ই স লা মী বি শ্ব বি দ্যা ল য়স্বপ্ন সারথীর দোরগোড়ায়...মাহবুব রায়হান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরাভর্তিযুদ্ধে প্রাণপণ লড়াইরত দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিচ্ছুক প্রিয় বন্ধুরা! নিশ্চয়ই তোমরা এখন পড়াশোনা নিয়ে খুবই ব্যস্ত্ম। লেখাপড়ার চাপে তোমরা কেউই ক্যারিয়ার নিয়ে ভাববার সময় পাওনি, যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। তবে যুগোপযোগী এবং চাহিদাসম্পন্ন বিষয় ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা। দেশ ও বিদেশের চাকরির বাজারে এখন ব্যবসায় প্রশাসনে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা ব্যাপক। সেই অর্থে এই সময়েই নিতে হবে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত্ম, যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে পেশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই বিষয়ে পড়ে তোমরাও গড়তে পারো সফল ক্যারিয়ার। তোমরা জান আগামী ২৫ নভেম্বর স্বাধীন দেশের সর্বপ্রথম দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই যারা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে পড়তে চাও, তাদের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কিছু তথ্য নিচে দেয়া হলো।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ : ১৮৮৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলাতে ইবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে এই অনুষদের অধীনে ৬টি বিভাগ চালু রয়েছে। বর্তমানে এই অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন। বিভাগগুলো হলো হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ এবং সদ্য চালু হওয়া হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও টু্যরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। এই অনুষদের মোট আসনসংখ্যা ৪৫০টি।
হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যে ৪টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরম্ন করেছিল হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগ যাত্রা শুরম্ন করে। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরিন। বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান আলী বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যবস্থাপনা বিভাগ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরম্ন হয়। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি।
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ : ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরম্ন হয়। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক সুতাপ কুমার ঘোষ। বর্তমানে বিভাগে ৪ জন সহকারী অধ্যাপক ও ২ জন প্রভাষক পদে দায়িত্বরত আছেন।
মার্কেটিং বিভাগ : বর্তমান চাকরির বাজারের চাহিদা মোতাবেক ও বিভাগের সার্বিক গুণগতমানের বিবেচনা করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে উক্ত অনুষদে মার্কেটিং বিভাগ চালু করা হয়। বর্তমানে বিভাগে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া রহমান।
এ ছাড়া এবার ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরো যুগোপযোগী ও দেশের বর্তমান চাকরির বাজারের চাহিদানুযায়ী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জ্ঞানলাভের অন্যতম পাথেয় হিসেবে সদ্য চালু হওয়া ইবির ৮টি বিভাগের মধ্যে ব্যবসায় অনুষদের অধীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও টু্যরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও টু্যরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেছে। এ ছাড়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছে।
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আমজাদ হোসেন জানান, বর্তমান যুগ ব্যবসা-বাণিজ্যের যুগ আর প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে নিজেকে ভালো অবস্থানে রাখার জন্য ব্যবসায় প্রশাসনের কোনো তুলনা নেই। আমি ভবিষ্যতে একটি বহুজাতিক কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে চাই।
চাকরির ক্ষেত্রে সুবিধাসমূহ : ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, উন্নয়ন সংস্থায় উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্বরত আছে। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সাফল্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি যাতে তারা চাকরির বাজারে উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে। আমার জানা মতে এখানে পড়ে কেউ সাধারণত বেকার থাকে না। এই অনুষদে পড়ে অনেকেই ব্যাংক-বীমা ও দেশের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠনের সর্বোচ্চ পদে কর্মরত আছে। তাই ভর্তিচ্ছুরা ক্যারিয়ার গড়তে এই অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close