logo
মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬

  আইন ও বিচার ডেস্ক   ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

জা র্মা নি

কাবাব তৈরিতে ৩১ বছর আগের ফেডারেল নির্দেশিকা কার্যকরের সিদ্ধান্ত

কাবাব তৈরিতে ৩১ বছর আগের ফেডারেল নির্দেশিকা কার্যকরের সিদ্ধান্ত
ডোনার কাবারের মাংসে ফসফেট অ্যাডেটিভ ব্যবহার করায় জনপ্রিয় এই কাবাবের নাম পরিবর্তন করতে পূর্ব জার্মানির শহর ভাইমারের রেস্তোরাঁগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিন দশকেরও বেশি পুরনো একটি নীতিমালা অনুসরণ করে রেস্তোরাঁগুলোকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। এ নিয়ে রেস্তোরাঁর মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ডোনার কাবাবের নাম পরিবর্তন করে ভাইমারের কাবাব রেস্তোরাঁগুলোকে তাদের খাবারের মেনু্যর নামও বদলে ফেলতে আদেশ দিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। জার্মানিতে ডোনার নামে পরিচিত কাবাবকে ঠিক কীভাবে তৈরি করা হবে তা নিয়ে ৩১ বছর আগের ফেডারেল নির্দেশিকা কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা এই আদেশ দেয়।

১৯৮৮ সালে দেশের খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের খাদ্য উপদেষ্টা প্যানেল মাংস ও মাংসজাতীয় পণ্যের জন্য গাইড লাইনের অধীনে সুপারিশ করেছিল, ডোনার কাবাবকে অবশ্যই নির্দিষ্ট বিধি মেনে চলতে হবে। এটি ভেড়া বা গরুর মাংস দিয়ে তৈরি করতে হবে এবং এতে মাংসের পরিমাণ ৬০ শতাংশের বেশি হবে না; এর সঙ্গে শুধু লবণ, ডিম, মসলা, তেল, পেঁয়াজ, দুধ এবং দই যোগ করা যাবে।

কিন্তু কারখানায় প্রক্রিয়াজাত ডোনার কাবাবের মাংসে স্বাদবর্ধক উপাদান থাকায় এটি খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারছে না। ফলে ভাইমার খাদ্য পরিদর্শন অফিস বলছে, কেবল এই কাবাবের নাম পরিবর্তন করলেই ভোক্তাদের বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা যাবে। শহরের রেস্তোরাঁ মালিকররা এই নির্দেশনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, গ্রাহকরা এখনো ডোনার কাবাব চাইতে আসে। এই পোড়া মাংসের চাহিদাও বেশ।

ডোনার কাবাব তৈরিতে নিম্নমানের উপাদান এবং ফসফেট অ্যাডেটিভ ব্যবহার করে এর আগেও সমালোচনার মুখে পড়েন রেস্তোরাঁগুলোর মালিক। তবে তারা যুক্তি দেন, মাংসকে কোমল ও সুস্বাদু রাখতেই তারা এই উপাদান ব্যবহার করেন। যদিও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফসফেট খেলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

দুই বছর আগে ইউরোপীয় সংসদের সংসদ সদস্যরা কাবাব তৈরির জন্য ব্যবহৃত জাতীয় মাংসে ব্যবহৃত ফসফেটগুলো নিষিদ্ধের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেন। তবে গত জুন মাসে ইউরোপীয় খাদ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ ফসফেট সেবনের জন্য নতুন নিরাপদ সীমা জারি করে এবং সতর্ক বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে দেয়।

প্রক্রিয়াজাত মাংস ছাড়াও মাছের বিভিন্ন পণ্য, কিছু পনির, সস, পুডিং বা কেকের মধ্যেও ফসফেট পাওয়া যায়।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে