logo
রোববার ১৮ আগস্ট, ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

  রাফি হোসেন   ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

সহযোগিতার মনোভাব থাকতে হবে

সহযোগিতার মনোভাব থাকতে হবে
সাব্বির আহমেদ
সহযোগিতা অবশ্যই ভালো কিছুর সম্ভাবনা তৈরি করে। সাফল্যের জন্য এটি দরকারি। করপোরেট সেক্টরে ব্র্যান্ড নিয়ে কাজ করতে চান এরকম তরুণের সংখ্যা কম নয়। যারা এ সেক্টরে কাজ করতে চান তাদের কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো নিয়ে কথা বলেছেন অভিভজ্ঞজনরা।

পাশাপাশি তারা শেয়ার করেছেন নিজেদের অভিজ্ঞতা চ্যালেঞ্জ আর কমর্পদ্ধতি। আজকে উনিশ বিশের সঙ্গে কথা বলেছেন গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাব্বির আহমেদ।

সাব্বির আহমেদ। সৃজনশীল ও উদ্যমী একজন মানুষ। গ্রামীণফোন লিমিটেডে কাজ করছেন। সেখানে তিনি ব্র্যান্ড সেকশনে কাজ করছেন। পড়াশোনা করেছেন মতিঝিল গভনের্মন্ট হাইস্কুলে। বিপণন বিষয়ে তিনি কাজ করেন।

তিনি কিছুদিন মিয়ানমার টেলিনরে কাজ করেছেন। এখন গ্রামীণফোনের হেড অফিসে কাজ করে থাকেন। বিপণন নিয়ে তার কাজ অবশ্যই অসাধারণ।

তরুণ বয়সেই তিনি হয়েছেন গ্রামীণফোন লিমিটেডের ব্র্যান্ড সেকশনে বিশেষ ভ‚মিকা রাখছেন। মাকেির্টং পেশায় যারা আসতে চান সেই সব নতুনের জন্য তার পরামশর্ হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। শেখার মানসিকতা থাকতে হবে।

বতর্মানে তার সঙ্গে ইন্টানির্শপ করছেন একজন। নিয়মিতই তার অধীনে নতুনরা ইন্টানির্শপ করেন। যারা ইন্টানির্শপ করতে চান তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তারপর ইন্টারভিউতে উত্তীণর্ হলে কিছু প্রজেক্ট দেয়া হয়। যেমন এবার যিনি কাজ করছেন সাব্বিরের অধীনে তিনি আসন্ন নতুন প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং বিভিন্ন ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করছেন।

সারাবছরই বিপণন নিয়ে ভাবতে হয় যারা ব্র্যান্ড সেক্টরে কাজ করেন। গত বছর পযার্য়ক্রমে ক্রেতা এবং ভোক্তাভিত্তিক বিশেষ কিছু কাযর্ক্রম করেন সাব্বির ও তার টিম। সে সময় বৈচিত্র্যময় এবং অসাধারণ কিছু কাজ করেন তারা। বেশকিছু নতুন উদ্যোগ অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ক্রেতাদের কাছে। এই কাযর্ক্রমগুলো ক্রেতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে এবং ম্যাগি নুডলসের বিজনেসে এনে দেয় সফলতা।

ইভেন্ট আর অ্যাক্টিভেশনে কীভাবে বৈচিত্র্য আনা যায় সে বিষয়ে ব্র্যান্ড ডিপাটের্মন্টকে ভাবতে হয়। সাব্বির এই ইভেন্ট আর অ্যাক্টিভেশনের কাজে নানারকম চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। শুধু টিভিসির ওপর নিভর্র না করে নানারকম আইডিয়া তৈরি করেছেন। আইডিয়াগুলো নিজের টিম আর ঊধ্বর্তন কতৃর্পক্ষকে বুঝিয়েছেন। সময়মতো সঠিকভাবে প্রয়োগ করেছেন তার আইডিয়া। সাব্বির বিশ্বাস করেন একজন সফল বিপণনকমীর্র সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো যে কোনো ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনে আসল মেসেজটা অত্যন্ত সহজ এবং সাবলীলভাবে ভোক্তার কাছে উপস্থাপন করা।

বিপণনের ক্ষেত্রে পণ্য ক্রেতার কাছে পেঁৗছানো জরুরি। ক্রেতার মধ্যে পণ্য সম্পকের্ ভালো মনোভাব গড়ে তোলা গুরুত্বপূণর্। এই জন্য বিপণন কমর্কতার্রা বিভিন্ন মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে থাকেন। মিডিয়ার কমর্কতাের্দর সহযোগিতা নিয়ে করতে থাকে মিডিয়া মাকেির্টং। মিডিয়া মাকেির্টংয়ের ক্ষেত্রেও তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন।

সাব্বির এবং তার টিমের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে ব্র্যান্ড দল। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের কাছ থেকে পর পর কয়েক বছর শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পায় গ্রামীণফোন লিমিটেড। ২০১৮ সালে টেলিকম সেক্টরে গ্রামীণফোন পায় শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের পুরস্কার। এই অজের্ন ব্র্যান্ড ডিপাটের্মন্টের অন্য অনেকের মতো সাব্বিরের রয়েছে বিশেষ অবদান।

টেলিকমিউনিকেশন বিষয়টি সবসময় বড় জনগোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে বিবেচনা করতে হয়। ক্রেতারা সবসময়ই চান কিছু নতুনত্ব আর বৈচিত্র্যময়তা। যার ফলে সাব্বির ও তার টিম নিরলসভাবে কাজ করে থাকেন নিত্য-নতুন সাভির্স ও টেলিকম রিলেটেড প্রডাক্ট বাজারে নিয়ে আসার। এই সব কারণে ম্যাগি নুডলসের রয়েছে শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয়তা এবং পরিচিতি।

গ্রামীণফোনের সহকমীের্দর কাছে সাব্বির ভীষণ জনপ্রিয়। সাইকোলজিক্যাল কো-অডিের্নশনে সাব্বির বেশ পারদশীর্। সবসময় শেখার মনমানসিকতা নিয়ে থাকেন ফলে নতুন সমস্যার চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করেন সানন্দে। সদা উদ্যমী ও প্রাণোচ্ছল এই মানুষটি সামাজিক দায়িত্ব পালনেও এগিয়ে যান। পরিবারে কাছেও তিনি আদশর্ মানুষ। মোটকথা বলা যায়, তিনি একজন সৃজনশীল উদ্যমী এবং অনুকরণীয় একজন মানুষ।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে