প্রজ্ঞাপন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ হবৈধতা নিয়ে প্রশ্নযাযাদি রিপোর্ট এইচএম এরশাদপ্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রায় সাড়ে চার বছর পার হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের। তবে এ পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানম-িতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত পার্লামেন্ট ওয়াচ নামে সংসদ বিষয়ে এক 'গবেষণাপত্রে' এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, এরশাদের নিয়োগ সংক্রান্ত্ম কোনো প্রজ্ঞাপন নেই। কিন্তু বিশেষ দূত হিসেবে এরশাদের পেছনে রাষ্ট্রের প্রতিমাসে গড়ে ব্যয় হচ্ছে পাঁচ লাখ টাকা। এরশাদের পেছনে এ অর্থ ব্যয় কতটুকু যথার্থ তা তার নিজেরও বলা দরকার, জনগণকেও সরকারের জানানো উচিত। এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতির সংসদে উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির হারও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি পরিচালক মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান বলেন, বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের কোনো সরকারি গেজেট প্রকাশ বা দাপ্তরিক কোনো নির্দেশ পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আধুনিক মুসলিম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐতিহ্য বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেয়া, মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানির বাজার প্রসারে ভূমিকা পালন তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু এসবে তার কোনো ভূমিকা নেই।
সংসদের বিগত এক থেকে ১৮তম অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র ৭৯ দিন উপস্থিত ছিলেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে তিনি চীন, ভারত, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করলেও বিশেষ দূত হিসেবে যাননি। অথচ তার পেছনে প্রটোকল, বিশেষ ভাতা (মন্ত্রী পদমর্যাদা সমতুল্য) ও অন্যান্য খাত বাবদ মাসে গড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারম্নজ্জামান বলেন, 'এটা বে-আইনি কিনা তা আমরা বলতে পারব না। যদি তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়ে থাকে তাহলে দুর্নীতি বলা যাবে না। কিন্তু তার নিয়োগের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি। তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশিত হয়নি। সরকারি কোনো নির্দেশনাও নেই। তবে তার দায়িত্বের মধ্যে একটা কথা বলা হয়েছিল যে, তিনি দেশের ভাবমূর্তি বিদেশে তুলে ধরবেন। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত সফরে বিদেশ গেছেন। রাষ্ট্রীয় কোনো সফরে তাকে দেখা যায়নি বা কোনো তথ্যও নেই।'
তিনি বলেন, এরশাদের পেছনে যে পাঁচ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে এটা কতটুকু যথার্থ তা তার নিজেরও বলা দরকার। জনগণকেও সরকারের জানানো উচিত।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close