logo
রোববার ২৬ মে, ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

  রূপম জামান   ০৯ মার্চ ২০১৯, ০০:০০  

ফাস্টফুড নিয়ে গবেষণা

ফাস্টফুড নিয়ে গবেষণা
ফাস্টফুড মানুষ স্বভাবত নতুন বিষয়ে আগ্রহী থাকে। নতুনত্ব নিয়ে আসতে চায় সব ক্ষেত্রে। তাই খাদ্যের নতুন ও আকর্ষণীয় ভাব মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। জিহ্বার স্বাদ যে অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয় তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। তাই আসুন জেনে নিই ফাস্টফুডের ক্ষতিকর দিকগুলো-

স্বাস্থ্যঘাতী ফাস্টফুড বর্তমানে সারাবিশ্বে বাড়ছে অনেক অজানা খাদ্যবাহিত রোগ। আর এগুলোর মূল কারণ হিসেবে সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছে রসনা তৃপ্তিদায়ক ফাস্টফুড। বিশ্বজুড়ে যার নাম 'জাংক ফুড'। যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যসংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয় প্রায় দিনে দুই লাখ লোক। যার মধ্যে প্রায় ৫০ জন মারা যায়।

ওহ-ঘ-ঙঁঃথইঁৎমবৎথপযববংবনঁৎমবৎং ফাস্টফুড বলতে গেলে অন্তরে প্রথমে যে জিনিসের কল্পনা আসে তা হলো বার্গার। অনেকের খুব প্রিয় এই বার্গার। বার্গারের সম্পর্কে ভালো না জানা বা সঠিক না জানাই তা প্রিয় ভাব ধরে রেখেছে। আসুন একটু দেখি বার্গারের গোপন কথা। বার্গারে যে গরুর বা খাসির গোশত দেয়া হয় তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানি। আমেরিকার কথা বলি তাহলে দেশের অবস্থা আপনারা বুঝবেন। সেখানে কীভাবে গোশত প্রস্তুত করা হয়? সেখানে একটি বিফ বার্গারে যে মাংসের কিমা থাকে তা অন্তত এক ডজন গরু এবং কখনো কখনো কয়েকশ পর্যন্ত গরুর গোশত মিশ্রিত থাকে। আর গুরুর অবস্থাও তেমন পর্যাবেক্ষণ করা হয় না।

সেখানে চামড়া, এমনকি গোবর পর্যন্ত লেগে থাকে। সঙ্গে মাংসবাহিত জীবাণু যেমন- ই কোলাই, সালমোনেলাসহ আরো অনেক জীবাণু। এক মণ মাংস সংক্রমিত করতে একটি জীবাণুই যথেষ্ট। আর আপনি বুঝবেন বা কীভাবে তা আপনার কাছে আসার আগে প্রচন্ড চাপে ডিপ ফ্রাই করা হয়। আর ভাবছেন যে ফ্লেভার তা অরিজিনাল! না তা হচ্ছে যোগ করা। এক প্রকার দ্রব্য পাওয়া যায় যা মাংসের মতো গন্ধ দেয়। যা খেয়ে হাজার হাজার লোক খাদ্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। সম্মানিত পাঠক মহোদয় একটু চিন্তা করুন সভ্যতার সর্বোচ্চ আসনে থেকে যদি তাদের খাদ্য নিরাপত্তার এই অবস্থা হয়, তাহলে আমাদের দেশের কী অবস্থা?

শুধু তাই নয়- ১৯৯৭ সালের আগে সে দেশে মৃত গবাদি পশুর গোশত বাজারে বিক্রি করা হয়। এক সময় ব্রিটেনে মাট কাউ ডিজিজ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন সাংবাদিক এরিক শ্লোজার টানা তিন বছর গবেষণা ও অনুসন্ধান চালিয়ে ফাস্টফুড নেশন নামে একটি বই লেখেন, যাতে আমেরিকার খাদ্য অবস্থার প্রমাণ রয়েছে। ২০০২ সালে তা প্রকাশিত হয়।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে