স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১মহাশূন্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার ওপরকার অনন্ত্ম আকাশকে বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুম-ল সমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুম-লের বাইরের অনন্ত্ম স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন পস্নাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান। প্রথম নারী হিসেবে সোভিয়েত নভোচারী ভ্যালেন্ত্মিনা তেরেসকোভা ১৯৬৩ সালে মহাকাশ জয় করেন। ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি মহাকাশে উড্ডয়ন করেন।ড. আশরাফ আহমেদ 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্স্নোগান বুকে নিয়ে বর্তমানে মহাকাশে অবস্থান করছে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ফলে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এ কথা সত্য, তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপস্নবিক পরিবর্তন এনেছে স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইট হলো মহাকাশে থাকা এমন একটি বস্তু যেটি উৎক্ষেপিত হয় পৃথিবী থেকেই। এটি পৃথিবী অথবা অন্য কোনো গ্রহের চারদিকে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাকাশ থেকেই নানান তথ্য সরবরাহ করে থাকে পৃথিবীতে। এটি কৃত্রিম উপগ্রহ। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম চাঁদ। চাঁদ সারাক্ষণই পৃথিবীকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। মানব তৈরি স্যাটেলাইটও মহাশূন্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। তবে সেটা নির্দিষ্ট কক্ষপথ ধরেই।
মহাশূন্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার ওপরকার অনন্ত্ম আকাশকে বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুম-ল সমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুম-লের বাইরের অনন্ত্ম স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন পস্নাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান। প্রথম নারী হিসেবে সোভিয়েত নভোচারী ভ্যালেন্ত্মিনা তেরেসকোভা ১৯৬৩ সালে মহাকাশ জয় করেন। ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি মহাকাশে উড্ডয়ন করেন। ভ্যালেন্ত্মিনা 'ভস্টক-৬' মহাকাশযানে করে ৪৮ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। কালেক্ট স্পেস ডটকমের সম্পাদক মহাকাশ ইতিহাস বিশেষজ্ঞ রবার্ট পার্লম্যানের দেয়া তথ্যানুসারে এখন পর্যন্ত্ম ৫৩৪ জন মহাকাশচারী মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন এর মধ্যে নারী মহাকাশচারী হচ্ছে ৫৭ জন। সোভিয়েত নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে ১৯৬১ সালে মহাকাশ যাত্রা করেন। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের মাটিতে পা রাখেন মাইকেল কলিন্স ও এডুইন অলড্রিন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত্ম অ্যাপোলো-১১ থেকে অ্যাপোলো-১৭- নাসার মোট ছয়টি মিশনে ১২ নভোচারী চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেন। তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাদের মধ্যে নিল আর্মস্ট্রং নাসার অ্যাপোলো-১১ অভিযানে অংশ নিয়ে প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটি স্পর্শ করেন। ১৯৬৯ সালের ২১ জুলাই তার সঙ্গে দ্বিতীয় মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখেন এডু ইন অলড্রিন। এরপর অ্যাপোলা-১২, ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ অভিযানে অংশ নেয়া আরও ১০ জন নভোচারী চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। স্নায়ুযুদ্ধের সময় পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে চাঁদের মাটি স্পর্শ করার নাসার ওই সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রকে মহাকাশ অভিযানের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে দিয়েছিল অনেক। পৃথিবীর ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পা দিল মহাকাশ জগতে। শুধু বাংলাদেশই নয়, রাশিয়া, আমেরিকা ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন পর্যন্ত্ম তাদের দরকার অনুযায়ী ১১ রকমের প্রায় ৪২০০ স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে।
১২ মে রাত ২টা ১৪ মিনিটে ঘড়ির কাঁটা ছুঁতেই শেষ হয় ক্ষণগণনা। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় স্পেসএক্স লঞ্চিং স্টেশন থেকে মহাকাশের পথে যাত্রা শুরম্ন করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। জাতির ইতিহাসে স্থাপিত হলো গৌরবের এক সোনালি সোপান। ৫৭তম দেশ হিসেবে বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে গৌরবময় অভিষেক হলো বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর শুভ উৎক্ষেপণ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু একদিন যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সেই স্বপ্নের পথ ধরেই জাতির ইতিহাসে রচিত হলো নতুন মাইলফলক। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প গ্রহণ, নির্মাণ এবং সফল উৎক্ষেপণের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট সবাইকে আন্ত্মরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
স্পেসএক্সের ওয়েবসাইট থেকে বিটিভিসহ দেশের বেশিরভাগ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের সুবাদে দেশের মানুষ উৎক্ষেপণ মুহূর্তের মাহেন্দ্রক্ষণ উপভোগ করেছেন প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনায়। ফ্লোরিডা থেকে যেমন করতালি আর উচ্ছ্বাসের শব্দ ভেসে এসেছে ইথারে, তেমনি রাতের নীরবতা ভেঙে উলস্নাস ধ্বনিতে মুখর হয়েছে বাংলার জনপদ।
দেশের প্রত্যন্ত্ম অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্ত্মান, কিরগিজস্ত্মান, উজবেকিস্ত্মান, তুর্কমিনিস্ত্মান ও কাজাখস্ত্মানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।
দেশের প্রথম এ স্যাটেলাইট তৈরিতে খরচ ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার ও বাকি ১ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নেয়া হয়েছে। এ ঋণ দিয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। তবে শেষ পর্যন্ত্ম প্রকল্পটি বাস্ত্মবায়নে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারে আছে। এসব চ্যানেল সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে চ্যানেলগুলোর খরচ হয় ২০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৭ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু হলে এই স্যাটেলাইট ভাড়ার অর্থ দেশে থেকে যাবে। আবার স্যাটেলাইটের ট্রান্সপন্ডার বা সক্ষমতা অন্য দেশের কাছে ভাড়া দিয়েও বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার সুযোগ থাকবে। এই স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে ২০টি ভাড়া দেওয়ার জন্য রাখা হবে।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশে খুলে দেয়া বিপুল সম্ভাবনার অংশীদার হয়ে উঠবে। এই স্যাটেলাইট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং সম্প্রচার শিল্পের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।
মহাকাশে কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে স্যাটেলাইটটি নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে জয়দেবপুরের গ্রাউন্ড স্টেশনটিই স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। আর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন। জয়দেবপুরের গ্রাউন্ড স্টেশনে স্যাটেলাইটের সংকেত আদান-প্রদানে ১০ টন ওজনের দুটি অ্যানটেনা স্থাপন করা হয়েছে। গ্রাউন্ড স্টেশনে কাজ করার জন্য ১৮ জন বাংলাদেশি তরম্নণকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে থ্যালেস।
২০ শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রায় ২২০০ কৃত্রিম উপগ্রহ পুরো মহাকাশকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করেছে। আর এসব স্যাটেলাইট এমন সব বৈজ্ঞানিক তথ্য ছবিসহ প্রদান করছে যেগুলো আগে কখনো ভাবাই যায়নি। তবে মহাকাশে প্রদক্ষিণরত স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে ৫০ ভাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। তবে স্যাটেলাইটগুলোর আরও বেশি সুবিধা হচ্ছে তাতে এমন কিছু প্রাকৃতিক সম্পদের ভা-ার দেখা যায় যেগুলো মানবচক্ষেও ধরা পড়ে না।
মহাকাশে স্যাটেলাইটগুলো যে কক্ষপথে ঘুরতে থাকে সেটাকে বলা হয় অরবিট বা কক্ষপথ। ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা অনুসারে এসব স্যাটেলাইটকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। উচ্চ কক্ষপথ, মধ্য নিম্নপথ বা নিম্ন কক্ষপথ।
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে। এত এত স্যাটেলাইট যখন পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। তখন এসবের একটা অন্যটার সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে না কেন? মহাশূন্যে সবগুলো স্যাটেলাইটই ঘণ্টায় হাজার হাজার মাইল গতিতে ঘুরছে। তবে সেখানে থাকা সব স্যাটেলাইট কার্যকর নয়। প্রচুর মহাজাগতিক বর্জ্যও আছে সেখানে। স্পেস এজেন্সিগুলোকে ঘূর্ণন গতি খুবই গুরম্নত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। তারপরও মাঝে মাঝে যে সংঘর্ষ হয় না তা নয়। মহাকাশে থাকা সবচেয়ে বড় বর্জ্য ছিল চীনা অ্যান্টি-স্যাটেলাইটের। এর কারণে ২০১৩ সালে রাশিয়ার একটি স্যাটেলাইট ধ্বংস হয়ে যায়। নাসা ও ইসা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে মহাকাশের বর্জ্যগুলো কমাতে।
মহাকাশে থাকা এসব স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন কাজে। সাধারণত কমন স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে আছে সেনাবাহিনী ও সাধারণভাবে পৃথিবীকে দেখার স্যাটেলাইট, যোগাযোগের স্যাটেলাইট, নাবিকদের স্যাটেলাইট, আবহাওয়া স্যাটেলাইট এবং স্পেস টেলিস্কোপ। কক্ষপথে থাকা মহাকাশ সংস্থা বা মানব স্পেসক্রাফটও স্যাটেলাইট হিসেবেই পরিচিত।
মহাকাশে পাঠানো ৪২০০ স্যাটেলাইটের মধ্যে রাশিয়ার প্রায় ১৪৬০, আমেরিকার প্রায় ১২৫০, চায়নার ২৭০, জাপানের ১৫০, ভারতের ১৭৫, ফ্রান্সের ৬০, জার্মানির ৫০, ইংল্যান্ডের ৪০, পাকিস্ত্মানের ৩, ইসরাইলের ১১, ইরানের ১, সৌদি আরবের ১২টি।
এর মধ্যে ১৫০০টির মতো বর্তমানে কার্যক্ষম। বাকি ২৭০০-এর মতো স্যাটেলাইট অকেজো হয়ে গেছে। অকেজো হয়ে এগুলো মহাকাশেই রয়ে গেছে। এই ২৭০০ অকেজো স্যাটেলাইটের ভর ২০ লাখ কেজিরও বেশি।
এখানে বিশেষভাবে উলেস্নখ্য, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশকে এগিয়ে যাওয়ার পথে অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সুদূরপ্রসারী ভাবনা থেকে ১৯৭২ সালে, বেতবুনিয়ায় দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ স্থাপনের মাধ্যমে। সেই উপগ্রহই ছিল মহাকাশের সঙ্গে দেশের যোগাযোগের প্রথম সেতুবন্ধ। তখন বিদেশি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস-সংক্রান্ত্ম তথ্য পাওয়া ছিল সেই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের কাজ। জাতির পিতা সেদিন স্বপ্নের যে বীজ বুনেছিলেন, তার পথ ধরেই আজ আকাশে উড়ছে দেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট। এর নামও জাতির পিতার নামেই, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান এবং দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ এখন গৌরবময় বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে। যেখানে মানুষ পৌঁছাতে পারে না, যা অসীম মহাশূন্য সেখানেও পৌঁছে গেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম। এটা বাংলাদেশের জন্য বিরাট এক সাফল্যগাথা।
বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। মহাকাশে এখন বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট। পদ্মা সেতুর কাজ দ্রম্নতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, বেড়েছে আর্থিক সক্ষমতা। তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা এগিয়েছি। একদিন উন্নত দেশের কাতারে দাঁড়াবে আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ। আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
ড. আশরাফ আহমেদ
গবেষক ও লেখক
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close