পরবর্তী সংবাদ
এমপি মিজানকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদযাযাদি রিপোর্ট আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মঞ্জুর মোর্শেদ খুলনা-২ আসনের এই সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরম্ন করেন।
দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ৪ এপ্রিল চিঠি পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি অফিসের ঠিকাদারি কাজ পরিবারের সদস্যদের দেয়া, নামমাত্র কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা এবং মাদকের কারবারে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের বিরম্নদ্ধে।
খুলনা-২ আসনের সংসদ মিজানুর রহমান, লালমনিরহাটের সাবেক সাংসদ বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলু এবং নাটোরের সাবেক সাংসদ রম্নহুল কুদ্দুস দুলুর বিরম্নদ্ধে পাওয়া দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গত ৪ মার্চ অনুসন্ধান করে দেখার সিদ্ধান্ত্ম নেয় দুদক।
বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলুর বিরম্নদ্ধে অভিযোগ, ২০০১-২০০৬ জোট সরকারের সময়ে লালমনিরহাট ও রংপুর অঞ্চলের টেন্ডারবাজি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি।
আর নাটোরের সাবেক সাংসদ রম্নহুল কুদ্দুস দুলুর বিরম্নদ্ধে অভিযোগ, বিএনপি সরকারের আমলে তিনি নাটোরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে টেন্ডারবাজি, ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায় এবং মাদকের কারবার থেকে ৫০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্র সাংসদ কামরম্নল আশরাফ খানের বিরম্নদ্ধেও অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার একটি অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক।
 
পরবর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close