পূর্ববর্তী সংবাদ
কম দামে বিক্রীত 'বিরল' সাকিবক্রীড়া ডেস্ক সাকিব আল হাসানআইপিএলের ১১তম আসরে সাকিব আল হাসান যে টাকায় বিক্রি হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি ফেরত দিচ্ছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত্ম শেষ হওয়া ম্যাচগুলো পর্যালোচনা করে সাকিবকে নিয়ে বিশেষ একটি প্রতিবেদন ছেপেছে ক্রিকইনফো। সেখানে সাকিবকে 'বিরল' আখ্যায়িত করে লেখক বলছেন, ১২ কোটিতে বিক্রি হওয়া অলরাউন্ডার স্টোকসের থেকেও নিজ দলের জন্য সাকিবের অবদান বেশি।
প্রতিবেদনের শুরম্নতে 'টহফবৎৎধঃবফ' শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যার আভিধানিক অর্থ 'ন্যায্য অপেক্ষা কম দর দেয়া'।
ক্রিকেট বিশ্বে নিখাঁদ অলরাউন্ডার পাওয়া এমনিতে দুষ্কর। আইপিএলের মতো আসরে ওই অলরাউন্ডারদের নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। সেই কাড়াকাড়িতে ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস বিক্রি হয়েছেন ১২.৫০ কোটি রম্নপিতে, অ্যান্দ্রে রাসেল ৮.৫০ কোটি, হার্দিক পান্ডিয়া ১১ কোটি, ক্রুনাল পান্ডিয়া ৮.৮ কোটি। অবাক করার ব্যাপার হলো সাকিব সেখানে দুই কোটিতে বিক্রি হয়েছেন। স্টোকসের ছয় ভাগের এক ভাগ! তাও আবার তাকে নিতে আগ্রহ দেখায় মাত্র দুটি দল-রাজস্থান রয়্যালস এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
হায়দরাবাদের সাফল্যের পেছনে সাকিবের অবদান চোখে পড়ার মতো। মনীষ পান্ডে, ইউসুফ পাঠান, ঋদ্ধিমান সাহা নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছে না। রশিদ খান উইকেট পেলেও রান দিচ্ছেন বেশ। সেখানে সাকিব পাওয়ার পেস্নতে প্রায় প্রতি ম্যাচে বিস্ময়কর বোলিং করছেন। এখন পর্যন্ত্ম তিনি ১২টি উইকেট পেয়েছেন। যার মধ্যে চারটি পাওয়ার পেস্নতে। গড় ৭.৮০। ডট বলের সংখ্যা ৪১.৬৬ শতাংশ! প্রথম ছয় ওভারে প্রতি পাঁচ বলে সাকিব মাত্র একটি করে চার হজম করেছেন।
স্টোকস, হার্দিক, ক্রুনাল এবং রাসেলের রান সাকিবের চেয়ে বেশি। কিন্তু মনে রাখতে হবে সাকিব বেশি ব্যাট করেছেন বোলারবান্ধব উইকেট রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে। সাকিব তার দলের জয়ে কীভাবে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, সেটি বুঝতে সেই ম্যাচগুলোর কথা স্মরণ করতে হবে।
৯ এপ্রিল রাজস্থানের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জয় পায় হায়দরাবাদ। সেদিন রাজস্থান গুটিয়ে যায় ১২৫ রানে। সাকিব তুলে নেন ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার সঞ্জু স্যামসনকে (৪৯) এবং পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা রাহুল ত্রিপাঠীকে। এই দুই উইকেট নিতে মাত্র ২৩ রান খরচ করেন তিনি। এরপর কলকাতার বিপক্ষে হায়দরাবাদের ৫ উইকেটের জয়ে সাকিব ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সেদিন কেকেআর ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায়। জবাব দিতে নেমে সাকিবের দল একটু চাপে পড়লে সাকিব উদ্ধার করেন। ২১ বলে ২৭ রানের কার্যকরী একটি ইনিংস খেলেন।
মুম্বাইয়ের বিপক্ষে হায়দরাবাদ গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৮ রানে। সাকিব (২) ওই ম্যাচে রানআউট হন। মুম্বাই সেই রানও টপকাতে পারেনি। যার পেছনে সাকিবের অবদান অনেকখানি। তিনি ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে আরেকবার অল্প রান করে বেঁচে যায় হায়দরাবাদ (১৩২)। সাকিব সেদিন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন, ২৮। এরপর পাঞ্জাবকে ১১৯ রানে আটকে দিতে ৩ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন।
অন্য কোনো অলরাউন্ডারকে এখনো পর্যন্ত্ম সাকিবের মতো এভাবে দলের জয়ে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close