জয়ের সুবাস পাচ্ছে পাকিস্তানক্রীড়া ডেস্ক ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ ড্যারেন ব্রাভোকে ফিরিয়ে উচ্ছ্বাস পাকিস্তানি পেসার রাহাত আলীর। সোমবার আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনে _ওয়েবসাইটআবুধাবিতে টেস্ট হারের নজির নেই পাকিস্তানের। এবারও বোধ হয় সেই রেকর্ডটা অক্ষুণ্ন থাকছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে জয়ের সুবাসই পাচ্ছে স্বাগতিকরা। জিততে হলে শেষদিনে তাদের তুলে নিতে হবে প্রতিপক্ষের বাকি ৬ উইকেট। আর অসম্ভবকে সম্ভব করতে ক্যারিবীয়দের করতে হবে আরও ২৮৫ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে চতুর্থ ইনিংসে ৪৫৬ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে পাকিস্তান। জিততে হলে টেস্ট ইতিহাসটাই বদলে দিতে হবে তাদের। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করার রেকর্ডটি অবশ্য ক্যারিবীয়দেরই দখলে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই রান করে জিতেছিল তারা। তবে এবার লক্ষ্যটা আরও বড়, চতুর্থ দিন শেষে জেসন হোল্ডারের দলও অনেকটাই ব্যাকফুটে।
আবুধাবিতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এই টেস্টে শুরু থেকেই ক্যারিবীয়দের চাপে রেখেছে পাকিস্তান। রান তাড়া করতে গিয়েও সেই চাপটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি অতিথিরা। তাদের মাথার ওপর বড় লক্ষ্য চাপিয়ে দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়েছে মিসবাহ-উল-হকের দল। উদ্বোধনী জুটিতে ২৮ রান উঠতেই ইয়াসির শাহর শিকার হয়ে ফিরেছেন লিওন জনসন (৯)। এরপর ড্যারেন ব্রাভোও বেশিদূর এগুতে পারেননি। তার উইকেটটি নিয়েছেন রাহাত আলী।
৬৩ রানে ২ উইকেট খুয়ানোর পর অভিজ্ঞ মারলন স্যামুয়েলসকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন ক্রেইগ ব্রেথওয়েট। এবারও আঘাত হেনেছেন ইয়াসির। ৬১ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২৩ রান করা স্যামুয়েলসকে ফিরতি ক্যাচ বানিয়েছেন এই লেগস্পিনার। এরপর দারুণ খেলতে থাকা ব্রেথওয়েটকে এলবিডবিস্নউয়ের ফাঁদে ফেলেছেন আরেক স্পিনার মোহাম্মদ নেওয়াজ। ১৩৩ বলে ৬ চার আর ১ ছক্কায় ৬৭ রান করা এই ওপেনার ফেরার পরই মূলত জয়ের আশাটা দুরাশা হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
পঞ্চম উইকেটে অবশ্য লড়াইটা জিইয়ে রেখেছেন রস্টন চেজ আর জার্মেই বস্ন্যাকউড। এখন পর্যন্ত তারা অবিচ্ছিন্ন আছেন ৪৭ রানে। ৬৩ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৪১ রান নিয়ে শেষ দিনে খেলতে নামবেন বস্ন্যাকউড। সঙ্গী চেজ নামবেন ১৭ রান নিয়ে। ক্যারিবীয়রা এই টেস্টে কতদূর যাবে, তাদের ব্যাটিংয়ের উপরই নির্ভর করছে সেটা।
এর আগে ১ উইকেটে ১১৪ রান নিয়ে খেলতে নামা পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ২ উইকেটে ২২৭ রান তুলে। আজহার আলী, সামি আসলামের পর হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন আসাদ শফিকও। ১৩৭ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৭৯ রান করে মিগুয়েল কামিন্সের শিকার হয়েছেন আজহার। তবে শফিক শেষপর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। ১০৩ বলে গড়া তার হার না মানা ৫৮ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৩টি চারের মার। অপরপ্রান্তে থাকা ইউনিস খান ছিলেন ২৯ রান নিয়ে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin