মানুষে বিশ্বাস রাখুন গণতন্ত্রের জয় অনিবার্যগণতান্ত্রিক রাজনীতির দৃষ্টিভঙ্গিতে যদি গণতন্ত্রকে দেখতে হয় তাহলে জনগণকে সব কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক জোটের কাছে এ কথা নির্ভয়ে বলতে পারি যে, আপনারা গণতন্ত্রচর্চা যদি সত্যিই করতে চান, তাহলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে মিলে একবার অন্তত মতবিনিময় করুন না। দেখুন না, নানান মুনি কী নানা মত দেন।কামাল লোহানী গণতন্ত্রের ভিন্নমত নয়, সত্যিকার গণতন্ত্র কি আমার ধারণায়_ সেটাই লিখব। হয়তো আমার ধারণার সাথে অনেকেরই ভাবনা মিলে যাবে। সেই গণতন্ত্রই যথার্থ যা কিনা, জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা এবং জনগণ থেকে উৎসারিত। তাকেই যথার্থ বলা হয়েও থাকে। মহান মনীষীরা যে চিন্তাচেতনা থেকে গণতন্ত্রকে ব্যাখ্যা করেছেন, প্রয়োগ করতেন এবং গণতন্ত্র শব্দটাকে সম্মান করতেন, আজ কি তেমন 'গণতন্ত্র' দেশে তো নয়ই কোথাও কি আছে? গণতন্ত্রের সংজ্ঞা আজকাল নির্ধারিত... বিস্তারিত
জাতীয় অগ্রগতির জন্য চাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি বিশ্বস্ত বিরোধী দলবাংলাদেশে যারাই বিরোধী দলের অধিকার দাবি করবে তাদের উপরোক্ত বাধ্যবাধকতা মানতে হবে। সরকারি দলকেও অনুরূপ বিরোধী দলের চলার পথ মসৃণ করে দিতে হবে সর্বপ্রথমে। এটাই গণতন্ত্রের দাবি। আর এ নিরিখেই বিএনপিকে বিচার করতে হবে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাদের বর্তমান সখ্যের প্রশ্নটি।অজয় রায় সমস্যাটি শুধু আমাদের দেশের নয়। সদ্য স্বাধীন অনেক দেশের ক্ষেত্রেই একই সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের কারণে একদিকে যেমন পশ্চাৎপদতা এসব দেশের অন্যতম সাধারণ বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়, তেমন তারই অনুষঙ্গ হিসেবে এসব দেশের বেশির ভাগ মানুষের জীবনে ব্যাপক দারিদ্র্য, তথা শিক্ষা, স্বাস্থ্যের অভাবের জন্য পশ্চাৎপদতা তথা অনগ্রসর জীবনের সাধারণ লক্ষণগুলো চেপে বসে। ঔপনিবেশিক আমলেও অবশ্য শাসকদের প্রয়োজনে তথা অন্য ঘটনাবলির ঘাত-প্রতিঘাতে ঔপনিবেশিক শাসকরা তাদের... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক সংস্কার অপরিহার্য হয়ে পড়েছেজাতি হিসেবে আমাদের অবশ্যই সেই মূলনীতিতে ফিরে যেতে হবে, যে নীতির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা একাত্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছিলাম এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। তা হচ্ছে নির্ভেজাল গণতন্ত্র। সেখানে জনগণ মুখ্য হবে এবং শাসকগোষ্ঠী জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে। কিন্তু ৪৫ বছর ধরে আমরা যা দেখে আসছি তা হচ্ছে এর উল্টো...ব্রি. জে. (অব.) শামসুদ্দীন আহমেদ দেশের অবস্থা দেখলে দুঃখ হয়। ৪৫ বছর হয়েছে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। কত হাজার হাজার কোটি ডলার সাহায্য পেয়েছি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে পুনর্গঠন করার জন্য। তা ছাড়া ছোট্ট একটি দেশ যেখানে এক ভাষাভাষী ও সমজাতিক লোকজন বসবাস করে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য খুবই সহায়ক। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আজো আমাদের এ দেশ পৃথিবীর সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৬ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি... বিস্তারিত
সংসদীয় গণতন্ত্র ও সংস্কৃতিগণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হচ্ছে উদারনৈতিক ও সহনশীল দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া। আর এটা ছড়িয়ে দেবে রাজনৈতিক নেতৃত্বই। আমাদের দেশের দিকে অথবা জাতীয় সংসদের দিকে তাকালে সে সত্য কি প্রতিষ্ঠিত হয়। যদি না হয় তবে সংসদ কিভাবে পূর্ণাঙ্গতা পাবে। আমরা এ সংস্কৃতির অবসান চাই। দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে এর কোনো বিকল্প নেই।হেদায়েতুল ইসলাম সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা দরকার_ এ বোধ সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে নেই এ কথা বলা যাবে না। কেবল বোধ থাকলেই তো হবে না, সদিচ্ছাও থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার মধ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া, এর বিকাশ ও চর্চাকে দেশ ও জনগণের কল্যাণের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে যাওয়ার যে তাগিদ বোধ, এটা মনে হয় আমাদের সংসদ সদস্যদের... বিস্তারিত
গণতন্ত্রের হালচালগণতন্ত্রের পার্লামেন্টারি ফর্ম, প্রেসিডেন্সিয়াল ফর্ম, ইউনিটারি ফর্ম, ফেডারেল ফর্ম ইত্যাদির কথা বলা হয়। পুঁজিবাদী গণতন্ত্র, বুর্জোয়া গণতন্ত্র, উদার গণতন্ত্র, প্রগতিশীল গণতন্ত্র, প্রলেতারিয়ান গণতন্ত্র, জনগণতন্ত্র, নয়াগণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র অভিমুখী গণতন্ত্র, বুর্জোয়া একনায়কতন্ত্রের বদলে প্রলেতারিয়ান একনায়কতন্ত্র, সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র ইত্যাদি নানা কথা বাতাসে ভাসে। বাংলাদেশে অধিকাংশই ইউরো-আমেরিকান দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কথা বলে। পরনির্ভর এসব মুখের কথা অগণতান্ত্রিক। আসলে গণতন্ত্র বিরোধী দল দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র হবে? পরিবারতন্ত্র দিয়ে গণতন্ত্র হয়? চাই নতুন চিন্তা, নতুন কর্মোদ্যোগ নতুন রেনেসাঁস ও গণজাগরণ নতুন নেতৃত্ব।আবুল কাসেম ফজলুল হক ভোটাভুটিতে মানুষের আগ্রহ থাকলেও গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের আগ্রহের পরিচয় পাওয়া যায় না। ফলে ভোটাভুটিতে জিতে সরকারি দল ও প্রধান বিরোধী দল গণতন্ত্রের নামে অধিকাংশ সময় এমন সব কাজকর্ম করে যেগুলো সম্পূর্ণ গণতন্ত্রবিরোধী। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, জাতীয় সংসদকে তারা অর্থহীন করে চলছে। ভোটাভুটি গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত হলেও, একমাত্র ভোটাভুটিই গণতন্ত্র নয়। ভোটাভুটির পর জাতীয় সংসদ যেসব কাজকর্ম করে সেগুলো গণতান্ত্রিক যেমন হতে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও ভিন্নমতগণতন্ত্রে ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি। সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতের প্রতি প্রাধান্য দেয়া জরুরি। তবে সে মতামত যদি হয় সত্য ন্যায় স্বাধীনতার বিপক্ষে, মৌলবাদ আর প্রতিক্রিয়াশীলতার পক্ষে সেটা কিন্তু মেনে নেয়া মোটেই জরুরি নয়। কারণ পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় কথা, সত্য সুন্দর আর ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা।আফরোজা পারভীন আজকাল কথাটা জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। শুধু দেশের মানুষ না, বিদেশিরাও বলছেন। এইতো কিছুদিন আগে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে একটি অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস বস্নুম বার্নিকাট বলেছেন, 'ভিন্নমত প্রকাশ এবং বিরোধিদের অধিকার চর্চার পর্যাপ্ত ও নিরাপদ সুযোগ এবং রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমেই গণতন্ত্র পুরোপুরি বিকশিত হতে পারে।'
অন্যদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত টমাস প্রিজন বলেছেন, 'গণতন্ত্রে ভিন্নমত সহ্য করাই গুরুত্বপূর্ণ।'
বিদেশিরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে ভিন্নমতমোসাক ফনসেকার 'পানামা পেপারস' বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে হোমরা-চোমরাদের বিশাল কর ফাঁকির গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়ায় গণতন্ত্রে মতভিন্নতার গর্বের যে স্থানটি ছিল 'আমি কর ফাঁকি দিইনি' সর্বত্র এ ধ্বনি সমস্বরে ওঠায় তা বিলীন হয়ে গেছে। ভিন্নমত না থাকলে যে গণতন্ত্র থাকবে না তা তো নয়; কোনো কোনো প্রশ্নে সবাইকে তো একমত হতেই হয়, নইলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আসত কী করে? কিন্তু মতভিন্নতা প্রকাশ এখন এ দেশে সবচেয়ে বড় হুমকি। জানের মায়া ত্যাগ করা ছাড়া ভিন্নমত প্রকাশ ও ললিতকলা চর্চা আর সম্ভব নয়।আবদুল মতিন খান সাধারণভাবে গণ অর্থ হলো সমষ্টি আর তন্ত্র অর্থ হলো শাসনপদ্ধতি। সমষ্টির শাসনের ধারণা অতিপ্রাচীন হলেও জনগণের শাসন বলতে যা বোঝায় অর্থাৎ কার্যকর জনশাসন তার সূত্রপাত মাত্র শ'কয়েক বছরের। তার আগে শাসন হতো এক ব্যক্তির। এই ব্যক্তি বা শাসক তার শাসনের সুবিধার্থে সঙ্গে রাখতেন কতিপয় বিচক্ষণ ব্যক্তি যাদের বলা হতো পারিষদ। পারিষদপ্রধানকে বলা হতো মন্ত্রী। রাজা, মন্ত্রী ও পারিষদগণ রাজ্য পরিচালনা করতেন। রাজত্ব রক্ষা করতে অথবা... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবেইবিরোধী দলহীন রাজনীতি সংকটকে ভয়াবহ করে তুলেছে। অন্যদিকে শুরু হয়েছে সামাজিক অস্থিরতা। সেই সঙ্গে সর্বত্র নিরাপত্তাহীনতা ও মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকট। এই অবস্থায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভিন্নমত শুনতে হবে। ভিন্নমত কী তা জানতে ও বুঝতে হবে। মানুষ কী চায় তা জানতে হবে। জানতে হবে ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতিরা কী চায়, কী তাদের বক্তব্য। তা না শুনে বর্তমান অর্থবছরের বাজেটের মতো এক তরফা বাজেট দিয়ে আর যাই হোক গণতন্ত্র রক্ষা করা যাবে। শুধু তাই নয়, গণতন্ত্রের মৃত্যুকেও প্রতিরোধ করা যাবে না।মাহবুব আলম গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবেই। এবং এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সর্বশেষ ব্রিটেনের গণভোট। ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা না থাকা নিয়ে অনুষ্ঠিত এ গণভোটে ব্রিটেনের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে রায় দিয়েছে। ওই রায়ের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিট ক্যামেরন ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর ব্রিটেনের বিরোধী দলেও নেতৃত্বের পরিবর্তন হচ্ছে। এটাই গণতন্ত্রের বিউটি। এর আগে স্কটল্যান্ডে গণভোট হয়।... বিস্তারিত
রাজনীতি ও গণতন্ত্রমুজাহিদুল ইসলাম সেলিম দেশের রাজনীতির খবর জানতে চাওয়ায় একবার জবাবে বলেছিলাম, রাজনীতিতে এখন 'পলিটিক্স' ঢুকে গেছে। সাধারণভাবে অর্থহীন মনে হলেও এর মধ্যদিয়ে দেশের চলতি রাজনীতির এক তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। এ কথা ঠিক যে, রাজনীতি শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'পলিটিক্স'। কিন্তু প্রচলিত ব্যবহারে এ দুটি শব্দ দুই রকম ধারণা বহন করে। রাজনীতি কি রাজার নীতি, নাকি নীতির রাজা_ এ নিয়ে মাথা ঘামানোটাই এ উপমহাদেশে চল ছিল। রাজনীতি একটা... বিস্তারিত
বহুদল, ভিন্নমতের শাসনই গণতন্ত্রবাঙালি জন্মগতভাবে স্বাধীন ছিল না। এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যদিয়ে জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। আমাদের চেতনা বায়ান্ন থেকে একাত্তর। যে চেতনার ওপর দাঁড়িয়ে আছে স্বাধীন বাংলাদেশ। সেখানে হঠাৎ করে কোনো মতবাদ বা আদর্শ জোর করে চাপিয়ে দেয়া যায় না। যে সমস্ত তরুণ প্রজন্ম জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত, যারা বিপথগামী আমাদের প্রত্যাশা তারা সে ভয়ঙ্কর পথ থেকে ফিরে আসুক এবং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাক। কারণ অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা আমাদের সামনে চলার পথ। এ পথ রুদ্ধ হতে পারে না। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন দল-মত উপদল, মতপার্থক্য থাকবে।মোহাম্মদ নজাবত আলী আমরা যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাস করছি সে গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল প্রাচীন গ্রিসে। তারপর সময়ের পরিক্রমায় কালের ব্যবধানে গণতন্ত্র অনেক পরিপূর্ণতা পায় এবং বর্তমানে গণতন্ত্র বিশ্বের সর্বজনীন শাসনব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের যেমন সুযোগ রয়েছে তেমনি গণতন্ত্র ভিন্নমত, বহু দল-মতের শাসন।
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, শুধু গণতান্ত্রিক নয় অনেকে বলেন উদার। বিশেষ করে এদেশের রাজনীতিবিদরা বাংলাদেশকে একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলে... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে সংঘাত-সংঘর্ষ চলতে পারে নাবিরোধী দল বলে দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তারা তাতে অংশ নেবে না। উভয়পক্ষের এহেন অনমনীয়তার ফলে দেশব্যাপী সংঘাত সংঘর্ষের রাজনীতি চলে দীর্ঘদিন। সরকার সব কিছুকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে আবার ক্ষমতায় আসে। প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে। এদিকে বিনা ভোটে ১৫৩ আসন জিতে নেয় সরকারি দল। সংসদে এরশাদের জাতীয় পার্টিকে নামকাওয়াস্তে বিরোধী দল বানায়। এরশাদ যেমন বানিয়েছিল আসম রবকে।রণেশ মৈত্র আমরা দীর্ঘকাল থেকে দেখে আসছি সংঘাত-সংঘর্ষের রাজনীতি। সামরিক শাসক-নিপীড়কদের রাজত্বকালে হয়তো বা এমন রাজনীতি আদৌ অস্বাভাবিক নয়। কারণ জনগণের কাছে ওই সামরিক শাসকদের আদৌ কোনো জবাবদিহিতা থাকে না_ ছিলও না। পাকিস্তান আমল থেকে হিসাব করলে সেই ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল অর্থাৎ ১৩ বছর একটানা আবার স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ১৫ বছর একইভাবে আমাদের সামরিক শাসনে, গণতন্ত্রহীনতায় পিষ্ট হতে হয়েছে। অর্থাৎ... বিস্তারিত
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরোধী দলএক্ষেত্রে সংসদের বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির আরো 'প্রো-অ্যাকটিভ' এবং 'রি-অ্যাকটিভ' ভূমিকা পালন করা দরকার। সংশ্লিষ্ট সবাই ভেবে দেখবেন দেশের সচেতন জনগণ সেই আশাই করে। যে পরিস্থিতিই বিরোধী দলের থাকুক না কেন হান্টিংটনের যুক্তি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় 'কর্তৃত্ব' প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আর সেক্ষেত্রে বিরোধী দলেরও সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।অরুণ কুমার গোস্বামী প্রস্তাবনা : বিরোধী দলের কাজ হচ্ছে মূলত সরকারের লাগাম টেনে ধরা বা সরকারি কর্তৃত্বকে সীমিত করা। যেসব সমাজে রাজনৈতিক উন্নয়ন সংগঠিত হয়েছে অর্থাৎ যেসব সমাজে সরকারি কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কর্তৃত্ব যথারীতি পুরোপুরিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেসব গণতান্ত্রিক দেশ বা সমাজের জন্য সরকারি কর্তৃত্ব সীমিত করার সস্নোগান প্রযোজ্য। কিন্তু যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বা সমাজে 'কর্তৃত্ব' বা 'অথরিটি'র ক্রিয়াশীলতা বা কার্যকারিতা বিভিন্ন পক্ষ থেকে হরহামেশাই অমান্য করা হয়ে... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে ভিন্ন মত ও আমরাগণতন্ত্র শুধু মুখের কোনো বুলি নয়, গণতন্ত্র শুধু প্রচারের কোনো বস্তু নয়, গণতন্ত্র একটা আদর্শিক চেতনা, মানবিক মূলবোধ, সম-অধিকারের বাস্তব আদর্শবোধ। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দলীয়ভাবে এলেও তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি_ সারা দেশের মানুষের রাষ্ট্রপ্রধান। বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারও পরিচিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার_ সেখানে দল প্রধান নয়, দেশ প্রধান, জাতি প্রধান।আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ মানবিক সভ্যতার ক্রমাগ্রসরণের মধ্যদিয়ে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান গঠন করেছে জীবনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে। বিভিন্ন সময়ে যুগের পরিবর্তন কালে অনেক পুরনো বিধানের মধ্যে গতিশীলতা সঞ্চারে নতুন বিধান রচিত হলেও সেগুলোর লক্ষ্য ছিল এক মাত্রিকতা : সমাজে মানুষের অধিকার আরো বিস্তৃত করা।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস বর্ণনা এখানে প্রধান লক্ষ্য নয়, কারণ তার জন্য সময়ের প্রয়োজন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে একটি দিক... বিস্তারিত
বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রএসবের প্রভাব আওয়ামী লীগের ওপর যদি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রতিফলিত হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এই দলের বর্তমান সমস্যা হলো একদিকে সংগঠনের উপরে পূর্বোক্ত শ্রেণিসমূহের প্রভাবে অপরদিকে এই সংগঠনের অতীত ঐতিহ্য যা দলের মধ্যে পূর্বোক্ত শ্রেণিসমূহের প্রভাবের সঙ্গে ঠিক সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ফলে তাদের বর্তমান ভূমিকায় প্রায় সব প্রশ্নে টানাপড়েন পরিলক্ষিত হয়। এখানে সমস্যা হলো গণতান্ত্রিক ধারায় অপর জাতীয়তাবাদী শক্তির অভাব। এই অভাব দূর করতে না পারলে দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হবে কিভাবে?ড. বিপুল রায় স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২৫ মার্চ-১৯৭১-এর কালরাত্রির সূচনা থেকেই। সেদিন মুষ্টিমেয় বিশ্বাসঘাতক ছাড়া নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব মানুষ সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ব্যাপারটা অবশ্য সহজ হয়নি। সেদিনের সংগ্রাম যে বাংলাদেশের বাংলাভাষীসহ সব বাংলাদেশি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এই বিষয়টি বিশ্ববাসী তথা জাতিসংঘের কাছে গ্রাহ্য করে তোলার পথে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। বাংলাদেশের ওপর পাকিস্তানি শাসকদের চাপিয়ে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র এখন কোন পথেএকটা কথা বলে শেষ করি_ আমি স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ। বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন আমার বয়স বিশ বছর। আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন লেখালেখির জীবন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল একই সঙ্গে। শেখ মুজিব হত্যা থেকে শুরু করে অসংখ্য হত্যাকা- এবং দখলতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রসহ বহু ধরনের রাজনৈতিক উত্থান-পতনের মুখোমুখি হয়েছি এবং বেদনার্ত ও ব্যথিত হয়েছি বার বার। দেশ, রাষ্ট্র, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কারো কাছে কোনোকালেও আমার কোনো প্রত্যাশা ছিল না_ এখনো নেই।মোস্তফা মীর রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনালগ্ন থেকে বিভিন্ন সময় রাজতন্ত্র সামন্ততন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্রসহ একাধিক ব্যবস্থা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়ার পর শেষাবধি গণতন্ত্র মানুষের জন্য একমাত্র কল্যাণকর সমাজব্যবস্থা বিবেচিত হওয়ায় বর্তমান বিশ্বের প্রায় সর্বত্র এখন গণতন্ত্রের জয়জয়কার এবং এ ব্যবস্থায় মানুষ নিজেদের কমবেশি সুখী মনে করে। কারণ এ ব্যবস্থায় দেশের প্রতিটি নাগরিকের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। অর্থাৎ দেশের নাগরিকরা তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের কথা জানাতে পারবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার ও সরকারি দলের ভূমিকাআমরা মনি করি না এ কাজগুলো খুব কঠিন। সাহসী নেতৃত্ব ও আদর্শ এর জন্য প্রয়োজন। ভাবতে হবে কোনটা আমাদের সর্বাধিক প্রয়োজন। খাদ্য, না অবকাঠামো। বস্ত্র না দেড় কোটি দামের গাড়ি ক্রয়। শিক্ষা না হোটেল নির্মাণ। অর্থাৎ আমরা যদি সচেতন থাকি, আমরা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, সেবা নিয়ে তাহলে আমাদের দুর্নীতিপরায়ন হওয়ার সুযোগ কোথায়? টেন্ডারবাজি করার সময় কোথায়? আসলে শাসকদের হতে হবে বিবেচক। আয়নায় মুখ দেখতে হবে এবং পত্রপত্রিকা ও বিরোধী দল যেসব সৎ সমালোচনা করছে, যথার্থ সমালোচনা করছে তার মূল্য দিতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন।ড. হাসনাত করিম রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনায় গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র নামের দুটি ধারা প্রবাহিত। দেশ, দশ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সমাজতন্ত্র অধিকতর উপযোগী, গণতন্ত্র থেকে; যদিও বিশ্বে গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের ভেকধারী সরকারের আধিক্য। এর বহুবিধ কারণ আছে, তা এখানে আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। কেবল সংক্ষেপে বলা যায়, দুটি ধারায় সমাজতন্ত্র পিছিয়ে তার মহত্তম আদর্শ ও উৎকর্ষের জন্য। ত্যাগ, তিতিক্ষা, সাধনা এ ক্ষেত্রে অধিকতর প্রয়োজন নেতাকর্মী ও ক্যাডারদের মধ্যে।
... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে ভিন্নমত ও দায়বদ্ধতামহাত্মা গান্ধী, নেলসন ম্যান্ডেলা, মওলনা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, মাহাথির মোহাম্মদ জনগণের জন্য রাজনীতি করেছেন। তারা ভিন্নমত ও পথের প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করে কারাবরণ করা, ব্যক্তিজীবন ও পরিবারের জীবনকে উপেক্ষা করে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে মনোযোগী হওয়ার মাধ্যমে তারা গণতন্ত্রের পথযাত্রাকে বিকশিত করেছেন, গণমনে বেঁচে আছেন। গণতন্ত্রে ভিন্নমতের প্রতি দায়বদ্ধতা যেমন আছে তেমন জনগণের প্রতি দায়বদ্ধদের উপযোগী ভিন্নমত প্রকাশের অনিবার্য গুরুত্বও আছে। গণতন্ত্র ও ভিন্নমতের নামে মিথ্যাচার, জবরদস্তি, গণবিরোধী কাজ কিংবা গণদ্রোহ সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেয়া যায় না।রতনতনু ঘোষ গণতন্ত্রের বিশ্বজনীন জ্ঞাতব্য বিষয় হলো দায়বদ্ধতা, মতপ্রকাশ, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহিষ্ণুতা। মতের প্রতি একমত ও ভিন্নমত থাকতেই পারে। রূপান্তরশীল সমাজে সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণে ভিন্নমত বিবেচনার যথেষ্ট আবেদন রয়েছে। যারা উৎকর্ষম-িত চিন্তার অনুশীলন কামনা করেন, যারা সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের প্রাগ্রসর বিকাশ ও বিশাল সম্ভাবনার উন্মোচন করতে চান তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ভিন্নমতের প্রতি সদ্বিবেচনা সক্রিয় করেন। নইলে সমাজে অচলায়তন সৃষ্টি হয় এবং প্রথাগত ব্যবস্থাগুলো সংকট... বিস্তারিত
গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎসিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কত যুগ চলে গেল আমরা প্রকৃত গণতন্ত্র চাচ্ছি; কিন্তু পাচ্ছি না। ব্রিটিশ আমলে পাওয়ার কথা ছিল না। পরাধীন দেশে গণতন্ত্র থাকে না। ইংরেজ তার নিজের দেশে এক ধরনের গণতন্ত্র উপভোগ করত, সেটা তাদের নিজেদের ব্যাপার; কলোনিতে এসে আমলাতান্ত্রিক শাসন কায়েম করেছিল। তারপর ১৯৪৭-এ স্বাধীন হলাম আমরা, কিন্তু গণতন্ত্র পেলাম না। ১৯৭১-এ আবারো স্বাধীন হয়ে গেল, কিন্তু কই গণতন্ত্র তো পাওয়া গেল না। ইংরেজরা স্বাধীন ছিল,... বিস্তারিত
রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রএমাজউদ্দীন আহমদ দেশে পারস্পরিক সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে এক ধরনের দুর্ভিক্ষ। সমাজে সব আছে, নেই শুধু সুসম্পর্কের সবুজ আচ্ছাদন। অসহিষ্ণুতার উত্তাপে চারদিক খাঁখাঁ করছে। বাক্যবিনিময়ে নেই কোমলতার কোনো চিহ্ন। কথোপকথনে গালাগালের প্রাবল্য পীড়াদায়ক হয়ে উঠেছে। সমাজে সব সময় কিছু ব্যক্তি থাকে যাদের কথাবার্তা দুর্গন্ধময়। সব কথায় তাদের ঝগড়ার গন্ধ। তারা এতদিন ছিল ব্যতিক্রম। এখন তারাই সমাজের স্বাভাবিক মানুষ। বাংলাদেশে এই রূপান্তর অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ দেশের মানুষ কিন্তু... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও দলীয় রাজনীতিহতাশা কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না বরং পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটায়। আজকে যে বিবেকবর্জিত ও যুক্তিহীন সমাজব্যবস্থায় আমরা বাস করছি নিশ্চয়ই তার পরিবর্তন ঘটবে এবং ভালোর দিকে পরিবর্তন ঘটাতে চাইলে শুধু রাজনৈতিক দলগুলো তা করতে পারবে না। সব সম্প্রদায়ের সৎ ও বিবেকবান মানুষের একক এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন যে কোনো পরিবর্তনের জন্য।সৈয়দ আবুল মকসুদ আচার্য্য বিনোবা ভাবের রাজনৈতিক দর্শন এবং তার কর্মপদ্ধতির প্রতি পুরোপুরি সমর্থন না থাকলেও মহত্ত্বে কারো কিছুমাত্র সংশয় থাকার কথা নয়। উপমহাদেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান অতি উঁচুতে। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা-সংগ্রাম যখন তুঙ্গে সেই সময় এ অবিচল গান্ধীবাদী এবং গান্ধীর স্নেহধন্য বিনোবা ভাবে সত্যাগ্রহে অংশ নেয়ার কারণে কারারুদ্ধ হন। জেলে গিয়ে একান্তে নানা শ্রেণির রাজনৈতিক নেতাকর্মীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠভাবে মেশার সুযোগ হয়। তিনি লক্ষ্য করেন শুধু তার দল... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক শাসন ও রাজনৈতিক আনুগত্যআমাদের দেশে সুশাসন নেই, গণতান্ত্রিক শাসনও কার্যকর হচ্ছে না। মানুষের সাধ্যের বাইরে সমস্যার সমাধানও নেই। অতএব আমরা সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক শাসন কার্যকর করতে পারব না, তাও হতে পারে না। দরকার সুষ্ঠু ও সুগঠিত রাজনৈতিক দলের বিকাশ ঘটানো। দরকার দলীয়পর্যায়ে যথার্থ আনুগত্যের বিকাশ ঘটানো। রাষ্ট্রের সব বিধিবিধান ও রাষ্ট্রের প্রতি নিরঙ্কুশ আনুগত্যের বিকাশ ঘটানো। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণই রাষ্ট্র পরিচালনায় নিয়োজিত।এমজি মহিউদ্দীন আহম্মদ সুশৃঙ্খল গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য আনুগত্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সুবিন্যস্ত আনুগত্যের চর্চা ছাড়া কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক সুশাসন আশা করা যায় না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় তিন ধরনের নিয়ন্ত্রণ কার্যকর থাকে। প্রথমত, রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ, দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ এবং তৃতীয়ত, জনগণের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ। এ ত্রিধারার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই রাষ্ট্রব্যবস্থায় শৃঙ্খলা কার্যকর হয়ে থাকে। এ নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করতে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আনুগত্যের চর্চা অপরিহার্য। রাজনৈতিক দলের মধ্যে শৃঙ্খলার... বিস্তারিত
সুশাসনই উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচআইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান, এখানে ছাড় দেয়া কিংবা বিরাগবশত চরম পদক্ষেপ নেয়া- দুটোরই কোনো সুযোগ নেই। যে যতখানি অন্যায় করবে তার সাজা আইনসম্মতভাবে ততটুকুই নির্ধারিত। সব অপরাধীকেই আইনের আওতায় নিয়ে আসা রাষ্ট্রের কর্তব্য।হেলেনা জাহাঙ্গীর গণতন্ত্র অর্থবহ করতে হলে তার সুফল পেঁৗছে দিতে হবে সাধারণ মানুষের কাছে। নিশ্চিত করতে হবে টেকসই উন্নয়ন। একটি দেশ যখন লক্ষ্য স্থির করে, তখন তার সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও আসে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন সক্ষমতা। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ এখন নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ। দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত হতে চায় বাংলাদেশ। ২০৩০... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কবর্তমান সরকারকে এখন কয়েকটি ক্ষেত্রে লড়াই করতে হচ্ছে। এক. জঙ্গিবাদ নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি নির্মূল করে জনজীবনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা, দুই. অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য কিছু সচ্ছলতা আনার সুযোগ সৃষ্টি করে সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, তিন. গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পার্লামেন্ট, নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অর্থপূর্ণ করে তোলা, চার. শিক্ষাকে গণতান্ত্রিক, মানবিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিমুখী করা ।শামসুজ্জামান খান সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত_ এ বিষয়টি নিয়ে ভেবেছি। তবে এ ভাবনার জন্য ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে খুব একটা স্বস্তিবোধ করিনি। যদিও জানি, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ার তৎকালীন গ্রিক শাসকদের উদ্যোগে সংস্কৃতি চর্চার এক মহাআনন্দযজ্ঞ শুরু হয়েছিল এবং তার ফলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বের প্রথম জাদুঘর একাডেমি ও বিশ্ববিদ্যালয়। তখনো বিদ্যার এত ভাগ-বিভাগ হয়নি। তাই গ্রিক রাজারা তাদের অধিকৃত অঞ্চল মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ায় গড়ে তুলেছিলেন... বিস্তারিত
গণতন্ত্র, ভিন্নমত ও রাষ্ট্রযারা নির্বাচন বর্জন করে, সংসদ বর্জন করে, যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন করে, খুনি-জঙ্গিদের নিন্দা না করে সরকারের সমালোচনা করে, জামায়াতের মতো একটি ফ্যাসিবাদী দলকে ঘাড়ে বহন করে চলেছে, তারা ভিন্নমতের স্পেস কতটুকু দেবে, তা দেখার আগ্রহ রইল। জয় বাংলা।মাহমুদুল বাসার ভিন্নমত ছাড়া যেমন গণতন্ত্র হয় না তেমন গণতন্ত্র শুধুই ভিন্নমতনির্ভর নয়। ভিন্নমতকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশের স্পেস থাকতে হবে। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোয় ভিন্নমতের কোনো মূল্য ছিল না বলে মাত্র এক শতাব্দীরও কম সময়ের মধ্যে সেসব রাষ্ট্র চাচের মতো ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। 'রাশিয়ার চিঠি'তে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, 'এর মধ্যে যে গলদ কিছুই নেই, তা বলিনে_ গুরুতর গলদ আছে। সেজন্য একদিন এদের বিপদ ঘটবে।... ছাঁচে ঢালা মনুষ্যত্ব... বিস্তারিত
রাজনৈতিক আন্দোলন ও গণতন্ত্রবিএনপির পক্ষ থেকে প্রচার করা হচ্ছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নয়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে ক্ষমতায় টিকে আছে। তাই এই সরকার গ্রহণযোগ্য নয়। আমি সবার কাছে একটি প্রশ্ন করতে চাই_ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেই তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না কেন? সম্প্রতি দলীয় কাউন্সিলে বিএনপি নেত্রী ও তারেক রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাই বলে কি দলের অন্যান্য নেতাকর্মীর কাছে তারা অগ্রহণীয়? তারা যদি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হন, তাহলে আওয়ামী লীগের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী প্রার্থীদের দোষ কোথায়?মোনায়েম সরকার পত্রপত্রিকায় মাঝেমধ্যেই জনতার মঞ্চ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিষয় নিয়ে অনেক লেখা চোখে পড়ে। কারো কারো লেখা গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়ি এবং সেদিনের ঘটনার সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করি, অনেকের লেখাই পড়তে বেশ ভালো লাগে, কারো কারো লেখায় তথ্যের বিকৃতি বা ঘাটতি মর্মাহত করে। জনতার মঞ্চ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রচলন কোনো সামান্য বিষয় নয়। এর সঙ্গে সেদিন জড়িয়ে ছিল অনেক মানুষের আবেগ-অনুভূতি ও আত্মত্যাগের করুণ উপাখ্যান।... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার ছাড়া গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকতা পাবে নাইউনিয়নের ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র অপরাধগুলোর বিচার ইউনিয়ন আদালতে সম্পন্ন হবে। ইউনিয়ন আদালতের বিচারক পৃথকভাবে নির্বাচন অথবা মনোনয়নের মাধ্যমে নিযুক্ত হবেন। একইভাবে নগর সরকারগুলোও পরিচালিত হবে। সেই সঙ্গে আস্থার সমাজ গড়ে তোলার জন্য স্থানীয়দের সমন্বয়ে 'স্থানীয় নির্বাচনিক বোর্ড' গঠন করতে হবে। ইউনিয়ন নির্বাচনিক বোর্ড ইউনিয়ন সরকারের নির্বাচন সম্পন্ন করবে এবং একইভাবে নগর নির্বাচনিক বোর্ড নগর সরকারের নির্বাচন সম্পন্ন করবে। যদি এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে সমগ্র জনগোষ্ঠী সরকারের অংশ হয়ে যাবে এবং দেশটিও জনগণের হয়ে যাবে_ তাতে কোনো সন্দেহ নেই।ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এক. যে সরকারব্যবস্থা জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য পরিচালিত হয়, তাকেই গণতান্ত্রিক সরকার বলে। জনগণের বসবাস রয়েছে কোনো না কোনো স্থানীয় ইউনিটে। স্থানীয় ইউনিটগুলোয় জনগণের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা মানে পুরো দেশে জনগণের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়ে যাওয়া। সে জন্য আমরা প্রতিটি লেখায় বলে থাকি, গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার ছাড়া গণতন্ত্র কখনই প্রাতিষ্ঠানিকতা পাবে না। স্থানীয় মানুষের সেবা ও উন্নয়নের জন্য স্থানীয় ইউনিটগুলো কার্যকর থাকার কথা। কিন্তু... বিস্তারিত
কোনো গণতন্ত্রই শ্রেণি নিরপেক্ষ নয়কোনো গণতন্ত্রই শ্রেণি নিরপেক্ষ নয়। পুঁজিবাদী দেশে যে ধরনের গণতন্ত্র প্রচলিত আছে, একাধারে তা বুর্জোয়া গণতন্ত্র ও অপরদিকে বুর্জোয়া একনায়কত্ব। সেখানে যতই সব মানুষের সমান অধিকারের কথা বলা হোক না কেন, তা আসলে বুর্জোয়াদের মধ্যে গণতন্ত্র এবং শ্রেণি হিসেবে শ্রমিকসহ অন্যান্য শ্রেণির ওপর বুর্জোয়াদের একনায়কত্ব ছাড়া আর কিছুই নয়।হায়দার আকবর খান রনো আধুনিক যুগে গণতন্ত্রকে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু মানবসমাজের উষালগ্নে অরাজনৈতিক গণতান্ত্রিক সমাজও ছিল। সেই আদিম সাম্যবাদী যুগে ট্রাইবাল সমাজে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল না, শ্রেণি ছিল না, রাষ্ট্র ছিল না, নারী-পুরুষের অধীন ছিল না, অথচ ছিল অঘোষিত-অলিখিত সামাজিক রীতি, যা সবাই স্বেচ্ছায় মেনে চলত। এ রকম সমাজ ছিল পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক। ভবিষ্যতে, অনেক দূরের ভবিষ্যতে মানবজাতি সভ্যতার অনেক উচ্চ অবস্থানে এ রকম সাম্যবাদী সমাজে... বিস্তারিত
অসুস্থ রাজনীতি অসুস্থ গণতন্ত্রজাতিকে নতুন উপলব্ধিতে উন্নীত করতে তাই রাজনীতির সমাজকর্মীদের হাতে আজ থাকতে হবে জাতির সামগ্রিক উন্নতির একটি যুগোপযোগী কর্মসূচি। পাড়ায় মহল্লায় মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে শোনাতে হবে পুরনো দিনের গৌরবগাথা, শৌর্য-বীর্য-অর্জনের বীরত্ব আর সাফল্যের কাহিনী। ক্লান্ত-ঘুমন্ত জাতিকে আশার জিয়ন কাঠির পরশে জাগিয়ে তুলতে হবে। যিনি সৎ কবি তিনি তার কবিতায়, লেখক-সাহিত্যিক তাদের লেখায়-সাহিত্যকর্মে, নাট্যকার নাটকে, শিল্পীর তুলিতে কাটতে হবে জাগরণী গানের অাঁচড়।শফিকুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যমান রুগ্ণ-দূষিত রাজনীতি এবং এ অপরাজনীতিতে আক্রান্ত দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে-সংকটমুক্ত করতে সুস্থ ধারার নতুন রাজনীতির প্রবর্তন এখন সময়ের বড় দাবি। তবে কাঙ্ক্ষিত এ রাজনীতি প্রবর্তন করা বিরাট একটি কর্মযজ্ঞের ব্যাপার। অত সহজে একাজে সফল হওয়া সম্ভব হবে না। কেননা রাজনীতি এখানে একা ডুবে নেই, সবকিছুকে নিয়ে বিপথগামী হয়ে ডুবে আছে । অর্থাৎ পুরো সমাজটাই পঙ্কিলতায় ডুবে আছে। সুতরাং রাজনীতির পরিবর্তনের প্রশ্নে... বিস্তারিত
গণতন্ত্রে মত-দ্বিমতনব্বইয়ের দশকে গণতন্ত্রের জন্য আবারো বীর বাঙালি জেগে উঠলে আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও সংকট তখনো পুরোপুরি কাটেনি। তারপরও সেই সময় থেকে দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাটা অন্তত চলছিল। কিন্তু আগেই বলেছি গণতন্ত্র হলো একটি মনোভাব যা চর্চার বিষয়। আর তা কখনো একা কারো পক্ষেই চর্চা করে সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়। গণতন্ত্রের পুরো সফলতা পেতে হলে সবাইকেই গণতান্ত্রিক পরিবেশে চর্চাটা চালিয়ে যেতে হয়।ড. মো. হুমায়ুন কবীর রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতিকরা বলে থাকেন গণতন্ত্রের অনেক দোষ-ত্রুটি রয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এই গণতান্ত্রিক পন্থার কোনো বিকল্প এখনো সৃষ্টি হয়নি। তবে গণতন্ত্র রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মূলনীতি হলেও তা পরিবারে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, কর্মক্ষেত্রে, সমাজে- সবক্ষেত্রেই প্রায়োগিক বিষয়। গণতন্ত্র শুধু বইয়ের পাতার তাত্তি্বক কোনো বিষয় নয়, তা সার্বক্ষণিক একটি চর্চার বিষয়। গণতন্ত্র একটি মত-পথ-মনোভাব। এটি সঠিকভাবে চর্চা করতে গেলে সেখানে পরমতকেও সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হয়,... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ কেমন হওয়া উচিতবিভেদের শানিত ছুরিতে দ্বিখ-িত উপমহাদেশীয় ভূখ- হয়ে গেল_ হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান। তবে বাংলা এবং পাঞ্জাবকে ভেঙে দুই টুকরো করে দিয়ে গেল। আমরা পূর্ববঙ্গের মানুষ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মুসলিম লীগ দল ও তার নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর হাতে পড়লাম।কামাল পাশা চৌধুরী সময়ের অগ্রগতিতে অথবা কালের পরিবর্তনে সমাজ ও সংস্কৃতির অনেক কিছুই পাল্টায়। আমরা মানুষ তাকে গ্রহণ কিংবা বর্জন করি নিজেদের বিবেচনায়। আর সে বিবেচনা সৃষ্টি হয় পারিপাশ্বর্িকতার প্রভাবে। তবে প্রভাবও চলমান ও সমকালীন সমাজব্যবস্থা, রাজনৈতিক আন্দোলন, অর্থনৈতিক উত্থান-পতন এবং সংস্কৃতির প্রকাশেই নির্মিত হয়। অবশ্য এক হয় না সে পরিবর্তন। সব ক্ষেত্রেই বিভিন্নতা ও বিচ্ছিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। এর ফলেই সামাজিক বৈষম্য এবং শ্রেণি সংকট তৈরি হয়।... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারপ্রতিপক্ষকে দুর্বল অবস্থানে পেলে তাকে একবারে মাটির নিচে পুঁতে ফেলার চেষ্টাই যেন গণতন্ত্রের মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। অথচ গণতন্ত্রের মূল মন্ত্রগুলো ছিল- উদারতা, সহমর্মিতা, মানবতাবোধ, সততা এবং ধৈর্যশীলতা। বর্তমান যুগের গণতন্ত্রে আমরা এর কোনোটির প্রতিফলন দেখতে পাই না। রাজনীতির সঙ্গে সততা নেই, সহমর্মিতা নেই, উদারতা নেই, মানবতাবোধ নেই ও ধৈর্যশীলতা নেই। আছে চরম অসততা, মিথ্যার আশ্রয়, পেশিশক্তির জয়জয়কার।মাছুম বিল্লাহ আব্রাহাম লিংকনের দেওয়া গণতন্ত্রের থিউরি, 'গভর্মেন্ট অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল অ্যান্ড ফর দ্য পিপল' অর্থাৎ জনগণের, জনগণ কর্তৃক এবং জনগণের জন্য যে সরকার সেটিই হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার। এটিই পৃথিবীতে এখনো সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য গণতেন্ত্রর থিউরি। কিন্তু এই থিউরির দ্বারা পরিচালিত গণতন্ত্র বিশ্বের বুকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অধিকাংশ দেশেরই শাসকগোষ্ঠী যেভাবে নিজেদের সুবিধা হয় সেভাবেই গণতন্ত্রের চেহারা পরিবর্তন করেছে, আদল পরিবর্তন করেছে, থিউরি পরিবর্তন... বিস্তারিত
গণতন্ত্র একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়াগণতন্ত্র ও আইনের শাসন দৃঢ়মূল করার বিষয় সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকরের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও শেষ পর্যায়ে। এটা শেষ হলে বিষয়টি গণতন্ত্রমনা সব মানুষের বাহবা যে পাবে, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার জন্যও দরকার ঘর গুছিয়ে রাখা। বিষয়টি শুধু ছাত্রলীগ-যুবলীগের বাড়াবাড়ি নিয়ন্ত্রণ নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিকে কীভাবে গণতান্ত্রিক ও অগ্রসর করে নেয়া যায়, তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে একই সঙ্গে।ড. আশিকুর রহমান চৌধুরী গণতন্ত্রের চর্চা কোনো দেশে চটজলদি থিতু হয় না। যে দেশগুলো একসময় সাম্রাজ্যবাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপনিবেশ ছিল, অর্থনৈতিকভাবে যারা এখনো পুরোপুরি আধুনিক জীবনে প্রবেশ করেনি, সেসব দেশ সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে মুক্তি পেলেও শাসনব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্র সেখানে থিতু হতে সময় লাগে। এ ক্ষেত্রে দেশবাসীর চেতনার বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপনিবেশ থাকাকালে দেশে শিক্ষার বিস্তার সাধারণত ব্যাহত হয়। আর এর সঙ্গে ব্যাহত হয় গণতন্ত্রচর্চার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র: বাকস্বাধীনতা বনাম ভিন্নমতএটি কি ভিন্নমতের আদর্শিক জীবন? এটি মূলত স্বল্পমাত্রার নৈরাজ্যিক। এমন ধরনের নিয়ন্ত্রিত নৈরাজ্যিক সমাজই ধনতন্ত্রের কাম্য সমাজ। কিন্তু যে জাতি বিকাশ চায় তারা নৈরাজ্যকে প্রশ্রয় দেয় না। যেমন গণচীন। তারা বিকল্প মতকে উৎসাহ দেয় কিন্তু গণতন্ত্রের নামে নৈরাজ্যকে উৎসাহ দেয় না।ড. ইশা মোহাম্মদ তারা, সমাজতন্ত্রীরা বলত, আমাদের গণতন্ত্রই প্রকৃত গণতন্ত্র। দেখা গেল একদলীয় শাসন মানুষের মন থেকে গণতন্ত্র তাড়িয়ে দিতে লাগল। সমাজতন্ত্রী চিন্তাবিদরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ভিন্নমতের চর্চা করতে শুরু করলেন। বড় বিপ্লবীরাও একদেশদর্শী অনুশীলন থেকে সরে এলেন। মাও জে ডাঙ শতফুল ফুটতে দেয়ার গণতান্ত্রিক নীতি ঘোষণা করলেন। কিন্তু তারপরও গণতান্ত্রিকতায় তারা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখল। কেন প্রকৃত গণতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে?
আমরা যে গণতন্ত্র চর্চা করি কিংবা... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র : ভিন্নমত, সততা ও নৈতিকতাসরকারের যেসব কর্মকা-ে গণ-অসন্তোষ তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে ওইসব কাজ থেকে বিরত থেকে জনকল্যাণমুখী কাজেই অগ্রসর হওয়া উচিত। যে কোনো কল্যাণরাষ্ট্রের শাসকদের কর্তব্যও তাই। বিরোধী দলের দিকে তাকিয়ে না থেকে আত্মসমালোচনা ও আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে ভুল শুধরে গণতন্ত্রের জয়ধ্বনি করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে সরকারকেই। বাংলাদেশের মানুষ আর কতকাল স্বপ্ন দেখবে এবং তাদের স্বপ্নভঙ্গ হবে। সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। স্বাধীনতার ৪৫ বছর ধরে একই চিত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি।ড. আবু আহমেদ চৌধুরী আমরা যে সময়ে বাস করছি সে সময়টা নিঃসন্দেহে ভয়ানক রকমের দুঃসময়। দুঃসময়ের রাহুগ্রাসে আমরা একেবারে আকণ্ঠ নিমজ্জিত। আমাদের চারদিকে কোনো সুসংবাদ নেই, সুবাতাস নেই। এমনকি সুস্থ চিন্তাভাবনা করার মানুষেরও আজ বড় অভাব। আমরা চরম বৈরী পরিবেশের মধ্যে দিন যাপন করছি। যে সমাজে বাস করছি সে সমাজ আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না, এমনকি যে রাষ্ট্রে বাস করছি সে রাষ্ট্রও নিরাপত্তাদানে ব্যর্থ। আমরা নানা রকম সামাজিক এবং... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin