logo
বুধবার ১৬ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫

  অনলাইন ডেস্ক    ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

সংবাদ সংক্ষেপ

চুলের জন্য কন্ডিশনার

উনিশ বিশ ডেস্ক

অনেক নারীই সিল্কি আর শাইনিং চুলের জন্য কন্ডিশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অনেকেই আবার নিয়মিত ব্যবহারের পরেও কাক্সিক্ষত ফলাফল পান না। ভালো মানের কন্ডিশনার নিয়মিত ব্যবহার করে যারা আকষর্ণীয় চুল পাচ্ছেন না তারা হয়তো সঠিক নিয়মে কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন না। আর তাই জেনে নিন কন্ডিশনার ব্যবহারের সঠিক কিছু নিয়ম।

১) প্রথমত, কন্ডিশনার চুলে দেয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, চুলে কোনো শ্যাম্পু অবশিষ্ট নেই। শ্যাম্পু করার পর ভালো করে ধুয়ে নিন চুল। শ্যাম্পুর শেষ বিন্দু চুল থেকে সরে গেলে তবেই কন্ডিশনার দিন।

২) অনেকেই মনে করেন কন্ডিশনার অনেক বেশি দিতে হয়। এটা ভুল ধারণা। ছোট একটি মুদ্রার সমান কন্ডিশনার আপনার হাতের তালুতে নিন। তারপর দুই হাতের তালুতে ভালো করে ঘষে নিন। সবশেষে আঙ্গুল দিয়ে চুলের মধ্যে কন্ডিশনার মাখিয়ে নিন।

৩) চুলের আগা থেকে গোড়ার দিকে আস্তে আস্তে হাতের আঙ্গুল দিয়ে চুলে মাখিয়ে নিন কন্ডিশনার।

৪) মনে রাখবেন, কন্ডিশনার দেয়া হয় চুলে। তাই মাথার ত্বকের চামড়ায় কন্ডিশনার দেবেন না। মাথার স্কালপে যেন কন্ডিশনার না লেগে যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৫) আমরা অনেক সময়ই কন্ডিশনার ব্যবহারের ইতিবাচক ফল দেখতে না পাওয়ার কারণ হলো আমরা কন্ডিশনার প্রয়োগ করেই সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলি। এটা ঠিক না। চুলে কন্ডিশনার মাখিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

৬) সবশেষে ঠাÐা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ততক্ষণ ধুতে থাকুন যতক্ষণ না আপনার মনে হচ্ছে যে, আপনি সিল্কি, মসৃণ এবং চকচকে চুল পাচ্ছেন।

আপনার সম্পকর্টা কেমন...

উনিশ বিশ ডেস্ক

আজকাল আপনার অনেক কিছুই রুটিনমাফিক হয় না। সবকিছুর মধ্যেও একজনকে কেন যেন বিশেষ মনে হচ্ছে। আপনার দৈনন্দিন কাজকমের্ সে অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু আপনি ঠিক বুঝতে পারছেন না তার সঙ্গে আপনার সম্পকর্টা কেমন।

দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মধ্যে এমন এক ধরনের যোগাযোগ তৈরি হয় যা বাকি সব সম্পকের্র থেকে একেবারে আলাদা। তাহলে তার সঙ্গে আপনার সম্পকর্টা কেমন? আপনি তার প্রেমে পড়েছেন?

এই লক্ষণগুলো নিজের মধ্যে দেখলে নিমেষেই বুঝে যাবেন আপনি প্রেমে পড়তে চলেছেনÑ

এক. সারাদিনে প্রায় সারাক্ষণ একে অন্যের সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। দিনের সব কথা একে অন্যের সঙ্গে শেয়ার করছেন। মাঝরাতে কথা বলা আপনাদের ডেইলি রুটিন।

দুই. সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি কিংবা জোকস অথবা স্ট্যাটাসÑ কিছু পোস্ট করেছেন। কিন্তু পরিচিত সবার মধ্যে থেকে সেই নিদির্ষ্ট ব্যক্তির প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করছেন।

তিন. বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে কোনো প্ল্যান হয়েছে। কিন্তু যেই ওই ব্যক্তির সঙ্গে অন্য কোনো প্ল্যান হলো, তখনই আপনি বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও যাওয়ার প্ল্যান বাতিল করে দিলেন।

চার. একে অন্যের সব কথা জানেন। ব্যক্তিগত সব কথা একে অন্যের সঙ্গে শেয়ার করেন। বিষয়টি আগে তাকেই জানাতে হবে এমন একটা তাড়া কাজ করবে।

পঁাচ. নিজের মধ্যে গুছিয়ে চলার একটা ভাব জন্ম নেবে। নীতি-নৈতিকতার বিষয়ে কথা বলার প্রবণতা বাড়বে।

ছয়. বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে হই-হুল্লোড়ের চেয়ে একা থাকতে ভালো লাগবে।

মাদকের থাবা

উনিশ বিশ ডেস্ক

মাদকের থাবায় অনেক উজ্জ্বল তরুণের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুধু সচেতনতাই তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। তবে এ কুঅভ্যাস থেকে দূরে থাকার জন্য নৈতিক চেষ্টা খুবই প্রয়োজন।

কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মাদক পাচার ও মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়েছে। অধিদপ্তরের কমর্কতার্রা বলছেন, প্রতিনিয়ত পাশের দেশগুলো থেকে মাদক পাচার হয়ে আসছে। স্বল্প জনবল ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধার অভাবে তা প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। এক হিসাবে দেখা গেছে, মাদকসেবীরা প্রতিদিন মাদকের পেছনে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পযর্ন্ত ব্যয় করে। এ হিসাবে বছরে মাদকের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ১৫ থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যায়, মাদক সেবনকারীদের প্রায় ৮৫ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছর। মাদকদ্রব্য কেনার জন্য টাকা জোগাড় করতে তারা বিভিন্ন অপরাধ করে। এছাড়া সেবনকারীদের একটি অংশ পরে মাদক ব্যবসায়ও জড়িয়ে পড়ে।জেলায় জেলায় বসে ফেনসিডিলের হাট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, দেশে সীমান্তপথে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ঢুকছে। অবৈধ পথে ফেনসিডিল আমদানিতে দেশের বাষির্ক ব্যয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রতিদিন গড় ব্যয় কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা।একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থার তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর গড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৭ কোটি বোতল ফেনসিডিল অবৈধ পথে আসছে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে