logo
মঙ্গলবার ২০ আগস্ট, ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

  সাঈদ সাহেদুল ইসলাম   ১০ মে ২০১৯, ০০:০০  

রান আউট

রান আউট
শেয়ান মেয়েটাকে নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই জোহরার। মেয়েটির বয়সে বিয়ের বহর ফুটেছে। চোখ দুটি তার শিল্পীর সৌন্দর্যে আঁকা। সুন্দরী তো বটেই। জোহরা বেশ বুঝতে পারে তার মেয়ে মণির সৌন্দর্যের কদর হবে না। অভাবের টনটন ব্যথায় চিন্তাগুলো গুলিয়ে গেলে চোখে পড়ে সাত বছরের ছেলে টুটুল গাছের বাকল দিয়ে তৈরি ব্যাট নিয়ে ছুটছে। জোহরা ধমকায় ছেলেকে 'শুন টুটুল, দুপরি অইদোৎ ওজা থাকি বার্ইযাৎ যাইস না কয়া দিনু।'

টুটুল দাঁড়িয়ে যায়। আর বোধ হয় ক্রিকেট খেলা হবে না। জোহরা ক্রিকেট বোঝে না। বোঝে অভাব। ছেলেটা কদিন থেকে একটি টেনিস বল চাচ্ছে। কিনে দিতে না পারায় ছেলেকে বলে 'উগল্যা খ্যালে লাব কী বাহে? অমজান মাসি দেনোৎ আন্দাজি ফাউরা দি ডাঙাডাঙি না করি ঘরৎ বসি আরাম কর।'

এটা একান্ত কথার কথা। জোহরার ঘর আছে কিন্তু খড়ের ছাউনি খুলে পড়েছে। ওটাই ছিল তার স্বামীর শেষ চিহ্ন। কোলের মেয়ে বকুলের জন্মের পরপরই স্বামী মারা গেলে তিন বছর ওটা মেরামত করা হয়নি। স্বামীর কথা মনে হতেই অবুঝ বকুলকে কখনো বলে 'তুই দুনিয়্যাৎ আসিয়্যায় তোর বাপটাক খালু?'

টুটুলের মুখ শুকনো। তবু তাকে রোজা থাকতে হয়েছে। তার তৈরি ব্যাটটার দিকে একবার তাকিয়ে মাকে ভোলানোর চেষ্টা করে সে 'মা, মোক আর এ্যালা বল নাগবার নয়, মুই ন্যাচরার ওপর অবার পল্টেয়া সোন্দর একটা বল বানাইচোঁ। মোর না এ্যাইট্যায় ভাল্‌।'

কথাটা বলেই দুপা আগানোর চেষ্টা করে টুটুল। জোহরা দ্বিতীয়বার নিষেধ না করায় বেরিয়ে যায় সে। ছেলেটার বেশ ক্রিকেট বাতিক। ধান কাটা শেষ হওয়ায় পাড়ার ছেলেরা দূরের স্কুলের মাঠে না গিয়ে জমি চাষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই ক্রিকেট খেলবে। কোনো অনুশীলন ছাড়াই তাদের কেউ বিখ্যাত খেলোয়াড় বন্ধুদের কাছে। যে একটু ভালো খেলে ভাগাভাগিতে দু'পক্ষই তাকে দলে নিতে জোর চেষ্টায় লিপ্ত।

বয়সের চেয়ে ক্রিকেটে একটু বেশি দক্ষ টুটুল। খেলার সঙ্গী জলিলের কথার প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে রাজন বলে 'টুটুল হামার পাকে খেলাইবে। তুই ইন্দ্রক নে।'

'তোর পাকে ভাল্‌ পেলেয়ার। তায় হবান্নয়। টুটুল মোর পাকে থাকপে।' প্রতিপক্ষ দলের জলিল তার পক্ষে টুটুলকে দাবি করে। দু'দলের মধ্যে তর্কের দর কষাকষি চলছে।

'ওয় জইল্যা, মুই না হয় ব্যাট ভালোয় করোঁ, কিন্তু তোর পাকে তো ফির ইন্দ্র বল ভাল্‌ করবে। দুইজন দুইপাকে থাকি। টুটুল ন্যায় বিচারকের মত গলা বাড়ায়।

'হয় রে জইল্যা মানি নে। মুই তোর পাকে আচুঁ।' ইন্দ্র সাহস দেয় জলিলকে।

যেদিন ভালো খেলে সেদিন মায়ের সামনে বেশ গল্প জুড়িয়ে দেয় টুটুল 'মা, আইজ না মুই হাফ সেঞ্চুরি কচ্চুঁ। আর ক্যাচ ধরি আউট কচ্চুঁ তিনজোনকাক। খুব ভাল্‌ করি ফিল্ডিং দিচুঁ।' নিজের ভেতর জমা করে রাখা খুশিটুকু মায়ের সাথে ভাগাভাগি করে নেয় টুটুল।

ছেলের কথা গায়ে না নিয়ে জোহরা বলে 'শুন টুটুল, আইজ বিক্যালে বেলে টাউনের বাশার উকিলে হামার গেরামোৎ এদের শ্যামাই, চিনি দেবে। ছাবিয়ার বাপ এ্যাকান কাড দিয়া গ্যাইচে।'

'এদের আর কয়দিন আচে মা?' ঈদের আনন্দে টুটুলের মন নড়ে ওঠে।

'উনত্রিশ ওজা হইলে সাতদিন আর তিরিশ হইলে আট।' জোহরার উত্তর।

নিজের তৈরি করা বলটা বাম হাত দিয়ে একটু উপরে ঢিল মেরে ডান হাতের ব্যাট দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আঘাত করছে সে। বলে 'এবার এদোৎ মুই একটা নয়া বল কিননু হয়। মোরটে দুই টাকা আছে। ইন্দ্র কইচে আরও পোনরো বিশ টাকা নাগবে।'

'তুই ক্যানবা খুব ফ্যাদলা পারিস বাহে।' ঝাঁজ মেশানো কণ্ঠ জোহরার।

মা তার চাহিদার প্রতি গুরুত্ব না দেয়ায় টুটুলের মুখে কালি মাখা রাতের পরিবেশ ফুটে ওঠে।

জোহরা আবার বলে 'শুন মুই কাড়িয়া আইন্‌ব্যার তগনে অহিমুদ্দির বাড়ি গ্যানু। মোর আইস্যা দেরি হইলে তোর মণি বু'র কাছ থাকি কাডখ্যান নিয়া শ্যামাই, চিনি আনিস যায়া। এদোৎ খামো।'

জোহরা ভাবছে ঘরটার চালটা মেরামত করতে হবে। ঈদের পরে পাড়ার রহিমুদ্দিন মিয়া মণির বিয়ের জন্য একজন পাত্রকে নিয়ে আসবে বলেছে। আজ তার সাথে এ ব্যাপারে কথাটা একটু এগিয়ে নেবে সে।

রহিমুদ্দিন মিয়া অবশ্য ও পাড়ার মুস্তাবার মতো নয়। দুজনের মধ্যে আকাশসীমা ব্যবধান। মুস্তাবা লোকটি হাড়ে হাড়ে বদমায়েশ। গত মাসে সে এসেছিল এক সম্বন্ধ নিয়ে। জোহরাকে বলেছিল হাজার বিশেক টাকা জোগাড় করতে। মেয়ের সুখের জন্য বহু কষ্টে পোষা গরুটা বিক্রি করে দশ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছিল সে। বাকিটা কোথায় পাবে সে জানে না। কষ্টে সিদ্ধ হয়েছিল তার মন।

মুস্তাবা বলেছিল ছেলে তার পরিচিত। খুব ভালো ছেলে। কিন্তু বিয়ের মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে সত্য ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বড় বেঁচে গিয়েছে জোহরা। এখন ভাবছে অল্পের জন্যই সে পাহাড় খুঁজে বেদনা আনছিল প্রায়। জানা গেছে ছেলেটি বিভিন্ন জায়গায় সাত আটটা বিয়ে করেছে। বউদের বিভিন্ন জায়গায় রেখে অবশেষে সবাইকে একসঙ্গে জড়ো করে পাচারকারীর হাতে তুলে দিতে গিয়ে ধরা পড়ে এখন পেটে জেলের ভাত হজম করছে দুজনেই। মাঝে মাঝে মুখ বিড়বিড় করে মুস্তাবাকে অভিশাপ দেয় জোহরা 'খবিসের বাচ্চা খবিস। ঝ্যান জেল থাকি খালাস না পায়। না হইলে মানসোক অঁয় ফির জ্বলাইবে।' মণির বিয়ের চিন্তায় মুখে তার যন্ত্রণার দাগগুলো কখনো কখনো অগ্নিফুলকি হয়ে ওঠে।

আসর নামাজের পূর্বে কার্ড হাতে নিয়ে সেমাই চিনি আনতে তকিটারীর দিকে হাঁটতে থাকে টুটুল। ইদানীং দিনের বয়স বেড়েছে। বিকেলের আকাশে দসু্য রোদের ভ্যাপসা গরম। রোজা থাকা কষ্ট হয় তার। কিন্তু সেমাই, চিনি পাওয়ার আশায় বুকে বল আসে। পায়ে শরীরে শক্তি বেড়ে যায়।

অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছে। টুটুল লাইনে দাঁড়াতেই বিতরণ শুরু হয়ে গেছে। বাশার সাহেবের সাথে পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শাকিল এসেছে। টুটুল ভাবছে তার ছবি যদি পেপারে ছাপা হতো।

ফ্ল্যাস পড়ল ক্যামেরায়। সেটার প্রতি টুটুলের সরস চাহনি। কখনো বা দৃষ্টি শাকিলের প্রতি। সবকিছু শৃঙ্খলামাফিক হওয়াতে কম সময়েই বিতরণ কার্য শেষ হয়েছে। টুটুল সেমাই চিনি পেয়ে খুব খুশি। ঈদের অপেক্ষায় না থেকে সে আজই ইফতারের সময় সেমাই খাবে ভাবছে। সাংবাদিক শাকিলের ক্যামেরায় টুটুলের আগ্রহ বেড়েই চলছে। সে যদি সেটা নেড়ে দেখতে পারত।

টুটুল সাংবাদিকের দিকে এগিয়ে যায়। দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিকের ক্যামেরাটায় হাত দেয় সে। পৃথিবী জয় করার মতো আনন্দে নেচে ওঠে একবার।

'কী ছেলে?' সাংবাদিক শাকিল তার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে 'নাম কী?'

'টুটুল।' একটু থেমে উত্তর দেয় সে। ক্যামেরার দিকে তার অপলক দৃষ্টি।

'যাও, সেমাই পেয়েছ। এক্ষুনি রেঁধে খাও গিয়ে।'

'ওজা থাকলে দেনোৎ কিছু খাওয়া যায় না যে।' টুটুল সাংবাদিককে রোজা চিনিয়ে দিয়ে বোঝানোর ভঙ্গিতে বলে।

'ও তুমি এতটুকু ছেলে রোজা রাখো? কষ্ট হয় না?' প্রশ্ন শাকিলের।

'মাও কইচে উপাস থাকার চায়া ওজা থাকা ভাল্‌। আলস্নার সওয়াব পাওয়া যায়।'

টুটুলের জবাব শুনে আগ্রহ ভরে তার দিকে তাকান শাকিল। টুটুল নামটি তার বুকে অদৃশ্য অলঙ্কার হয়ে যায় মুহূর্তে। ভাবেন ওর একটা ছবি তুলে সুন্দর ক্যাপশনে টুটুলের মুখের কথাটা সাজিয়ে একটা সংবাদ লিখবেন তিনি।

'এই ছেলে চুপ করে দাঁড়াও তো। তোমার একটা ছবি তুলে নেবো।' কাঁধ থেকে ক্যামেরাটা নামান শাকিল।

কথা শুনে কাঁপছে টুটুল। ভয়ে না আনন্দে বুঝতে পারেন না শাকিল। সেমাই, চিনিগুলো ধপ করে মাটিতে রেখে সোজা হয়ে দাঁত মুখে চেপে দাঁড়ায় সে।

একটা ফ্ল্ল্যাশ পড়তেই টুটুল বলে ওঠে 'স্যার মোর ছবি কি পেপারোৎ ছাপা হইবে?'

'জি। আমি সুন্দর করে ছাপিয়ে দেবো।' শাকিলের সত্য ও সান্ত্বনাসূচক উত্তর।

'স্যার, পাশোৎ এ্যাকনা ন্যাকি দেন মুই ভালো কিরিকেট খ্যালবার পাঁও। আইজও মুই হাফ সেঞ্চুরি কচ্চুঁ। তিনজোনকাক ক্যাচ ধরি আউট কচ্চুঁ।' যেন খই ফুটছে টুটুলের ঠোঁটে।

'ও, তুমি ক্রিকেট খেলতে পারো?'

'খুবে ভাল্‌ পাঁও। খ্যালার সময় সগাঁয় মোক দলোৎ নিবার চায়। টানাটানি করে। কোন সমায় মোর জন্তে লটারি করে। ঝাঁয় পায় তার পাকে খ্যালাঁও।'

শাকিল সব শুনে সংবাদ নোট লিখে নেন। টুটুলের আগ্রহ উৎসাহ সবকিছু বেড়ে যায় মুহূর্তে। মুখে তার আলো অভিধান ফুটে উঠেছে।

বাশার সাহেব কারে উঠে বসেছেন। শাকিল এগিয়ে যাচ্ছেন সেদিকে। হঠাৎ টুটুল পেছন থেকে ভয়ে ভয়ে দৌড়ে এসে জিজ্ঞাসু চোখ নিক্ষিপ্ত করে শাকিলের প্রতি। শাকিল তাকে লক্ষ্য না করাতে টুটুল বলে 'স্যার মোর ছবি কোনদিন পেপারোৎ ছাপা হইবে?'

শাকিলের কানে কথাটা পৌঁছে যাবার আগেই কারের হর্ন বেজে ওঠে। তবুও টুটুলের মুখে শোকাভিভূত সুখ খেলা করে ওঠে তার ছবি পত্রিকায় ছাপা হবে ভাবনায়।

ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে বাসায় ফেরে টুটুল। রাতের খাবার শেষে জোহরাকে সব বর্ণনা করা শেষ করেছে সে। ঈদে তাকে একটা টেনিস বল কিনে দিতে হবে শুনে জোহরা বলে 'দুর বাহে, তুই ক্যানবা ঘুরি উল্টি এ্যাকে ফ্যাদলা পারিস! উগল্যা খ্যালে হামার লাব কী?'

'মা মুই প্যান, শার্ট, গেঞ্জি জুতা কিছুই নিবান্ন। খালি একটা বল।'

'ঝিৎ করি নিন্দ্‌ আয় এ্যালা'। দিনের খাঁটুনিতে জোহরার শরীরে ক্লান্তি বেড়ে গেছে।

টুটুলের বাসনা বিসর্জনে যাওয়ায় অভিমানের থলেটা ভারী করে টুটুল।

স্কুলের মাঠে সাজ সাজ রব। হাজারও রঙিন কাগজে রশিগুলো বাতাসে উড়ছে। অনেক দর্শক। সবমিলে মাঠের চেহারায় নবযৌবনের ছাপ ফিরে এসেছে। ব্যাট করছে টুটুল। জোহরাও এসেছে ছেলের খেলা দেখতে। অনেক দর্শকের মাঝে গর্বিত খেলোয়াড়ের মা সে। গর্বে বুক ফুলে যাচ্ছে তার। ছেলে তার ক্রিকেট পিছে দাঁড়াতে পারে এতদিন বোধের বাইরে ছিল।

পাশের একজন দর্শক আরেকজনকে বোঝাচ্ছে খেলাটা 'ক্রিকেটের সঙ্গে জীবনের অনেক মিল বুঝলে? ঘাত এবং প্রতিঘাত। ঘাত হচ্ছে বল করা। ঘাত দুর্বল হলে রানের সংখ্যা বেড়ে যায়। জীবন টিকে থাকে। আর প্রতিঘাত হচ্ছে বলারদের ব্যাটের মাধ্যমে সমুচিত জবাব দেয়া। উইকেট রক্ষা করা। স্ট্যাম্প তিনটি হচ্ছে হার্টের মতোই। আঘাত লাগলেই শেষ। তাই হার্টকে বাঁচানোর জন্য ব্যাটসম্যানদের আপ্রাণ চেষ্টা। আবার জীবনে ফাউল কাজ করলে যেমন ধরা খেতে হয়, তেমনি ফাউল মারলে ক্যাচে আউট। আবার ধরো, আমাদের প্রত্যেকেরই একটা নির্দিষ্ট গন্ডি বা সীমা থাকে, সেটা হচ্ছে ব্যাট হাতে নিয়ে দৌড় দেয়া, রান নেয়া। যতটা রান নেয়া সম্ভব তার বেশি নিতে গেলেই সীমা লঙ্ঘন। আর সীমা লঙ্ঘন মানেই পতন, বুঝলে তো?'

জোহরা লক্ষ্য করে টুটুল দৌড়াচ্ছে এ পাশ থেকে ওপাশ। ঠোঁটমুখ শুকনো পাতার মতো রসহীন। দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁফিয়ে উঠে ব্যাটসহ পড়ে যায় টুটুল। জোহরা ছেলের নাম ধরে জোরে চিৎকার করতেই কোলের মেয়ে বকুল কেঁদে ওঠে বিছানায়।

পাশে ঘুমন্ত মণি ও টুটুল। জোহরার পাশে থাকার কারণে মণি সহজে জেগে উঠেছে। সেহরির সময় হয়েছে। বাইরে কাফেলা দলের আহ্বান।

স্বপ্নে ক্রিকেটের সাথে জীবনের মিলবিষয়ক শোনা গল্পটা জোহরার বুকে এক নিশ্চিত বিশ্বাসী দুঃখ হয়ে ফুটে ওঠে। এ মুহূর্তে তার কাছে এ স্বপ্নের চেয়ে বড় সত্য আর কিছু নেই। তার মতো ব্যাটসম্যানের চারদিকেই বিপত্তি। ঘাত সইবার মতো শক্তি নেই তার। অভাব তাকে সৈন্যের মতো ঘিরে ধরেছে। সাথে মণির বিয়ের চিন্তাটা কাটা ঘায়ে লবণের মতো।

পাশে ঘুমের ঘোরে টুটুল কেঁদে-কেটে আবদার করছে 'মা, মোক একটা বল কিনি দে মা। মুই তোর কাছ থাকি আর প্যান, শার্ট, জুতা, মুজা কিচ্চুই চাবান্ন।'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে