হার্ট ফেলিউর অ্যাওয়ারনেস ডে'তে বক্তারা বিশ্বে ২৩ মিলিয়ন মানুষ হার্ট ফেলিউর সমস্যায় ভুগছেযাযাদি রিপোর্ট বিশ্বে ২৩ মিলিয়ন মানুষ হার্ট ফেলিউর সমস্যায় ভুগছেন। এটির চিকিৎসায় বছরে ১০৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়ে থাকে। তবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিমিত পানি পান করা, ধূমপান ও তামাক সেবন পরিহার করার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডি বস্নকে 'ডিভিশন অফ হার্ট ফেলিউর, রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড প্রিভেনটিভ কার্ডিওলজি'-এর উদ্যোগে হার্ট ফেলিউর অ্যাওয়ারনেস ডে-২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
এ সময় কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. হারিসুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্ত্মি বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সজলকৃষ্ণ ব্যানার্জীসহ বিভাগের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও অন্য চিকিৎসকরা।
সভায় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানান, বিএসএমএমইউর হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি হওয়া রোগীদের প্রায় ৩০ শতাংশ হার্ট ফেলিউরের রোগী। বিশ্বে হার্ট ফেলিউর একটি বার্নিং ইসু্য। হার্ট ফেলিউরে ভোগা রোগীদের পরিবারের লোকজনের দুর্দশার সীমা থাকে না। তারা চিকিৎসার খরচ মেটাতেই নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। ইউরোপ-আমেরিকায়ও হার্ট ফেলিউরের স্থায়ী সমাধান বা চিকিৎসা নেই। তাই এ রোগ প্রতিরোধের দিকেই অধিক মনোযোগী হতে হবে। হৃদরোগের সূত্রপাত বন্ধের দিকে গুরম্নত্ব দিতে হবে।
সভায় আরও জানানো হয়, সময়মতো হৃদরোগের (হাইপারটেনশন, রক্তনালি, হার্টের ভাল্বের সমস্যা) চিকিৎসা না হওয়া, ডায়াবেটিস, রক্তশূন্যতা, কিডনি, থাইরয়েড ও লিভারের সমস্যা, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাসহ নানা কারণে শরীরে তীব্র সংক্রমণ দেখা দেয়। আবার জন্মগত হৃদযন্ত্রের সমস্যা ছাড়াও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা রোগীদের হার্ট ফেলিউর হয়ে থাকে। তাই এটি প্রতিরোধে উচ্চ-রক্তচাপের যথাযথ ওষুধ নির্বাচন করে চিকিৎসা করাতে হবে। যেসব রোগীর রিং লাগানোর প্রয়োজন নেই তাদের যেন রিং লাগানো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি লাইফ স্টাইল বা জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন যেমন, ধূমমান ও তামাক সেবন বন্ধ করতে হবে। শর্করা জাতীয় খাবার ভাত, চিনি, গুড় (মিঠা), বিস্কুট ও পাতে লবণ কম খেতে হবে। ব্যায়ামের প্রতি গুরম্নত্ব দিতে হবে। পরিমিত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। সর্বোপরি হার্ট ফেলিউর রোগীদের শরীরের এলবোমিনের মাত্রা ঠিক রাখতে ডিমের সাদা অংশ ও মাছ খাওয়া। নিয়ম অনুসারে নিউমোনিয়া ও ফ্লু ভ্যাকসিন নেয়ার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close