logo
  • Wed, 14 Nov, 2018

  মোনায়েম সরকার   ২৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

জোট ও ভোটের রাজনীতি

১৯৮৬ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনামলে যে নিবার্চন হয় সেই নিবার্চনে বিএনপি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সরে দঁাড়ায় এবং খালেদা জিয়া তথাকথিত আপসহীন নেত্রীতে পরিণত হন। এই নিবার্চনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে ঠেকাতে ৪৮ ঘণ্টা মিডিয়া ক্যু করে জাতীয় পাটির্ নিবার্চনের ফলাফল উল্টে দেয়। এই নিবার্চনে জাতীয় পাটির্ পায় ১৫৩টি আসন, ভোট পায় ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ। মিডিয়া ক্যু না হলে নিবার্চনের ফলাফল আওয়ামী লীগের পক্ষেই যেত। একটি কথা না বলে পারছি না, সেটা হলো এখন যেসব সুজন-কুজন করছেন তারা তখনো ছিলেন, কিন্তু আমির্র ভয়ে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, তখন সাহস করে একটি কথাও বলেননি। ১৯৮৮ সালে আবার এরশাদের অধীনে নীল নকশার নিবার্চন অনুষ্ঠিত হয়।

জোট ও ভোটের রাজনীতি
বতর্মানকালের রাজনীতিতে একটি বিষয় লক্ষণীয় তা হলো, সমমনা দলের সঙ্গে নিবার্চনী জোট গঠন। জোট ছাড়া আজকাল ভোট হয় না বলেই মনে হচ্ছে। উন্নত দেশ হোক আর অনুন্নত দেশ হোক সবখানেই এখন জোটবদ্ধ হয়ে নিবার্চনে লড়ছে রাজনৈতিক দলগুলো। একটি দল যতই উন্নয়ন করুক, মানুষের জন্য যত ভালো কাজই করুক না কেন, তবু নিবার্চন করতে হলে তাদের মনে দুশ্চিন্তা জাগে জয়ের নিশ্চয়তা নিয়ে। বাংলাদেশে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নিবার্চন, ভারতবষের্র বিজেপি ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট নিবার্চন, জামাির্নর বতর্মান ক্ষমতাসীন অ্যাঙ্গেলা মাকের্লও জোটবদ্ধ নিবার্চনেরই ফসল। অথার্ৎ প্রাচ্য বলি আর প্রতীচ্য বলি, সবখানেই জোটবদ্ধ হয়ে নিবার্চনের রেওয়াজ চালু হয়েছে। এটা এক অথের্ ভালো লক্ষণ, আবার আরেক অথের্ খারাপও বটে। ভালো এই অথের্ যে শরিক দলের চাপে নিবাির্চত সরকার যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারে না। তাদের সব সময় একটি সতকর্ অবস্থার মধ্যে থাকতে হয়। উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়। জোটের খারাপ দিক হলোÑ যেসব দলের ১ শতাংশও ভোট নেই, এককভাবে নিবার্চন করলে যাদের পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা শত ভাগ, সে সব ছোট দলকেও অনেক সময় বেশি গুরুত্ব দিতে হয়। ক্ষমতার ভাগ দিয়ে তাদের বশে রাখতে হয়। শরিক দলের প্রেসারে বৃহৎ দলটি সারাক্ষণ মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে থাকে। ছোট ছোট দলের নেতাদের ব্যথর্তাও বড় দলটিকে বহন করতে হয়। ছোট দলের কমর্কাÐের দায়ভার বড় দলের ঘাড়ে এসে পড়ে।

আমি বিশ্বরাজনীতি নিয়ে কথা না বলে আজ বাংলাদেশের জোট ও ভোটের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চাই। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নিবার্চনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এককভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অজর্ন করেছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যেসব জেনারেল ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং তাদের নেতৃত্বে যে দল গঠিত হয়Ñ সেসব দলও বিপুলসংখ্যক আসন নিয়ে এককভাবে সরকার গঠন করে। গণআন্দোলনের ফলে জেনারেলদের যুগের অবসান হয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় এগোতে থাকে বাংলাদেশ। গণতান্ত্রিক ধারায় এগোনোর মুহূতের্ই জোটের রাজনীতি শুরু হয় বাংলাদেশে। সেই ধারা এখনো বতর্মান। কেন বাংলাদেশে জোটনিভর্র রাজনীতি চলছে? কেন একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যেতে পারছে নাÑ সেসব বিশ্লেষণ করতে গেলে অনেক পেছনের ইতিহাস ধরে টান দিতে হবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে পঁচাত্তরের পরে যে দুটি রাজনৈতিক দল দীঘির্দন ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল সেগুলো ছিল কৃত্রিম ও জনবিচ্ছিন্ন দল। ক্ষমতায় আসীন থাকাকালে জেনারেল জিয়া প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিএনপি আর পরে জেনারেল জিয়ার ভাবশিষ্য জেনারেল এরশাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জাতীয় পাটির্। বিএনপি মূলত রাজাকার, আলবদর, আল শামস, ন্যাপ, সুবিধাবাদীদের নিয়ে গঠিত পাকিস্তানি নীতি-আদশের্ বিশ্বাসী পাটির্। ক্যান্টনমেন্টের অন্ধকার কুঠুরিতে জন্ম নেয়া এই দলটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য শুধু হুমকি নয়, বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই এরা বিশ্বাস করে না। বিএনপি জোটবদ্ধ না থাকলে তাদের পক্ষে আর ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস যারা জানেন, তারা নিশ্চয়ই মনে করতে পারেন পঁচাত্তর পরবতীর্ জিয়া সরকার ছিল অবৈধ। এই অবৈধ জিয়া সরকার সারাদেশে সৃষ্টি করেন এক দুবির্ষহ আতঙ্ক। তার সীমাহীন নিযার্তনে জেলখানা ভরে যায় আওয়ামী লীগের নেতাকমীর্ দ্বারা। কেউ কেউ চলে যান আন্ডার গ্রাউন্ডে। আন্ডার গ্রাউন্ডেও যখন সঁাড়াশি অভিযান চালানো হয়, তখন তারা বাধ্য হয় হাতের মুঠোয় জীবন নিয়ে দেশ ত্যাগ করতে। জিয়ার ক‚টবুদ্ধিতে আওয়ামী লীগ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দুবর্ল হয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাযর্ক্রম। দুবর্ল আওয়ামী লীগকে উঠে দঁাড়াতে জোট গঠন করা একটি রাজনৈতিক কৌশল হয়ে দঁাড়ায়।

জিয়ার পরে আসে আরেক জেনারেল এরশাদ। এরশাদও আওয়ামী লীগের নেতৃকমীের্দর ওপর ভয়ঙ্কর নিযার্তন চালায়। তাই আওয়ামী লীগকে নিযার্তন করতে জিয়া ও বিএনপি যা যা করেছেÑ এরশাদ আর জাতীয় পাটির্ও তা-ই করেছে। বরং এরশাদের নিযার্তন কোথাও কোথাও জিয়াকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নিবার্চনে জনগণের প্রিয় পাটির্ আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন পায়, ভোট পায় ৮৯ শতাংশ। ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ পায় ২৯৩টি আসন, ভোট পায় ৭৩ দশমিক ২০ শতাংশ। ১৯৭৯ সালের নিবার্চনে জেনারেল জিয়া প্রতিষ্ঠিত বিএনপি পায় ২০৭টি আসন এবং ৪১ দশমিক ১৬ শতাংশ ভোট আর আওয়ামী লীগ পায় ৩৯টি আসন এবং ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ ভোট। এখানে লক্ষ্য করার মতো একটি ব্যাপার হলোÑ ঘাতকের হাতে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার আগেও যে আওয়ামী লীগের ভোট ছিল ৭৩ দশমিক ২০ শতাংশ, তার মৃত্যুর পরে তার ভোটার সংখ্যা কীভাবে ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশে নেমে যায় আর হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা সেনাশাসক জেনারেল জিয়ার বিএনপি পায় ৪১ দশমিক ১৬ শতাংশ ভোট তা একটু ভেবে দেখা দরকার।

১৯৮৬ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনামলে যে নিবার্চন হয় সেই নিবার্চন বিএনপি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সরে দঁাড়ায় এবং খালেদা জিয়া তথাকথিত আপসহীন নেত্রীতে পরিণত হন। এই নিবার্চনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে ঠেকাতে ৪৮ ঘণ্টা মিডিয়া ক্যু করে জাতীয় পাটির্ নিবার্চনের ফলাফল উল্টে দেয়। এই নিবার্চনে জাতীয় পাটির্ পায় ১৫৩টি আসন, ভোট পায় ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ। মিডিয়া ক্যু না হলে নিবার্চনের ফলাফল আওয়ামী লীগের পক্ষেই যেত। একটি কথা না বলে পারছি না, সেটা হলো এখন যেসব সুজন-কুজন করছেন তারা তখনও ছিলেন, কিন্তু আমির্র ভয়ে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, তখন সাহস করে একটি কথাও বলেননি। ১৯৮৮ সালে আবার এরশাদের অধীনে নীল নকশার নিবার্চন অনুষ্ঠিত হয়। এই নিবার্চনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কেউই অংশ নেয়নি। এই নিবার্চনে জাতীয় পাটির্ ২৫১টি আসন, ভোট পায় ৬৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ফ্রিডম পাটির্ তথা কিলার পাটির্ পায় দুটি আসন আর আ স ম আবদুর রব ১৯টি আসন পেয়ে বিরোধী দলীয় নেতা হন। একটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার যে, সেনাশাসকরা যাদের পছন্দ করেছেন তাদেরই হয় তাদের দলে নিয়েছেন, নয়তো বিরোধী দল বানিয়েছেন। এর ফলে বাংলাদেশের মূলধারার রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিঘœ হয়েছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। তৈরি হয়েছে ছোট ছোট ব্যক্তিপ্রধান দলের। এই ছোট দলগুলোই পরে বৃহৎ দলের ঘাড়ে চড়ে বসে।

১৯৯১ সালে সবর্দলীয় রাজনৈতিক পাটির্র অংশগ্রহণের মাধ্যমে যে নিবার্চন অনুষ্ঠিত হয় তাতে বিএনপি পায় ১৪০টি আসন, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আসন এবং জাতীয় পাটির্ পায় ৩৫টি আসন। এই নিবার্চনের ভোটের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় বিএনপির বাক্সে পড়ে ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট আর আওয়ামী লীগ পায় ৩৩ শতাংশ ভোট, জাতীয় পাটির্ পায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ ভোট। জামায়াত পায় ১৮টি আসন। জামায়াত-বিএনপির সিট এলাইন্সের ফলে বিএনপি ১৯৯১ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে সরকার গঠন করে।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রæয়ারি আবার এসে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নিজের অধীনে আয়োজন করে ষড়যন্ত্রের নিবার্চন। এই নিবার্চনে বিএনপি পায় ২৭৮টি আসন, ফ্রিডম পাটির্ পায় একটি এবং স্বতন্ত্র পাটির্ পায় ১০টি আসন। কিন্তু খালেদা জিয়া গণ-আন্দোলনের মুখে শেষ রক্ষা করতে পারেননি। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে তিনি নিদর্লীয় নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নিবার্চন দিতে বাধ্য হন।

এই নিবার্চনেই আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসন এবং ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে একুশ বছর পরে অথার্ৎ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পরে ক্ষমতায় আসীন হয়। ২০০১ সালের নিবার্চনে বিএনপি পায় ১৯৩টি আসন এবং ৪০ দশমিক ৮৬ শতাংশ ভোট, আওয়ামী লীগ পায় ৬২টি আসন এবং ৪০ দশমিক ২১ শতাংশ ভোট। অথার্ৎ এই নিবার্চনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ প্রায় সমসংখ্যক ভোট পেলেও আসন সংখ্যায় বিএনপি এগিয়ে থাকে। এবারও জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতের ৪ দশমিক ২৯ শতাংশ ভোট নিয়ে এবং ১৭টি আসন নিয়ে বিএনপি এগিয়ে যায়। ২০০১ সালের নিবার্চনে জয় লাভ করে বিএনপি আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার নানামুখী ষড়যন্ত্র করে, রাজাকারদের মন্ত্রী বানায়, বাংলা ভাই সৃষ্টি করে এবং দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটায়। বিএনপির রক্তলোলুপ চক্রান্তে নিহত হতে তাকে আওয়ামী লীগের শত শত নেতাকমীর্। শেখ হাসিনাও বহুবার মৃত্যু ঝুঁকি থেকে বেঁচে যান।

বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে যেমন ক্ষমতা ছাড়তে চায়নি তেমনি ২০০১ সালে ক্ষমতা পেয়েও তারা মেয়াদ পূণর্ করে ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা শুরু করে। এরপর আবিভ‚র্ত হয় আমির্ সমথির্ত তত্ত¡াবধায়ক সরকার। তারাও দুই বছর গণতন্ত্রকে জিম্মি করে রাখে। চেষ্টা চালাতে থাকে দুই নেত্রীকে মাইনাস করার। কিন্তু গণ-আন্দোলনের মুখে তারাও বাধ্য হয় ২০০৮ সালে অবাধ সুষ্ঠু নিবার্চন দিতে। এই নিবার্চনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ঐতিহাসিক বিজয় অজর্ন করে এবং মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধের আদশের্ বাংলাদেশকে গড়ে তোলার কাজে মনোনিবেশ করে। দেশে এখন সেই ধারাই অব্যাহত আছে। ওপরের বিশেষণ থেকে একটি বিষয় প্রতীয়মান হয়েছে যে, যখনই বাংলাদেশে অবাদ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নিবার্চন হয়েছে তখনই আওয়ামী লীগ বা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট জয়ী হয়েছে। এ ধারা ১৯৭০ থেকে শুরু হয়ে ২০১৪ পযর্ন্ত বিদ্যমান।

দুঃসময়ে জোট গঠন করেন নিবার্চন করতে হয় বলে চিরদিনই জোটের মুখের দিকে চেয়ে থাকলে ভুল হবে। জোটবদ্ধ হয়ে থাকলে একটি দল কখনো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। তাদের রাজনৈতিক ও দলীয় শক্তি জনতার সামনে প্রদশর্ন করতে পারে না। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের আমলেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অথৈর্নতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি হয়েছে। আওয়ামী লীগকে ভাবতে হবে তারা একটি সবল দল। শুধু জোটের শক্তিতে ভর করে নয়, প্রয়োজনে তাদের ‘একলা চল’ নীতিও গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন তাদের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও জোরদার করা। ২০০ আসন নিশ্চিত না করে আওয়ামী লীগের বিশ্রাম নেয়া ঠিক হবে না। যেভাবে ২০০ আসন নিশ্চিত করা যায় সেই পরিকল্পনাই আওয়ামী লীগ গ্রহণ করতে হবে এবং এটা ধরে রাখতে হবে। দলীয় ভিত মজবুত হলে আওয়ামী লীগের একার পক্ষে ২০০ আসন পাওয়া মোটেই কোনো কঠিন কাজ নয়। আওয়ামী লীগের উচিত হবে ছদ্মবেশী, পল্টিবাজ শরিক দলের ওপর সতকর্ দৃষ্টি রেখে আগামী নিবার্চনে দলের সৎ, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মনোনয়ন দেয়া এবং সাংগঠনিক কাযর্ক্রম বেগবান করে ২০০ আসনের লক্ষ্যে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

লেখক : রাজনীতিক ও কলাম লেখক
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে