ট্রেনের ধাক্কায় মায়ের মৃতু্য মেয়ে বাঁচলেন লাফিয়ে পড়েযাযাদি রিপোর্ট ঢাকার কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেছে ষাটোর্ধ্ব এক নারীর; শেষ মুহূর্তে লাফিয়ে পড়ায় বেঁচে গেছেন তার মেয়ে।
প্রাণে বেঁচে যাওয়া নাজমা বেগম (৩৫) জানান, ফিরোজা বেগমকে ডাক্তার দেখাতে বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গুতিয়াব গ্রাম থেকে তারা ঢাকায় এসেছিলেন।
বারডেমে ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে কুড়িল বিশ্বরোডে এসে রূপগঞ্জের কাঞ্চনে যাওয়ার বাস ধরতে রেললাইন পার হওয়ার সময় বেলা পৌনে একটার দিকে তারা দুর্ঘটনায় পড়েন।
ওই ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে খিলক্ষেতের দিকে হাঁটছিলেন নাজমা। আর ফিরোজা বেগম হাঁটছিলেন তার পেছনে পেছনে।
ওই সময় কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন তাদের পেছনে চলে আসে। শেষ সময়ে ট্রেন আসার বিষয়টি বুঝতে পেরে নাজমা সরে যেতে পারলেও তার মা ট্রেনের ধাক্কায় মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
রেললাইন থেকে সরতে লাফিয়ে পাথরের ওপর পড়ায় নাজমা নিজেও হাতের কনুইয়ে আঘাত পেয়েছেন।
স্থানীয় চা দোকানদার বাবুল বলেন, 'মেয়েডা লাইনের উপরে ফোনে কথা কইতেছিল। মায়েও লগে আছিল। হেইসোম ক্যান্টনমেন্টের দিক থোন ট্রেন আহে। অইন্য লোকে ডাকাডাকি করছে পরে হেরা হোনে। মাইয়ায় ফাল দিয়া নাইমা যাওয়ার পারছে, কিন্তু মায় পারে নাই। ধাক্কা খাইয়া ছিটকা পড়ছে।'
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় মায়ের মরদেহ রেললাইন থেকে সরিয়ে কুড়িল বিশ্বরোড নিয়ে যান নাজমা। পরে একটি অটোরিকশায় করে লাশ নিয়ে বাড়ি চলে যান।
এ ব্যাপারে ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারম্নক মজুমদার বলেন, বিষয়টি এখনও আমি জানি না। খোঁজ খবর নিচ্ছি।
এর আগে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর কানে হেডফোন লাগিয়ে সেলফি তোলার সময় ওই রেললাইনেই ট্রেনের ধাক্কায় সাদিকুল নামে এক যুবকের মৃতু্য হয়।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close