পূর্ববর্তী সংবাদ
রোহিঙ্গাদের দুর্দশা স্বচক্ষে দেখলেন কূটনীতিকরাকক্সবাজার প্রতিনিধি বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন ঢাকাস্থ বিদেশি কূটনীতিকরা। ছবিতে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালিসন বেস্নইককে দেখা যাচ্ছে _ফোকাস বাংলানিপীড়িত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বাংলাদেশের মানবিকতা খুবই প্রশংসনীয়। তবে ক্যাম্পে শরণার্থীদের মানবেতর জীবন পীড়াদায়ক। তাই তাদের নিজ দেশে (মিয়ানমারে) ফেরত যেতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে নিজ নিজ দেশের সঙ্গে আলাপ করা হবে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসা বিভিনি্ন দেশের কূটনীতিকরা।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তারা এ কথা জানান।
এর আধা ঘণ্টা আগে উখিয়ার কুতুপালংয়ে পেঁৗছান বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত বা প্রতিনিধিদের বহন করা গাড়িটি। সেখানে পেঁৗছে তারা কুতুপালং ক্যাম্পে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, এতদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি জেনেছেন কূটনীতিকরা। কিন্তু ক্যাম্প পরিদর্শনে এসে বাস্তবতা অনুধাবন করতে পেরেছেন তারা। পলিথিনের ঝুপড়িতে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট কাদার পরিবেশে রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবন-যাপন সবাইকে ব্যথিত করেছে। তাই পরিদর্শনরত বিদেশি কূটনীতিকরা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যেতে নিজ নিজ দেশের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের দুর্বিষহ জীবনাচার সম্পর্কে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন।
গতকাল সকাল সোয়া ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭ আসনের প্লেনে রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১১টার দিকে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সেখানে তাদের স্বাগত জানান কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন ও পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখান থেকে গাড়িতে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কুতুপালং ক্যাম্পে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, 'বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পুরো ক্যাম্প ঘুরিয়ে রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবন-যাপন সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের কারণে আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক ক্ষতির বিষয়াদিও তাদের নজরে আনা হয়। নিপীড়িত মানবতার দিকে চেয়ে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ সহায়তা দিতে গেলে আমরা নিজেরাই নিষ্পেষিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনার কথাও তাদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close