সমাজকে কীভাবে দেখতে চাইসিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সমাজকে কীভাবে দেখতে চাই না সেটাই আগে বলি। দেখতে চাই না রাজনীতিবিমুখ হিসেবে। মনে হতে পারে যে, চাঞ্চল্য সৃষ্টি করতে যাচ্ছি কিংবা হাস্যকর কিছু বলছি; কিন্তু বিষয়টা খুবই জরুরি। বিশেষ করে যে জন্য কথাটাকে চাঞ্চল্যকর বা হাস্যকর শোনাতে পারে সে পরিপ্রেক্ষিতের কারণেই রাজনীতিবিমুখতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সবাই এখন রাজনীতিকদের গালমন্দ করেন। ছাত্ররাজনীতি অত্যন্ত ক্ষতিকর; তাই তাকে নিষিদ্ধ করা চাই, শিল্পকারখানায় রাজনীতি ঢুকে ধর্মঘট ও... বিস্তারিত
রাজনীতি ও সহিষ্ণুতাএমাজউদ্দীন আহমদ দেশে পারস্পরিক সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে এক ধরনের দুর্ভিক্ষ। সমাজে সব আছে, নেই শুধু সুসম্পর্কের সবুজ আচ্ছাদন। অসহিষ্ণুতার উত্তাপে চারদিক খাঁ খাঁ করছে। বাক্যবিনিময়ে নেই কোমলতার কোনো চিহ্ন। কথোপকথনে গালাগালের প্রাবল্য পীড়াদায়ক হয়ে উঠেছে। সমাজে সবসময় কিছু ব্যক্তি থাকে যাদের কথাবার্তা দুর্গন্ধময়। সব কথায় তাদের ঝগড়ার গন্ধ। তারা এতদিন ছিল ব্যতিক্রম। এখন তারাই সমাজের স্বাভাবিক মানুষ। বাংলাদেশে এই রূপান্তর অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ দেশের মানুষ কিন্তু... বিস্তারিত
দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী দৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথের সোনার তরী"... রবীন্দ্রনাথের কবি-প্রতিভা তাঁহাকে তাঁহার সামাজিক কর্তব্য হইতে রেহাই দেয় নাই। বাংলাদেশের কৃষি জীবনের সমস্ত ব্যর্থতা তাঁহার অন্তরে পুঞ্জীতূত হইল। এ দৃশ্য তাঁহার অপরিচিত থাকার কথা নয়। রৌদ্রে-বৃষ্টিতে সারা বৎসর খাটিয়া চাষী ক্ষেতে সোনার ধান ফলায়, আর নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসায়ীর নৌকা আসিয়া তাহার সমস্ত ফসল উজাড় করিয়া লইয়া যায়। পড়িয়া থাকে কেবল শস্যহীন রিক্ত ক্ষেত্র, চাষীর মন হাহাকার করিয়া উঠে; এতদিন যাহা লইয়া সে ভুলিয়াছিল সবই যে থরে বিথরে তুলিয়া দেওয়া হইয়াছে, এখন কি লইয়া তাহার দিন কাটিবে?যতীন সরকার রবীন্দ্রনাথের 'সোনার তরী' কাব্যের প্রথম কবিতা 'সোনার তরী' লেখা হয়েছিল বাংলা ১২৯৮ সনের ফাল্গুন মাসে, আর শেষ কবিতা 'নিরুদ্দেশ যাত্রা'র রচনাকাল ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৩০০ বঙ্গাব্দ। অর্থাৎ গোটা 'সোনার তরী' কাব্যটি কবির ৩০-৩২ বছর বয়সের রচনা। তাঁর আগেকার কাব্যগুলো থেকে 'সোনার তরী' যে 'একটি বিশিষ্ট অবস্থায় উপনীত হয়েছে'_ অ্যাকাডেমিক রবীন্দ্র গবেষকদের অনেকেই তা লক্ষ্য করেছেন। জগৎ ও জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসাই 'সোনার তরী' কাব্যের মূল সুর_... বিস্তারিত
রাজনীতিবিদরা দেশকে কোন অন্ধকারে নিয়ে যাচ্ছেন?বিরোধী দল চায় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। সরকার চায় নির্বাচন কমিশনের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনকালীন উভয় পক্ষের নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন। বর্তমান শাসকরা দেশ অচল করা আন্দোলনের মাধ্যমে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আজকের বিরোধী দলের কাছ থেকে আদায় করেছিলেন ক্ষমতায় এসে উচ্চ আদালতের দোহাই দিয়ে তারাই তা সংবিধান থেকে মুছে দিয়েছেন।পীর হাবিবুর রহমান রাজনীতিবিদরা দেশটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? আমরা যাচ্ছি, কিন্তু কোথায় যাচ্ছি কেউ জানি না। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পরিণতি কি সেটিও কেউ বলতে পারে না। সমাজে চরম অস্থিরতা বিদ্যমান। দেশ নিয়ে যারা ভাবেন তারা উদ্বিগ্ন। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। রাজনীতির আকাশে জমাট বাঁধা কালোমেঘ সরে সূর্য উঁকি দেবে এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব বান কি মুনের পাঠানো প্রতিনিধি তারানকো সরকার-বিরোধী দলসহ নানা মহলের দরবারে সংলাপের মাধ্যমে চলমান... বিস্তারিত
সঙ্কট নিরসনে নব্বইয়ের তিন জোটের রূপরেখার প্রাসঙ্গিকতা১৯৯১ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন জোটের রূপরেখার তিনটির মধ্যে প্রথম দুটি পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, যার ফলে সে নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছিল, যদিও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সূক্ষ্ম কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন। তবে নির্বাচন পরবর্তী অঙ্গীকারগুলো কোনো সরকারই বাস্তবায়ন করেনি, যার মাশুল জাতিকে আজ দিতে হচ্ছে।ড. বদিউল আলম মজুমদার আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার কিংবা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর, যদিও দলের সাধারণ সম্পাদক সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন তা নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলাপ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। পক্ষান্তরে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত ১৮ দলীয় জোট নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনঢ়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি মেনে না নেয়া হলে... বিস্তারিত
বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যবাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদ-ই হলো প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ। এদের পাঠানো অর্থের ওপরেই অনেকাংশে নির্ভর করে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। আর এ অর্থের সিংহভাগই আসে মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে এবং একাংশ আসে মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে।অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাবশালী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হলে এবং উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করতে হলে বিদেশ সফর করা যেমন জরুরি, তেমনি অন্যান্য রাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ জানানোও জরুরি, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা, আস্থায় থাকা- এসবও জরুরি। বিশেষ করে যেসব রাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিহাস ও ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এ দিকগুলোর মিল আছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করাটাও সহজ এবং সম্পর্ক... বিস্তারিত
সুন্দরের সাধনা : রাজনীতি ও সংস্কৃতি'সৃজনশীল মানুষ হয় বিবেকসম্পন্ন আর বিবেকবান মানুষ হয় সুন্দরের পূজারি। যে ব্যক্তি সুন্দরের ধ্যান করে সে কখনো আদেশপন্থী হয় না, হয় অনুপ্রেরণাপন্থী। সৃজনশীলরা জীবনের ক্ষেত্রে সলিড সোনার চেয়ে ইমিটেশনের মূল্য দ্যান বেশি। কেননা স্বর্ণ স্বার্থ চরিতার্থ করে আর ইমিটেশন মনের তৃপ্তি চরিতার্থ করে।'মাহমুদুল বাসার তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। হয়তো ঐতিহাসিক কারণেই আমাদের দেশের সর্বস্থরের মানুষ অধিক মাত্রায় রাজনীতিসচেতন। সে কারণেই দেখি উঠতে বসতে রাজনৈতিক আলোচনা, অসহিষ্ণু তর্ক। একে অপরকে ঘায়েল করার উদ্ধত, মুষ্টিবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি। এ অবস্থা দেখে যে কোনো সংবেদনশীল মানুষ ভয়ে শিউরে উঠবে।
রাজনৈতিক মতপ্রকাশের সময় এই যে অসহিষ্ণুতা প্রকাশ পাচ্ছে, ধরাশায়ী করার মনোভঙ্গি প্রকাশ পাচ্ছে, এর কারণ আমাদের সমাজকাঠামোর মধ্যে সংস্কৃতিচর্চার প্রকট অভাব।... বিস্তারিত
শুভ জন্মদিন, যায়যায়দিনরাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করতে হলে প্রথমেই সরকারকে জরুরি অবস্থা জারি করতে হবে। বহিঃশত্রুর দ্বারা আক্রান্ত না হলে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ইচ্ছে স্বাধীন জরুরি অবস্থা জারি করারও খুব একটা সুযোগ নেই। অহেতুক জরুরি অবস্থা জারি করলে সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়ে ফেলে।বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ১৯ মে বিকালে হঠাৎই আল মুজাহিদী ভাইর ফোন পেয়েছিলাম। তার ছোট ভাই শামীম আল মামুনের সঙ্গে ছাত্র রাজনীতি করেছি। অল্প কিছুদিন হলো এপারের মায়া কাটিয়ে সে ওপার চলে গেছে। আমাদের প্রিয় আল মুজাহিদীকেও কেউ কেউ আবার দেখতে পারেন না। এটা সবার ক্ষেত্রেই। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকেও কেউ কেউ পছন্দ করতেন না। আল মুজাহিদী ধ্যানে জ্ঞানে, গুণ-গরিমায় আমার থেকে অনেক উপরে, বয়সেও বড়। তাই আগেও যেমন সম্মান করতাম,... বিস্তারিত
জোট রাজনীতির অতীত ও ভবিষ্যৎ'৯৬ থেকে সর্বশেষ ২০০৮ সালের পর তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। ওই সময় কোনো জোটের রাজনীতি ছিল না এবং ইসলামপন্থী কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব ও অংশগ্রহণ ছিল না। মোট ৩০০ আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছিল ২৯২টিতে। শতকরা ভোট পেয়েছিল ৭৩ দশমিক ২০ ভাগ।ড. তারেক শামসুর রেহমান দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই 'জোটের রাজনীতি'র ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। বাংলাদেশের গত ৪২ বছরের রাজনীতিতে 'জোটের রাজনীতি' প্রথম দিকে গুরুত্ব না পেলেও, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান ও '৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এ 'জোট রাজনীতি'র গুরুত্ব পেয়েছে বেশি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এমনই যে কোনো একটি একক দলের পক্ষে সরকার পরিচালনা করা সম্ভ নয়। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর পরিবর্তিত পরিস্থিতির... বিস্তারিত
সংবাদপত্রের দায় ও সাংবাদিকের স্বাধীনতাসংবাদপত্র তো সমাজের বাইরের কিছু নয়। সমাজব্যবস্থার উন্নতি না ঘটলে, সামগ্রিকভাবে আমরা একটি নীতিবান গোষ্ঠীর সমাজ গড়তে না পারলে স্বাধীন সাংবাদিকতার আশা করা হবে দুরাশা মাত্র। কিন্তু সমাজ গড়বে কে? সমাজ পরিবর্তনের জন্যই তো সাংবাদিকতা কিংবা সংবাদপত্র। এখানেই আসে গণতন্ত্রের কথা। সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের অনুষঙ্গ।জামাল উদ্দীন সংবাদপত্র কেন প্রকাশিত হয়? সাংবাদিকতার দুই দশক পার করার পরও প্রশ্নটি প্রায়ই মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। যখন কেউ সাংবাদিকতা পেশায় নবিস আসেন, তার কাছে জানতে চাই কেন সংবাদপত্র প্রকাশ করা হয়। প্রশ্নটি শুনে দু-একজন উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেও যেন থেমে যান। আবার এমনও পেয়েছি যাদের কাছে উত্তরটি জানা নেই। কিংবা সাংবাদিকতার ছাত্র যে, তার কাছে এমন প্রশ্নটি অবান্তর মনে হতে পারে। তাহলে প্রশ্নটির উদ্ভব হলো... বিস্তারিত
নারীর কথাআজকের দিনে অর্গানিক শাকসবজি ক্রমে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃত্রিম সারের প্রয়োগে উৎপাদিত সবজি কতটা মানুষের জন্য ক্ষতিকর তা আজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেখতে হচ্ছে পুরুষকে, তার আগে সর্বনাশটা ঘটিয়ে ফেলেছে। বিশ্বজুড়ে নারীরা আজ পরিবেশ রক্ষায় সোচ্চার হয়ে উঠেছে, তাদের সহজাত বোধ দিয়ে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ধরিত্রীকে রক্ষা করার তাগিদে অনেক অঞ্চলের প্রায় নিরক্ষর নারীরা এগিয়ে এসেছে।সেলিনা হোসেন প্রজ্ঞার শাস্তি মৃত্যু
অনেককাল আগের কথা। লীলাবতী নামে এক নারী ছিলেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে অসাধারণ প্রজ্ঞার অধিকারী এই নারী চাষাবাদ, গার্হস্থ্য জীবন ও পশুপালন সম্পর্কে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেসব প্রজ্ঞা-বচন খনার বচন নামে এখন পর্যন্ত প্রচলিত। এই প্রজ্ঞার জন্য তাঁর জিহ্বা কেটে তাঁকে বোবা বানানো হয়েছিল বলে তাঁর নাম হয় খনা। উড়িয়া ভাষায় 'খনা' অর্থ বোবা। খনাকে নিয়ে দু'ধরনের কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। একটি উড়িয়া ভাষায়, অপরটি... বিস্তারিত
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেশ এগিয়ে যাবে কীভাবে?আজকের সমাজ ও বিগতকালের সমাজের মধ্যে সংলাপ চলে ইতিহাসে। অতীতকে বর্তমান আলোতে বোধগম্য করতে হয়। অর্থাৎ বর্তমানকে বুঝতে হলে অতীতের আলো প্রয়োজন হয়। এ হিসেবে বর্তমান যুবসমাজের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার চেতনা বারবার সামনে আনা দরকার।ড. মিল্টন বিশ্বাস গত বছর (২০১২) থেকে আমাদের রাজনৈতিক পরিম-লে কাল-মেঘের প্রাদুর্ভাব দেখে যে কোনো দেশপ্রেমিক বাঙালি এ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিচলিত হতে বাধ্য। রাজনৈতিক সহিংসতা আর কুখ্যাত সব যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সস্নোগান দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কিংবা নিরীহ ব্যক্তির প্রাণনাশ_ এসব ঘটনাপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে দেশের অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে বলে বারবার রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারক ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ মতামতও ব্যক্ত করেছেন। তাহলে দেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে_ এ ভাবনা এখন... বিস্তারিত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় বাংলা ভাষার ব্যবহারযতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণাকর্ম পশ্চিমাদের মতো দক্ষভাবে আয়ত্ত না করব ততদিন পর্যন্ত কি হাত গুটিয়ে বসে থাকব? বাংলা ভাষার প্রয়োগ ঘটাব না? স্বভাবতই এখানে পরিভাষার প্রশ্নটি এসে পড়ে এবং অনেকেই মনে করেন যে আমরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের যেসব শাখায় পাঠদান করি সেখানে যদি আমরা যথাযথ পরিভাষা ব্যবহার করতে পারি তাহলে এ কাজটি সহজতর হবে। এ ধারণা যে একেবারে অযৌক্তিক তা নয় এবং কিছু কিছু পরিভাষা যে তৈরি করা হয়নি তা-ও নয়।ড. এম. শমশের আলী পৃথিবীর সব দেশেই জীবনের সব তৎপরতাকে মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এসব তৎপরতা সামগ্রিকভাবে নির্ণয় করে দেশগুলোর কৃষ্টি ও সভ্যতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা এবং গবেষণা মানবজীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখনো আমাদের কৃষ্টির অঙ্গ হয়ে ওঠেনি। অথচ আমরা যদি উন্নত বিশ্বের দিকে তাকাই এবং সেখানকার বিজ্ঞানের সঙ্গে জীবনের যোগসূত্র লক্ষ্য করি তাহলে এটা একেবারেই স্পষ্ট হয়ে... বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের শিক্ষাশিক্ষকদের মূল্যায়ন কারা করবেন?'৭৩ এর আদেশের একতরফা স্বাধীনতাও খুব ভালো ফল দিতে পারেনি। এর একটা বড় কারণ সন্দেহাতীতভাবেই রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশেরই ব্যর্থতার একটি পরিচয়, এই ঘটনারই একটা ছাপ পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়েও। সর্বজনীন স্তরে শিক্ষার উন্নতি ঘটানোর, জাতির মাঝে বিজ্ঞানের ভিত্তি দৃঢ় করার কিংবা ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি বিকাশের কোনো চাহিদা তৈরি যেমন করা হয়নি, ফলে বিশ্ববিদ্যালয়সুলভ তুলনামূলক মুক্ত পরিসর গড়ে তোলার বা তাকে রক্ষা করারও প্রয়োজন পড়েনি।ফিরোজ আহমেদ নিবন্ধটির সারসংক্ষেপ এই সাফ কথা যে, ক. উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অযোগ্য-অদক্ষ-অক্ষম শিক্ষাজীবীদের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইলে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও সম্ভাব্য সর্বোচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে চাইলে প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষকদের মূল্যায়নের অধিকার তুলে দেয়া এবং শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতিসহ সব ক্ষেত্রে এই মূল্যায়নকে অর্থবহ কার্যকারিতা প্রদান করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জঞ্জালগুলো প্রায় সর্বাংশে সাফ হয়ে যাওয়ার এই কর্মসূচিটি বেশ্বিক প্রেক্ষাপটে আদৌ নতুন কিংবা যুগান্তকারী... বিস্তারিত
জাতীয় বাজেট ও কিছু নাগরিক ভাবনাজাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকার খাতগুলো হতে হবে প্রথম কৃষি, দ্বিতীয় শিক্ষা, তৃতীয় জাতীয় নিরাপত্তা। ১৬ কোটি মানুষ আমাদের দেশে। আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষক। কৃষক বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে। কৃষিতে আমাদের অনেক অর্জন আছে কিন্তু এখনো অনেক কিছু করার আছে। সম্ভাবনা বিপুল।লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান (অব.) ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেট আর কয়েক দিন পর জাতীয় সংসদে আসন্ন বাজেট সেশনে উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। এবারের জাতীয় বাজেট সরকারের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং বাজেট হবে। অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রস্তুতিতে ইতোমধ্যে ভীষণ হিমশিম খাচ্ছেন। কূলকিনারা কিছু্ই পাচ্ছেন না। হিসাব মিলাতে শুভঙ্করের ফাঁক খুঁজছেন। তাও মিলছে না। এবারের বাজেট জাতীয় অর্থনীতির ভিত্তির ওপর নির্মিত না হয়ে জাতীয় রাজনীতির ভুল মানদ-ে নির্মিত হওয়ার তোড়জোড় চলছে। জাতীয় নির্বাচনের চিন্তা-চেতনায় দলীয় স্বার্থের... বিস্তারিত
মানুষ, মিডিয়া ও মানবাধিকাররক্ত ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র বাংলাদেশের মানুষের মহান অর্জন। এ অর্জন নাগরিকদের জন্য মানবাধিকারের গ্যারান্টি। গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন এ দেশে মানুষের অধিকার ভূলুণ্ঠিত হলে গণতন্ত্র ও স্বাধিকারেরও যে ক্ষতি হয়, তা অনুধাবনের ক্ষমতাও মনে হচ্ছে আজ অনেকের কাছ থেকে লুপ্ত হয়ে গেছে।ড. মাহফুজ পারভেজ জেনারেলের দল
বেইমানের দল :
দেখ আমার মৃত বাড়ি
দেখ স্পেন ভেঙে মিসমার : তবু প্রত্যেকটা
মৃত বাড়ি থেকে ধেয়ে আসছে
জ্বলন্ত ধাতু ফুলের বদলে।
_পাবলো নেরুদা

মানুষ, মিডিয়া ও মানবাধিকার সম্পূরক। একজন ব্যক্তি-মানুষের মৌলিক ও প্রাকৃতিক মানবাধিকারের আইনগত স্বীকৃতির মতোই মিডিয়া এবং সংবাদকর্মীরা মানবাধিকারের দ্বারা সংরক্ষিত। ব্যক্তির ক্ষেত্রে হত্যা, গুম, আইনবহির্ভূত নির্যাতন আর মিডিয়ার ও... বিস্তারিত
মানবতার সঙ্কটসাম্রাজ্যবাদ বেশি ভয়াবহ, নাকি ধর্মান্ধতা? আমি বলব, দুটোই। যদি সাম্রাজ্যবাদের ভয়াবহতার কথা বলি, তাহলে আমি যেমন অতীতের ভিয়েতনামের কথা বলেছি, তেমনি এখনকার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরাইলি আক্রমণের ভয়াবহতার কথাও বলব। এখনো যে পৃথিবীজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আস্ফালন দেখি, তার সাম্প্রতিককালের দৃষ্টান্তের মধ্যে ইরাক, আফগানিস্তান এবং লিবিয়া অন্যতম। এ হলো সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত। আবার যদি আমরা অন্ধ না হই, তাহলে দেখব- যে আমেরিকা একদিন সাদ্দাম হোসেনকে তৈরি করেছিল, সেই সাদ্দাম হোসেন ইরাকে সংখ্যালঘু সুনি্নদের নেতা হওয়া সত্ত্বেও বৃহত্তর শিয়া জনগোষ্ঠীর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে শুধু তাদের শাসনই করেননি, শোষণ করেছেন, রক্তাক্ত করেছেন।অসীম সাহা আমি কে, আমি কী, আমি কেন এবং আমি কোথায়- এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ নিজেকে জাতিগতভাবে চিহ্নিত করতে পারেন। যেমন_ বাঙালি, ভারতীয়, লিবীয়, সিরীয়, সৌদি, ব্রিটিশ, আমেরিকান প্রভৃতি কিংবা চাকমা, গারো, রাখাইন, মার্মা বা নিগ্রোসহ পৃথিবীর অন্য কোনো আদিবাসী। আবার যদি ধর্মীয় দিক বিবেচনায় নিয়ে নিজেকে কেউ চিহ্নিত করতে চান, তাহলে বলতে পারেন_ আমি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান কিংবা অন্য কোনো ধর্মাবলম্বী। পরিচয় যাই হোক না... বিস্তারিত
স্বপ্নের বাংলাদেশবৈদেশিক মুদ্রার মজুদ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) বেশ ইতিবাচক। বিশ্বজুড়ে চলমান আর্থিক মন্দার মধ্যেও গত বছর আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬.৩২ শতাংশ। তাই বিদ্যমান কিছু সমস্যা সত্ত্বেও আশাবাদী হওয়ার মতো অনেক অর্জন আমরা করতে সক্ষম হয়েছি।সাদাত উল্লাহ খান ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই সংঘটিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, সৃষ্টি হয়েছে নতুন দেশ, নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা, নতুন বাসনা ও আলো। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশে এসবের ভূমিকা অতুলনীয় ও অপরিসীম। এখানেই শেষ নয়। ১৯৭১ সালের পর থেকে আমাদের নতুন স্বপ্নের যাত্রা হয়েছে। আমাদের স্বপ্নের জগৎ দিন দিন প্রসারিত হয়ে চলেছে। বহুমুখী রাজনৈতিক সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও সমস্যা কখনো বাংলাদেশকে একস্থানে আটকে রাখতে পারেনি। ভবিষ্যতেও পারবে না।
উন্নয়ন চিন্তার জগতে... বিস্তারিত
পরিবেশ দূষণ সমস্যা মূলত একটি রাজনৈতিক সমস্যাবদরুদ্দীন উমর পরিবেশ দূষণ এখন এক বিশ্ব সমস্যা। এ সমস্যা মূলত একটি পুঁজিবাদী সমস্যাও বটে। কারণ পরিবেশ দূষণ পুঁজিবাদী দুর্নীতি, চুরি, কালোবাজারি, চোরাচালানি ইত্যাদির সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। শিল্পায়নের সঙ্গে পরিবেশ দূষণের একটি সম্পর্ক থাকলেও এ দূষণ বন্ধ করা অথবা এটা নিম্নতম পর্যায়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা থাকলে যে বিপজ্জনকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে সেটা হতো না। কিন্তু যে রকম সতর্কতা এক্ষেত্রে দরকার সেটা অবলম্বন করলে মুনাফার হার তো... বিস্তারিত
দেখেছি এক ঐশ্বর্যহুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কবিবন্ধু মুজাহিদী ফোনে বললেন যে, যায়যায়দিন পত্রিকার অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহৎ কলেবরে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হবে। তাতে আমার একটি লেখা দিতে হবে। তবে তা কবিতা নয়- প্রবন্ধ। আমি একটু অবাক হলাম- কারণ, কবিতা নয় কেন? আমি তো কবিতাকে ভালোবাসি- কবিতা লিখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমার রাজনৈতিক সত্তার বাইরে- যে সত্তাটির বিকাশ ঘটিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে রেখে যেতে চাই বা চেয়েছি_ তা হচ্ছে আমার... বিস্তারিত
চাই জনগণের গণতন্ত্রসোভিয়েত ইউনিয়নের বিলোপের পর অত্যুন্নত প্রযুক্তি নিয়ে পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদীরা বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের যে রূপ দিয়েছে, বাংলাদেশেও গণতন্ত্রের নামে যে উদ্যোগ-আয়োজন চালানো হচ্ছে, তাতে সর্বজনীন কল্যাণে গণতন্ত্রের জন্য সম্পূর্ণ নতুনভাবে চিন্তা করতে হবে। পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী গণতন্ত্রের জায়গায় অবশ্যই জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রশ্ন হলো জনগণের গণতন্ত্র কী? জনগণের গণতন্ত্রের রূপ-প্রকৃতি তৈরি নেই- তৈরি করে নিতে হবে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বে গণতন্ত্রের নামে যে শ্রমশক্তি ও চিন্তাশক্তি ব্যয় করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণই গণবিরোধী কাজের জন্য।আবুল কাসেম ফজলুল হক 'জনগণের গণতন্ত্র' বা 'নয়াগণতন্ত্র' নাম দিয়ে গণতন্ত্রের সমাজতন্ত্র অভিমুখী বিশেষ রূপ ও প্রকৃতি নির্দেশ করেছিলেন রাশিয়ায় জোসেফ স্টালিন এবং চিনে মাও সেতুঙ-স্বতন্ত্রভাবে, প্রধানত নিজ নিজ দেশ ও জনগণের উন্নত জীবনের প্রয়োজনে। তারা নতুন রাশিয়া, নতুন চিন ও নতুন পৃথিবী গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করেছিলেন।
স্টালিন পৃথিবীর সব জাতিকে সামনে নিয়ে চিন্তা করেছিলেন তৎকালীন পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী গণতন্ত্রের ও পুঁজিবাদী রাশিয়ার অভিজ্ঞতাকে পটভূমিতে রেখে। একইভাবে... বিস্তারিত
আবৃত্তিচর্চা প্রমিত উচ্চারণ ও এই সময়ের বাংলাপ্রমিত উচ্চারণের সহযাগে এমন একটি স্বরভঙ্গি সৃষ্টি করতে হয়, যা শ্রোতার চিত্তকে দ্রবীভূত করে, তাকে পেঁৗছে দেয় পরম আনন্দলোকে। এ অবস্থায় তাঁর মানসলোকে জাগ্রত হয় একের পর এক সুপ্ত বাসনা। প্রমিত উচ্চারণ ভাষার বিশুদ্ধতা রক্ষা করে, আবৃত্তির বিষয়কে করে তোলে সর্বজনীন। রস সৃষ্টির লক্ষ্যে আবত্তিশিল্পীকে তাই শুদ্ধ উচ্চারণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হয়।বিশ্বজিৎ ঘোষ আবৃত্তি কণ্ঠশিল্প_কণ্ঠের কারুকাজেই আবৃত্তি শিল্পে রূপান্তরিত হয়। শ্রোতার চিত্তে তা সঞ্চার করে রসাবেদন। আবৃত্তি শ্রোতার চিত্তে সঞ্চার করে আনন্দ। আবৃত্তিটাই আনন্দ সম্ভব_ কিংবা বলি রসসম্ভব। শ্রোতার চিত্তলোকে রসাবেদন সৃষ্টি না হলে আবৃত্তিকারের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যায়। তাহলে দাঁড়াচ্ছে এই আবৃত্তির মুখ্য উদ্দেশ্য শোতৃহৃদয়ে আনন্দরস সৃষ্টি করা। ভারতীয় রসতত্ত্বের ব্যাখ্যায় আচার্য অভিনব গুপ্ত বলেছে_ রস অভিব্যক্ত হয়, সেই অভিব্যক্তির অর্থ হচ্ছে সহৃদয় শ্রোতার চিত্তলোকের আনন্দ-স্বরূপের অভিব্যক্তি।... বিস্তারিত
নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিবর্তন অতীব জরুরিআমাদের নির্বাচন পরিচালনায় মূলমন্ত্র থাকবে 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন'; অর্থাৎ নির্বাচন প্রক্রিয়ার কোনো ক্ষেত্রেই কোনোরূপ অনৈতিক বা অনিয়মের সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করব না। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিয়েই সবাই মিলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা বজায় রাখার চেষ্টা করব। সবাই একত্রে অর্থাৎ রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, সুশীল-সমাজ, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এদেশের ভোটার তথা মালিক হিসেবে তাদের নিজ দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করব।বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ ১৯৯০ সালের ২৫ ডিসেম্বর। সে সময়ের অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান আমাকে অনেকটা জোর করেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করেছিলেন। তখনকার হাইকোর্ট বিভাগের দু'জন বিচারপতিসহ সর্বমোট আমাদের ৩ জনকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। আমি নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার পূর্বেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ১৯৯১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ-নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দেন। ওই তারিখ অনুযায়ী সংসদ-নির্বাচন করার জন্য সময়... বিস্তারিত
বিপর্যস্ত বহিঃসম্মান এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিনানা ইস্যুতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেশ দূরত্ব সৃষ্টি করে ফেলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মানিত বিদেশি হিসেবে ডক্টর ইউনূস বাংলাদেশের জন্য যে বিরল বহিঃসম্মান বয়ে এনেছেন, তা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে উড়িয়ে দেয়ায় ব্যর্থ চেষ্টা চলেছে সরকারের শীর্ষ মহল থেকে। তাছাড়া মানবাধিকার পরিস্থিতি, গণতন্ত্র প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের বিদেশি-অসম্মান অর্জিত হচ্ছে।মুহাম্মাদ রুহুল আমীন আমাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সরকারের নানাবিধ গণবিচ্ছিন্ন অভ্যন্তরীণ নীতি এবং বহিঃরাষ্ট্রিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভ্রান্ত, অস্বচ্ছ ও অদক্ষ কূটনীতির কারণে আন্তর্জাতিক সমাজে বাংলাদেশের যে ইমেজ সঙ্কট (বীঃবৎহধষ রসধমব পৎরংরং) তৈরি হয়েছে, তা আমাদের পররাষ্ট্রনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে মারাত্মকভাবে। অনতিবিলম্বে এ বিপর্যস্ত বহিঃসম্মান পুনরুদ্ধার করে দক্ষ, টেকসই ও প্রাণবন্ত পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নে ব্যর্থ হলে আমাদের বৈদেশিক সম্পর্কের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে।
সাম্প্রতিককালে বিপর্যস্ত বহিঃসম্মানের... বিস্তারিত
সাম্প্রতিক সমস্যার মূল বা শিকড়আমাদের কঠোর কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর সন্ধান করতেই হবে। আমরা কি আসলেই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হোক- এটা চাই কিনা। যদি চাই, তাহলে আমরা নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেব। বিশ্বের কোন গণতান্ত্রিক দেশ কোন নিয়মে নির্বাচন করল, সেটা আমাদের নিকট বড় প্রশ্ন, নাকি আমাদের দেশের মানুষ কোন নিয়মটিকে গ্রহণযোগ্য এবং আপন মনে করে, সেটি বড় প্রশ্ন।মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বাংলাদেশ একটি কঠিন সময় পার করছে। বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর প্রচ- রকম আঘাত আসছে। বাকস্বাধীনতা এখন পরাধীন। প্রেস কনফারেন্সে প্রদত্ত বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করে বক্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। সরকারের অপছন্দনীয় বিষয় তুলে ধরার কারণে টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পত্রিকায় কলাম লিখতে গিয়ে কলামিস্টদেরও কয়েকবার চিন্তা করতে হচ্ছে। আজো যখন কলাম লিখছি, তখন মনের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, কলাম লেখা কখন সরকারি... বিস্তারিত
নারী মহীয়সীবিশ্বযুদ্ধের প্রবল প্রভাব যেমন পৃথিবীর সব দেশের জীবনচর্চাকে ওলট-পালট করে দেয়, আমাদের দেশও তার অন্যতম। ১৯৪৮-এ ভারতবর্ষ বিভাজিত হয়। মানুষের ধ্যান-ধারণা, দেশপ্রেম সবই বিচিত্ররূপে প্রকাশ পায়। এ দেশে, জনজীবনে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন সৃষ্টি করে ভিন্ন চেতনা, ভিন্ন রাজনৈতিক চিন্তা। কৃষক আন্দোলন, শ্রমিক জীবনে নানা পরিবর্তন নিয়ে আসে। মানুষ বিশ্বের অন্যান্য দেশের চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কে পরিচিত হয়। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আরো ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে যায় জীবন যাত্রায়।জুবাইদা গুলশান আরা বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে যখন পেছনে তাকাই তখন ভাবতে অবাক লাগে। হ্যাঁ, আমি নারীর চলমান ইতিহাসের কথাই বলছি। নারীকে ঘিরে বর্তমান সময় খুব অস্থির, ব্যস্ত, বিস্ফোরণোন্মুখও বলা যায়। নারীর অস্তিত্বকে মূল্যায়ন করতে যুগের পরে যুগ কেটে গেছে। নারীর অন্তঃপুরবাসিনী চিত্র অতিক্রম করে বর্তমান কর্মমুখরও শিল্প বিপ্লবে নিবেদিত যে পরিচিতি, তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের বেদনা লাঞ্ছিত ইতিহাস। বর্তমান সময়টা আমরা ইন্টারনেট, মোবাইল, ফেসবুক ও নানা যান্ত্রিক অগ্রগতির... বিস্তারিত
গার্মেন্টশিল্প_ আধুনিক যুগে দাসশ্রমশ্রমিকরা তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে অনেক কম মাসিক ৮ হাজার টাকা দাবি করেছেন। মালিকরা তাও মানতে চান না। ২০১০ সালে শ্রমিকদের দাবি ছিল নূ্যনতম মাসিক মজুরি ৫ হাজার টাকা। তখন শ্রমিকবিদ্বেষী সরকার ঘোষণা করল মাত্র ২ হাজার টাকা। এর জন্য যে পোপের নিন্দা শুনতে হচ্ছে তাতে বিচলিত নয় মুনাফার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা মালিকরা। বিদেশে যে আমাদের মানসম্মান যাচ্ছে, সেজন্য লাজলজ্জা মালিক বা সরকারের কারোর নেই।হায়দার আকবর খান রনো ভ্যাটিকানের পোপ বাংলাদেশের গার্মেন্টশিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরির কথা শুনে বিস্মিত, দুঃখিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ যেন দাসশ্রম। মানবিক কারণে মজুরি বৃদ্ধির আবেদন তিনি জানিয়েছেন। বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ২৪ জন কংগ্রেস সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি দিয়েছেন। রানা প্লাজায় ভবনধস ও তাজরিনের অগি্নকা-ে শ্রমিক হত্যা ও শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামের হত্যা রহস্যের কোনো সুরাহা না হওয়ায়... বিস্তারিত
অবিরত ভাষার লড়াইমাতৃভাষা হলো মানুষের দ্বিতীয় আত্মা। এই দ্বিতীয় আত্মার স্বাভাবিক ও সাবলীল চলচ্ছন্দ যারা নষ্ট করার জন্য সমপ্রতি উঠেপড়ে লেগেছে, তাদের বিরুদ্ধে, পত্রিকায় লিখেছে_ 'নির্দেশ' দিয়েছেন আদালত। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখে একটি দৈনিকে প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের লেখা 'ভাষা দূষণ নদী দূষণের মতোই বিধ্বংসী' শিরোনামের নিবন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই হাইকোর্ট 'নির্দেশ' দিয়েছেন, বাংলা ভাষার পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।ড. সৌমিত্র শেখর আমাদের 'রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন' হয়েছিল ১৯৫২-তে কিন্তু ভাষার লড়াইটি এর আগেও ছিল, এখনো আছে। প্রাকৃতজনরা দেবভাষার বিপ্রতীপে জিইয়ে রেখেছিল বাংলাই পূর্বতন রূপ। কবি আবদুল হাকিমের কালে, অর্থাৎ সপ্তদশ শতাব্দীতে বাংলা ভাষা তার স্বতন্ত্র রূপটি নিয়ে ফেলেছে। নিয়ে ফেললে কী হবে, তখনো বাংলা চর্চার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন অনেকে। আবদুল হাকিম তাই অনেকটা ক্ষেপেই গিয়েছিলেন; বলেছেন_ যারা বাংলার মাটিতে জন্মে বাংলা ভাষার বিরোধিতা করে, তাদের জন্ম নিয়েই প্রশ্ন তোলা... বিস্তারিত
রাজনৈতিক সংঘাতের আবর্তে দেশবাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের স্বপ্ন ছিল স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সাম্য অর্জন এবং অধিকার। মানুষের জীবন হবে আধিপত্যহীন, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক চেতনার অধিকারে পূর্ণ। সাধারণ মানুষের এ স্বপ্ন ভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগেনি সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে।আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ দেশের রাজনীতি, সামাজিক অবস্থা ও অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা প্রবেশ করতে পারেনি ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অস্থিতিশীলতা, দলীয়করণ ও আইন প্রয়োগের অভাবে নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে। এখনো এ দেশে দেখতে হয় রাজনৈতিক সংঘাতে বিপর্যস্ত অরাজনৈতিক মানুষের দুর্গতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রতিকারহীনতা, খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রণ, রাস্তায় মোটরসাইকেল ও বাস-ট্রকের ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে চালানো, পথচারীদের ওভারব্রিজ মাথার ওপর থাকার পরও গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাস্তা পার... বিস্তারিত
নজরুল ইসলামের শতোত্তর পঞ্চদশ জন্মদিনেগান বিষয়ে অধিক বাকবিস্তার করা আমার বিদ্যায় কুলাইবে না। তো দুই পাঁচজন জ্ঞানীর আলাপ যেমন শুনিয়াছি, তেমন বলিতে পারি। বাংলা গানের ইতিহাসেও নজরুলের জমিন চিরস্থায়ী হইয়াছে। শুদ্ধ সংখ্যায় নহে, বৈচিত্র্যেও নজরুল ইসলাম অতুল। বাণীর এই বাটিতেও আর কেহ নজরুলের সমান বড় কক্ষ লাভ করেন নাই।সলিমুল্লাহ খান কাজী নজরুল ইসলাম সেই বিরল মহাপুরুষদের মধ্যে যাহাদের মুখে 'আমি আসিলাম, দেখিলাম আর জয় করিলাম' কথাটি সত্য সত্যই মানায়। দত্তকুলের মাইকেল মধুসূদন যাহা লিখিয়াছিলেন, তাহা কাজীকুলোদ্ভব কবি নজরুল ইসলামের মধ্যেও মূর্তি ধরিয়াছে। সন্দেহ নাই, তিনিও নিরবধি হইয়াছেন। ছোটবড় কবিতার সঙ্গে সঙ্গে নজরুল ইসলাম গানও রচনা করিয়াছেন, তাহাতে নিজেই সুর করিয়াছেন। বাংলায় বিশেষ করিয়া গজলের চল করিয়াছেন নজরুল ইসলামই। নজরুলের গজল যেমন অপূর্ব তেমনি জনপ্রিয়। যেমন... বিস্তারিত
কলহমুক্ত স্বদেশ চাই চাই স্বপ্নের সোনাঝরা সকালনামসর্বস্ব গণতন্ত্রের এসব নেতিবাচক অভিজ্ঞতা জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশাকেই পুঞ্জীভূত করে তুলেছে। আর তারই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটেছে বিগত চারটি নির্বাচনে। যে দলকে মানুষ একবার বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছে, তাদের পাঁচ বছরের কর্মকা-ে বিরক্ত ও বিক্ষুব্ধ মানুষ পরবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটিয়ে দিয়েছে। ২০-২২ বছর ধরে এবাবেই এ দেশের মানুষ জোটবদ্ধ দুটি বড় দলকে পর্যায়ক্রমে ক্ষমতার আসনে বসিয়েছে এবং বিদায় জানিয়েছে।সরদার আবদুস সাত্তার নামসর্বস্ব গণতন্ত্রের এসব নেতিবাচক অভিজ্ঞতা জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশাকেই পুঞ্জীভূত করে তুলেছে। আর তারই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটেছে বিগত চারটি নির্বাচনে। যে দলকে মানুষ একবার বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছে, তাদের পাঁচ বছরের কর্মকা-ে বিরক্ত ও বিক্ষুব্ধ মানুষ পরবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটিয়ে দিয়েছে। ২০-২২ বছর ধরে এবাবেই এ দেশের মানুষ জোটবদ্ধ দুটি বড় দলকে পর্যায়ক্রমে ক্ষমতার আসনে বসিয়েছে এবং বিদায় জানিয়েছে।... বিস্তারিত
ইউজিনো বারবা ও তার তৃতীয় থিয়েটারকোনো কোনো সমালোচক ওডিন থিয়েটারকে পোলিশ ল্যাবরেটরি থিয়েটারের সন্তান বলে মনে করতেন। কিন্তু ওডিন থিয়েটারের অধীন কয়েকশত তৃতীয় থিয়েটার নাট্যদলগুলোর এক মডেল হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৭৬ সালে ইউজিনো বারবা বেলগ্রেডে তৃতীয় থিয়েটার নাট্যদলগুলোর এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আহ্বান করেন।ডক্টর মো. মুস্তাফিজুর রহমান ইতালির প্রখ্যাত লেখক ও নাট্যনির্দেশক ইউজিনো বারবা। তিনি ১৯৩৬ সালের ২৯ অক্টোবর ইতালির গ্যালিপোলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন সেনা অফিসার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে তার পিতা বলীকরণ হয়েছিলেন। স্মর্তব্য যে, তিনি ইতালিতে জন্মগ্রহণ করলেও ডেনমার্কে নাটকের কর্মকা- পরিচালনা করেছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঙফরহ ঞযবধঃৎব এবং ঞযব ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঝপযড়ড়ষ ড়ভ ঞযবধঃৎব অহঃযৎড়ঢ়ড়ষড়মু _এ দুটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রূপে তিনি সমধিক পরিচিত। বস্তুত ইউজিনো বারবা ওডিন থিয়েটারকে কেন্দ্র... বিস্তারিত
বাংলাদেশের চিত্রকলাসুররিয়ালিজম প্রকটভাবে ভর করেনি কখনো। কিউবিজম কেড়ে নেয়নি পুরোটা। এ জন্যই বাংলাদেশের চিত্রকলা আমাদের মতোন করে এগিয়েছে, স্বদেশীয় ঐতিহ্যকে ধারণ করে বহির্বিশ্বের দিকে এগিয়েছে। প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে মোহাম্মদ কিবরিয়া বাংলাদেশের চিত্রকলায় আধুনিকতার ইউরোপীয় হাওয়া বইয়েছেন। তিনি মূলত এক্সপ্রেশনিজমের ধারাবাহক। বিশাল স্পেসে আলোর খেলা খেলেছেন। জাপানি ওয়াশ টেকনিক প্রয়োগ করেছেন। কিবরিয়ার কর্মপ্রক্রিয়ার পরবর্তী অনেকেই এগিয়েছেন। আবার অনেকেই একে বলেছেন বাঙালি ঐতিহ্য থেকে পাশ ফেরানো।আমিনুর রহমান বাংলাদেশের চিত্রকলার ইতিহাস খুব পুরনো না হলেও এ শাখায় সমৃদ্ধ ফল মঞ্জুরিত হয়েছে। অনায়াসে হাতের কড়া গুনে বলে দেয়া যায় বেশ কিছু শিল্পীর নাম। এ শুধু নাম বলতে পারা নয়, প্রায় প্রত্যেকেরই রয়েছে একটি শিল্পাবয়ব। রয়েছে ভিন্ন অঙ্কনরীতি। এমনকি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রয়েছে পরিচিতি। বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রতিটি ধারায় যেখানে স্থবিরতা বিরাজ করছে, সেখানে চিত্রকলার কাঙ্ক্ষিত বিস্তার আমাদের তৃতীয় নয়ন উন্মোচনে ক্রিয়াশীল_ ভালো লাগার মতো কথা... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close