রাজনীতি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসাঅধিকাংশ প্রার্থীই তথ্য গোপন করেছেনঅনেক প্রার্থী সম্পদের মূল্য উল্লেখ না করায় তাদের প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নিযাযাদি রিপোর্ট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অধিকাংশ প্রার্থীর হলফনামায় প্রকৃত তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে হলফনামার সঙ্গে প্রার্থীদের বাস্তব আয়-ব্যয় ও সম্পদের তথ্যাদি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে 'দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিত্বকারী প্রার্থীগণের তথ্য প্রকাশ' উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়।
... বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৮ প্রার্থীর আয় বেড়েছে ৫৮২%যাযাদি রিপোর্ট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ৪৮ প্রার্থীর আয় গড়ে ৫৮২ শতাংশ বেড়েছে। তাদের মধ্যে ডেপুটি স্পিকারের ৪৪৩৫ শতাংশ; সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপদের আয় বেড়েছে গড়ে ৩০৭১ শতাংশ। মন্ত্রীদের ২৪৩ শতাংশ ও প্রতিমন্ত্রীদের ৪৬৪ শতাংশ আয় বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আয় বেড়েছে ১৩৬ শতাংশ।
এ ৪৮ জন প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য দিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
সুজনের সম্পাদক... বিস্তারিত
বিপুল সম্পদের মালিক রুহুল আমিন হাওলাদারযাযাদি রিপোর্ট ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের নগদ টাকা ছিল ১৭ লাখ ৬৮ হাজারের কিছু বেশি। পাঁচ বছর পর এসে এখন তার নিজের নগদ টাকাই আছে ৬ কোটি ৬৬ লাখের বেশি। গতবার যেখানে কোনো শেয়ার বা বন্ড ছিল না, সেখানে এবার স্বামী-স্ত্রীর ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার, দুটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি, প্লটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদ বেড়েছে।... বিস্তারিত
ব্যাংক ও জাহাজ লাইসেন্সের সঙ্গে বেড়েছে সম্পদওযাযাদি রিপোর্ট সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর শেষ সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রিত্ব ছাড়াও পেয়েছেন ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় ও কনটেইনারবাহী জাহাজের লাইসেন্স। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার সম্পদও।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা অনুযায়ী, মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকারও বেশি। গত এক বছরেই নিট সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার। আর পাঁচ বছরে তার ও স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে বহুগুণ।... বিস্তারিত
তথ্য গোপন ফজলে করিম চৌধুরীরওযাযাদি রিপোর্ট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী সরকারদলীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী হলফনামায় গুলশানে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনটির কথা উল্লেখ করেননি। নকশা অনুমোদন হওয়ার প্রায় ৬ মাস আগেই তিনি ওই ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে নিকুঞ্জে পাওয়া তিন কাঠার প্লট বেআইনিভাবে ৫ কাঠা ৯ ছটাক ১০ বর্গফুট করান। এ জন্য ফজলে করিম চৌধুরী জমির দাম দিয়েছেন ৫৫ লাখ ৭৬... বিস্তারিত
মান্নানের হাতে আলাদিনের চেরাগযাযাদি রিপোর্ট আলাদিনের চেরাগ পেলেই কেবল এমনটি হওয়ার কথা। পাঁচ বছর আগেও যে ব্যক্তির সাকল্যে ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকার সম্পত্তি ছিল, খুব অল্প দিনের ব্যবধানে সেটা হয়েছে ১১ কোটি ৩ লাখ টাকা। আগে বার্ষিক আয় ছিল তার ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীর দ- হাতে পেয়েই সেই আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে বছরে ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকায়। পাঁচ বছরের মন্ত্রিত্বকালে তার সম্পত্তি ১০৭ গুণ বেড়েছে। এই সৌভাগ্যবান... বিস্তারিত
স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে ৭৮২ ভাগ, ছেলে হয়েছেন ব্যবসায়ীযাযাদি রিপোর্ট চিকিৎসক আ ফ ম রুহুল হক স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকার পাঁচ বছরে তার স্ত্রী ইলা হকের সম্পদ ৭৮২ শতাংশ বেড়েছে। বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন একমাত্র ছেলে জিয়াউল হক।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেয়া ২০০৮ সালের ও বর্তমান (২০১৩) হলফনামায় দেখা যায়, পাঁচ বছরের ব্যবধানে রুহুল হকের চেয়ে তার স্ত্রীই বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন। ছেলে চাকরি ছেড়ে ওষুধ ও আন্তর্জাতিক টেলিফোন কলের ব্যবসায় ঢুকেছেন।
রুহুল হক ব্যবসা... বিস্তারিত
চুন্নুর আয় বেড়েছে ৮ গুণযাযাদি রিপোর্ট কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুল হক চুন্নুর আয় বেড়েছে প্রায় আটগুণ। ২০০৮ সালের হলফনামা দেয়া তথ্যে তার কোনো আয়ের পরিমাণ উল্লেখ ছিল না। আয়ের উৎস হিসাবে শুধু একটি বাস ও সঞ্চয়পত্র থেকে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা বাৎসরিক আয় দেখানো হয়। ২০১৩ সালে তার বার্ষিক আয় বেড়ে দাঁড়ায় এক কোটি আট লাখ টাকা। তিনি ব্যবসা থেকে প্রতিবছর আয় করেছেন ৯৬... বিস্তারিত
জিয়াউদ্দিন বাবলুর ফার্মের আয়যাযাদি রিপোর্ট চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে নির্বাচন করছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। বাড়িভাড়া থেকে বছরে আয় করেন ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। ফার্মের বার্ষিক আয় ৮২ লাখ ৫০০ টাকা। নগদ অর্থ আছে ২৬ লাখ ১৬ হাজার টাকার বেশি, ব্যাংকে জমা ১০ লাখ, আছে ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার। দুটি ফ্ল্যাট ও ১১ কাঠার বেশি জমি রয়েছে তার। দেনা আছে ৩৯ লাখ টাকা।... বিস্তারিত
১৭ কোটি টাকার বন্ড-শেয়ার সালমারযাযাদি রিপোর্ট জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। তিনি বছরে বাড়িভাড়া পান ৩৫ লাখ টাকা। ব্যাংকে আছে ৪৫ লাখ টাকার বেশি। শেয়ার-বন্ডসহ ঋণপত্র কিনেছেন ১৭ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি। স্বামীর মিলিয়ে স্বর্ণ আছে ৪০ লাখ টাকার। অর্জনকালীন মূল্যে কৃষিজমি আছে প্রায় ৫ কোটি টাকার। ভবন মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি।... বিস্তারিত
ছিল ২০ একর, হয়েছে ২৮৬৫ একর জমিপটুয়াখালী (কলাপাড়া) সংবাদদাতা মাহবুবুর রহমান ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন মূলত জমিতে। মাত্র পাঁচ বছরে তার ব্যাংকে টাকা বেড়েছে ৫৮৬ গুণ, জমি বেড়েছে ১৪৩ গুণ এবং বার্ষিক আয় বেড়েছে ৭৯ গুণ।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর পাঁচ বছর আগে কৃষিজমি ছিল মাত্র ২০ একর। আর এখন সেই জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২ হাজার... বিস্তারিত
আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সম্পদযাযাদি রিপোর্ট চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। ২০০৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় দেয়া তথ্যে তার স্থাবর সম্পত্তি ছিল প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ২০১৩ সালে তার সেই সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। ২০০৮ সালে তার বাৎসরিক আয় ছিল ৩৩ লাখ ৮৬ হাজার... বিস্তারিত
রাজনীতি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসারওশনের ব্যাংকে জমা ২৬ কোটিযাযাদি রিপোর্ট জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের স্ত্রী ও দলের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম রওশন এরশাদ। তিনি ময়মনসিংহ-৪ আসন থেকে ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তারও সম্পদ বেড়েছে অবিশ্বাস্য হারে। ২০০৮ সালে তার ব্যাংকে রাখা টাকার পরিমাণ ছিল এক কোটি দুই লাখ টাকা। এবার তা বেড়ে হয়েছে ২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
পাঁচ বছর আগে শেয়ারবাজারে মাত্র ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ ছিল রওশন এরশাদের। ১০০... বিস্তারিত
সম্পদ বেড়েছে ১২২৮ শতাংশনারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ২০০৮ সালে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনে জাতীয় পার্টির সাংসদ নাসিম ওসমানের সম্পদের আর্থিক মূল্য ছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার টাকা। ২০১৩ সালে এসে ওই সম্পদ এক হাজার ২২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩ হাজার টাকা হয়েছে।
ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ নির্বাচিত হওয়া নাসিম ওসমানের বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের সঙ্গে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের বিশাল তফাৎ রয়েছে। সম্পদ বৃদ্ধির 'আলাদিনের প্রদীপের' ছোঁয়া থেকে বাদ যাননি... বিস্তারিত
অঢেল সম্পদ হানিফেরযাযাদি রিপোর্ট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং এ সরকারের প্রায় পুরো মেয়াদেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এ ভাগ্যবান গত পাঁচ বছরে প্রায় পাঁচ কোটি টাকায় ৭০ একর জমি কিনেছেন। তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনটি নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। গাজীপুরে কিনেছেন তিন একর জমি। হাতে আছে আরো প্রায় ৪৪ লাখ টাকা। স্ত্রী ও নিজের নামে শেয়ার কেনা আছে এক কোটি ২২ লাখ টাকার। এক কোটি... বিস্তারিত
পাঁচ বছরে বেড়েছে দ্বিগুণ সম্পদযাযাদি রিপোর্ট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের আটজন প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ সাবেক রেলপথমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের। তার সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৪১ লাখ তিন হাজার ৫৪৮ টাকার। গত পাঁচ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে দ্বিগুণ।
হলফনামা থেকে জানা গেছে, তার বার্ষিক আয় ২৮ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৭ টাকা। ২০০৮ সালে বার্ষিক আয় ছিল ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮৪ টাকা। ২০০৮ সালে তার স্থাবর... বিস্তারিত
পাহাড়ি নেতার সম্পদ এখন পাহাড়সমবান্দরবান প্রতিনিধি পাহাড়ের মানুষ বান্দরবানের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উ শৈ চিংয়ের সম্পদও এখন পাহাড়সম। আর এই সম্পদ গত পাঁচ বছরেই বেড়েছে বেশি।
পাঁচ বছরে ব্যাংকে আমানত প্রায় ১৮ গুণ ও তার স্ত্রী মেলুচিং মারমার এক হাজার গুণেরও বেশি বেড়েছে। বীর বাহাদুরের ২০০৮ সালে ব্যাংকে ছিল পৌনে আট লাখ টাকা, এখন সেটি হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। আর তার স্ত্রীর অর্থ সাড়ে ১৭... বিস্তারিত
নানকের এত টাকা!যাযাদি রিপোর্ট সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও তার স্ত্রীর সম্পদ ছিল এক কোটি টাকারও কম। এখন সেই সম্পত্তির পরিমাণ হয়েছে সোয়া আট কোটি টাকা। এর মধ্যে স্ত্রীর সম্পদ হচ্ছে পাঁচ কোটি টাকা। অথচ এর আগের হলফনামা অনুযায়ী, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর ছিল মাত্র ৫২ লাখ টাকা।
জাহাঙ্গীর কবির নানকের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে নগদ ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, ব্যাংকে... বিস্তারিত
পাঁচ বছরে বেড়েছে স্ত্রীর সম্পদরাঙামাটি প্রতিনিধি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদারের বার্ষিক আয় ৫৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। আয়ের উৎস ব্যবসা ও বাড়িভাড়া। ২০০৮ সালে এই আয় ছিল সাত লাখ টাকা।
প্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য দুই কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা, স্ত্রীর নামে নগদ ছয় লাখ ৭৩ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং... বিস্তারিত
পুঁজিবাজার ও সঞ্চয়পত্রেই ৫ কোটিযাযাদি রিপোর্ট আওয়ামী লীগের এই সাংসদ ও তার স্ত্রীর ২০০৮ সালে মোট সম্পদ ছিল এক কোটি ৯১ লাখ টাকার। আর এখন সেই সম্পদ বহুগুণ বেড়ে হয়েছে ১৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার।
তার বার্ষিক আয় কৃষিতে ৬৬ হাজার, মাছ থেকে ছয় লাখ ৩৭ হাজার, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে দুই লাখ ৯৫ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে পাঁচ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। ২০০৮ সালে তার আয়... বিস্তারিত
তাপসের টাকার পাহাড়যাযাদি রিপোর্ট সাংসদ ফজলে নূর তাপসের বার্ষিক আয় দুই কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। অথচ ২০০৮ সালে তার বার্ষিক আয় ছিল ২২ লাখ টাকা। পেশায় আইনজীবী ফজলে নূরের আয় হয়েছে এক কোটি ১৪ লাখ টাকা। অন্যান্য আয় এসেছে কৃষি খাত, পুঁজিবাজার ও অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে।
তাপসের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ছয় কোটি দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা, ব্যাংকে ছয় কোটি দুই লাখ ৩৯ হাজার,... বিস্তারিত
পাঁচ বছরে বেড়েছে আয় ৩৫১ গুণকক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের এ সংসদ সদস্যের গত পাঁচ বছরে আয় বেড়েছে ৩৫১ গুণ। আর নিট সম্পদ বেড়েছে ১৯ গুণের বেশি। এ সময়ে তিনি আয় করেছেন ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪০ টাকা। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ও টেকনাফে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করে এ টাকা অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন হলফনামায়। অথচ স্ত্রী-ভাইবোন ও নিজের কর্মচারীর কাছ থেকে আট লাখ টাকা ধার... বিস্তারিত
অঢেল টাকার সম্পদ ইলিয়াস মোল্লাহ্রযাযাদি রিপোর্ট পাঁচ বছর আগে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। পাঁচ বছরে তা বেড়ে হয়েছে সাত কোটি ৮৮ লাখ ৭১ হাজার ৯৩৩ টাকা। আগে কোনো গাড়ি না থাকলেও এখন তিনি দুটি গাড়ির মালিক। হলফনামায় গাড়ি দুটির নিবন্ধন নাম্বার দেয়া হলেও মূল্য লেখা হয়নি।
সরকারদলীয় সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্ পাঁচ বছর আগে কৃষি থেকে ২১ লাখ টাকা আয় করলেও এখন... বিস্তারিত
ব্যতিক্রম মুহিত, মতিয়া সৈয়দ আশরাফ, নাহিদযাযাদি রিপোর্ট

সরকারের গত পাঁচ বছরে অনেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বেড়েছে অবিশ্বাস্য হারে। তাদের পক্ষে বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, 'ক্ষমতায় থাকলে সম্পদ বাড়া স্বাভাবিক'। এ তত্ত্বে বিশ্বাসী হয়েও ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের সম্পদ বাড়ানোর সুযোগ নেননি অর্থমন্ত্রী। মন্ত্রী হওয়ার পর উল্টো তার বার্ষিক আয় কমেছে। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও তার... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin