গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে প্রার্থীরাযাযাদি রিপোর্ট নানা শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত্ম ফের গাজীপুর সিটি নির্বাচনে তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মাঝখানে প্রায় দেড় মাস থাকলেও প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন মাত্র শেষ সাত দিন। তাই মাঝের এই দীর্ঘ সময় ভোটারদের ধরে রাখতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রার্থীদের। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা বলেছেন, ব্যয় বাড়লেও ইফতারসহ বিভিন্ন কৌশলে তারা ভোটারদের ধরে রাখার চেষ্টা করবেন।
খুলনার মতো ভোট উৎসবের কথা ছিল গাজীপুরেও। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়েছিল নগরীর অলিগলি। তবে সীমানা জটিলতায় ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় সেসব পোস্টারও এখন জবুথবু। তবে নতুন তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় ফের আশাবাদী হয়ে

হউঠেছেন নানা সমস্যার মধ্যে বাস করা ভোটাররা।
ভোটাররা বলেন, 'সব ভোটারের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে ভোট দিতে পারবে বলে। এমন একটা মেয়র নির্বাচিত হোক যিনি রাস্ত্মাঘাট উন্নয়ন করবেন।'
নির্বাচনের বাকি আছে এখনো প্রায় দেড় মাস। এর মধ্যে আছে পবিত্র রমজানও। এই দীর্ঘ সময় কীভাবে রাজনীতির মাঠ ও ভোটারদের ধরে রাখবেন, তা নিয়ে বেশ চিন্ত্মিত প্রার্থীরা। দু'দলেরই মেয়র প্রার্থী বলছেন, আচরণবিধি মেনে কৌশলে তারা প্রচারণা শুরম্নর আগ পর্যন্ত্ম মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'প্রতিটি পাড়া-মহলস্নায় আমি ইফতারির আয়োজন করি। সামনে যেহেতু নির্বাচন তাই আগের মতো নিয়ম চলমান থাকবে। তবে আরও ব্যাপকভাবে এই কার্যক্রম চালাব।'
বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, 'বাংলাদেশের একটি সংস্কৃতি রমজানে মানুষকে ইফতারি খাওয়ানো। আমি এই এলাকার নাগরিক। আমি সবাইকে দাওয়াত দিতে পারি। আমার উপস্থিতি সেখানে কোনো অপরাধ নয়। আমি এলাকাতে চলাফেরা করব, যাব এটাই তো কৌশল।'
নতুন তারিখ ঘোষণার কারণে নির্বাচনী খরচ বেড়ে গেলেও তা নিয়ে আপাতত ভাবতে চান না প্রধান দুই মেয়র প্রার্থী। নির্বাচনে জয় নিয়েই এখন তাদের সব ভাবনা।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close