কোটা সংস্কার চেয়ে মিছিল কাঁদানে গ্যাস, লাঠিপেটা১৬ জন আহত, ৫০ জনকে আটকযাযাদি রিপোর্ট বুধবার রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকায় কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ মিছিল পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় -ফোকাস বাংলাকোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করেছে। বুধবার পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে অনেকে আহত হন।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৬ জন বিক্ষোভকারী আহত হন। পাঁচজনকে পুলিশ আটক করে। তাদের ছাড়াতে আন্দোলনকারীরা থানায় গেলে ৫০ জনকে আটক করে পুলিশ।
জানতে চাইলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারম্নফ হোসেন সরদার বলেন, আন্দোলনকারীদের চলে যেতে বারবার অনুরোধ করলেও তারা ফিরে যাননি। পরে তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে আরও ৪০-৪৫ জনকে থানায় আটক করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কখন ছেড়ে দেয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'সেটা জানা নেই। তাদের বিরম্নদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার মামলাও হতে পারে।'
এর আগে গতকাল সকাল ১০টার দিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা গ্রন্থাগারের ভেতর থাকা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ এতে বাদ সাধে। গ্রন্থাগারের দরজা বন্ধ করতে চাইলে আন্দোলনকারীরা বাধা দেন। তারা গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষকে শান্ত্মিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা না দেয়ার অনুরোধ করেন।
পরে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী শাহবাগে ব্যানার ও পস্ন্যাকার্ড নিয়ে মিছিল বের করেন। এ সময় তারা কোটা সংস্কারের দাবিতে স্স্নোগান দিতে থাকেন।
তাদের পাঁচ দফা দাবি হলো কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা থেকে শূন্যপদে নিয়োগ দেয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন পস্ন্যাকার্ডে ও স্স্নোগানে তাদের দাবি তুলে ধরেন। পস্ন্যাকার্ডগুলোয় লেখা ছিল, 'নাতিপুঁতি কোটা বাতিল চাই, কোটাপদ্ধতি বাতিল চাই', 'ইহা কোটা নয়, বৈষম্য', '১০ %-এর বেশি কোটা নয়'। এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আরও তিন দফা কর্মসূচি পালন করেন তারা।
বুধবার বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে দিয়ে বাংলা একাডেমি ও দোয়েল চত্বর দিয়ে হাইকোর্ট মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় তারা সচিবালয়ের সামনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। আন্দোলনকারীরা সেখানে অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ এতেও বাধা দেয়। একপর্যায়ে মারমুখী হয় পুলিশ। কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে ও লাঠিপেটা করে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। তারা দাবি করেন, পুলিশ কোনো কারণ ছাড়াই হামলা করেছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close