নতুন বছর হোক নতুন প্রজন্মের জন্যকামাল লোহানী 'যতদিন দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে সরাবো জঞ্জাল
এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য
করে যাব আমি।'

কবি কিশোর সুকান্ত ভট্টাচার্যের এই দৃঢ় অঙ্গীকার তো আমাদের সবার। সে কারণেই আমাদের পূর্বপুরুষরা লড়াই করে গেছেন সব মানুষের সমান অধিকার আদায়ে। স্বস্তি আর শান্তিতে বাস করার নিশ্চয়তা বিধান করতে সংগ্রাম করেছেন। মেহনতি মানুষ তার উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে লাগসই করে মানুষের কল্যাণে নিবেদন করার লক্ষ্যে আন্দোলন... বিস্তারিত
স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশআবু বকর সিদ্দিক আমরা পাপীতাপী নির্বিঘ্নে দীনদুঃখী 'একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ' মোকাবেলা করছি। পটল তুলব, মাগ্গিগ-ার বাজারে পটলেরও অগি্নমূল্য। বছরের শেষ ডিসেম্বরেও হিমকাঁপুনি, শুরুর জানুয়ারিতেও হিমকাঁপুনি। মা গো মা! আমি কোয্যাব? গরিবের বদনসিব পিছনেও যা, সামনেও তাই। সোজা নয় ব্যাপারটা, একটা শতাব্দীর ১৬তম বছরে পা দিচ্ছি। গায়ে পুলক লাগারই তো কথা। কিন্তু এদিকে যে হাত-পা পেটে সেঁধিয়ে যাবার জোগাড়। দেনার দায়ে মাথা বিকিয়ে টিকে আছি। আমাদের কিবা গত বছর... বিস্তারিত
২০১৫ সালে আমরা যাদের হারিয়েছিমৃত্যু মানুষের এক অলঙ্ঘনীয় নিয়তি। কিছু মানুষ সূর্যের মতো উদিত হয়, তাদের মেধা-মনন আর সৃষ্টির কল্যাণে আলোকিত হয়ে ওঠে জগৎ-সংসার। আবার চিরাচরিত নিয়মে তারা চলেও যান কালের গহ্বরে। এসব আলোকিত মানুষের মৃত্যুজনিত শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। ২০১৫ সালেও আমরা হারিয়েছি বেশ কয়েকজন দেশি-বিদেশি গুণীকে, যারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে রেখে গেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তবে কীর্তিমানের মৃত্যু নেই, তারা তাদের কর্ম ও সৃষ্টিতে আমাদের মাঝে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন_ এটাই আমাদের সান্ত্বনা। ২০১৫ সালে প্রয়াত কয়েকজন গুণীকে নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছেনবীরেন মুখার্জী চাষী নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম পুরোধা, মুক্তিযোদ্ধা, স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ক্যামেরার পেছনে সক্রিয় থেকে বাংলা চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন। চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৪১ সালের ২৩ অক্টোবর মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার সমষপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 'ওরা ১১ জন', 'সংগ্রাম', 'দেবদাস', 'হাঙর নদী গ্রেনেড'-এর মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ করে... বিস্তারিত
নতুন বছরের প্রত্যাশাতারাপদ আচার্য্য আবারো আমাদের মাঝে এলো আরো একটি নতুন বছর। আজ নতুন সূর্যের উদয় ঘটবে তা হবে ২০১৬ সালের প্রথম দিনের নতুন সূর্য। দেশ-বিদেশে নববর্ষ নিয়ে নানা বর্ণালি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আর একটি বছরের সমাপ্তি তো অনেকাংশেই একটি ইতিহাসের সমাপ্তি। নববর্ষের নতুন প্রভাত। নতুন বছর মানে নতুনের আবাহন। নতুন করে স্বপ্ন দেখা। জীর্ণ ও পুরাতনকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরের শুভাগমনে দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করা। রাজনৈতিক... বিস্তারিত
গেল বছরের রাজনীতির খ-চিত্র২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে জামায়াতের নীলনকশায় শুরু হয়েছিল হরতাল, অবরোধ, ভাংচুর, বোমাবাজি, হত্যা, খুনসহ বিচিত্র নৈরাজ্য। ৯৩ দিন চলেছে এই ধ্বংসযজ্ঞ। এর মধ্যে জানুয়ারি ছিল গণঅভ্যুত্থানের মাস, ফেব্রুয়ারি ছিল ভাষা আন্দোলনের মাস, মার্চ ছিল স্বাধীনতার মাস। কিছুই মানেননি বেগম জিয়া। তিনি সদম্ভে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হতে দেবেন না, কিন্তু ঠিকই শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসন অতি কৌশলে এবং আত্মবিশ্বাসের জোরে নির্বাচন করে তার ফল ঘরে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন। এখন প্রসন্ন মেজাজ, দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে দেশ চালাচ্ছেন।মাহমুদুল বাসার ১৯৭১ সাল ছিল মুজিব-তাজউদ্দীনের সাফল্যের বছর, ১৯৭৫ থেকে ৮০ সাল ছিল জিয়ার সাফল্যের বছর, ২০০১ সাল ছিল খালেদা জিয়ার সাফল্যের বছর আর ২০১৫ ছিল শেখ হাসিনার সাফল্য এবং খালেদা জিয়ার ব্যর্থতার বছর।
শেখ হাসিনা মনস্তাত্তি্বকভাবে ঢিল ছুড়ে খালেদা জিয়াকে ফুল অপশন দিয়ে নির্বাচনে নামাতে চেয়েছিলেন। দাম্ভিকতায় অনন্যা খালেদা জিয়া ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে নামেননি। ভেবেছিলেন তিনি ও তার দল, তার দোসর জামায়াত নির্বাচনে না... বিস্তারিত
ফিরে দেখা ২০১৫জানুয়ারি
১. বছরের প্রথম দিনে নতুন ঝকঝকে তকতকে বই হাতে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে শিশু শিক্ষার্থীরা। এই বই উৎসবে দেশের প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের চার কোটি ৪৪ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৪ শিক্ষার্থীর হাতে ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৩টি চাররঙা নতুন বই তুলে দেয়া হয়।
৫. আলোচিত ৫ জানুয়ারি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত আলোচিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন... বিস্তারিত
বিদায়ী বছরের আলোচিত ঘটনাআমাদের জীবন থেকে বিদায় নিয়েছে আরো একটি বছর, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ। আজ থেকে শুরু হলো নতুন বছর ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ। ২০১৫ পৃথিবীজুড়ে ছিল অস্থিরতা, প্রতীক্ষা, সন্ত্রাস, আনন্দ আর সমৃদ্ধির একটি বছর। এই সুখ-দুঃখের মিশেল অনুভূতির মধ্যে বছরজুড়ে বিশ্বের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা সম্ভবত জঙ্গি হামলায় প্যারিস রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনা। অপরদিকে আমাদের অর্জনও কম নয়। গত বছর নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ বলয়ে বাংলাদেশের প্রবেশ এবং নিজস্ব অর্থায়নে দেশের বৃহত্তম অবকাঠামোগত প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের শুভ সূচনা হয়। অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবেও ৩৬৫ দিনের এই সময়টুকুর অর্জন কম নয়। এ রকম ১২টি সাফল্য-ব্যর্থতার ঘটনার ওপর আলোকপাত করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।প্যারিসে জঙ্গি হামলা
২০১৫ সালের ১৪ নভেম্বর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১২৮ জন নিহত এবং কয়েক শত মানুষ আহত হন। শহরের কেন্দ্রস্থল বাটাকঁ্ল কনসার্ট হলসহ ৬টি স্থানে একের পর এক ঠা-া মাথায় হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই বছরের জানুয়ারিতেও শার্লি এবদোতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। প্যারিস হামলার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়, যারা মানবতা ও বৈশ্বিক মূল্যবোধ ধারণ করে, তারাই সন্ত্রাসবাদের অন্যতম... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close