খালেদার বিষয়ে কিছু করার নেই: ইসিযাযাদি রিপোর্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদলের নেতা জঁ্য ল্যামবার্ড -যাযাদিবিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিম্ন আদালতে পাঁচ বছরের কারাদ- হওয়ায় এখন তার নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের করার কিছু দেখছে না নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি আদালতের দিকে ঠেলে দিয়ে কমিশন বলছে, এটা এখন আদালতের ওপর নির্ভর করে।
আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কারও নূ্যনতম দুই বছর কারাদ- হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন। খালেদার পাঁচ বছর কারাদ- হওয়ায় তিনিও অযোগ্য। কিন্তু বিচারিক আদালতের রায়ের বিরম্নদ্ধে আপিল করে এবং উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
গত ৮ ফেব্রম্নয়ারি রায়ের পর বিষয়গুলো তুলে ধরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, 'উনার (খালেদা) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত্ম নেবেন, সেটা তাদের ব্যাপার।'
বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরম্নল হুদার সঙ্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদলের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এলে এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
তিনি বলেন, 'এ বিষয়ে প্রতিনিধিদলের (ইইউ) একজনও জানতে চেয়েছিলেন। সিইসি তাদের বলেছেন, এটি আদালতের বিষয়। আদালত যদি অ্যালাও করেন, তাহলে ইসির কিছু করার নেই। আর যদি অ্যালাও না-ও করেন, তাহলেও ইসির কোনো ভূমিকা থাকবে না।'
বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরম্নদ্ধে সাজার রায় হওয়ার ছয় দিন পর নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক এ বক্তব্য এলো।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরের শুরম্নতে এই রায়ের পর বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে আসছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে বাদ দেয়ার জন্য এই পরিকল্পনা এঁটেছে আওয়ামী লীগ।
ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, তারা সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সবকিছু করবেন।
নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আগ্রহী ইইউ সিইসি নুরম্নল হুদার সঙ্গে বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পার্লামেন্টারি প্রতিনিধিদলটি জঁ্য ল্যামবার্ডের নেতৃত্বে অংশ নেয়।
ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, 'তারা আগামী সংসদ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল। সিইসি তাদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি পদে সংসদ সদস্যরা ভোট দেন। এবার যেহেতু একজন প্রার্থী ছিলেন। তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।'
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বা নির্বাচনে সহিংসতার বিষয়ে কোনো প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা হয়নি বলে জানান তিনি।
হেলালুদ্দীন বলেন, 'প্রতিনিধিদল মূলত আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। নির্বাচনী খরচের সার্বিক তথ্যও জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী তা সরকার বহন করে থাকে।'
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close