'আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সার' কোনো ব্যক্তির পেশা হতে পারে নাবর্তমান সরকারের আইটি প্রজেক্টে তৈরি এই ফ্রিল্যান্সাররা এখনো হাইপের মধ্যে আছে। বিশাল বড় একটা ট্রেনিং বাজেটের নাম্বার পুরা করার জন্য এদের জাস্ট কয়েক মাস এসি বাতাসে জুস খাইয়ে লেঙ্গুট ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে যেটা হয় একজন ফ্রিল্যান্সার সে কখনো গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ওঠে না, ওয়েব ডিজাইনার বা রাইটার বা প্রোগ্রামার হয়ে ওঠে না- যার জন্য তাকে হাজার হাজার ঘণ্টা সাধনা করতে হবে। সে হয়ে যায় ফ্রিল্যান্সার।মাহফুজ আজিম মনে করম্নন, আপনি ইন্টারনেটের পোর্টালগুলোতে লেখালেখি করেন। তখন আপনি লেখক। আমাদের মধ্যে যদি কেউ গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের টুল (ঞড়ড়ষ) দিয়ে লগো, বিজনেস কার্ড বানাতে পারে, তো আমরা তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার বলি। বা মনে করম্নন, কেউ একজন ওয়েবসাইট ডিজাইন করে। তো, আমরা তাকে ওয়েব ডিজাইনার বলি। তো এই কাজগুলো আপনি চাকরি হিসেবে না করে, নিজে নিজে মার্কেট পেস্নস থেকে বা অফ লাইনে খুঁজে নিজে নিজে করে থাকেন তাহলে, আপনি ফ্রিল্যান্সার। এটা বলার উদ্দেশ্য হলো আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং কোনো পেশা নয়। ফ্রিল্যান্সিং আপনার কাজের একটা ধরন। পার্মানেন্ট, পার্ট টাইম, ফ্রিল্যান্সিং। কাজ করতে গিয়ে আপনি টাইম কীভাবে এলোক্যাট করবেন সেটা হচ্ছে, ফ্রিল্যাসিং। কিন্তু সরকার বিগত, কয়েক বছরের আইসিটি হাইপে ফ্রিল্যান্সিং বলে একটা পেশা আবির্ভাব করেছে! অনেক খুঁজে বোঝার চেষ্টা করছি, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার বলতে সরকার যাদের বোঝায় তারা আসলে কি করে বা কত টাকা কামায়? বা ফ্রিল্যান্সিং শিখানো প্রতিষ্ঠানগুলো ইন্ডিয়ানদের মাধ্যমে যে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা নিয়ে গেছে, সেগুলোতে কি শেখায়?
প্রায় আট ধরনের কাজ শিখাচ্ছে।
১। গ্রাফিক্স ডিজাইন
২। এসইও + বিভিন্ন ধরনের ওয়েব অপটিমাইজেশন
৩। ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট
৪। ডাটা এন্ট্রি
৫। প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজ
৬। বিগ ডাটা
৭। মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট
৮। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
এই আট-টাই প্রফেশনে কাজ করতে হলে খুব হাই স্কিল ও ভেরি রিচ পোর্টফলিও ডিমান্ড করে। যে স্কিল আছে ভিয়েতনামের, ইন্ডিয়ানদের, পাকিস্ত্মানিদের, শ্রীলংকানদের। স্কিল্ড হয়ে পোর্টফলিও তৈরি করে তারা ইন্টারন্যাশনাল অনেক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সার্টিফাইড প্রফেশনাল হয়।
কিন্তু নন-প্রফেশনাল যারা কয়েক মাসের বেসিক ট্রেনিং নিয়ে আসে তারা শর্টকাট টেকনিক অ্যাপস্নাই করেও বেশির ভাগই কাজ পায় না।
ইন্টেরনেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে মার্কেটপেস্নসগুলো আছে সেখানে সবাই জানে বাংলাদেশ থেকে ননস্কিল্ড হিসেবে কাজে বিট করছে। প্রথমদিকে বা ২০০৮-২০১৩-এর মধ্যে কিছু কাজে কেউ কেউ পেলেও এখন তাও পায় না। এ ছাড়া আমাদের এ দুই থেকে ৪ মাসের স্কিল্ড ম্যান পাওয়ারের গর্জনে ২০১৭ থেকে টঢ়ড়িৎশ থেকে ফিল্টার করে বাঙালিদের ব্যান করে দিয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের শেয়ার মার্কেটের পরে আইটির নামে হাইপ সৃষ্টি করে সবচেয়ে বড় প্রতারণা করেছে কিছু অবুঝ তরম্নণদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে কিছু ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এবং তাদের গায়ে তকমা লাগায়ে দেয়া হয়, তারা ফ্রিল্যন্সার!
মনে করম্নন, একটা শিক্ষার্থীকে মাইক্রোসফট অফিসের ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের ১২টা ট্রেনিং ক্লাস করিয়ে একটা ল্যাপটপ ধরিয়ে বলা হলো তুমি এখন থেকে ফ্রিল্যান্সার। যাও কাউকে কিছু বলো, লেখা আর টাকা কামাও। এতে তার যে অবস্থা হবে, আমাদের ফ্রি ল্যান্সারদের বর্তমানে ঠিক সেই অবস্থা।
বর্তমান সরকারের আইটি প্রজেক্টে তৈরি এই ফ্রিল্যান্সাররা এখনো হাইপের মধ্যে আছে। বিশাল বড় একটা ট্রেনিং বাজেটের নাম্বার পুরা করার জন্য এদের জাস্ট কয়েক মাস এসি বাতাসে জুস খাইয়ে লেঙ্গুট ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে যেটা হয় একজন ফ্রিল্যান্সার সে কখনো গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ওঠে না, ওয়েব ডিজাইনার বা রাইটার বা প্রোগ্রামার হয়ে ওঠে না- যার জন্য তাকে হাজার হাজার ঘণ্টা সাধনা করতে হবে। সে হয়ে যায় ফ্রিল্যান্সার। যার বর্তমান মার্কেট মিনিং হয়ে দাঁড়িয়েছে অপেশাদার আন-প্রফেশনাল অদক্ষ তরম্নণ যে ট্রেনিং শেষে কয়েক দিন মার্কেটে ঘোরাঘুরি করে কাজ না পেয়ে বা রম্নজি রোজগার করতে না পেরে জীবনের বাস্ত্মবতায় ফিরে গিয়ে, কয়েক দিনের মধ্যে বেকার যুবকের খাতায় নাম লেখাচ্ছে।
বাস্ত্মবতা হচ্ছে, ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করে বেশকিছু পেশাদার পয়সা কামিয়েছে। তারা দীর্ঘ সাধনা পরিশ্রম এবং অভিজ্ঞতা শেষে নিজের প্রফেশনাল ক্রেডেন্সিয়াল ব্যবহার করে, নিজে নিজে কাজ করে।
সারা পৃথিবীতেই পেশাদার এবং অভিজ্ঞদের দাম আছে। কিন্তু এই পেশাদারদের উদাহরণ দেখিয়ে এদের গায়ে ফ্রিল্যান্সার তকমা লাগিয়ে, কয়েক মাসের ট্রেনিং দিয়ে লাখ লাখ তরম্নণকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে মার্কেটে। শেয়ার মার্কেটে যেভাবে লাখ লাখ তরম্নণকে ডেকে সর্বস্বান্ত্ম করা হয়েছে তাদের পুঁজি ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সার নাম এভাবে লাখ লাখ তরম্নণদের স্বপ্ন এবং তারম্নণ্যের উদ্দীপনাকে ধ্বংস করা হয়েছে।
এটা একটা দীর্ঘ প্রফেশনাল যাত্রা যেটা নেয়ার জন্য যে ট্রেনিং বা যে প্রাথমিক বু্যৎপত্তি বা যে টাইম এবং ইফোর্ট ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে তার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে না। অথচ তাকে ঠিকই মাঠে নামিয়ে বলা হয়েছে, তুমি ফ্রিল্যান্সার।
শেয়ার মার্কেটের প্রতারণার ক্ষেত্রে অনেকে দাবি করে, সরকার বোঝে নাই। কিন্তু এই প্রতারণটা বুঝে করা হইছে। লাখ লাখ তরম্নণকে সরকার চাকরি দিচ্ছে এই হাইপটা তৈরি করার জন্য এই প্রতারণাটা করা হয়েছে যার শিকার হয়েছে লাখ লাখ তরম্নণ এখনো বেকার হয়ে যাচ্ছে। কেউ এদের গাইডেন্স দিচ্ছে না। এই জন্যই যখন আইসিটি পার্কের ৩ হাজার চাকরির জন্য, ১০ লাখ সিভি পড়ে। এটা শিউর যে এদের বড় অংশ ভূতপূর্ব ফ্রিল্যান্সার।
ইচঙ ঝবপঃড়ৎ: গত বছর এক্সেঞ্জার ৫৫৬ জন কর্মীকে ১৮ জুলাই এক সঙ্গে ছাঁটাই নোটিশ পাঠিয়েছিল। এবং এই ছাঁটাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব দেনা পেমেন্ট করে- কোম্পানি বন্ধ করে চলে যায়। এত বড় একটা নিউজ কোনো তেমন জনপ্রিয় নিউজ পেপারে আসেনি।
এক্সেঞ্জার বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইটি আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটা। ফরচুন তালিকাভুক্ত ১০০টার মধ্যে ৯৫টা কোম্পানি তাদের ক্লায়েন্ট। তাদের টোটাল রেভিনিউ আমাদের গার্মেন্ট সেক্টরের এক বছরের আয়ের সমান।
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে এক্সেঞ্জারে প্রায় এক লাখ ত্রিশ হাজার কর্মচারী এমপস্নয় করে। তারা মূলত বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিওর কাজ করে।
এক্সেঞ্জার বাংলাদেশে ২০১৩ সালে এসে ৬০০ জনের চাকরি দিয়ে শুরম্ন করে, ২০১৭ সালেই এক্সেঞ্জার সবাইকে ছাঁটাই করে ব্যবসা গুটিয়ে চলে গিয়েছে।
সরকার যে এখন বিপিও নিয়ে কোটি কোটি টাকার সেমিনার করছে, সেই আইটিবান্ধব সরকারের বক্তব্য কি? ৬০০ জনের কোম্পানি ৬ হাজার জনে পরিণত না হয়ে কেন ব্যবসা গুটিয়ে চলে যাচ্ছে?
প্রিয় ডট কমের রিপোর্টে এসেছিল, বাংলাদেশে যে ব্যবসার সম্ভাবনা দেখেছিল সেটা আলটিমেটলি পূর্ণ হয় নাই।
প্রশ্ন হচ্ছে, যে কোম্পানি ভারতে ১.৩ লাখ এমপস্নয়ি নিয়োগ দেয়, সেই কোম্পানি কেন বাংলাদেশে মাত্র ৬০০ এমপস্নয়ির ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবে না?
এক্সেঞ্জারের মতো কোম্পানি যদি বাংলাদেশে ব্যবসা গুটিয়ে চলে যায়, বাকিরা কীভাবে আসবে?
প্রিয় ডট কমের রিপোর্ট এসেছে, ২০১৬ সাল থেকে কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের পরে এক্সেঞ্জারে অনেক গোলমাল হয়। কর্মীরা ইউনিয়ন করে, অনেক ধরনের ব্যবস্থা নেয়। এখন তো এক্সেঞ্জার পুরো অফিস বন্ধ করেই চলে গেল? এই সোনার হাঁস মেরে ফেলাতে ইউনিয়নের দায়িত্ব কি ছিল?
প্রিয় ডট কমের রিপোর্টে এটাও এসেছিল, নেগোসিয়েসনে জনশক্তি মন্ত্রী পর্যন্ত্ম এঙ্গেজ ছিল। মন্ত্রী লেভেলে এঙ্গেজমেন্ট হওয়ার পরেও কেন এক্সেঞ্জার চলে গেল?
বাংলাদেশ বিপিও সেক্টরে লাখ লাখ লোক এমপস্নয় করবে আগামী ২০ বছর পরে এই স্বপ্ন দেখায় কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে সেই স্বপ্ন তাহলে কতটুকু প্রতারণা।
বিপিওর নামে বিশাল বিশাল সেমিনার করা হয়েছে গত কয়েক মাস আগেই। কিন্তু ৬০০ লোক ৬০০০ না হয়ে, এক্সেঞ্জারের মতো সারা বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি মাত্র তিন বছরে ব্যবসা গুটিয়ে চলে গেল!
এতগুলো হাই স্কিল কর্মচারীর কি হবে? তাদের কে এমপস্নয় করবে?
এক্সেঞ্জার চলে গেছে অতঃপর কোনো ভালো কোম্পানি বাংলাদেশে বিপিও নিয়ে আসেনি। অথচ বাংলাদেশ বিপিও করে কত কত বিলিয়ন ডলার আয় করবে আগামী দশকে এসব গল্প ফাঁদা হয়েছে। এসব গল্প জাস্ট প্রজেক্ট বানায় পয়সা খাওয়া ধান্দা বাদে আর কি হতে পারে? বাংলাদেশে আইটি সেক্টরের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনার যে বাবল তৈরি করেছে, তাতে কত তরম্নণ আশাহত হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে এই খবর কে রাখে? এটা কি আর একটা শেয়ার মার্কেটের বাবল বাস্টের মতোই হবে?
কে এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে? দায়িত্ব ছিল মিডিয়ার।
মিডিয়ায় প্রতিটা পেপারে, আইটির জন্য আলাদা সেকশন আছে। কিন্তু সেখানে এক্সেঞ্জারের বাংলাদেশ থেকে চলে যাওয়া নিয়ে বা যাওয়ার আগে যে গোলমাল হয়েছে তা নিয়ে কোনো এনালিটিকাল নিউজ আসেনি। এটা নিয়ে সামান্যতম রিপোর্ট করতে পত্রিকাগুলোর সমস্যা কি? গ্রামীণ ফোন রাগ করবে বলে? এই করপোরেট চোষা মিডিয়া দিয়ে আমাদের লাভ কি?
পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, এই দেশটার যা সম্ভাবনা ছিল, মাত্র ১০ বছরে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে বা ধ্বংসের রাস্ত্মা তৈরি করা হয়েছে।
আবারও ফ্রিল্যান্সারের বিষয়ে আসি, ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে যারা রিয়েল প্রফেশনাল যাদের শিয়ালের মুরগির মতো দেখিয়ে দেখিয়ে বাকিদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে তাদের বাস্ত্মবতা হচ্ছে, তারা আজকে ৬ বছর ধরে পে-পালের জন্য কান্নাকাটি করছে। কিন্তু সেটা নাকি গত বছর এসেছে। পে-পালের বাংলাদেশে আগমনকে, পত্রিকাগুলোতে বড় করে সরকারের সফলতা হিসেবে দেখাতে পাঁচ-ছয়টা ব্যাঙ্কের স্পন্সরশিপ নিয়ে করা ফুল পেইজের এডভারটেইজমেন্ট করা হয়েছিল। যে সমস্যার গোড়া হচ্ছে, বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশনের যে রেগুলেশন আজকে থেকে ৬ বছর আগেই এক কলমের খোঁচায় ঠিক করে ফেলা যায়, সেই রেগুলেশনে হাত না দিয়ে এখনো একটা বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে দেশের আইটি সেক্টরের প্রতিমন্ত্রী শ'খানেক মিটিং করে তাদের একটা সার্ভিস বাংলাদেশে আনা নাকি সরকারের বিশাল বড় এচিভমেন্ট! এটা শুধু লজ্জা না, এরা যে আমাদের কি উজবুক মনে করে এবং সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে যে কি অবিশ্বাস্য নির্বোধেরা বসে আছে তার একটা বড় প্রমাণ।
পে-পাল বাংলাদেশে আসবে, এ ধরনের একটা রম্নটিন ওয়ার্ক করে প্রথম আলোয় অ্যাডভারটাইজমেন্ট দিয়ে এচিভমেন্ট হিসেবে প্রমোট করতে হইলে, আইটি সেক্টরে আমাদের জাতীয় এচিভমেন্ট লেভেলে যে কত নিচে নামতে হয় এটা চিন্ত্মা করে গা ঘিন ঘিন করে।
ভারত, পাকিস্ত্মানের তুলনা বাদ দিলাম। নেপালের লোকেরাও হাসবে। তারপরে পেপাল ইনেশিয়েটিভ জুম নামের যে সেবা আসছে সেটা ২০১৬ থেকে আছে। প্রথম আলোয় আসছিল, সাক্ষাৎকারে পে-পাল বলছে, তাদের বাংলাদেশে অপারেশনে নতুন কিছু হয় নাই। যা আগের মতো ছিল, তা আগের মতোই আছে। আইটি সেক্টর আজকে বেশকিছু লোকের বিশাল বড় টাকা বানানোর খনি হইছে। ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং ও সেই রকম একটা খনি। এই ভয়াবহ ভ- প্রতারকরা দেশের কত সাইড যে ধ্বংস করে দিচ্ছে, এরা মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করে, হাইপ সৃষ্টি করে লাখ লাখ তরম্নণের স্বপ্নকে ধ্বংস করাকে আড়াল করল অসাধারণ সাফল্যের সঙ্গে ভেবে অবাক হতে হয়!
মাহফুজ আজিম
ফাউন্ডার ও সিইও লিপসকোড
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close