা অসহায় ভোক্তা, সংকটে অর্থনীতি২০০৬-০৭ অর্থবছরে বিপিডিবির লোকসান বা সরকারের নিকট থেকে ভর্তুকি প্রাপ্য ছিল ৩০০ কোটি টাকা অথচ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই দেনা বেড়ে দাঁড়ায় ৩,৯৯৪ কোটি টাকায়। ইতিমধ্যে গত এক বছরেই সরকার বেশ কিছু রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদু্যৎকেন্দ্রের অনুমতি দিয়েছে যাদের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩,০০০ মেগাওয়াট। এগুলোর সবকটিই ডিজেল বা ফার্নেস অয়েলভিত্তিক। বিপিডিবির প্রাক্কলনে দেখা যায়, এসব বিদু্যৎকেন্দ্র থেকে উচ্চ মূল্যের বিদু্যৎ ক্রয়ের কারণে চলতি অর্থবছরে (২০১৭-১৮) প্রতিষ্ঠানটির লোকসান ৪,৫০০ কোটি এবং আগামী অর্থবছরে ৮,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।আবদুল আউয়াল মিন্টু সনাতনী পদ্ধতিতে সঞ্চালন ও ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলা, সিস্টেম লস, বিদু্যৎ বিতরণে অব্যবস্থাপনা, অতিমাত্রায় লোডশেডিং ও বিদু্যৎ বিভ্রাট, গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মিটার রিডিং, বিল প্রণয়ন ও সংগ্রহে নানা রকম কারচুপি ও দুর্নীতি, মিটার রিডারদের অনিয়ম, অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতা, বিদু্যৎ উৎপাদনে লুট-পাট, ঘন ঘন দাম বৃদ্ধি, দরপত্র বা প্রতিযোগিতা ছাড়া স্বাক্ষরিত বিদু্যৎ ক্রয় চুক্তির জন্য দায়মুক্তি আইন, ইত্যাদি সমেত বিদু্যৎ খাত জনগণের ওপর এক বিরাট আপদের... বিস্তারিত
সৌর বিদু্যৎ : যুগান্ত্মকারী সাফল্য এনে দিয়েছেসৌর বিদু্যৎ আজ এমন এক প্রয়োজনীয় স্ত্মরে পৌঁছেছে যে, বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কাজে সৌর বিদু্যৎ সিস্টেমের ব্যবহার কাজের সময়কে বর্ধিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যেমন পোলট্রি ফার্ম, মাছ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র, কাপড় বুনন, হস্ত্মশিল্প এবং হাটবাজারে ব্যবসা বাণিজ্যের সময় বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। সৌর বিদু্যৎ প্রকল্পের কার্যক্রম ইতিমধ্যে ব্যাপক বিস্ত্মৃতি লাভ করেছে।বীরেন মুখার্জী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে বিদু্যৎ ছাড়া সব কিছুই স্থবির হয়ে পড়ে। অল্প সময়ের লোডশেডিংয়ে আমরা তা অনুভব করতে পারি। অথচ বিদু্যতের ঘাটতি দূর করতে এবং যেসব এলাকায় বিদু্যৎ পৌঁছায়নি, সৌরবিদু্যৎ সিস্টেম সেসব এলাকার মানুষের জন্য এক বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। এক সময় সৌরবিদু্যৎ কল্পনাতীত হলেও এখন তা বাস্ত্মব। দিন দিন সৌর বিদু্যতের ব্যবহারও বাড়ছে। জাতীয় গ্রিডেও যুক্ত হয়েছে সৌর বিদু্যৎ। সৌর বিদু্যতের মূল কাজ হলো... বিস্তারিত
বিদু্যৎ খাত: প্রয়োজন স্থায়ী সমাধানগত কয়েক বছরে কোনো বিদু্যৎ উৎপাদন হয়নি তা নয়। বিদু্যৎ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু মূল বিষয়টি অন্য খানে। এ সমস্যা সমাধানে ভ্রান্ত্মনীতি অদক্ষতা প্রমাণ দিয়েছে। তাছাড়া কোন পদ্ধতিতে কীভাবে এ সমস্যা সমাধান করা যায়, তা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। সরকার যখন ক্ষমতায় এসে কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে দ্রম্নত এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে তখন অনেকে এর বিরোধিতা করে কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎ উৎপাদনের পরামর্শ দেন। আবার এখনও কেউ কেউ কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদু্যৎ সমস্যার অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন। অগ্রগতি হলেও এ পদ্ধতি অনেক ব্যয়বহুল।সালাহউদ্দিন আহমেদ জনবহুল দেশ বাংলাদেশ। দেশে এখন সতেরো কোটি মানুষের বসবাস। এ বিপুল জনগোষ্ঠীর বিদু্যৎ চাহিদা মেটানো সহজ কাজ নয়, এটা সত্যি। চাহিদার তুলনায় বিদু্যৎ উৎপাদন বা সরবরাহ এখনো অনেক কম। কাগজে-কলমে উৎপাদন বাড়লেও, বাস্ত্মবতা হলো শহুরে বিদু্যৎ এখনো গ্রামে পৌঁছেনি। কোথাও আছে নামেমাত্র, বাকি সব অন্ধকার।
বিদু্যৎ একটি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম সঞ্চালক ব্যবস্থা। বিদু্যৎ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্বেও অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায়... বিস্তারিত
বাংলাদেশের বিদু্যৎ খাত : একটি পর্যালোচনামাতারবাড়ী ও তার পার্শ্ববর্তী অধিকাংশ এলাকা পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত্ম সংবেদনশীল। মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিবেশগত প্রভাব শুধু মহেশখালী দ্বীপ ও তার চারপাশে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটা চকোরিয়া সুন্দরবন, চকোরিয়া ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চলেও বিস্ত্মৃত হবে। সমুদ্রের পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষেত্রেও তা মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। একইভাবে পায়রা ও তৎসংলগ্ন এলাকাও পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত্ম ঝুঁকিপূর্ণ। একটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য যে, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফসিল ফুয়েল বা খনিজ জ্বালানি বিশেষ করে তেল ও কয়লাকে দায়ী করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী কয়লা ও তেলভিত্তিক নতুন বিদু্যৎকেন্দ্র নির্মাণে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে, ক্ষেত্রবিশেষে পুরনো কয়লা ও তেলভিত্তিক বিদু্যৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।প্রকৌ. আ ন হ আখতার হোসেন পিইঞ্জ ১. বাংলাদেশের বিদু্যৎখাত একটি বহুল আলোচিত বিষয়। ১৯৫৮ সালে তৎকালীন ইপি ওয়াপদা (ঊধংঃ চধশরংঃধহ ডধঃবৎ ধহফ চড়বিৎ উবাবষড়ঢ়সবহঃ অঁঃযড়ৎরঃু) গঠনের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্ত্মানের বিদু্যৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা হয়। ব্রিটিশ আমলে ব্যক্তিখাতে বিভিন্ন শহর/নগরভিত্তিক বিদু্যৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা চালু ছিল। তখন বিদু্যৎ ব্যবহার মূলত সীমাবদ্ধ ছিল আবাসিক ও কিছু বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যে। শিল্প উৎপাদনে তৎকালীন পূর্ববাংলা... বিস্তারিত
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবেগত কয়েক বছরে কোনো বিদু্যৎ উৎপাদন হয়নি তা নয়। বিদু্যৎ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু মূল বিষয়টি অন্য খানে। এ সমস্যা সমাধানে ভ্রান্ত্মনীতি অদক্ষতা প্রমাণ দিয়েছে। তাছাড়া কোন পদ্ধতিতে কীভাবে এ সমস্যা সমাধান করা যায়, তা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। সরকার যখন ক্ষমতায় এসে কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে দ্রম্নত এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে তখন অনেকে এর বিরোধিতা করে কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎ উৎপাদনের পরামর্শ দেন। আবার এখনও কেউ কেউ কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদু্যৎ সমস্যার অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন। অগ্রগতি হলেও এ পদ্ধতি অনেক ব্যয়বহুল।এমএ খালেক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যেমন নানামুখী সম্ভাবনা রয়েছে তেমনি এর সমস্যার সংখ্যাও কম নয়। বাংলাদেশ ক্রমেই কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। বাংলাদেশে সস্ত্মায় প্রচুর লোকবল পাওয়া যায় বলে এখানে শিল্প-কারখানা স্থাপনে বিদেশিদের অনেকেই উৎসাহী হয়ে থাকেন এমন একটি ধারণা সাধারণভাবে প্রচলিত আছে। কিন্তু এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। কারণ শুধু সস্ত্মায় পর্যাপ্তসংখ্যক শ্রমশক্তির জোগান থাকলেই একটি দেশে বিনিয়োগ হবে তা আশা করা যায় না।... বিস্তারিত
বিদু্যৎ খাত : উন্নয়ন ইতিকথা১৯৪৮ সালে, বিদু্যৎ সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে বিদু্যৎ অধিদপ্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৫৯ সালে পানি ও বিদু্যৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ওয়াপদা) স্থাপন করার মাধ্যমে বিদু্যৎ খাতের নবদিগন্ত্মের সূচনা হয় এবং বিদু্যৎ খাত একটি কাঠামো লাভ করে। ১৯৬০ সালে, বিদু্যৎ অধিদপ্তরটি ওয়াপদার সঙ্গে একীভূত হওয়ার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মাত্রা লাভ করে। ওই সময়ে সিদ্ধিরগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও খুলনায় অপেক্ষাকৃত বৃহৎ আকারের বিদু্যৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়, সিদ্ধিরগঞ্জে স্থাপন করা হয় ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার স্টিম টারবাইন বিদু্যৎ কেন্দ্র।মোহাম্মদ হোসাইন পূর্ব কথা: এ কথা অনস্বীকার্য সভ্যতার উন্নয়নে প্রধান নিয়ামক বিদু্যৎ। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর তারিখে আহসান মঞ্জিলে জেনারেটরের সহায়তায় বিদু্যৎ সরবরাহের মাধ্যমে এই অঞ্চলে বিদু্যতের যাত্রা শুরম্ন হয়। ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায় যে, ১৯৩০ সালে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথম বিদু্যৎ বিতরণব্যবস্থা চালু হয় এবং পরে বাণিজ্যিকভাবে বিতরণ করার লক্ষ্যে 'ধানম-ি পাওয়ার হাউস' স্থাপন করা হয়।

ভারত উপমহাদেশ স্বাধীনতাকালে, ১৯৪৭ এ এ অঞ্চলে বেসরকারি... বিস্তারিত
রবীন্দ্র ভাবনায় কৃষিকবি রবীন্দ্রনাথ খুবই সহজ, সরল ভাষায় আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি (জাতীয় সংগীত) গানটি রচনায় তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। আজ থেকে প্রায় একশ বছরেরও বেশি সময় আগেও আম ছিল বাংলাদেশের প্রধান মৌসুমি ও সবার কাছে প্রিয় একটি ফল, যেমন আছে এখনো। তেমনি বাঙালির প্রধান খাবারে সুনামের সঙ্গে যুক্ত যে ভাত- তার উৎস যে ধান, সেই সময়ের আমন ধানও ছিল এদেশের কৃষকের প্রধান মাঠ ফসল। মাঠভরা ধানের ফলন দেখে কৃষকের মুখেও ফুটে উঠত তৃপ্তির হাসি। তাই আমরা বলতেই পারি, আমাদের জাতীয় সংগীতে বাংলাদেশের আসল চিত্রটিই ফুটে উঠেছে।কৃষিবিদ খোন্দকার মো. মেসবাহুল ইসলাম পঁচিশে বৈশাখ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে এদেশের প্রকৃতি, গাছপালা, ফসল, নদ-নদী, পশুপাখী আর মানুষ তাকে এত বেশি মুগ্ধ করেছিল যে তিনি তার লেখায় এই বাংলার একটি অকৃত্রিম ছবিই ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশকে আমরা বলে থাকি কৃষি প্রধান দেশ। এ দেশের কৃষি এদেশের মানুষের আয়-উপার্জনের ভিত্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা যে দিক দিয়েই চিন্ত্মা করি না কেন... বিস্তারিত
দুটি পাতা একটি কুঁড়ি সম্ভাবনার গল্পচা চাষের জন্য প্রয়োজন অধিক বৃষ্টিপাতসমৃদ্ধ ঢালু পাহাড়, অধিক পরিমাণে বৃষ্টিপাত ও তাপের প্রয়োজন হয় বলে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলই চা চাষের জন্য অধিক উপযুক্ত। চা শিল্পের বিকাশে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি চা জাদুঘর স্থাপিত হয়েছে। চা জাতীয় অর্থনীতিতে এটি অত্যন্ত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে প্রতি বছর বাংলাদেশে চা উৎপাদন এক দশমিক ৩৯ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।কৃষিবিদ এম আব্দুল মোমিন এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধ্যেবেলা...। এ গানটির মতো চা নিয়ে আড্ডা প্রিয় বাঙালির গল্পের যেন শেষ নেই। বাংলাদেশের চা শিল্প প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী। আমরা সবাই জানি, পানির পর চা হলো বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত পানীয়। প্রতিদিন সারাবিশ্বে গড়ে দুই বিলিয়ন কাপ চা পান করা হয়। সজীবতা, স্নিগ্ধতা, প্রশান্ত্মি আর কর্মচাঞ্চল্যের জন্য বিশ্বজুড়ে চায়ের ব্যাপক প্রসার ও জনপ্রিয়তা। ইংরজিতে ঞঊঅ, গ্রিকদেবী থিয়ার নামানুসারে এই... বিস্তারিত
খাদ্য নিরাপত্তায় ব্রিমানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার প্রথমটিই খাদ্য, আর বাংলাদেশের ৯০ ভাগ লোকের প্রধান খাবার ভাত। কোনো দেশের শিল্প, সাহিত্য, অর্থনীতি কিংবা রাজনীতি সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় এই খাদ্য নিরাপত্তা দিয়ে। দেশের জনসংখ্যা যখন ১৬ কোটি, তখন এত মানুষের খাবারের জোগান দেয়া সহজ কথা নয়। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই বিশাল চ্যালেঞ্জই গত ৪৭ বছর ধরে মোকাবেলা করে যাচ্ছে এদেশের ধান বিজ্ঞানীরা।ড. মো. শাহজাহান কবীর গল্পটা এমন, ষাটের দশকে এদেশে জনসংখ্যা ছিল সাড়ে পাঁচ কোটির কাছাকাছি কিন্তু অভাব ছিল সীমাহীন। অনেকটা নূন আনতে পান্ত্মা ফুরোয় অবস্থা। মুরম্নব্বিদের কাছে শুনেছি তখন সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষেরা ক্ষুধা নিবারণের জন্য এক পেয়ালা ভাতের মাড়ের জন্য বিত্তবানদের কাছে ধরনা দিতো। এমন এক পরিস্থিতিতে তৎকালীন রাজকীয় কৃষি কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালি... বিস্তারিত
রম্নপালি বিপস্নবের পথে বাংলাদেশমাছের উৎপাদন সাফল্য উৎসাহজনক হলেও উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে এর চেয়ে বহুগুণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দশকে মাছের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৫৫ শতাংশ। মৎস্য উৎপাদন বাড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্ত্মরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বে চতুর্থ এবং অভ্যন্ত্মরীণ বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম স্থান লাভ করেছে। বিবিএসের সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী দেশে গড়ে মাছের বার্ষিক উৎপাদন সাড়ে ৩৫ লাখ টন।এস এম মুকুল অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অসামান্য। আমাদের দেশজ উৎপাদনের ৩.৬৯ শতাংশ, মোট কৃষি আয়ের ২২.৬ শতাংশ এবং রপ্তানি আয়ের ৪ শতাংশের অধিক আসে মৎস্য খাত থেকে। দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ জোগান দেয় মৎস্যখাত। আমাদের দেশে মোট বদ্ধ জলাশয়ের পরিমাণ ৪ লাখ ১২ হাজার ৩৪১ হেক্টর। তার মধ্যে ২৬ হাজার হেক্টর পুকুর, ৫ হাজার ৪৮৮ হেক্টর হাওর-বাঁওড় এবং এক লাখ ৪১ হাজার ৩৫৩... বিস্তারিত
সোনালি আঁশের সোনালি ব্যাগবিশ্বে প্রতি মিনিটে ১০ লাখেরও বেশি এবং বছরে প্রায় ৫ লাখ কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। এর মাত্র ১ শতাংশ পুনর্ব্যবহারের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয় এবং সমুদ্রে ফেলা হয় ১০ শতাংশ। এসব পলিব্যাগ একশ বছরেও পচবে না ও মাটির সঙ্গে মিলবে না, যার ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার মানুষ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক পাখি ও জলজ প্রাণী। বাংলাদেশে ১৯৮২ সাল থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পলিথিনের উৎপাদন শুরম্ন হয়।কৃষিবিদ মো. আল-মামুন পাট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যময় আঁশ উৎপাদনকারী অর্থকরী ফসল। পাট ও পাটপণ্য শুধু পরিবেশ বান্ধব এবং সহজে পচনশীলই নয় এটি পরিবেশে রাখে বিরাট অবদান এবং দেশের কৃষি ও বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা করে। মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুগত কারণে অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পাটের মান সবচেয়ে ভালো। বর্তমানে দেশে ৮ লাখ হেক্টরের ওপরে ও পাটজাতীয় ফসলের আবাদ হচ্ছে? জাতিসংঘ কর্তৃক ২০০৯ সালকে 'আন্ত্মর্জাতিক প্রাকৃতিক তন্তু বর্ষ' হিসেবে পালিত... বিস্তারিত
কৃষির বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবেজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ফসলের নতুন নতুন জাত এবং উন্নত কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য গবেষণা কার্ষক্রম জোরদার করতে হবে এবং কৃষি গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে। কৃষিজমির উর্বরতা সংরক্ষণে জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষক পর্যায়ে বীজ ব্যাংক স্থাপন করে গুণগত মানের বীজের ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এসব কথা দেশের নীতিনির্ধারক, কৃষি বিজ্ঞানীসহ বিশিষ্টজনরা বারবার বলা সত্ত্বেও জাতীয় বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন দৃশ্যমান হচ্ছে না।নিতাইচন্দ্র রায় বাংলাদেশের শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ তাদের জীবন-জীবিকার জন্য কোনো না কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। শ্রমশক্তি জরিপ ২০০৮'র হিসেব মতে, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ এখনো কৃষিতে নিয়োজিত। এ ছাড়া খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন, শিল্পের কাঁচামাল যোগান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। কৃষিজমি হ্রাস, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে কৃষি আজ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।
... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close