logo
সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

  অনলাইন ডেস্ক    ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

সংবাদ সংক্ষেপ

বুটেক্সে ভর্তি পরীক্ষা ১৫ নভেম্বর

য় ক্যাম্পাস ডেস্ক

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি হতে জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতিতে সর্বনিম্ন জিপিএ ৪.৫০ এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উচ্চতর গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে আলাদা আলাদাভাবে নূ্যনতম জিপি ৪.০০ এবং কমপক্ষে সর্বমোট জিপিএ ১৮ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। এসময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ২০০ টাকা দিয়ে টেলিটক প্রি-পেইড সিম ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রাথমিকভাবে ভর্তি আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনকৃতদের মধ্য থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে সর্বমোট ১০ দশ হাজার জনকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বাছাই করা হবে। বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের আবার ৮০০ টাকা প্রদান করে আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (িি.িনঁঃবী.বফঁ.নফ) থেকে ভর্তি প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

গত বছরের মতো এ বছরেও সর্বমোট ৪টি বিষয়ের ওপর (পদার্থ-৬০, রসায়ন-৬০, গণিত-৬০, ইংরেজি-২০) মোট ২০০ নম্বরের ২ ঘণ্টা লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে ৪০% (কোটাসহ সবার জন্য প্রযোজ্য) মার্কস পেতে হবে।

লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের ওপর ১০০ নম্বর যোগ করে আগামী ৭ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। এবছর বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পাঁচটি অনুষদের অধীনে দশটি বিভাগে সর্বমোট ৬০০ জন (কোটা-১০ জন) শিক্ষার্থী বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাবে।

শেকৃবিতে পানের গোড়াপচা প্রতিরোধী জাত শনাক্ত

য় ক্যাম্পাস ডেস্ক

আবহমানকাল থেকেই দেশে পানপাতা মোটামুটি সব বয়সী মানুষের কাছে সমাদৃত হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে পান একটি অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসেবে বিবেচিত। তবে পান উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গোষ্ঠীকে সচরাচরই পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। মৃত্তিকাবাহিত গোড়াপচা (ফুট অ্যান্ড রুটরট) রোগ এ দুর্ভোগের অন্যতম কারণ।

৪-৫ বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা বিশাল পানের বরজ নিমিষেই বিনষ্ট করতে এ রোগ আবির্ভূত হয় যমদূতরূপে। সম্প্রতি রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এক গবেষণায় লালডিঙ্গি নামক স্থানীয় একটি পানের জাত শনাক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণরূপে পানের রোগ প্রতিরোধী। শেকৃবি উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটর (বারি) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, গবেষণাকারী দল প্রথমত ৫ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৩টি স্থানীয় পানের জাত সংগ্রহ করে প্যাথোজেন আইসোলেশনের মাধ্যমে একই ক্ষতিকর জীবাণুর ২০ থেকে ২৫টি ধরন শনাক্ত করেন।

গবেষণাকালীন সময়ে গোড়াপচা রোগে আক্রান্ত গাছ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় বরিশালের গৌরনদীতে ও চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় সবচেয়ে কম। চলমান এ গবেষণা থেকেই পরবর্তীতে 'লালডিঙ্গি' নামক একটি স্থানীয় জাত শনাক্ত করতে সক্ষম হন গবেষকদল যা সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট রোগ প্রতিরোধী।

গবেষকদলের প্রধান ড. রফিক জানান, ছত্রাকজনিত এ রোগ সরাসরি পানগাছের মূলে আক্রমণ করে বিধায় মূল পচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। ক্রমেই গাছের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তিক প্রক্রিয়াতেও ব্যাঘাত ঘটে ফলে গাছ মরে যায়। এসময় তিনি আরও বলেন, ভেজা ও সঁ্যাতসেঁতে আবহাওয়ায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি ঘটে। সার্বিক সহায়তা পেলে জাতটির উন্নয়নকল্পে ধারাবাহিক আরও কিছু কাজ সমাপ্ত করে পানচাষিদের কল্যাণে একটি নতুন উন্নত জাত অবমুক্ত করা হবে।

জাবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

য় ক্যাম্পাস ডেস্ক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারারোপণ করা হয়েছে। ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশেদা ইয়াসমিন শিল্পী, বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক ড. নাজমুল আলম, অধ্যাপক ড. মোহা. তালিম হোসেন, অধ্যাপক ড. নুহু আলম ও অধ্যাপক ড. আবদুল হালিম। এ ছাড়া কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, পাখি বিশেষজ্ঞ ড. ইনাম আল হক, সাহানা চৌধুরী, লারলা আহমেদ ও ব্যাংকের সাতজন বোর্ড মেম্বারসহ ২৩ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড ও তরুপলস্নব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে