নিষেধাজ্ঞায় আলোচনার পরিবেশ ক্ষুণ্ন : মেননযাযাদি রিপোর্ট পুলিশ রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় আলোচনার পরিবেশ 'ক্ষুণ্ন' হয়েছে বলে মনে করেন ক্ষমতাসীন সরকারের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
রোববার রাজধানীর তোপখানা রোডে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে একটি বাধা। তার বিশ্বাস, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখতে সরকার ও পুলিশ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি ২৫ অক্টোবর ঢাকায় জনসভা করার ঘোষণা দেয়ার পর আওয়ামী লীগও মাঠে থাকার ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে রোববার সকাল থেকে রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে পুলিশ।
এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু রোববার সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে 'যৌক্তিকভাবেই' এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
এদিকে, শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টি প্রধান। তিনি বলেন, 'আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব সমঝোতার পথ প্রশস্ত করবে। তার এই প্রস্তাব ধরেই সমাধানের সূত্র বের করতে হবে।'
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি বিরোধী দলের কাছে প্রস্তাব করছি যে, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও আপনারা নাম দিতে পারেন যাদের আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে মন্ত্রিসভায় সদস্য করে সর্বদলীয় সরকার গঠন করতে পারি।'
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেবেন বলেও ওইদিন আশাপ্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
এ প্রসঙ্গে মেনন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে যা অস্পষ্টতা আছে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তা সুনির্দিষ্টভাবে স্পষ্ট করা যেতে পারে। এবং সেই লক্ষ্যে প্রধান বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করছি আমরা।'
নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও অর্থমন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে দিয়ে সব দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশে সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানেরও প্রস্তাব দেন তিনি।
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। ওই সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারই ক্ষমতায় থাকবে, বহাল থাকবে সংসদও।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানাতে ওয়ার্কার্স পার্টির এ সংবাদ সম্মেলনে দলের পলিটব্যুরো সদস্য বিমল বিশ্বাস, নুরুল হাসান, হাজেরা সুলতানা, কামরুল আহসান উপস্থিত ছিলেন।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close