logo
মঙ্গলবার ২০ আগস্ট, ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

  ছবি ঘোষ   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

এককাপ কফি

এককাপ কফি পানেই উধাও হয়ে যায় সব ক্লান্তি। চায়ের পাশাপাশি পানীয় হিসেবে কফির চাহিদা বেড়েই চলেছে দিনে দিনে। এটি আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী। কফির কিন্তু আরও অনেক গুণ রয়েছে। পান করা ছাড়াও কফির সদ্ব্যবহার করতে পারেন। বুকের জন্য কফি খুব উপকারী। কফি আমাদের ত্বকের রিঙ্কেল ও মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এক চা চমক বেকিং সোডার সঙ্গে কফি পাউডার মেশান। এরপর মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভালো করে ধুয়ে নিন। ফ্রিজে দুগের্ন্ধর সঙ্গে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। একটি কাপে কিছুটা কফি রেখে দিন ফ্রিজের মধ্যে। কফির সব দুগর্ন্ধ টেনে নেবে। ফ্রিজকে দুগর্ন্ধ মুক্ত রাখবে।

শখের বাগান থাকলে গাছেরও যতœ নিতে পারেন এই কফি দিয়ে। পানির সঙ্গে মিশিয়ে বা জৈব সারের সঙ্গে মিশিয়েও দিতে পারেন। এতে মাটির নাইট্রোজেন বৃদ্ধি পায়। গাছের বৃদ্ধিও ভালো হয়। তবে কফির মাত্রা যেন খুব বেশি না হয়, লক্ষ্য রাখবেন।

যদি আপনার বা আপনার বয়স্ক অভিভাবকদের কারও ভুলে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তা হলে প্রতিদিন নিজেদের মধ্যেই একটা খেলা খেলতে পারেন। প্রিয় গান বা সুরের একটা তালিকা তৈরি করুন, তার পর সেটা বাজিয়ে মনে করার চেষ্টা করুন সেই গান বা সুরের সঙ্গে আপনার কোনো স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। কারণ গান আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ কাযর্কর।

আপনি অফিস যাওয়ার সময় যানবাহনে যতটা সময় কাটান, তার মধ্যেই বেশ কয়েকটি ক্রসওয়াডর্ বা সুডোকু পাজল সলভ হয়ে যাওয়ার কথা। যে কোনো ধঁাধা সমাধানের জন্য মস্তিষ্ককে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়, নাভর্গুলোও সচল ও সতকর্ হয়ে ওঠে। শব্দ ছকের আর একটা সুবিধে হচ্ছে, প্রচুর নতুন শব্দ শেখা যায় এবং সেগুলিকে মনে রাখার জন্যও মস্তিষ্ক সচেষ্ট হয়ে ওঠে। তাই চেষ্টা করুন পাজল মেলানোর।

শিশুদের সঙ্গে যদি খানিকটা সময় নিমর্ল আনন্দে কাটানো সম্ভব হয়, তা হলে মন বেশ ঝরঝরে থাকে। শিশুদের সঙ্গে তাদের মতো করে খেলুন, লুকিয়ে আইসক্রিম খেতে যান, তাদের কল্পনার দুনিয়ার শরিক হয়ে উঠুন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে