আড়াইহাজারে ধান ছাঁটাইয়ের কাজ শুরম্নআড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ধান ছাঁটাই নিয়ে ব্যস্ত্ম সময় পার করছেন কৃষক-কৃষাণিরা -যাযাদিনারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ধান কাটার কাজ প্রায় শেষের পর্যায়ে। এখন চলছে ধান সিদ্ধকরণ ও মেশিনে ধান ছাঁটাইর কাজ। ধান ছাঁটাই নিয়ে এখন ফুসরত নেই চালকল মালিক ও কৃষক- কৃষাণিদের। রাতদিন হরদম চলছে এ বাড়ি ও বাড়ি ধান ছাঁটাইর কাজ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ধান সিদ্ধকরণ ও ধান ছাঁটাইর কাজে ব্যস্ত্মতা। একমণ ধান থেকে চাল করতে মজুরি লাগে ৪০ টাকা।
একটি চালকল দৈনিক ৭০ থেকে ১০০ মণ ধান ভেঙে চাল করতে পারে। এতে প্রতি দিন ৩-৪ হাজার টাকা করে রোজগার হয় বলে জানান চালকলের মালিকরা। ১০-১৫ বছর আগে কৃষকরা কাছাকাছি কোনো হাট বা বাজারে ধান নিয়ে গিয়ে চাল করে আনতে হতো। কিন্তু এখন তাদের সুযোগ বেড়েছে। এখন বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি ইঞ্জিনচালিত চালকল নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধান ভেঙে দিয়ে আসে চালকল মালিকরা। উপজেলার ঝাউগড়া, মানিকপুর, চামুরকান্দী, বিনাইরচর, কলাগাছিয়া, দিঘলদী, বালিয়াপাড়া, রামচন্দ্রদী, কড়ইতলা, গাজীপুরা, বিশনন্দী- এসব এলাকায় ঘুরে শত শত চালকল বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধান ভাঙতে দেখা গছে। কড়াইতলা গ্রামের এক চালকল মালিক মনু ফকির জানান, ধান ভেঙে ভালোই রোজগার হচ্ছে। প্রতিদিন ৩-৪ হাজার টাকা করে রোজগার হচ্ছে। এ থেকে ডিজেল খরচ বাদ দিলে ভালোই লাভ থাকে। পুরো উপজেলায় কয়েক শত ভ্রম্যমাণ চালকল রয়েছে বলে তিনি জানান। কলাগাছিয়া গ্রামের ভ্রাম্যমাণ চালকল মালিক আ. কাদির জানান, চলতি মৌসুমে ভ্রাম্যমাণ চালকল দিয়ে ধান ভেঙে আমার ৫০ হাজার টাকা রোজগার করার টার্গেট রয়েছে। একটি ভ্রাম্যমাণ চালকল চালাতে দুজন শ্রমিক লাগে। একজন ফলার ধরেন অপরজন ইঞ্জিনে পানি ঢালেন। মেশিনে ধান ঢালা ও আলাদা করে চাল, কুড়া সরানোর কাজটি কৃষক- কৃষাণিরা নিজেরাই করে থাকেন।
এ ব্যাপারে আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আ. কাদির জানান, ভ্রাম্যমাণ চালকলের প্রচলন হয়ে কৃষক-কৃষাণি এবং চালকল মালিক উভয় পক্ষেরই ভালো সুবিধা হয়েছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close