পূর্ববর্তী সংবাদ
আজীবন সম্মাননায় রুনা লায়লাবিনোদন রিপোর্ট রুনা লায়লাআজীবন সম্মাননা পেলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। রোববার লন্ডনের মে ফেয়ারের গ্রসভেনর হোটেলের দ্য গ্রেট রুমে আয়োজিত 'এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড'-এ রুনা লায়লাকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। সেই সময় রুনা লায়লার সঙ্গে ছিল তার দুই নাতি_ জাইন ও অ্যারন।
এ প্রসঙ্গে রুনার মেয়ে তানি লায়লা ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, 'লন্ডনে সঙ্গীতজীবনের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে আমার মা তার দুই গর্বিত নাতিকে নিয়ে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। ১৯৬৫ সালে 'জুগনু' ছবির 'গুড়িয়াসি মুনি্ন মেরি' গান দিয়ে শুরু। এরপরের গল্প কেবলই এগিয়ে যাওয়ার, সংগীত ভুবনে কিংবদন্তি হয়ে ওঠার। তারই ধারাবাহিকতায় গেল বছর ৬ জুন সংগীতজীবনের অর্ধশত বছর পূর্ণ করেন এই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী।
এ প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, 'সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। দর্শক-শ্রোতাদের ভালেবাসার কারণেই আজও গান করছি। গান নিয়েই বাঁচতে চাই।'
সম্মাননা প্রসঙ্গে রুনা জানান, 'আমি মনে করি স্বীকৃতি প্রতিটি মানুষকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তোলে। পরবর্তী ভালো কাজের জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়। আগামীতে আরও ভালো কাজ করতে চাই।'
উল্লেখ্য, রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দি, সিন্ধি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, পারসিয়ান, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন।
রুনা লায়লার দাদার বাড়ি রাজশাহী হলেও কাজের সুবাদে বাবা থাকেতন সিলেটে। সেখানেই তার জন্ম। ছোটবেলায় ভরতনাট্যম ক্লাসিক্যাল নৃত্য শিখেন তিনি। তবে পরবর্তীতে গানেই মনোনিবেশ করেন। ছয় বছর বয়স থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতে শুরু করেন রুনা। আর মাত্র ১২ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেন। রুনা লায়লার চলচ্চিত্রের গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- 'জুগনু', 'হাম দোনো', 'শমান্ডার', 'ধাঞ্জুমান', 'উমরাও জান আদা', 'মন কি জিত', 'এহসাস', 'দিলরুবা', 'এক সে বাড়কার এক', 'জান-ই-বাহার', 'ইয়াদগার', 'অগি্নপথ', 'স্বপ্ন কি মন্দিও' ইত্যাদি। এছাড়া রুনা লায়লার গাওয়া 'দামাদাম মাস্তকালান্দার' এবং 'ও মেরা বাবু ছাল ছাবিলে ম্যায় তো নাচোগি' সারা বিশ্বের সংগীতপ্রেমী মানুষের মন জয় করেছে।
১৯৯৭ সালে রুনা লায়লার জীবনী নিয়ে চাষী নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেন বাংলা চলচ্চিত্র 'শিল্পী'। সেই ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন রুনা লায়লা। তার বিপরীতে অভিনয় করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আলমগীর। এরপর রুনা লায়লা ও আলমগীর বিয়ে করে সংসার গড়েন।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin