পরবর্তী সংবাদ
সংবাদ সংক্ষেপগৌরীপুরে শিশু নিয়ে অনিশ্চয়তায় মাতা

নন্দিনী ডেস্ক

বিয়ের প্রলোভনে লম্পট যুবক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হওয়া পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী শিশু সোমা আক্তার (১৩) তার নবজাতক কন্যা সন্ত্মানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ধর্ষণের দায় স্বীকার করে ফয়সাল (২৮) স্থানীয় লোকজনের চাপে সোমাকে বিয়ে করলেও মাত্র কয়েকদিন পরেই তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ রেলস্টেশন সংলগ্ন মইলাকান্দা এলাকায়। জানা গেছে উলিস্নখিত এলাকার ঝালমুড়ি বিক্রেতা নাজিম উদ্দিন পূর্বধলার ঝারিয়া তার শ্বশুরবাড়ি এলাকা থেকে প্রায় ৭-৮ বছর আগে সোমাকে শিশু অবস্থায় পালক এনে লেখাপড়ার জন্য স্কুলে ভর্তি করে দেয়। পরে শ্যামগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া অবস্থায় সোমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে প্রতিবেশী বাবুল মিয়ার লম্পট ছেলে গৃহশিক্ষক শেখ ফরিদ ফয়সাল। এরপর বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি পাঁচ মাসের অন্ত্মঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার পালিত পিতা-মাতাসহ এলাকাবাসীর মধ্যে এই ঘটনাটি জানাজানি হলে ফয়সাল এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেয়। এদিকে গত বছর জুন মাসে অন্ত্মঃসত্ত্বা সোমার কন্যাসন্ত্মান প্রসব করে। সম্প্রতি ফয়সাল বাড়িতে ফিরে এলে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনের চাপে সোমাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। বিয়ের পর কয়েকদিন বাড়িতে রাখার পর তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অমানুষিক নির্যাতন করে পালিত পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ফয়সালের পরিবার সোমার পালিত পিতা-মাতাকে ৭০ হাজার টাকা প্রদান করে। সোমার পালিত মাতা সুলতানা জানান, তার মেয়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় এলাকার মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার না পেয়ে নিরম্নপায় হয়ে ফয়সালের পরিবারের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে নীরব থাকে। এদিকে ভুক্তভোগী শিশু সোমা বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার দাবি করেছে।

শিশুশ্রম, আইন কি মানছে কেউ
নন্দিনী ডেস্ক

দিনাজপুরের দক্ষিণাঞ্চলের বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ফুলবাড়ী, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলায় দিন দিন শিশু শ্রমিকের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অভাব ও বাড়তি আয়ের জন্য এলাকার হাজার হাজার শিশু বেঁচে থাকার তাগিদে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করেছে। দরিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত এসব শিশু স্কুল ছেড়ে বিভিন্নভাবে শ্রম বিক্রি করে আয়-রোজগার করছে। দিনাজপুরের দক্ষিণাঞ্চলের উলিস্নখিত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পিতা-মাতাহীন অনাথ শিশুসহ স্বল্পবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুরা বিভিন্ন পেশায় কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এসব শিশুর অধিকাংশের বয়স ৮-১০ বছর। যে বয়সে বই-খাতা-কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে তারা পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। পিতা-মাতার অভাবী সংসারে সাহায্য করছে। দেশের শ্রম আইনে ১৪ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের শ্রম নিষিদ্ধ করা হলেও এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি কম মজুরিতে ঝুঁকিপূর্ণ কঠোর পরিশ্রম করে নিচ্ছে।

উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া নারীরা
নন্দিনী ডেস্ক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস পোশাকশিল্প, হিমায়িত চিংড়ি, চামড়া, হস্ত্মশিল্পজাত দ্রব্য, চা শিল্পসহ অন্যান্য পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি নারী জড়িত। এসব শিল্পের প্রধান কাজগুলো করেন নারী। সরকারি হিসাব হচ্ছে, গৃহস্থালি কাজ ছাড়া বর্তমানে দেশে এক কোটি ৬২ লাখ নারী কর্মক্ষেত্রে রয়েছেন। গবেষকরা বলছেন, কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি স্বীকৃত হলেও বিপুলসংখ্যক নারী বিনা পারিশ্রমিকে ঘরে শ্রম দেন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের গবেষণায় উঠে এসেছে, বাংলাদেশে একজন নারী প্রতিদিন গড়ে ১২ দশমিক ১টি কাজ করেন, যা জাতীয় আয়ের হিসাবে অন্ত্মর্ভুক্ত করা হয় না। অন্যদিকে পুরম্নষের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাজের সংখ্যা মাত্র ২ দশমিক ৭। এতে বলা হয়, ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব একজন নারী গড়ে প্রতিদিন একই বয়সের পুরম্নষের তুলনায় প্রায় তিন গুণ সময় কাজ করেন।
 
পরবর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close