logo
  • Wed, 14 Nov, 2018

  কামাল লোহানী   ২৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

প্রসঙ্গ নিবার্চন : জড়তা ভাঙতে হবে

প্রসঙ্গ নিবার্চন : জড়তা ভাঙতে হবে
নিবার্চন, যে কোনো নিবার্চন নয়, এবারেই হতে যাচ্ছে দেশের সাধারণ নিবার্চন। সময় মনে হয় ‘ডিসেম্বর’। বেশতো ভালোই, পঁাচ বছরের ভুলভ্রান্তি, দমন-পীড়ন, অজর্ন-বজর্ন পেরিয়ে আমরা জনগণÑ দেশবাসী তাবৎ ভোটদাতা নিজেদের ভোটাধিকার পালন করতে যাচ্ছি। এ নিবার্চন এ জন্যই গুরুত্বপূণর্ সবাির্ধক, কারণ নতুন পঁাচ বছরে ভবিষ্যৎ কি করবে, কি আমাদের প্রত্যাশা এমন সব উপাচার সাজিয়ে প্রতিনিধি বাছাই করব আমরা। এখন দেশ উত্তপ্ত আসন্ন নিবার্চনকে কেন্দ্র করে। রাজনৈতিক দল, জোট, মহাজোটÑ সবাই জনগণের দোহাই দিয়ে আসন্ন সাধারণ নিবার্চন যেন স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বমূলক এবং গ্রহণযোগ্য হয়, সেই কথাই নিরন্তর বলে যাচ্ছে। এর মধ্যে দেশের দুটি জোট-মহাজোট নিজেদের শক্তিমত্তা প্রমাণের জন্য সচেষ্ট রয়েছে। ১৪ দল বা মহাজোট সরকার বতর্মানে ক্ষমতায় আসীন। তারা যে দোদর্Ð প্রতাপে রাজশক্তির উন্নয়নধারা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করতে এখন থেকেই পক্ষে নেবার চেষ্টা করছেন, তা লক্ষ্যণীয়। তবে প্রতিপক্ষ বিরোধী জোট বিএনপি কৌশলগতভাবে নিবার্চন ইস্যুতে নিরন্তর লড়ে যাচ্ছে, বলছে তারা নিবার্চনমুখী দল। নিবার্চন অবশ্যই করবে, তবে পরিস্থিতির ওপর তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিভর্র করবে। আর এই সময়ই বিএনপি প্রধান ও ২০ দলীয় জোট নেত্রী খালেদা জিয়াকে একটি মামলায় পঁাচ বছরের জেল দেয়ায় বিএনপির অবস্থান এখন পাল্টেছে। তারা এখন নিবার্চনের চেয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তিকেই প্রধান বলে মনে করছেন। বিএনপি বলছে, দলপ্রধানকে জেলে রেখে কোনো নিবার্চন হতে দেবে না। এ এক দারুণ প্রত্যয়! কিন্তু লোকমধ্যে এমনও প্রশ্ন আছে, বিএনপি আদৌ কি দলনেত্রীকে মুক্ত করতে পারবে? নাকি কোন শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে? আবার জনমনে প্রশ্ন, এবার যদি নিবার্চনে না যায়, তবে তো গত নিবার্চন বজের্নর চেয়েও বড় ভুল করে বসবেন।

আওয়ামী লীগ ১৪ দল হোক বা মহাজোট হোক তারা নিবার্চনে যাবে এবং বলছে, নিবার্চন স্বচ্ছ হবে। বুঝলাম ক্ষমতাসীন দল হিসেবে আওয়ামী জোট নিবার্চন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় যা কিছু নিবার্চন কমিশন চাইবে, তা দিতে বাধ্য থাকবে। তবু মানুষের আশা, আগামী নিবার্চন করার ক্ষেত্রে নিবার্চন কমিশন বিশেষ করে প্রধান নিবার্চন কমিশনার কি স্বেচ্ছায় তার কাজ করতে পারবেন? তাকে তো সরকারের উপর নিভর্র করতে হবে। সেই সরকার নিয়েও তো নানান কথা, জল্পনা-কল্পনা। বিএনপি এই নিবার্চন কমিশনের ওপর ভরসা রাখতে পারছে না এবং বলছে খুব তীক্ষè ভাষায় কমিশনের কমর্কাÐের বিরুদ্ধে। পরিবতর্ন চাইছে এই কমিশনের। এ প্রশ্নে নিবার্চন কমিশন স্বাভাবিক কারণেই নীরব কিন্তু আওয়ামী লীগের কতার্ব্যক্তিরা এর জবাব দিচ্ছেন। তারা জোরেসোরেই বলছেন, নিবার্চন স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বমূলক এবং গ্রহণযোগ্য হবে। এ জবাব শুনতে সাধারণ মানুষের কাছে স্বচ্ছ মনে হচ্ছে না। ফলে নিবার্চন নিয়ে একটা দোলাচল থেকেই যাচ্ছে। আসলে হবেটা কি? বিএনপিকে নিবার্চনে অংশগ্রহণ করতেই হবে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে। কিন্তু তারা বলছেন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নিবার্চন করতে দেয়া হবে না।

এত সবার্ত্মক চ্যালেঞ্জই একটা নিবার্চন কমিশনের প্রতি এবং আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধেও। এত সব কথার বহর কি আদৌ কোনো ফলপ্রসূ পরিণতি আনতে পারবে? নাকি গোপনে রাজনৈতিক সমঝোতার দিকেই যাচ্ছে দুই পক্ষ? একত্রে বসবার কথা অস্বীকার করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমনকি নিবার্চন প্রাককালীন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনা যখন বক্তৃতা করছেন, তাতেও কোনো বৈঠক বা আলোচনার কথা ফুৎকারে উড়িয়ে দিচ্ছেন। দেশের সরকার প্রধান যদি এতটা সরাসরি বক্তব্য দিয়ে বিরোধী দলের কথার জবাব দেন ক্রুর ভাষায়, তবে আমরা কি ভাবতে পারি যে, কোন সংকটই সমাধান হবে না। বিএনপিকে তাদের ক্ষমতাই দেখাতে হবে, অবশ্য ‘নীরবে নিভৃতে’ কোনো চাল চালবার অপেক্ষায় কেউ যদি না থাকে। বিএনপিও সময় সময় যে বক্তব্য দিচ্ছে, তাতে ফখরুল সাহেবের বক্তব্যের সঙ্গে রিজভী সাহেবের কথার ফারাক হয়ে যাচ্ছে। এটা একটা বড় দলের পক্ষে কী ঠিক? মহাসচিব আর যুগ্ম-মহাসচিবের মধ্যে কো-অডিের্নশন থাকবে না কেন? যাকগে সব, বিএনপি কি পারবে নিবার্চন ঠেকাতে? তার কি সেই শক্তি আছে, কারণ তারাই বলছে হাজার হাজার কমীের্দর হামলা-মামলায় জজির্রত করে ফেলা হয়েছে, তাহলে সোচ্চারকণ্ঠে উচ্চারিত নিবার্চন হতে না দেয়ার আন্দোলন অথার্ৎ গনআন্দোলন কি গড়ে তুলতে পারবে?

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তার সহযাত্রী দলগুলোকে নিয়ে ক্ষমতায়। অবশ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী সব সময়ই বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সব করে দিচ্ছে।’ কথাটা কি সত্যি? তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জোটসঙ্গীদের কি কোনো পাত্তাই দিতে চান না? যাক সে সব কথা, এখন প্রশ্ন হলো সাধারণ নিবার্চন নিয়ে সত্যি কি হতে যাচ্ছে, বুঝতে অপারগ আমরা। তবে যখন দলীয় প্রতিনিধিদের ভারত সফর করতে দেখি এই মোক্ষম সময় তখন প্রশ্ন জাগে, তবে কি ভারত রেফারির ভূমিকায়? দেশে যখন দুই পক্ষের বাহাস ও কথা কাটাকাটি চলছে, তখন আসন্ন সাধারণ নিবার্চন কেমন হবে, তাই নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা মনে উদয় হচ্ছে, হবেও নিবার্চন হওয়া অব্দি।

এই সাধারণ নিবার্চন নিয়ে ভাবতে গিয়ে আমার মাথায় ঢুকেছে বিগত দিনের দু’তিনটে নিবার্চনের কথা। ধরুন ১৯৫৪ সালে পূবর্বঙ্গের সাধারণ নিবার্চন। তখন মুসলিম লীগ সরকার দেশে-প্রদেশেও। ফলে ১৯৪৭ থেকেই ক্ষোভ জমে উঠেছিল মানুষের মনে, তাই এই নিবার্চনের আগে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ছাত্র হত্যার তিন বছর পর গড়ে উঠেছিল যুক্তফ্রন্ট, হক, ভাসানী ও সোহরাওয়াদীর্র নেতৃত্বে। ভাসানী তখন ৪৯ সালে গঠিত পূবর্-পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। শেরে বাংলা কৃষক শ্রমিক পাটির্র আর সোহরাওয়াদীর্ আওয়ামী নেতা।

সে নিবার্চন ছিল জনগনের, তবে মুসলিম লীগ ধমের্র দোহাই ছেড়ে যুক্তফ্রন্টকে পরাজিত করতে চেয়েছিল কিন্তু নিজেরাই গো-হারা হেরে গেল এবং যুক্তফ্রন্ট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হলো। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করলে কেন্দ্র মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় ভেঙে দিল। গ্রেফতার হলেন হাজার হাজার নেতাকমীর্, যারা লীগ বিরোধী ছিলেন। সেখানে পাকিস্তান কায়েম করা মুসলিম লীগের প্রধান মূখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিন ছাত্রনেতা খালেক নেওয়াজের কাছে জামানত হারিয়েছিলেন। ... নিবার্চন তো স্বচ্ছ অবাধই হয়েছিল কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ওই লীগবিরোধী আওয়ামী বিজয়কে ছিনিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যতই গ্রেফতার হোক না কেন, জেলখানা ভতির্ করে ফেললেও পূবর্বঙ্গে কিন্তু লীগবিরোধী জনমত এতই প্রবল ছিল যে মুসলিম লীগ আর কোনদিনই ফিরে আসতে পারেনি। এরপর ৩১ পৃষ্ঠায়

প্রসঙ্গ নিবার্চন : জড়তা ভাঙতে হবে

১৭ পৃষ্ঠার পর

... আবার দেশে সামরিক শাসন জারির পর জেনারেল আইয়ুব খান যে মৌলিক গণতন্ত্রের নিবার্চন করলেন এবং তাদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নিবাির্চত হলেনও সে সময় সকল সরকার বিরোধী দল একত্রিত হয়ে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) নামে রাজনৈতিক প্ল্যাটফমর্ গঠন করে আইয়ুবশাহীকে চ্যালেঞ্জ করলে সামরিক শাসনকতার্ কারচুপি আর জালিয়াতি করে প্রেসিডেন্ট নিবাির্চত হয়ে গেলেন। বিরোধীদলীয় মৌলিক গণতন্ত্রী থাকা সত্তে¡ও পয়সা দিয়ে কেনা এবং বোরখা ব্যবহার করে এক কে দিয়ে বহুভোট দেয়া আর মহিলা বহিরাগতদের ভাড়া করে লাইনে বসিয়ে ভূয়া ভোট দিয়ে জয়লাভ করেছিলেন আইয়ুব খান।

আবার আইয়ুবের পতনে ১৯৭০ সালে জেনারেল ইয়াহিয়ার দেয়া ‘লিগ্যাল ফ্রেমওয়াকর্ অডার্র’ মেনে নিয়েও আওয়ামী লীগ তাদের ৬ দফা নিয়ে সাধারণ নিবার্চনে অংশগ্রহন করে এবং পূবর্-পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ক্ষমতা বাংলার রাজনৈতিক শক্তির হাতে দিতে আপত্তি থাকায় অসহযোগ থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পূবর্-পাকিস্তান আবার বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়। সে এক মহান গৌরবের ইতিহাস। লাখো শহীদের রক্ত স্নাত সংগ্রামের ফসল।

পাঠক, দেখবেন এই নিবার্চনগুলোকে আমরা আমাদের মানুষের শক্তিতে কিভাবে সাফল্যের দ্বারে পেঁৗছে দিয়েছিলাম। এত চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র- তা সত্তে¡ও জয় হয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে গণতন্ত্র, ধমির্নরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রের ¯েøাগান দিয়েছিলাম, তারপরও কেন নিবার্চন পদ্ধতি পাকিস্তানি জমানার আদলেই রয়ে গেল। কেন যুদ্ধাপরাধী ঘাতক-জল্লাদ, দালাল- দোসররা এই মুক্ত-স্বদেশের বিরোধিতা করেও রাজনৈতিক অধিকার পেল এবং তারা কেন পুনগির্ঠত হলো? এ প্রশ্ন যদি করি তবে তার জবাব কে দেবে? দেশের সংবিধান ভেঙে কেন আবার সামরিক শাসন প্রবতির্ত হলো। পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে কেন নিবার্চন প্রয়াসকে কলুষিত করার কলঙ্কলেপন হলো? আজ কি তারই ধারা বহন করে পাকিস্তানি আমলের কুৎসিত ভোট চুরি, বুথ দখল, ছাপ্পা ভোটের কলঙ্কিত ঘটনাবলির ফিরে আসাটাই লক্ষ্য করছি না? এমনিভাবে স্বৈরাচার থেকে রেহাই পাবার উদ্দেশ্যে দেশে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তা থেকে মুক্তি পাবার জন্য তত্ত¡াবধায়ক সরকারের আশ্রয় নেয়া হয়েছিল। তারপরও বেশ কয়েকবার এর মাধ্যমেই নিবার্চন হয়েছিল বটে, তবে শেষ দিকে এর ব্যত্যয় ঘটায় রাজনৈতিক কারণে হোক বা দলীয় প্রাধান্য বিস্তারেই হোক ওই পদ্ধতি বতর্মান সরকার তুলে দেয় সংবিধান সংশোধন করে। তবে তাতে পূবের্র সামরিক শাসকদের সন্নিবেশিত সাম্প্রদায়িকতার বিধান অক্ষুণœ রাখার জন্য নতুন সংশোধনী এনে ৭২-এর সংবিধানকে কলঙ্কিত করা হলো।

দেশের রাজনৈতিক ‘বিপদভঞ্জন’ করতে তত্ত¡াবধায়ক সরকারের মাধ্যমে স্বৈরাচার হটিয়ে ‘গণতান্ত্রিক সরকার’ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে যে উদ্যোগ গ্রহণ করল তা ব্যথর্ হলো কারণ সাম্প্রদায়িকতার আশ্রয় নিল বতর্মান সরকার; সেখানে তত্ত¡াবধায়ক পদ্ধতি বাতিল করলেও সেটাই এখন গলার কঁাটা হয়ে বিঁধে আছে। এ কারণেই বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল সাধারণ নিবার্চনে অংশগ্রহণ করতে চাইছে না। বিএনপি-জামায়াত জোট তত্ত¡াবধায়ক বা এ ধরনের কোনো অন্তবর্তীর্কালীন সরকারের মাধ্যমে নিবার্চন চাইছেন। কিন্তু বতর্মান সরকার সংবিধান মেনে চলার কথা বলছে। তাতে দুই বৃহৎ দলে কিংবা জোট-মহাজোটে বিরোধিতা নিরন্তর চলছে। তবুও বিএনপি-জামায়াত জোট নিবার্চন এবার করবেই এমন আশ্বাস দিচ্ছে এবং জনগণকে তাদের দাবি শুনিয়ে সরকারকে বাধ্য করতে চাইছে; কিন্তু কোনো আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত করতে পারছে না। পারছে না কারণ হলো সরকার এদের কোনো সমাবেশ, জনসভা করতে দিচ্ছে না। কিন্তু বিএনপি যদি স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য নিবার্চন চায়, তাহলে কেবল ঘরে বসে বক্তব্য দিলেই হবে না, তাদের জনগণকে সংগঠিত করে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। বিএনপি মনে করছে, মানুষের অধিকার অজির্ত হবে না, বতর্মান সরকারের মাধ্যমে নিবার্চন হলে, তা স্বচ্ছ তো হবেই না বরঞ্চ একপেশে হয়ে যাবে নানা কৌশলে। সেখানে বিএনপি কেন আন্দোলনকে জনগণের মধ্যে বিস্তার করতে ব্যথর্ হচ্ছে? কেন জনগণ বা তাদের যে সমথর্ক গোষ্ঠী রয়েছে বলে দাবি করে, তাদের সংগঠিত করে ‘গণজোয়ার’ সৃষ্টি করতে পারছে না? আন্দোলনের কলাকৌশল পাল্টাতে হবে। মানুষে বিশ্বাস রাখতে হবে। সত্যিই যদি থাকে, তবে কেন এত ডর?
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে